কালান্তর/কর্তার ইচ্ছায় কর্ম

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

কর্তার ইচ্ছায় কর্ম একটু বাদলার হাওয়া দিয়াছে কি, অমনি আমাদের গলি ছাপাইয়া সদর রাস্তা পর্যন্ত বস্ত বহিয়া যায়, পণিকের জুতাজোড়াটা ছাতার মতোই শিরোধার্য হইয়া উঠে, এবং অন্তত এই গলিচর জীবের উভচর জীবের চেয়ে জীবনযাত্রায় যোগ্যতর নয়, শিশুকাল হইতে আমাদের বারান হইতে এইটে বছর বছর লক্ষ্য করিতে করিতে আমার চুল পাকিয়া গেল । ইহার মধ্যে প্রায় ষাট বছর পার হইল। তখন বাষ্প ছিল কলীয় যুগের প্রধান বাহন, এখন বিস্থাৎ তাহাকে কটাক্ষ করিয়া হাসিতে শুরু করিয়াছে ; তখন পরমাণুতত্ত্ব পৌছিয়ছিল অদৃশুে, এখন তাহা অভাব্য হইয়া উঠিল ; ও দিকে মরিবার কালের পিপড়ার মতে মানুষ আকাশে পাখী মেলিয়াছে— এক দিন এই আকাশেরও ভগবখরা লইয়া শব্লিকদের মধ্যে মামলা চলিবে, অ্যাটনি তার দিন গণিতেছে ; চীনের মানুষ একরাত্রে তাদের সনাতন টিকি কাটিয়া সাফ করিল, এবং জাপান কাল লাগরে এমন এক বিপর্যয় লাফ মারিল যে, পঞ্চাশ বছরে পাচ শো বছর পরে হইয় গেল । কিন্তু বর্ষার জলধারা সম্বন্ধে আমাদের রাস্তার আতিথেয়তা যেমন ছিল তেমনই আছে । যখন কনগ্রেসের ক অক্ষরেরও পত্তন হয় নাই তখনও এই পথের পধিকবধূদের বর্ধার গান ছিল— কত কাল-পরে পদচারি ওরে ছখসাগর সাতরি পার হবে ? আর আজ যখন হোমরুলের পাকা ফলটা প্রায় আমাদের গোফের কাছে ঝুলিয়া পড়িল আজও সেই একই গাল— মেঘমল্লাররাগেণ, যতিতালাভ্যাং । ছেলেবেলা হইতেই কাওটা দেখিয়া আসিতেছি, সুতরাং ব্যাপারটা 8ግ কালাস্তর আমাদের কাছে অভাবনীয় নয়। য। অভাবনীয় নয় তা লইয়া কেছ ভাবনাই করে না। আমরাও ভাবনা করি নাই, সহই করিয়াছি। কিন্তু চিঠিতে যে কথাটা অমনিতে চোখ এড়াইয়া যায় সেটার নীচে লাইন কাটা দেখিলে যেমন বিশেষ করিয়া মনে লাগে, আমাদের রাস্তার জলাশয়তার নীচে তেমনি জোড়া লাইন কাটা দেখিয়া, শুধু মনটার মধ্যে নয় আমাদের গাড়ির চাকাতেও ক্ষণে ক্ষণে চমক লাগিল । বর্ষাও নামিয়াছে, ট্র্যামলাইনের মেরামতও শুরু । যার আরম্ভ আছে তার শেষও আছে, দ্যায়শাস্ত্রে এই কথা বলে ; কিন্তু ট্র্যামওয়ালাদের অন্তশয় শাস্ত্রে মেরামতের আর শেষ দেখি না । তাই এবার লাইন কাটার সহযোগে যখন চিংপুর রোডে জলস্রোতের সঙ্গে জনস্রোতের দ্বন্দ্ব দেখিয়া দেহমন আর্দ্র হইতে লাগিল, তখন অনেক দিন পরে গভীরতাৰে তাৰিতে । লাগিলাম, সহ করি কেন । সহ না করিলে যে চলে, এবং না করিলেই যে ভালো চলে, চৌরঙ্গি অঞ্চলে একবার পা বাড়াইলেই তা বোঝা যায়। একই শহর, একই মুনিসিপালিটি, কেবল তফাতট। এই, আমাদের সয়, ওদের লয় না । যদি চৌরঙ্গি রাস্তার পনেরো আনার হিসল ট্র্যামেরই থাকিত, এবং রাস্ত উৎখাত করিয়া লাইন মেরামত এমন সুমধুর গজগমনে চলিত, আজ তবে ট্র্যাম-কোম্পানির দিলে আহার, রাত্রে নিদ্রা থাকিত না । আমাদের নিরীহ ভালোমানুষটি বলেন, ‘সে কী কথা ! আমাদের একটু অসুবিধা হইবে বলিয়াই কি ট্র্যামের রাস্তা মেরামত হুইবে না ? ‘হইবে বই কি ! কিন্তু, এমন আশ্চর্য মুস্থ মেজাজে এবং দীর্ঘ মেয়াদে নয়।’ নিরীহ ভালোমামুষটি বলেন, ‘সে কি সম্ভব ? যা হইতেছে তার চেয়ে আরো ভালো হইতে পারে, এই তরল ভালোমানুষদের নাই বলিয়াই অহরহ চক্ষের জলে তাদের বক্ষ ভালে 8ヶ কর্তার ইচ্ছায় কর্ম এবং তাদের পথঘাটেরও প্রায় সেই দশা । এমনি করিয়া দুঃখকে আমরা সর্বাঙ্গে মাখি এবং ভাঙা পিপের আলকাৎরার মতো সেটাকে দেশের চার দিকে গড়াইয়া ছড়াইয়া পড়িতে দিই । কথাটা শুনিতে ছোটে, কিন্তু আসলে ছোটো নয়। কোথাও আমাদের কোনো কর্তৃত্ব আছে, এটা আমরা কিছুতেই পুরামাত্রায় বুঝিলাম না । বইয়ে পড়িয়াছি, মাছ ছিল কাচের টবের মধ্যে ; সে অনেক মাথা খুড়িয়া অবশেষে বুঝিল যে, কাচটা জল নয়। তার পরে সে বড়ো জলাশয়ে ছাড়া পাইল, তবু তার এটা বুঝিতে সাহস হইল না যে, জলট কাচ নয় ; তাই সে একটুখানি জায়গাতেই ঘুরিতে লাগিল । ওই মাথা ঠুকিবার ভয়ট আমাদেরও ছাড়েমাসে জড়ানো, তাই যেখানে সাতাল চলিতে পারে সেখালেও মন চলে না । অভিমস্থ্য মায়ের গর্ভেই ব্যুহে প্রবেশ করিবার বিস্কা শিখিল, ৰাছির হইবার ৰিষ্ঠ শিখিল না, তাই সে সর্বাঙ্গে সপ্তরণীর মারটা খাইয়াছে। আমরাও জন্মিবার পূর্ব হইতেই বাধা পড়িবার বিস্তাটাই শিখিলাম, গাঠ খুলিবার বিদ্যাট নয় ; তার পর জন্ম-মাত্রই বুদ্ধিটা হইতে শুরু করিয়া চলাফেরাটা পর্যন্ত পাকে পাকে জড়াইলাম, আর সেই হইতেই জগতে যেখানে যত রখী আছে, এমন কি পদাতিক পর্যন্ত, সকলের মার খাইয়া মরিতেছি । মানুষকে, পুথিকে, ইশারাকে, গণ্ডিকে বিনা বাক্যে পুরুষে পুরুষে মালিয়া চলাই এমলি আমাদের অভ্যস্ত যে, জগতে কোথাও যে আমাদের কর্তৃত্ব আছে তাহা চোখের সামনে সশরীরে উপস্থিত হইলেও কোনো মতেই ঠাহর হয় না, এমন কি, বিলাতি চশমা পরিলেও না । মাহুষের পক্ষে সকলের চেয়ে বড়ো কথাটাই এই যে, কর্তৃত্বের অধিকারই মনুষ্যত্বের অধিকার। নানা মন্ত্ৰে, নানা শ্লোকে, লান। বিধিবিধানে এই কথাটা ষে দেশে চাপ পড়িল, বিচারে পাছে এতটুকু ভুল হয় এইজন্স যে দেশে মাছুষ আচারে আপনাকে জাষ্টেপিষ্টে ৰাখে, 8 82 কালান্তর চলিতে গেলে পাছে দূরে গিয়া পড়ে এইজন্ত নিজের পথ নিজেই ভাঙিয়া দেয়, সেই দেশে ধর্মের দোহাই দিয়া মানুষকে নিজের পরে অপরিসীম অশ্রদ্ধা করিতে শেখানো হয় এবং সেই দেশে দাস তৈরি করিবার জন্ত সকলের চেয়ে বড়ো কারখানা খোলা হইয়াছে। আমাদের রাজপুরুষেরাও শাস্ত্রীয় গাম্ভীর্যের সঙ্গে এই কথাই বলিয়া থাকেন, “তোমরা ভূল করিবে, তোমরা পরিবে না, অতএব তোমাদের হাতে কর্তৃত্ব দেওয়া চলিবে না।” আর যাই হোক, মচু পরাশরের এই আওয়াজটা ইংরেজি গলায় ভারি বেস্থর বাজে, তাই আমরা তাদের যে উত্তরটা দিই সেটা তাদেরই সহজ স্বরের কথা। আমরা বলি, ভুল করাটা তেমন সর্বনাশ নয় স্বাধীনকর্তৃত্ব না পাওয়াট। যেমন । ভুল করিবার স্বাধীনত থাকিলে তবেই সত্যকে পাইবার স্বাধীনত থাকে। নিখুত নির্ভ ল হুইবার আশায় যদি নিরঙ্কুশ নির্জীব হইতে হয়, তবে তার চেয়ে নাহয় ভুলই করিলাম । আমাদের বলিবার আরো কথা আছে। কর্তৃপক্ষদের এ কথাও স্মরণ করাইতে পারি যে, আজ তোমরা আত্মকর্তৃত্বের মোটর গাড়ি চালাইতেছ, কিন্তু এক দিন রাত থাকিতে যখন গোরুর গাড়িতে যাত্রা শুরু হইয়াছিল তখন খালখনীর মধ্য দিয়া চাকাদুটোর আর্তনাদ ঠিক জয়ধ্বনির মতো শোনাইত না । পার্লামেণ্ট, বরাবরই ডাইনে বয়ে প্রবল ঝাকানি খাইয়া এক নজির হইতে আর-এক নজিরের লাইন কাটিতে কাটিতে আসিয়াছে, গোড়াগুড়িই সুমরোলার-টানা পাকা রাস্তা পায় নাই। কত ঘুষঘাষ, সুৰাযুষি, দলাদলি, অবিচার এবং অব্যবস্থার মধ্য দিয়া লে হেলিয়া হেলিয়া চলিয়াছে। কখনো রাজা, কখনো গির্জা, কখনো জমিদার, কখনো বা মদওয়ালারও স্বার্থ বহিয়াছে। এমন এক সময় ছিল সদস্তেরা যখন জরিমানা ও শাসনের (t. о কর্তার ইচ্ছায় কর্ম ভয়েই পালামেন্টে হাজির হইত। আর, গলদের কৰা যদি বল, কবেকার কালে সেই জায়ালগু, আমেরিকার লম্বন্ধ হইতে আরম্ভ করিয়া আজকের দিলে বোয়ার যুদ্ধ এবং ডার্ডানেলিস মেসোপেটেমিয়া পর্যন্ত গলদের লম্বা ফর্দ দেওয়া যায় ; ভারতবিভাগের ফটািও নেহাত ছোটো নয়— কিন্তু সেটার কথায় কাজ নাই । আমেরিকার রাষ্ট্ৰতন্ত্রে কুবের দেবতার চরগুলি যেসকল কুকীৰ্তি করে সেগুলো সামান্ত নয়। ড্রেফুসের নির্যাতন উপলক্ষ্যে ফ্রান্সের রাষ্টতন্ত্রে সৈনিক প্রাধান্তের যে অস্কায় প্রকাশ পাইয়াছিল, তাছাতে রিপুর অন্ধশক্তিরই তো হাত দেখা যায় । এসকল সত্ত্বেও আজকের দিনে এ কথায় কারও মনে সন্দেহ লেশমাত্র নাই যে, আত্মকর্তৃত্ত্বের চির সচলতার বেগেই মানুষ ভুলের মধ্য দিয়াই ভুলকে কাটায়, অন্যায়ের গর্তে ধড়িযোড় ভাঙিয়া পড়িয়াও ঠেলাঠেলি করিয়া উপরে ওঠে। এইজন্ত মানুষকে পিছমোড়া বাধিয়া তার মুখে পায়সার তুলিয়া দেওয়ার চেয়ে তাকে স্বাধীনভাবে অন্ন উপার্জনের চেষ্টায় উপবাসী হইতে দেওয়াও ভালো । এর চেয়েও একটা বড়ো কথা আমাদের বলিবার আছে, সে এই যে, রাষ্ট্রীয় আত্মকর্তৃত্বে কেবল যে সুব্যবস্থা বা দায়িত্ববোধ জন্মে তা নয়, মামুষের মনের আয়তন বড়ো হয় । কেবল পল্পীসমাজে বা ছোটো ছোটো সামাজিক শ্রেণীবিভাগে যাদের মন বদ্ধ, রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের অধিকার পাইলে তবেই মানুষকে বড়ে পরিধির মধ্যে দেখিবার তারা সুযোগ পায় । এই সুযোগের অভাবে প্রত্যেক মাস্থ্য মামুষ-হিসাবে ছোটো হইয়া থাকে। এই অবস্থায় সে যখন মনুষ্যত্বের বৃহৎ ভূমিকার উপরে আপন জীবনকে না ছড়াইয়া দেখে তখন তার চিস্তা, তার শক্তি, তার আশা ভরসা সমস্তই ছোটো হইয়া যায়। মামুষের এই আত্মার খর্বতা তার প্রাণনাশের চেয়ে ঢের বেশি বড়ো অমঙ্গল । ভূমৈব মুখং নাল্পে মুখমস্তি। অতএব