আদর্শ প্রশ্ন/মধ্য পরীক্ষা

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন


বাংলাভাষা ও সাহিত্য
অতিরিক্ত পাঠ্য
বিশ্বপরিচয়
প্রাকৃত জগৎ আর সচেতন প্রাণীর জগৎ দুই স্বতন্ত্র পদার্থ। এই প্রাণীর জগৎ ইন্দ্রিয়বোধের ভিতর দিয়ে চেতনের কাছে বিশেষত্ব লাভ করে। এই বোধের জগৎ প্রাকৃত জগতের বিপরীত বললেই হয়। প্রকৃতিতে যা বৃহৎ আমাদের কাছে তা ছোটো, যা সচল তা অচল, যা ভারহীন তা ভারবান, যা বৈদ্যুতের আবর্তনমাত্র আমরা তাকে কঠিন তরল ও বায়ব পদার্থরূপে ব্যবহার করি। যে প্রাকৃত শক্তি আমাদের কাছে সব চেয়ে মূল্যবান, যা বিশ্বপরিচয়ের প্রথম ভূমিকা ক’রে দিয়েছে, যা আমাদের বোধের কাছে আলোরূপে প্রতীয়মান, তার গতিবেগ এবং তার গতিপ্রকৃতি সম্বন্ধে বিশ্বপরিচয় গ্রন্থে যা পড়েছ তার আলোচনা করো।—

(ক) আলো যে চলে তার সব চেয়ে নিকটের প্রমাণ পেয়েছি কোথা থেকে।

(খ) মানুষ আলোর গতিভঙ্গীর কী খবর আবিষ্কার করেছে।

(গ) আলোকের ধারা একটি নয়, অনেকগুলি, সে সম্বন্ধে বলবার কী আছে।

(ঘ) বিশ্বব্যাপী তেজের কাঁপন সম্বন্ধে কী বলা হয়েছে।

(ঙ) সূর্যালোকের ভিন্ন ভিন্ন রশ্মি সম্বন্ধে বক্তব্য কী। অদৃশ্য রশ্মির কথা বলো।

(চ) মৌলিক পদার্থের উদ্দীপ্ত গ্যাসের বর্ণলিপি থেকে তার পরিচয় পাবার বিবরণ।

(ছ) যদিও সূর্যের সমষ্টিবদ্ধ আলো সাদা, তবু নানা জিনিসের নানা রং দেখি কেন।

১। বিশ্বের সূক্ষ্মতম মৌলিক ও যৌগিক উপাদানের অর্থ কী।

২। এক কালে অ্যাটম অর্থাৎ পরমাণুকে জগতের সূক্ষ্মতম অবিভাজ্য উপাদন ব’লে মনে করা হোত। অবশেষে তাকেও বিভাগ ক’রে কী পাওয়া গেল। যা পাওয়া গেল তার স্বরূপ কী। দুই জাতের বৈদ্যুতের কথা।

৩। অণু-পরমাণুগুলি যতই ঘেঁষাঘেঁষি ক’রে থাকে তবু তাদের মাঝে মাঝে ফাঁক থাকে। কেন ফাঁক থাকে।

৪। আমরা যে তাপ অনুভব করি তা কিসের থেকে।

৫। হাইড্রোজেন গ্যাসের পরমাণুতে যে দুটি বৈদ্যুতকণা আছে তাদের ভিন্নতা কী।

৬। ইলেকট্রিসিটির প্রসঙ্গে যে চার্জ কথার ব্যবহার হয় দৃষ্টান্তসহ তার অর্থ ব্যাখ্যা করো।

৭। ইলেক্‌ট্রোনের আবর্তন সম্বন্ধে কোন্‌ দুই মত আছে।

৮। একদা মৌলিক পদার্থের খ্যাতি ছিল যে তাদের গুণের নিত্যতা আছে। কোন্‌ বিশেষ ধাতুর সাক্ষ্যে তা অপ্রমাণ হয়ে গেল। সে সাক্ষ্য কী রকম।

৯। যে সব ধাতুকে তেজষ্ক্রিয় বলা হয়েছে তাদের স্বভাব কী।

১০। ইলেক্‌ট্রোন বা প্রোটোন আপন স্বজাতীয় বৈদ্যুতকণার সঙ্গ কিছুতেই স্বীকার করে না। কিন্তু কোনো পরমাণুর কেন্দ্রস্থলে একাধিক প্রোটোন ঘনিষ্ঠভাবে থাকে, তার থেকে কী প্রমাণ হয়েছে।

