আদর্শ প্রশ্ন/অতিরিক্ত প্রশ্ন

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন


পাঠপ্রচয়
চতুর্থ ভাগ
বিদ্যাসাগর জননী

১। বিদ্যাসাগর জননী ভগবতী দেবীর দয়ার বিশেষত্ব কী। সামাজিক কী কারণে এইরূপ দয়া আমাদের দেশে দুর্লভ। দৃষ্টান্ত দেখাও।

লাইব্রেরি

লাইব্রেরি বিষ্ময়কর কী কারণে।

অসভ্যজাতির ভাষায় প্রকাশ শব্দে। সেই সশব্দ ভাষাই আমাদের ভাবপ্রকাশের একমাত্র উপায় হইলে লাইব্রেরি সম্ভব হইত না। কী অসুবিধা ঘটিত। ভাষাকে চুপ করাইল কিসে।

দ্বিতীয় প্যারাগ্রাফের অর্থ ব্যাখ্যা করো।

চতুর্থ প্যারাগ্রাফে “এখানে জীবিত ও মৃত ব্যক্তির” থেকে আরম্ভ করিয়া বাকি অংশের অর্থ কী।

গঙ্গার শোভা

‘গঙ্গার শোভা’ রচনাটির কোন্‌ কোন্‌ অংশের বর্ণনা তোমার বিশেষ ভালো লাগিয়াছে।

অনধিকার প্রবেশ

জয়কালী দেবীর চরিত্রের বিশেষত্ব ব্যাখ্যা করিয়া লেখো। মাধবীমণ্ডপের পবিত্রতা-রক্ষার কর্তব্য অপেক্ষাও তাঁহার কাছে কোন্‌ কর্তব্যনীতি কী কারণে শ্রেয় হইয়াছিল।

বোম্বাই শহর

(অনুচ্ছেদ)

১। ২। বোম্বাইয়ের সমুদ্র ও কলিকাতার গঙ্গার মধ্যে প্রভেদ ঘটাইল কিসে।

৪। সমুদ্রের বিশেষ মহিমা কী?

৬। বোম্বাইয়ের কোন্‌ দৃশ্য লেখকের মন সব চেয়ে হরণ করিয়াছিল।

৯। জনসাধারণের পরিচ্ছন্নতা সম্বন্ধে লেখক কী বলিয়াছেন ব্যাখ্যা করো।

১০। কলিকাতার সঙ্গে বোম্বাইয়ের ধনশালিতার প্রভেদ সম্বন্ধে লেখকের মত কী।

স্বাধীন শিক্ষা

৫। জ্ঞান চর্চার প্রণালী কী।

৬। এ সম্বন্ধে শিক্ষার্থীদের ত্রুটি কী লইয়া।

৭। এই ত্রুটিবশত কী ক্ষতি ঘটে।

১০। এ সম্বন্ধে ছাত্রদের কী উপদেশ দেওয়া হইতেছে।

১১। ১২। ১৩। ১৪। তথ্যসংগ্রহ, ব্যাকরণ, ধর্মসম্প্রদায়, নৃতত্ত্ব, ব্রতপার্বণ সম্বন্ধীয়।


ভ্রাতৃপ্রীতি

রাজার দায়িত্ব সম্বন্ধে গোবিন্দমাণিক্য নক্ষত্ররায়কে কী বুঝাইলেন।

(জীবনস্মৃতি)

রাজনারায়ণ বসু, রাজেন্দ্রলাল ও বঙ্কিমচন্দ্রের চরিত্রবর্ণনা যতটুকু পড়িয়াছ তাহার ব্যাখ্যা নিজের ভাষায় করো।

খোকাবাবু

যেটুকু না রাখিলে নয় সেইটুকুমাত্র রাখিয়া খোকাবাবু গল্পটিকে সংক্ষিপ্ত করো। একটুকু নমুনা দেখাই -

