গীতাঞ্জলি (কাব্যগ্রন্থ)

উইকিসংকলন থেকে

(গীতাঞ্জলি থেকে ঘুরে এসেছে)
গীতাঞ্জলি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

১৯১৩ সালে এই গ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার পান


[সম্পাদনা] ভূমিকা

[সম্পাদনা] গান ও কবিতাসমূহের তালিকা

নং বাংলা নাম মূল গ্রন্থ
আমারে তুমি অশেষ করেছ গীতিমাল্য, ২৩
তুমি যখন গান গাহিতে বল গীতাঞ্জলি, ৭৮
তুমি কেমন করে গান কর যে গুণী গীতাঞ্জলি, ২২
আমার সকল অঙ্গে তোমার পরশ নৈবেদ্য, ৭৫
তুমি একটু কেবল বসতে দিয়ো কাছে গীতিমাল্য, ২০
ছিন্ন করে লও হে মোরে গীতাঞ্জলি, ২৭
আমার এ গান ছেড়েছে তার সকল অলঙ্কার গীতাঞ্জলি, ১২৫
রাজার মতো বেশে তুমি সাজাও যে শিশুরে গীতাঞ্জলি, ১২৭
আর আমায় আমি নিজের শিরে গীতাঞ্জলি, ১০৫
১০ যেথায় থাকে সবার অধম গীতাঞ্জলি, ১০৭
১১ ভজন পূজন সাধন আরাধনা গীতাঞ্জলি, ১১৯
১২ অনেক কালের যাত্রা আমার গীতাঞ্জলি, ১৪
১৩ হেথা যে গান গাইতে আসা আমার গীতাঞ্জলি, ৩৯
১৪ আমি বহু বাসনায় প্রাণপণে চাই গীতাঞ্জলি, ২
১৫ আমি হেথায় থাকি শুধু গীতাঞ্জলি, ৩১
১৬ জগতে আনন্দযজ্ঞে আমার নিমন্ত্রণ গীতাঞ্জলি, ৪৪
১৭ প্রেমের হাতে ধরা দেব গীতাঞ্জলি, ১৫১
১৮ মেঘের পরে মেঘ জমেছে গীতাঞ্জলি, ১৬
১৯ ওগো মৌন, না যদি কও গীতাঞ্জলি, ৭১
২০ যেদিন ফুটল কমল কিছুই জানি নাই গীতিমাল্য, ১৭
২১ এবার ভাসিয়ে দিতে হবে আমার গীতিমাল্য, ১৬
২২ আজি শ্রাবণ-ঘন-গহন-মোহে গীতাঞ্জলি, ১৮
২৩ আজি ঝড়ের রাতে তোমার অভিসার গীতাঞ্জলি, ২০
২৪ দিবস যদি সাঙ্গ হল গীতাঞ্জলি, ১৫৭
২৫ মাঝে মাঝে কভু যদি অবসাদ আসি নৈবেদ্য, ৯৮
২৬ সে যে পাশে এসে বসেছিল গীতাঞ্জলি, ৬১
২৭ কোথায় আলো কোথায় ওরে আলো গীতাঞ্জলি, ১৭
২৮ জড়ায়ে আছে বাধা, ছাড়ায়ে যেতে চাই গীতাঞ্জলি, ১৪৫
২৯ আমার নামটা দিয়ে ঢেকে রাখি যারে গীতাঞ্জলি, ১৪৩
৩০ একলা আমি বাহির হলেম গীতাঞ্জলি, ১০৩
৩১ বন্দী, তোরে কে বেঁধেছে খেয়া, বন্দী
৩২ সংসারেতে আর যাহারা গীতাঞ্জলি, ১৫২
৩৩ তারা দিনের বেলা এসেছিল গীতাঞ্জলি, ৮০
৩৪ তোমায় আমার প্রভু করে রাখি গীতাঞ্জলি, ১৩৮
৩৫ চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির নৈবেদ্য, ৭২
৩৬ তব কাছে এই মোর শেষ নিবেদন নৈবেদ্য, ৯৯
৩৭ ভেবেছিনু মনে যা হবার তারি শেষে গীতাঞ্জলি, ১২৪
৩৮ চাই গো আমি তোমারে চাই গীতাঞ্জলি, ৮৮
৩৯ জীবন যখন শুকায়ে যায় গীতাঞ্জলি, ৫৮
৪০ দীর্ঘকাল অনাবৃষ্টি, অতি দীর্ঘকাল নৈবেদ্য, ৮৬
৪১ তোথা ছায়ার কোণে দাঁড়িয়ে তুমি খেয়া, প্রচ্ছন্ন
৪২ কথা ছিল এক তরীতে গীতাঞ্জলি, ৮৩
৪৩ তখন কিরিনি নাথ, কোনো আয়োজন নৈবেদ্য, ৩৩
৪৪ আমার এই পথ-চাওয়াতেই আনন্দ গীতিমাল্য, ৭
৪৫ তোরা শুনিস কি শুনিস নি গীতাঞ্জলি, ৬২
৪৬ আমার মিলন লাগি তুমি গীতাঞ্জলি, ৩৪
৪৭ পথ চেয়ে তো কাটল নিশি খেয়া, জাগরণ
৪৮ তখন আকাশতলে ঢেউ তুলেছে খেয়া, নিরুদ্যম
৪৯ তব সিংহাসনের আসন হতে গীতাঞ্জলি, ৫৬