১১। কস্‌মিক্‌ রশ্মির তথ্য।

১। নীহারিকার বিবরণ।

২। পৃথিবী থেকে নক্ষত্রলোকের দূরত্ব দুষ্পরিমেয়। সংখ্যাসংকেতে তার গণনা লিপিবদ্ধ করতে হোলে জায়গা জোড়ে। জ্যোতিষ্কশাস্ত্রে কী উপায়ে তাদের প্রকাশ করা হয়।

৩। সূর্য যে নক্ষত্রজগতের অন্তর্গত, আলোবছরের পরিমাপে তার ব্যাসের পরিমাণ আন্দাজে কতখানি।

৪। আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী নক্ষত্রের দূরত্ব কতখানি।

৫। ঘন নীল রঙের আলো এবং লাল রঙের আলোর ঢেউয়ের পরিমাপ।

৬। কোনো নক্ষত্র যখন আমাদের অপেক্ষাকৃত কাছে আসে বা দূরে যায় তখন তার আলোর

বর্ণলিপিতে কী প্রভেদ ঘটে।

৭। মহাকায় নক্ষত্রদের বৃহত্ব এবং বেঁটে সাদা তারাদের ক্ষুদ্রত্ব সম্বন্ধে কারণ আলোচনা করো।

৮। আমাদের নক্ষত্রজগতের তারাগুলি ভিন্ন দিকে ভিন্ন বেগে চলেছে অথচ একই নক্ষত্রজগতে একত্রে বাঁধা রয়েছে, তাদের নিজ নিজ স্বাতন্ত্র্যও আছে অথচ মূলে তাদের একত্র অবস্থানের ঐক্য। যেন তারা এক নেশন-ভুক্ত অথচ তাদের ব্যক্তিস্বাতন্ত্রের অভাব নেই—ব্যাপারখানা কী।

১। সূর্যের সঙ্গে গ্রহদের জন্মগত সম্বন্ধের প্রমাণ।

২। গ্রহদের জন্ম সম্বন্ধে সব চেয়ে প্রসিদ্ধ মত কী। আরো কী কী মত আছে।

৩। গ্যাসদেহী সূর্যের ভিন্ন স্তরের তাপমাত্রা ও ঘনত্ব।

৪। পৃথিবীর সঙ্গে সূর্যের বৃহত্ত্ব এবং গুরুত্বের তুলনা।

৫। পৃথিবী আপন কাল্পনিক মেরুদণ্ডের চার দিকে ঘুরপাক খায়, সূর্যও তাই করে। উভয়ের ঘুরপাকের সময়ের পার্থক্য কী।

৬। সূর্য যে আপনাকে আবর্তন করছে জানা গেল কী উপায়ে।

৭। সূর্যের গায়ের যে কালো দাগ, সাধারণ ভাষায় যাকে সৌরকলঙ্ক বলে, তাদের বৃত্তান্তটা কী।

৮। নক্ষত্রজগৎটা অচিন্তনীয় প্রভূত তাপপুঞ্জ। এই তাপ তো নিত্যই খরচ হয়ে চলেছে, কিন্তু তাপের তহবিল পূরণ ক’রে রাখে কিসে।

১। আদিম ঘূর্ণ্যমান সৌরবাষ্প থেকে সব গ্রহ যে ছিট্‌কিয়ে পড়েছে তার প্রমাণ কী।

২। সূর্যের কাছ থেকে পৃথিবীর দূরত্বের সঙ্গে বুধগ্রহের দূরত্বের প্রভেদ কী। তার সূর্য প্রদক্ষিণ করতে কত সময় লাগে।

৩। পৃথিবীর স্বাবর্তনকালের ও বুধগ্রহের স্বাবর্তনকালের তুলনা করো।

৪। বুধগ্রহে বাতাস থাকা সম্ভব নয় কেন, কিন্তু পৃথিবীতে সম্ভব হয়েছে তার কারণ কী।

৫। বুধগ্রহের ওজন আবিষ্কার হয়েছিল কী উপায়ে।

৬। বুধগ্রহের চেয়ে পৃথিবী কতগুণ ভারী।

৭। গ্রহপর্যায়ে বুধগ্রহের পরে আসে শুক্রগ্রহ। সূর্য থেকে শুক্র কতদূরে, এবং সূর্য প্রদক্ষিণ করতে তার কত সময় লাগে।

৮। কোন্‌ গ্যাসীয় মেঘের ঘন আবরণে এই গ্রহ ঢাকা।

৯। আদিমকালে পৃথিবীর বায়ব মণ্ডলে জলীয় বাষ্প এবং আঙ্গারিক গ্যাসের প্রাধান্য ছিল। ক্রমশ তাদের বর্তমান পরিণতি হোলো কী ক’রে।

১০। পৃথিবীর পরের গ্রহ মঙ্গল। এর আয়তন কী, এর সূর্যপ্রদক্ষিণ এবং আপনাকে আবর্তনের সময়-পরিমাণ কত।

