বিষয়বস্তুতে চলুন

আলম্‌গীরের পত্রাবলী/৩৩

উইকিসংকলন থেকে

[ ৩৩ ]

 সুখী পুত্র আজম্, তোমার মুন্সী কাময়াব খাঁ আমাকে পত্র লিখিয়াছে। তোমার একজন কর্ম্মচারী গর্হিত আচরণ করায় তুমি তাহাকে দণ্ড দিয়াছ, সেকথা সে জানাইয়াছে। পুত্র, মন্দ অভিপ্রায়ে তরবারি বাহির করিলে সে তরবারি নিজের ঘাড়েই পড়িয়া থাকে। শান্তিরক্ষার জন্য তুমি যাহা করিয়া ফেলিয়াছ, তাহাতে আর হাত নাই। কিন্তু লোকটার প্রতি এত তাড়াতাড়ি দণ্ডের ব্যবস্থা না করিলেই বোধ হয় ভাল হইত। অপরাধীকে দণ্ড দেওয়া খুবই উচিত, খুবই সঙ্গত। কিন্তু যে জন্যই হউক, কাহারও প্রাণে বেদনা দিলে ভগবানের অপ্রিয় কার্য্য করা হয়। এই জন্যই বলে, “অপরাধীকে ক্ষমা করায় আনন্দ আছে, কিন্তু শাস্তি দেওয়ায় আনন্দ নাই।”