| নং |
বাংলা নাম |
মূল গ্রন্থ |
| ১ |
আমারে তুমি অশেষ করেছ |
গীতিমাল্য, ২৩ |
| ২ |
তুমি যখন গান গাহিতে বল |
গীতাঞ্জলি, ৭৮ |
| ৩ |
তুমি কেমন করে গান কর যে গুণী |
গীতাঞ্জলি, ২২ |
| ৪ |
আমার সকল অঙ্গে তোমার পরশ |
নৈবেদ্য, ৭৫ |
| ৫ |
তুমি একটু কেবল বসতে দিয়ো কাছে |
গীতিমাল্য, ২০ |
| ৬ |
ছিন্ন করে লও হে মোরে |
গীতাঞ্জলি, ২৭ |
| ৭ |
আমার এ গান ছেড়েছে তার সকল অলঙ্কার |
গীতাঞ্জলি, ১২৫ |
| ৮ |
রাজার মতো বেশে তুমি সাজাও যে শিশুরে |
গীতাঞ্জলি, ১২৭ |
| ৯ |
আর আমায় আমি নিজের শিরে |
গীতাঞ্জলি, ১০৫ |
| ১০ |
যেথায় থাকে সবার অধম |
গীতাঞ্জলি, ১০৭ |
| ১১ |
ভজন পূজন সাধন আরাধনা |
গীতাঞ্জলি, ১১৯ |
| ১২ |
অনেক কালের যাত্রা আমার |
গীতাঞ্জলি, ১৪ |
| ১৩ |
হেথা যে গান গাইতে আসা আমার |
গীতাঞ্জলি, ৩৯ |
| ১৪ |
আমি বহু বাসনায় প্রাণপণে চাই |
গীতাঞ্জলি, ২ |
| ১৫ |
আমি হেথায় থাকি শুধু |
গীতাঞ্জলি, ৩১ |
| ১৬ |
জগতে আনন্দযজ্ঞে আমার নিমন্ত্রণ |
গীতাঞ্জলি, ৪৪ |
| ১৭ |
প্রেমের হাতে ধরা দেব |
গীতাঞ্জলি, ১৫১ |
| ১৮ |
মেঘের পরে মেঘ জমেছে |
গীতাঞ্জলি, ১৬ |
| ১৯ |
ওগো মৌন, না যদি কও |
গীতাঞ্জলি, ৭১ |
| ২০ |
যেদিন ফুটল কমল কিছুই জানি নাই |
গীতিমাল্য, ১৭ |
| ২১ |
এবার ভাসিয়ে দিতে হবে আমার |
গীতিমাল্য, ১৬ |
| ২২ |
আজি শ্রাবণ-ঘন-গহন-মোহে |
গীতাঞ্জলি, ১৮ |
| ২৩ |
আজি ঝড়ের রাতে তোমার অভিসার |
গীতাঞ্জলি, ২০ |
| ২৪ |
দিবস যদি সাঙ্গ হল |
গীতাঞ্জলি, ১৫৭ |
| ২৫ |
মাঝে মাঝে কভু যদি অবসাদ আসি |
নৈবেদ্য, ৯৮ |
| ২৬ |
সে যে পাশে এসে বসেছিল |
গীতাঞ্জলি, ৬১ |
| ২৭ |
কোথায় আলো কোথায় ওরে আলো |
গীতাঞ্জলি, ১৭ |
| ২৮ |
জড়ায়ে আছে বাধা, ছাড়ায়ে যেতে চাই |
গীতাঞ্জলি, ১৪৫ |
| ২৯ |
আমার নামটা দিয়ে ঢেকে রাখি যারে |
গীতাঞ্জলি, ১৪৩ |
| ৩০ |
একলা আমি বাহির হলেম |
গীতাঞ্জলি, ১০৩ |
| ৩১ |
বন্দী, তোরে কে বেঁধেছে |
খেয়া, বন্দী |
| ৩২ |
সংসারেতে আর যাহারা |
গীতাঞ্জলি, ১৫২ |
| ৩৩ |
তারা দিনের বেলা এসেছিল |
গীতাঞ্জলি, ৮০ |
| ৩৪ |
তোমায় আমার প্রভু করে রাখি |
গীতাঞ্জলি, ১৩৮ |
| ৩৫ |
চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির |
নৈবেদ্য, ৭২ |
| ৩৬ |
তব কাছে এই মোর শেষ নিবেদন |
নৈবেদ্য, ৯৯ |
| ৩৭ |
ভেবেছিনু মনে যা হবার তারি শেষে |
গীতাঞ্জলি, ১২৪ |
| ৩৮ |
চাই গো আমি তোমারে চাই |
গীতাঞ্জলি, ৮৮ |
| ৩৯ |
জীবন যখন শুকায়ে যায় |
গীতাঞ্জলি, ৫৮ |
| ৪০ |
দীর্ঘকাল অনাবৃষ্টি, অতি দীর্ঘকাল |
নৈবেদ্য, ৮৬ |
| ৪১ |
তোথা ছায়ার কোণে দাঁড়িয়ে তুমি |
খেয়া, প্রচ্ছন্ন |
| ৪২ |
কথা ছিল এক তরীতে |
গীতাঞ্জলি, ৮৩ |
| ৪৩ |
তখন কিরিনি নাথ, কোনো আয়োজন |
নৈবেদ্য, ৩৩ |
| ৪৪ |
আমার এই পথ-চাওয়াতেই আনন্দ |
গীতিমাল্য, ৭ |
| ৪৫ |
তোরা শুনিস কি শুনিস নি |
গীতাঞ্জলি, ৬২ |
| ৪৬ |
আমার মিলন লাগি তুমি |
গীতাঞ্জলি, ৩৪ |
| ৪৭ |
পথ চেয়ে তো কাটল নিশি |
খেয়া, জাগরণ |
| ৪৮ |
তখন আকাশতলে ঢেউ তুলেছে |
খেয়া, নিরুদ্যম |
| ৪৯ |
তব সিংহাসনের আসন হতে |
গীতাঞ্জলি, ৫৬ |
| ৫০ |
আমি ভিক্ষা করে ফিরতেছিলাম |
খেয়া, কৃপণ |
| ৫১ |
তখন রাত্রি আঁধার হল |
খেয়া, আগমন |
| ৫২ |
ভেবেছিলাম চেয়ে নেব |
খেয়া, দান |
| ৫৩ |
সুন্দর বটে তব অঙ্গদখানি |
গীতিমাল্য, ৩০ |
| ৫৪ |
তোমার কাছে চাইনি কিছু |
খেয়া, কুয়ার ধারে |
| ৫৫ |
এখনো ঘোর ভাঙে না তোর যে |
গীতিমাল্য, ১৮ |
| ৫৬ |
তাই তোমার আনন্দ আমার 'পর |
গীতাঞ্জলি, ১২১ |
| ৫৭ |
আলো, আমার আলো |
অচলায়তন |
| ৫৮ |
যেন শেষ গানে মোর |
গীতাঞ্জলি, ১৩৪ |
| ৫৯ |
এই তো তোমার প্রেম, ওগো হৃদয়হরণ |
গীতাঞ্জলি, ৩০ |
| ৬০ |
জগৎ-পারাবারের তীরে |
শিশু, ভূমিকা |
| ৬১ |
খোকার চোখে যে ঘুম আসে |
শিশু, খোকা |
| ৬২ |
রঙিন খেলেনা দিলে ও রাঙা হাতে |
শিশু, কেন মধুর |
| ৬৩ |
কত অজানারে জানাইলে তুমি |
গীতাঞ্জলি, ৩ |
| ৬৪ |
কাশের বনে শূন্য নদীর তীরে |
খেয়া, অনাবশ্যক |
| ৬৫ |
হে মোর দেবতা, ভরিয়া এ দেহ প্রাণ |
গীতাঞ্জলি, ১০১ |
| ৬৬ |
জীবনে যা চিরদিন রয়ে গেছে আভাসে |
গীতাঞ্জলি, ১৪৯ |
| ৬৭ |
একাধারে তুমিই আকাশ, তুমি নীড় |
নৈবেদ্য, ৮১ |
| ৬৮ |
তব রবিকর আসে কর বাড়াইয়া |
গীতিমাল্য, ২৯ |
| ৬৯ |
এ আমার শরীরের শিরায় শিরায় |
নৈবেদ্য, ২৬ |
| ৭০ |