১১। এর বায়ব মণ্ডলের সংবাদ কী।

১২। মঙ্গলগ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা। তাদের আবর্তনের নিয়ম।

১৩। গ্রহিকারা গ্রহলোকের কোন্‌ অংশে থাকে।

১৪। উল্কাপিণ্ডের বিবরণ।

১৫। সূর্য থেকে পৃথিবীর এবং বৃহস্পতিগ্রহের দূরত্বের তুলনা।

১৬। বৃহস্পতির তাপমাত্রার পরিমাণ ও তার বায়ুমণ্ডলের উপাদান।

১৭। বৃহস্পতির দেহস্তরগুলি কী ভাবে কী পরিমাণে অবস্থিত।

১৮। বৃহস্পতির আয়তন। বৃহস্পতির উপগ্রহ কয়টি।

১৯। বৃহস্পতির সূর্যপ্রদক্ষিণ ও স্বাবর্তনের সময়-পরিমাণ।

২০। বৃহস্পতির উপগ্রহের গ্রহণ লাগা থেকে আলোর গতিবেগ ধরা পড়েছিল কী ক’রে।

২১। বৃহস্পতিগ্রহের পরে আসে শনিগ্রহ। সূর্য থেকে তার দূরত্ব এবং সূর্যপ্রদক্ষিণের সময়পেরিমাণ ও বেগ।

২২। পৃথিবীর তুলনায় শনির বস্তুমাত্রার ওজন।

২৩। শনির বড়ো উপগ্রহ কয়টি। টুক্‌রো টুক্‌রো বহুসংখ্যক উপগ্রহের যে মণ্ডলী চক্রাকারে শনিকে ঘিরে, তাদের উৎপত্তি সম্বন্ধে পণ্ডিতদের কী মত। একদিন পৃথিবীরও দশা শনির মতো ঘটতে পারে এ রকম অনুমানের কারণ কী।

২৪। শনির বায়ব মণ্ডলের উপাদানের খবর কী পাওয়া গেছে এবং তার দেহস্তরসংস্থান কী রকম।

২৫। শনিগ্রহের পরের গ্রহ য়ুরেনস। সূর্য থেকে তার দূরত্ব, তার আয়তন, তার সূর্যপ্রদক্ষিণের কাল-পরিমাণ ও গতিবেগ, তার উপগ্রহের সংখ্যা।

(য়ুরেনসের পর আরো দুটি গ্রহ আছে নেপচুন ও প্লুটো—তারা সূর্য থেকে বহুদূরে থাকাতে আলো উত্তাপ এত কম পায় যে এদের অবস্থা কল্পনা করাযায় না। এদের সম্বন্ধে জানা যায় অতি অল্প—এদের বিবরণ বিশেষ ক’রে মনে রাখবার প্রয়োজন নেই।)

১। পৃথিবীর উপরিস্তরের কী রকম পরিণতি-ক্রমে সমুদ্র ও পাহাড়-পর্বত তৈরি হোলো।

২। পৃথিবীর জলীয় বাষ্প গেল তরল হয়ে, কিন্তু বাতাসে যেসমস্ত গ্যাস সেগুলো তরল হোলো না কেন।

৩। পৃথিবীর হাওয়ার প্রধান দুটি গ্যাস কী। পরস্পরের তুলনায় তাদের পরিমাণ কত।

৪। এক ফুট লম্বা এক ফুট চওড়া জিনিসে যতটা হাওয়ার চাপ পড়ে তার কতটা ‘ওজোন’-এর মাপ।

৫। পৃথিবীতে বায়ুমণ্ডল থাকার কী কী ফল।

৬। গাছপালা কী উপায়ে আপন দেহে সূর্যের আলো এবং খাদ্য সঞ্চয় করে।

৭। পৃথিবীতে বায়ুমণ্ডলের দুটো স্তরের কথা বলা হয়েছে, সে দুটোর বিবরণ কী।

৮। বাষ্প-আকারে যখন পৃথিবী ছিল তার থেকে একটা অংশ বেরিয়ে এসে ঠাণ্ডা হয়ে চাঁদ হয়েছে। এই চাঁদ পৃথিবী থেকে কত দূরে থেকে কত দিনে তাকে প্রদক্ষিণ করছে।

৯। চাঁদে বাতাস বা জল নেই কেন।

১০। পৃথিবীসৃষ্টির কতকাল পরে পৃথিবীতে প্রাণের আরম্ভ দেখা গেল। কী আকারে তার আরম্ভ।

১১। সেই আরম্ভ থেকে কী ক’রে প্রাণীদের মধ্যে পরিণতি ঘটতে লাগল।


আদর্শ প্রশ্ন