রাইচরণ যখন বাবুদের বাড়ি প্রথম চাকরি করিতে আসে তখন তাহার বয়স বারো। বাবুদের এক বৎসর বয়স্ক একটি শিশুর পালন-কার্যে সহায়তা করা তাহার প্রধান কর্তব্য ছিল। সেই শিশুটি কালক্রমে অবশেষে কলেজ ছাড়িয়া মুন্সেফিতে প্রবেশ করিয়াছেন। অনুকূলের একটি পুত্রসন্তান জন্মলাভ করিয়াছে এবং রাইচরণ তাহাকে সম্পূর্ণভাবে আয়ত্ত করিয়া লইয়াছে। তাহাকে সে দুই বেলা হাওয়া খাওয়াইতে লইয়া যাইত। বর্ষাকাল আসিল। রাইচরণের খামখেয়ালি ক্ষুদ্র প্রভু কিছুতেই ঘরে থাকিতে চাহিল না। গাড়ির উপর চড়িয়া বসিল। রাইচরণ ধীরে ধীরে গাড়ি ঠেলিয়া নদীর তীরে আসিয়া উপস্থিত হইল। শিশু সহসা এক দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করিয়া বলিল, “চন্ন ফু।” অনতিদূরে একটি কদম্ববৃক্ষের উচ্চশাখায় কদম্ব ফুল ফুটিয়াছিল, সেই দিকে শিশুর লুব্ধ দৃষ্টি আকৃষ্ট হইয়াছিল। রাইচরণ বলিল, “তবে তুমি গাড়িতে ব’সে থাকো, আমি চট ক’রে ফুল তুলে আনছি।” কিন্তু শিশুর মন সেই মুহূর্তেই জলের দিকে ধাবিত হইল। জলের ধারে গেল। একটা দীর্ঘ তৃণ কুড়াইয়া লইয়া তাহাকে ছিপ কল্পনা করিয়া ঝুঁকিয়া মাছ ধরিতে লাগিল। রাইচরণ গাছ হইতে নামিয়া গাড়ির কাছে আসিয়া দেখিল কেহ নাই।

এইরূপে সংক্ষেপ করিয়া সমস্ত গল্পটি সম্পূর্ণ করো।

মেলা

মেলার উদ্দেশ্য এই যে, আপন সংকীর্ণ পরিবেষ্টনের বাহিরে পল্লীর মনকে প্রসারিত করা। কী উপায়ে মেলা আধুনিক কালের উপযোগী হইতে পারে সে সম্বন্ধে লেখকের মত নিজের ভাষায় প্রকাশ করো। এই মেলাগুলির উৎকর্ষ-সাধনকল্পে জমিদারদের কর্তব্য কী। আলোচ্য বিষয়টি সম্বন্ধে তোমার নিজের যদি বিশেষ বক্তব্য থাকে তবে তাহা ব্যক্ত করো।

বিদ্যাসাগরের দয়া

বিদ্যাসাগরের দয়াবৃত্তির মধ্যে যে পৌরুষ ছিল দৃষ্টান্তসহ তাহা ব্যাখা করো।

য়ুরোপের ছবি

কিছু বদল করিয়া চলতি ভাষায় লেখো। নমুনা –

রাত্রে এডেন বন্দরে জাহাজ থামল। সমুদ্রে ঢেউ নেই, ডাঙার পাহাড়গুলির উপরে জ্যোৎস্না পড়েছে। আলস্যে জড়ানো চোখে সমস্ত যেন স্বপ্নের মতো ঠেকছে। রাত্রেই জাহাজ ছেড়ে দিল।

সমুদ্রতীরের পাহাড়গুলির ‘পরে রৌদ্রের তাপে বাষ্পের ছোঁওয়া লেগেছে, জলস্থল যেন তন্দ্রার আবেশে ঝাপসা।