৫০ আমি ভিক্ষা করে ফিরতেছিলাম খেয়া, কৃপণ
৫১ তখন রাত্রি আঁধার হল খেয়া, আগমন
৫২ ভেবেছিলাম চেয়ে নেব খেয়া, দান
৫৩ সুন্দর বটে তব অঙ্গদখানি গীতিমাল্য, ৩০
৫৪ তোমার কাছে চাইনি কিছু খেয়া, কুয়ার ধারে
৫৫ এখনো ঘোর ভাঙে না তোর যে গীতিমাল্য, ১৮
৫৬ তাই তোমার আনন্দ আমার 'পর গীতাঞ্জলি, ১২১
৫৭ আলো, আমার আলো অচলায়তন
৫৮ যেন শেষ গানে মোর গীতাঞ্জলি, ১৩৪
৫৯ এই তো তোমার প্রেম, ওগো হৃদয়হরণ গীতাঞ্জলি, ৩০
৬০ জগৎ-পারাবারের তীরে শিশু, ভূমিকা
৬১ খোকার চোখে যে ঘুম আসে শিশু, খোকা
৬২ রঙিন খেলেনা দিলে ও রাঙা হাতে শিশু, কেন মধুর
৬৩ কত অজানারে জানাইলে তুমি গীতাঞ্জলি, ৩
৬৪ কাশের বনে শূন্য নদীর তীরে খেয়া, অনাবশ্যক
৬৫ হে মোর দেবতা, ভরিয়া এ দেহ প্রাণ গীতাঞ্জলি, ১০১
৬৬ জীবনে যা চিরদিন রয়ে গেছে আভাসে গীতাঞ্জলি, ১৪৯
৬৭ একাধারে তুমিই আকাশ, তুমি নীড় নৈবেদ্য, ৮১
৬৮ তব রবিকর আসে কর বাড়াইয়া গীতিমাল্য, ২৯
৬৯ এ আমার শরীরের শিরায় শিরায় নৈবেদ্য, ২৬
৭০ পারবি না কি যোগ দিতে এই ছন্দে রে গীতাঞ্জলি, ৩৬
৭১ আমি আমায় করবো বড় গীতিমাল্য, ১৫
৭২ কে গো অন্তরতর সে গীতিমাল্য, ২২
৭৩ বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি, সে আমার নয় নৈবেদ্য, ৩০
৭৪ আর নাই রে বেলা, নামল ছায়া গীতাঞ্জলি, ২৬
৭৫ মর্তবাসীদের তুমি যা দিয়েছ প্রভু নৈবেদ্য, ৪৪
৭৬ প্রতিদিন আমি হে জীবনস্বামী নৈবেদ্য, ১
৭৭ দেবতা জেনে দূরে রই দাঁড়ায়ে গীতাঞ্জলি, ৯২
৭৮ বিধি যেদিন ক্ষান্ত দিলেন খেয়া, হারাধন
৭৯ যদি তোমার দেখা না পাই প্রভু গীতাঞ্জলি, ২৪
৮০ আমি শরৎশেষের মেঘের মতো খেয়া, লীলা
৮১ মাঝে মাঝে কতবার ভাবি কর্মহীন নৈবেদ্য, ২৪
৮২ হে রাজেন্দ্র, তব হাতে কাল অন্তহীন নৈবেদ্য, ৩৯
৮৩ তোমার সোনার থালায় সাজাবো আজ গীতাঞ্জলি, ১০
৮৪ হেরি অরহর তোমারি বিরহ গীতাঞ্জলি, ২৫
৮৫ প্রভুগৃহ হতে আসিলে যেদিন গীতাঞ্জলি, ১২৩
৮৬ পাঠাইলে আজি মৃত্যুর দূত নৈবেদ্য, ১৮
৮৭ আমার ঘরেতে আর নাই সে যে নাই স্মরণ, ৫
৮৮ ভাঙ্গা দেউলের দেবতা কল্পনা, ভগ্নমন্দির
৮৯ কোলাহল তো বারণ হল গীতিমাল্য, ৮
৯০ মরণ যেদিন দিনের শেষে গীতাঞ্জলি, ১১৪
৯১ ওগো আমার এই জীবনের শেষ পরিপূর্ণতা গীতাঞ্জলি, ১১৬
৯২ একদিন এই দেখা হয়ে যাবে শেষ চৈতালী, দুর্লভ জন্ম
৯৩ পেয়েছি ছুটি বিদায় দেহ ভাই গীতিমাল্য, ২৬
৯৪ এবার তোরা আমার যাবার বেলাতে গীতিমাল্য, ২১
৯৫ জীবনের সিংহদ্বারে পশিনু যে ক্ষণে নৈবেদ্য, ৮৯ ও ৯০
৯৬ যাবার দিনে এই কথাটি গীতাঞ্জলি, ১৪২
৯৭ আমার খেলা যখন ছিল তোমার সনে গীতাঞ্জলি, ৬৮
৯৮ হার-মানা হার পরাব তোমার গলে গীতিমাল্য, ২৪
৯৯ আমি হাল ছাড়লে তবে গীতিমাল্য, ৬
১০০ রূপসাগরে ডুব দিয়েছি গীতাঞ্জলি, ৪৭
১০১ গান দিয়ে যে তোমায় খুঁজি গীতাঞ্জলি, ১৩২
১০২ তোমায় চিনি বলে আমি করেছি গরব উৎসর্গ, ৬
১০৩ একটি নমস্কারে প্রভু গীতাঞ্জলি, ১৪৮
ব্যক্তিগত হাতিয়ারসমূহ