আলাক্ব

উইকিসংকলন থেকে

মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত ১৯, রুকু ১

রহমান রহীম আল্লাহ তায়ালার নামে

০০১. (হে মোহাম্মদ), তুমি পড়ো, (পড়ো) তোমার মালিকের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন,
০০২. যিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন জমাটবাঁধা রক্ত থেকে,
০০৩. তুমি পড়ো এবং (জেনে রাখো) তোমার মালিক বড়োই মেহেরবান,
০০৪. তিনি (মানুষকে) কলম দ্বারাই (জ্ঞান-বিজ্ঞান) শিখিয়েছেন,
০০৫. তিনি মানুষকে (এমন সবকিছু) শিখিয়েছেন যা (তিনি না শেখালে) সে কখনো জানতে পারতো না;
০০৬. (আর) হাঁ, এ মানুষটিই (বড়ো হয়ে) বিদ্রোহে মেতে ওঠে;
০০৭. সে দেখতে পায় তার যেন (এখন আর) কোনো অভাব নেই;
০০৮. অথচ (এ নির্বোধ ভেবে দেখে না,) একদিন তার মালিকের দিকেই (তার) প্রত্যাবর্তন হবে;
০০৯. তুমি কি সে (দাম্ভিক) ব্যক্তিটিকে দেখেছো যে তাকে বাধা দিলো-
০১০. (বাধা দিলো আল্লাহর) এক বান্দাকে যে নামায পড়ছিলো;
০১১. তুমি কি দেখেছো, সে কি সঠিক পথের ওপর আছে,
০১২. কিংবা সে কি (অন্যদের আল্লাহ তায়ালাকে) ভয় করার আদেশ দেয়?
০১৩. সে ব্যাক্তি সম্পর্কে তুমি কি মনে করো যে (আল্লাহকে) মিথ্যা প্রতিপন্ন করে এবং (তাঁর থেকে) মুখ ফিরিয়ে নেয়;
০১৪. এ (দাম্ভিক) লোকটি কি জানে না আল্লাহ তায়ালা (তার সব কিছুই) পর্যবেক্ষণ করছেন;
০১৫. (কিছুতেই) না, যদি সে (এ থেকে) ফিরে না আসে, তাহলে অবশ্যই তাকে আমি সম্মুখভাগের চুলের গোছা ধরে হেঁচড়াবো,
০১৬. (তুমি কি জানো সে কে যার চুল ধরে আমি হেঁচড়াবো?) সে হচ্ছে (আমাকে) মিথ্যা প্রতিপন্নকারী না-ফরমান ব্যাক্তিটি,
০১৭. সে (আজ বাঁচার জন্য) তার সঙ্গী-সাথীদের ডেকে আনুক,
০১৮. আমিও তার জন্যে (আযাবের) ফেরেশতাদের ডাক দেবো,
০১৯. কখনো নয়; তুমি কিছুতেই তার অনুসরণ করো না, তুমি (বরং) তোমার মালিকের সামনে সাজদাবনত হও এবং তাঁর নৈকট্য লাভ করো।

বাংলা অনুবাদ করেছেনঃ হাফেজ মুনির উদ্দিন আহমদ