দূরে দূরে এক একটা জাহাজ চোখে পড়ে, মাঝে মাঝে দেখা যায় পাহাড়, জলের থেকে উঠে পড়েছে, এবড়ো-খেবড়ো, কালো,রোদে পোড়া, জনমানবহীন। যেন সমুদ্রের চৌকিদার, আনমনা রয়েছে তাকিয়ে, কে আসে কে যায় খেয়াল রাখে না।

বিলাসের ফাঁস

১। জীবনযাত্রায় আড়ম্বরের একটা উদ্দেশ্য বাহবা পাওয়া। সাবেক কালে যাহা লইয়া বাহবা পাওয়া যাইত এখন তাহার কী পরিবর্তন ঘটিয়াছে। প্রথম প্যারাগ্রাফ হইতে চতুর্থ প্যারাগ্রাফ পর্যন্ত অবলম্বন করিয়া লেখো।

২। ইহার ফলাফল কী এবং ইহার পক্ষে বিপক্ষে যে তর্ক উঠিতে পারে তাহার মীমাংসা করো। (৫ হইতে ১১ প্যারাগ্রাফ)

৩। বিবাহে পণ-গ্রহণ সম্বন্ধে বক্তব্য কী। (১২ প্যারাগ্রাফ)

৪। বর্তমানকালে দেশে বিলাসিতার ফল কী ঘটিতেছে। (১৩ প্যারাগ্রাফ)

সম্পত্তি-সমর্পণ

এই গল্পটি সম্বন্ধে নিজের মত ব্যক্ত করিয়া সমালোচনা করো। যজ্ঞনাথের স্বভাবের যে-বিশেষত্ব সমস্ত ঘটনার মূল কারণ, তাহা আলোচনার বিষয়।

খাদ্য চাই

এ দেশের জনসাধারণের মধ্যে খাদ্যাভাব লইয়া যে সমস্যা উঠিয়াছে এই প্রবন্ধ অবলম্বন করিয়া তাহার আলোচনা করো।

প্রার্থনা

বিচার করিয়া দেখিলে দেখা যাইবে এই কবিতায় যে সকল প্রার্থনার বিষয় ব্যক্ত হইয়াছে আমাদের দেশে তাহার প্রত্যেকটিরই অভাব আছে। সেগুলিকে স্পষ্ট করিয়া বলো।

শ্রেষ্ঠ ভিক্ষা

এই কবিতাটির তাৎপর্য কী।

প্রতিনিধি

এ কবিতায় শিবাজীর প্রতি তাঁহার গুরু রামদাসের উপদেশের মর্ম ব্যাখ্যা করো।

তপস্যা

এই কবিতায় যে পয়ার ছন্দ আছে তাহার বিশেষত্ব কী। সূর্যকে তপস্বীরূপে বর্ণনা করা হইয়াছে, গদ্যে তাহা বিশ্লেষণ করো।

শরৎ

এই কবিতায় বঙ্গজননীর যে শারদীয়া মূর্তি রচিত হইয়াছে গদ্য ভাষায় তাহার বর্ণনা রূপান্তরিত করো। নমুনা –

হে মাতঃ বঙ্গ, আজ শরৎ-প্রভাতে অমল শোভায় সমুজ্জ্বল কী মধুর মূর্তি তোমার দেখিলাম। ভরা নদী তাহার জলধারা আর বহিতে পারে না, মাঠেও ধান আর ধরে না, তোমার বনসভার দোয়েল কোয়েলের গানে আর বিরাম নাই—হে জননী, শরৎ-প্রভাতে তুমি দাঁড়াইয়া আছ তাহাদের সকলের মাঝখানে। হে জননী, তোমার শুভ আহ্বান নিখিল ভুবনে পরিব্যাপ্ত। তোমার ঘরে ঘরে আজ নূতন ধান্যের নবান্ন। তোমার শস্যের ভার যতই ভরিয়া উঠিবে ততই তোমার আর অবসর থাকিবে না। গ্রামের পথে পথে কাটা শস্যের গন্ধ হাওয়ায় হাওয়ায় প্রসারিত হইবে, তোমার আহ্বানলিপি যে পৌঁছিল সমস্ত ভুবনে।
এইখানে একটি কথা বলা উচিত। কবির এই বর্ণনা শরতের নহে ইহা হেমন্তের আশা করি এই ভ্রম সত্ত্বেও কবিতাটি সম্ভোগ করিবার ব্যাঘাত হইবে না।

