বিষয়শ্রেণী:গান
উইকিসংকলন থেকে
ঝাঁপ দাও:
পরিভ্রমন
,
অনুসন্ধান
"গান" বিষয়শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত পাতাগুলি
এই বিষয়শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত মোট ১৯৪টি পাতার মধ্যে ১৯৪টি পাতা নিচে দেখানো হল।
অ
অনেক ভাগ্যের ফলে সে চাঁদ কেউ দেখিতে পায়
অমাবস্যার দিনে চন্দ্র থাকেন যেয়ে কোন শহরে
অয়ি ভুবনমনোমোহিনী
আ
আকাশভরা সূর্য-তারা
আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে
আগে চল্, আগে চল্ ভাই
আছে আদি মক্কা এই মানব দেহে
আজ জ্যোত্স্নারাতে সবাই গেছে
আজ জ্যোৎস্নারাতে সবাই গেছে বনে
আজ শ্রাবণের আমন্ত্রণে
আজব আয়না-মহল মণি গভীরে
আজি এ ভারত লজ্জিত হে
আজি তোমায় আবার
আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে
আজি যত তারা তব আকাশে
আজু, সখি, মুহু মুহু
আঠার মোকামে একটি রূপের বাতি জ্বলছে সদাই
আনন্দধ্বনি জাগাও গগনে
আপন ঘরের খবর লে না
আপনি অবশ হলি, তবে
আবহায়াতের নদী কোনখানে
আমরা পথে পথে যাব
আমরা মিলেছি আজ মায়ের ডাকে
আমরা সবাই রাজা
আমাদের যাত্রা হল শুরু
আমায় বাঁধবে যদি কাজের ডোরে
আমায় বোলো না গাহিতে বোলো না
আমার অভিমানের বদলে আজ
আমার খেলা যখন ছিল
আমার ঢালা গানের ধারা সেই তো তুমি পিয়েছিলে
আমার দেহ-নদীর বেগ থাকে না
আমার না-বলা বাণীর ঘন যামিনীর মাঝে
আমার পরান যাহা চায়
আমার বেলা যে যায় সাঁঝ-বেলাতে
আমার মুক্তি আলোয় আলোয়
আমার যে গান তোমার পরশ পাবে
আমার রাত পোহাল
আমার সকল রসের ধারা
আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে
আমি কেমন করিয়া জানাব আমার
আমি তোমায় যত শুনিয়েছিলাম গান
আমি ভয় করব না ভয় করব না
আমি হেথায় থাকি শুধু গাইতে তোমার গান
এ
এ বড় আজব কুদরতি
এ ভারতে রাখো নিত্য, প্রভু
এক ফুলে চার রঙ ধরেছে
একটি নমস্কারে প্রভু
এখন আর দেরি নয়
এখনো ঘোর ভাঙে না তোর যে
এত আলো জ্বালিয়েছ এই গগনে
এবার তোর মরা গাঙে বান এসেছে
ও
ও আকূলের কূল
ও আমার দেশের মাটি
ও সে ফুলের মর্ম জানতে হয়
ওদের বাঁধন যতই শক্ত হবে
ওদের সাথে মেলাও যারা চরায় তোমার ধেনু
ওরে, তোরা নেই বা কথা বললি
ওরে, নূতন যুগের ভোরে
ক
কণ্ঠে নিলেম গান
কতবার ভেবেছিনু আপনা ভুলিয়া
কবে আমি বাহির হলেম তোমারি গান গেয়ে
কয় দমেতে বাজে ঘড়ি করবে ঠিকানা
কান্নাহাসির-দোল-দোলানো পৌষ-ফাগুনের পালা
কার হাতে এই মালা তোমার পাঠালে
কি আজব কলে রসিক বানিয়েছে কোঠা
ক আরও আছে
কিবা রূপের ঝলক দিচ্ছে দ্বিদলে
কিবা শোভা দ্বিদলের ‘পরে
কিসে আর বোঝাই মন তোরে
কৃষ্ণকলি
কেন চোখের জলে ভিজিয়ে দিলেম না
কো তুঁহু বোলবি মোয়
কোন রসে কোন রতির খেলা
কোন রাগে সে মানুষ আছে মহারসের ধনী
ক্লান্তি আমার ক্ষমা করো প্রভু
খ
খাঁচার ভিতর অচিন পাখী কেমনে আসে যায়
খাকে গড়লো পিঞ্জিরে
খুল নে কেনে সে ধন
খেলার ছলে সাজিয়ে আমার গানের বাণী
খ্যাপা তুই আছিস আপন খেয়াল ধরে
গ
গহন কুসুমকুঞ্জ-মাঝে
গানের ঝরনাতলায় তুমি সাঁঝের বেলায় এলে
গানের ভিতর দিয়ে যখন দেখি ভুবনখানি
গানের সুরের আসনখানি পাতি পথের ধারে
ঘ
ঘরে মুখ মলিন দেখে গলিস নে
ঘরের মধ্যে ঘর বেঁধেছেন
চ
চলো যাই, চলো, যাই চলো
চারটি চন্দ্র ভাবের ভুবনে
চিরকাল জল ছেঁচে আমার জল
ছ
ছি ছি, চোখের জলে ভেজাস নে
জ
জননীর দ্বারে আজি
জাগ' জাগ' রে জাগ' সঙ্গীত
জানা চাই অমাবস্যায় চাঁদ থাকে কোথায়
জীবন যখন শুকায়ে যায় করুণাধারায় এসো
জীবনমরণের সীমানা ছাড়ায়ে
ত
তুমি একলা ঘরে বসে বসে কী সুর বাজালে
তুমি খুশি থাক
তুমি বন্ধু, তুমি নাথ
তুমি যে সুরের আগুন লাগিয়ে দিলে মোর প্রাণে
তোমায় আমায় মিলন হবে ব'লে আলোয় আকাশ ভরা
তোমায় কিছু দেব ব'লে চায় যে আমার মন
তোমায় নতুন করেই পাব বলে হারাই ক্ষণে ক্ষণ
তোমার কাছে এ বর মাগি মরণ হতে যেন জাগি
তোমার খোলা হাওয়া
তোমার সুর শুনায়ে যে ঘুম ভাঙাও সে ঘুম আমার রমণীয়
তোমার সুরের ধারা ঝরে যেথায় তারি পারে
তোর আপন জনে ছাড়বে তোরে
দ
দাঁড়িয়ে আছ তুমি আমার গানের ও পারে
দিন পরে যায় দিন
দিল দরিয়ার মাঝে দেখলাম আজব কারখানা
দিল দরিয়ার মাঝে রে মন
দুঃখের বরষায় চক্ষের জল যেই নামল
দেওয়া নেওয়া ফিরিয়ে-দেওয়া
দেখ রে দিন কোথা হইতে হয়
দেশ দেশ নন্দিত করি
দেহের খবর বলি শোন রে মন
ধ
ধড়ে কোথায় মক্কা-মদিনা
ধর চোর হাওয়ার ঘরে ফান্দ পেতে
ধীরে বন্ধু ধীরে ধীরে
ন
না জেনে ঘরের খবর তাকাই আসমানে
নাই নাই ভয়, হবে হবে জয়
নিরাকার ভাসছে রে এক ফুল
নিশিদিন ভরসা রাখিস
নীল- অঞ্জনঘন পুঞ্জছায়ায় সম্বৃত অম্বর হে গম্ভীর
প
পূর্ণচন্দ্র উদয় কখন কর মন বিবেচনা
পূর্বদিগন্তে সূর্য উঠেছে
প্রভু আমার, প্রিয় আমার
প্রভু, তোমার বীণা যেমনি বাজে
প্রভু, বলো বলো কবে
ব
বঁধুয়া, হিয়া-পর আও রে
বজাও রে মোহন বাঁশি
ব আরও আছে
বল তো এইবারের মতো
বসত বাড়ীর ঝগড়া-কেজে
বসন্ত আওল রে
বহু যুগের ও পার হতে