পারবি না কি যোগ দিতে এই ছন্দে রে |
গীতাঞ্জলি, ৩৬ |
| ৭১ |
আমি আমায় করবো বড় |
গীতিমাল্য, ১৫ |
| ৭২ |
কে গো অন্তরতর সে |
গীতিমাল্য, ২২ |
| ৭৩ |
বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি, সে আমার নয় |
নৈবেদ্য, ৩০ |
| ৭৪ |
আর নাই রে বেলা, নামল ছায়া |
গীতাঞ্জলি, ২৬ |
| ৭৫ |
মর্তবাসীদের তুমি যা দিয়েছ প্রভু |
নৈবেদ্য, ৪৪ |
| ৭৬ |
প্রতিদিন আমি হে জীবনস্বামী |
নৈবেদ্য, ১ |
| ৭৭ |
দেবতা জেনে দূরে রই দাঁড়ায়ে |
গীতাঞ্জলি, ৯২ |
| ৭৮ |
বিধি যেদিন ক্ষান্ত দিলেন |
খেয়া, হারাধন |
| ৭৯ |
যদি তোমার দেখা না পাই প্রভু |
গীতাঞ্জলি, ২৪ |
| ৮০ |
আমি শরৎশেষের মেঘের মতো |
খেয়া, লীলা |
| ৮১ |
মাঝে মাঝে কতবার ভাবি কর্মহীন |
নৈবেদ্য, ২৪ |
| ৮২ |
হে রাজেন্দ্র, তব হাতে কাল অন্তহীন |
নৈবেদ্য, ৩৯ |
| ৮৩ |
তোমার সোনার থালায় সাজাবো আজ |
গীতাঞ্জলি, ১০ |
| ৮৪ |
হেরি অরহর তোমারি বিরহ |
গীতাঞ্জলি, ২৫ |
| ৮৫ |
প্রভুগৃহ হতে আসিলে যেদিন |
গীতাঞ্জলি, ১২৩ |
| ৮৬ |
পাঠাইলে আজি মৃত্যুর দূত |
নৈবেদ্য, ১৮ |
| ৮৭ |
আমার ঘরেতে আর নাই সে যে নাই |
স্মরণ, ৫ |
| ৮৮ |
ভাঙ্গা দেউলের দেবতা |
কল্পনা, ভগ্নমন্দির |
| ৮৯ |
কোলাহল তো বারণ হল |
গীতিমাল্য, ৮ |
| ৯০ |
মরণ যেদিন দিনের শেষে |
গীতাঞ্জলি, ১১৪ |
| ৯১ |
ওগো আমার এই জীবনের শেষ পরিপূর্ণতা |
গীতাঞ্জলি, ১১৬ |
| ৯২ |
একদিন এই দেখা হয়ে যাবে শেষ |
চৈতালী, দুর্লভ জন্ম |
| ৯৩ |
পেয়েছি ছুটি বিদায় দেহ ভাই |
গীতিমাল্য, ২৬ |
| ৯৪ |
এবার তোরা আমার যাবার বেলাতে |
গীতিমাল্য, ২১ |
| ৯৫ |
জীবনের সিংহদ্বারে পশিনু যে ক্ষণে |
নৈবেদ্য, ৮৯ ও ৯০ |
| ৯৬ |
যাবার দিনে এই কথাটি |
গীতাঞ্জলি, ১৪২ |
| ৯৭ |
আমার খেলা যখন ছিল তোমার সনে |
গীতাঞ্জলি, ৬৮ |
| ৯৮ |
হার-মানা হার পরাব তোমার গলে |
গীতিমাল্য, ২৪ |
| ৯৯ |
আমি হাল ছাড়লে তবে |
গীতিমাল্য, ৬ |
| ১০০ |
রূপসাগরে ডুব দিয়েছি |
গীতাঞ্জলি, ৪৭ |
| ১০১ |
গান দিয়ে যে তোমায় খুঁজি |
গীতাঞ্জলি, ১৩২ |
| ১০২ |
তোমায় চিনি বলে আমি করেছি গরব |
উৎসর্গ, ৬ |
| ১০৩ |
একটি নমস্কারে প্রভু |
গীতাঞ্জলি, ১৪৮ |