দেবতার বিদায়

এই কবিতাটির অর্থ কী। ইহার সহিত “অনধিকার প্রবেশ” গল্পের মূল কথাটির ঐক্য আছে, বোধ করি লক্ষ্য করিয়া থাকিবে।

বন্দীবীর

এই শ্রেণীর কাব্যে পরীক্ষাপত্রে প্রশ্নোত্তর করিবার কিছু নাই। যাঁহারা ইচ্ছা করেন মৃত্যুস্বীকারী শিখবীরদের কথা ইতিহাস হইতে সংগ্রহ করিয়া পড়িতে পারেন। এইরূপ কবিতা কণ্ঠস্থ করিয়া আবৃত্তি করিবার যোগ্য।

বঙ্গমাতা

নির্জীব ভালোমানুষি-চর্চার বিরুদ্ধে কবির ভৎর্সনা লক্ষ্য করিয়া এই কবিতাটি তোমার ভাষায় লেখো।

মায়ের সম্মান

গদ্য ভাষায় লেখো। নমুনা –

অপূর্বদের বাড়ি ছিল ধনীর ঘর, আসবাবে ভরা, গাড়িঘোড়া লোকজনে ঠেসাঠেসি ভিড়। এইখানে আশ্রয় লইয়াছিল অপূর্বদের এক মাসি। মোক্ষকামী স্বামী তার স্ত্রী এবং বালক দুইটি ছেলে ত্যাগ করিয়া কোথায় চলিয়া গেছে ঠিকানা নাই।

কথ্য ভাষাতেও লেখা চলিতে পারে।

পদ্মা

পদ্মার প্রতি কবির প্রীতি-সম্বন্ধ এই কবিতায় প্রকাশ পাইয়াছে, প্রশ্নোত্তরের কোন অবকাশ নাই। পড়িয়া যদি রস পাও সেই যথেষ্ট।

বিচারক

নির্ভীক কর্তব্যপরায়ণ ত্যাগী ব্রাহ্মণের চরিত্র এই কাব্যের প্রধান লক্ষ্য। তাহার কাছে দর্পান্ধ নৃপতির বিপুল যুদ্ধ-আয়োজন তুচ্ছ। গদ্য ভাষায় বর্ণনা করো।

বিশ্বদেব

গদ্যে লেখো। যথা, হে বিশ্বদেব, পূর্বগগনে আমার স্বদেশে তোমাকে আজ কী বেশে দেখিলাম। নীল নভস্তলের নির্মল আলোকে চিরোজ্জ্বল তোমার ললাট, হিমাচল যেন বরাভয়হস্তরূপে তোমার আশীর্বাদ তুলিয়া ধরিয়াছে; আর বক্ষে দুলিতেছে জাহ্নবী তোমার হার-আভরণ। হৃদয় খুলিয়া বাহিরের দিকে চাহিয়া নিমেষের মধ্যে দেখিলাম, বিশ্বদেবতা, তুমি মিলিত হইয়াছ আমার সনাতন স্বদেশে।

দীনদান

ঐশ্বর্যমণ্ডিত মন্দিরে রাজপ্রতিষ্ঠিত বিগ্রহকে ভক্ত কেন সত্য বলিয়া স্বীকার করিলেন না। “দেবতার বিদায়” কবিতার সঙ্গে ইহার ভাবের মিল আছে।

ভোরের পাখি

ভোরের পাখির ভাবখানা কী। শেষের কয়েকটি শ্লোকে ইহার আসল কথাটি পাওয়া যাইবে। বুঝাইয়া দাও।

আদর্শ প্রশ্ন