বাংলার মাটি, বাংলার জল
বাজিল কাহার বীণা
বাদরবরখন, নীরদগরজন
বার বার, সখি, বারণ করনু
বিধির বাঁধন কাটবে তুমি
বুক বেঁধে তুই দাঁড়া দেখি
বেদে কি তার মরম জানে
ব্যর্থ প্রাণের আবর্জনা
ভ
ভেঙে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবি কে আমারে
ম
মধুর দেল দরিয়ায় ডুবিয়া কর ফকিরি
মন কি তুই ভোড়ুয়া বাঙ্গাল জ্ঞান ছাড়া
মনে রবে কি না রবে আমারে
মরণ রে তুঁহুঁ মম শ্যামসমান
মা কি তুই পরের দ্বারে
মাতৃমন্দির-পুণ্য-অঙ্গন কর
মাধব না কহ আদরবাণী
মানবদেহের ভাব জেনে কর সাধনা
মালা হতে খসে-পড়া ফুলের একটি দল
মেঘ বলেছে যাব যাব
মোর প্রভাতের এই প্রথম খনের কুসুমখানি
মোর হৃদয়ের গোপন বিজন ঘরে
য
যতখন তুমি আমায় বসিয়ে রাখ বাহির-বাটে
যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে
যদি তোর ভাবনা থাকে
যে জন হাওয়ার ঘরে ফাঁদ পেতেছে
যে তোমায় ছাড়ে ছাড়ুক
যে তোরে পাগল বলে
র
রইল বলে রাখলে কারে
রাজপুরীতে বাজায় বাঁশি বেলাশেষের তান
রাত্রি এসে যেথায় মেশে
শ
শহরে ষোল জনা বোম্বেটে
শুধু তোমার বাণী নয় গো
শুন লো শুন লো বালিকা
শুন, সখি, বাজই বাঁশি
শুভ কর্মপথে ধর
শ্যাম রে, নিপট কঠিন মন তোর
শ্যাম, মুখে তব মধুর অধরমে
স
সকরুণ বেণু বাজায়ে কে যায়
সখি রে, পিরীত বুঝবে কে
সখি লো, সখি লো, নিকরুণ মাধব
সঙ্কোচের বিহ্বলতা
সজনি সজনি রাধিকা লো
সতিমির রজনি, সচকিত সজনী
সাধন কি মোর আসন নেবে
সারা জীবন দিল আলো
সার্থক জনম আমার
সীমার মাঝে, অসীম, তুমি
সুফলা ফলাচ্ছে গুরু মনের ভাব জেনে
সুর ভুলে যেই ঘুরে বেড়াই কেবল কাজে
সুরের গুরু, দাও গো সুরের দীক্ষা
সে দিনে আপদ আমার যাবে কেটে
হ
হম যব না রব, সজনী
হম, সখি, দারিদ নারী
হাওয়ার ঘরে দম আটকা পড়েছে
হায় একি কলের ঘরখানি বেঁধে
হায় কি আজব কল বটে
হুজুরে কার হবে রে নিকাশ দেনা
হৃদয় আমার প্রকাশ হল
হৃদয়ক সাধ মিশাওল হৃদয়ে
হে মোর চিত্ত
বিষয়শ্রেণী
:
বিষয়শ্রেণী
দৃষ্টিকোনসমূহ
বিষয়শ্রেণী
আলোচনা
সম্পাদনা করুন
ইতিহাস
ব্যক্তিগত হাতিয়ারসমূহ
বেটা চেষ্টা করুন
প্রবেশ/নতুন অ্যাকাউন্ট
পরিভ্রমণ
প্রধান পাতা
সম্প্রদায়ের প্রবেশদ্বার
সমসাময়িক ঘটনা
সাম্প্রতিক পরিবর্তনসমূহ
অজানা যেকোনো পাতা
সাহায্য
দান করুন
মুদ্রণ/এক্সপোর্ট
বই তৈরি করো
PDF ডাউনলোড
ছাপার যোগ্য সংস্করণ
অনুসন্ধান
প্রয়োজনীয় সংযোগসমূহ
সংযোগকারী পাতাসমূহ
সম্পর্কিত পরিবর্তন
বিশেষ পাতাসমূহ
স্থায়ী সংযোগ