ভুলচুকের সমস্ত আশঙ্কা মানিয়া লইয়াও & Y কালাস্তুর আমরা আত্মকর্তৃত্ব চাই। আমরা পড়িতে পড়িতে চলিব ; দোহাই তোমার, আমাদের এই পড়ার দিকেই তাকাইয়! আমাদের চলার দিকে বাধা দিয়ে না । এই জবাবই সত্য জবাব । যদি নাছোড়বান্দা হইয়া কোনো এক গুয়ে মানুষ এই জবাব দিয়া কর্তৃপক্ষকে বেজার করিয়া তোলে, তবে সে দিক হইতে সে ইন্টার্নড হইতে পারে, কিন্তু এ দিক হইতে বাছবা পায়। অথচ ঠিক এই জবাবটাই যদি আমাদের সমাজকর্তাদের কাছে দাখিল করি, যদি বলি “তোমরা বল, যুগটা কলি, আমাদের বুদ্ধিটা কম, স্বাধীন বিচারে আমাদের ভুল হয়, স্বাধীন ব্যবহারে আমর। অপরাধ করি, অতএব মগজটাকে অগ্রাহ করিয়া পুথিটাকে শিরোধার্য করিবার জন্তই আমাদের নতশিরট তৈরি, কিন্তু এত বড়ে অপমানের কথা আমরা মানিব না’, তবে চণ্ডীমণ্ডপের চক্ষু রাঙা হইয় ওঠে এবং সমাজকর্তা তখনই সামাজিক ইন্টার্ন মেন্টের হুকুম জারি করেন । যারা পোলিটিকাল আকাশে উড়িবার জন্ত পাখী ঝটপট করেন তারাই সামাজিক দাড়ের উপর পাদুটোকে শক্ত শিকলে জড়াইয়া রাখেন । আসল কথা, নৌকাটাকে ডাইনে চালাইবার জন্তও যে হাল, বায়ে চালাইবার জন্তও সেই হাল। একটা মূলকথা আছে, সেইটেকে আয়ত্ত করিতে পারিলেই সমাজেও মামুষ সত্য হয়, রাষ্ট্রব্যাপারেও মানুষ সত্য হয়। সেই মূলকথাটার ধারণা লইয়াই চিৎপুরের সঙ্গে চৌরঙ্গির তফাত । চিৎপুর একেবারেই ঠিক করিয়া আছে যে, সমস্তই উপরওয়ালার হাতে । তাই সে নিজের হাত খালি করিয়া চিত হইয়া রছিল । চৌরঙ্গি বলে, কিছুতে আমাদের হাত নাই এ যদি সত্যই হইত তবে আমাদের হাতছুটোই থাকিত না । উপরওয়ালার হাতের সঙ্গে আমাদের হাতের একট। অবিচ্ছিন্ন যোগ আছে, চৌরঙ্গি এই কথা মানে বলিয়াই জগৎটাকে হাত করিয়াছে ; আর চিংপুর তাছা মানে é २ লোকহিত to है२tग्नजिरड बणां शांब्र, डैब्रिां *Art همه با নীতিত্তে ત્તિની রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সম্পর্কে অভিমত থেকে তাকে জনায়াসেই কলাকৈৰল্যবাদী সাহিত্য সমালোচক হিসাবে মনে করা যায়।-- পাচ ] আমাদের দেশে লোকছিত সাধনের ষে প্রয়াস দেখা দিয়েছিল তাতে বিশেষ ফললাভের সম্ভাবনা নেই বলে রবীন্দ্রলাখ মনে করেছেন কেন ? তিনি প্রকৃত লোকছিভের জন্ত কি পদ্ধতি অবলম্বন করতে বলেছেন "লোকছিভ প্রেবন্ধ অবলম্বলে সে কথা বুঝিয়ে দাও। * উত্তর । রবীন্দ্রনাথ ৰে সময় “লোকহিত প্রবন্ধটি রচনা করেন সেই সময় আমাদের দেশের ভদ্রসমাজে দরিত্র সাধারণ মানুষের উপকার করবার একটা হুজুগ দেখা গিয়েছিল । এই ধরণের প্রয়াসকে সাধারণভাবে স্বাগত জানানো উচিত, কিন্তু রবীন্দ্রনাথ তাতে বিশেষ উৎসাহিত হতে পারেন নি । এতে যে তেমন কোন স্বফল ফলবে, এমন আশাও তিনি করতে পারেন নি। কেন তিনি মনে করেছেন এই প্রয়াস ফলবান হয়ে উঠবে না, তার কয়েকটি কারণ আছে। প্রথমত, লোকসাধারণের হিত করবার বাসনা অজসমাজের মনে কোন আন্তরিক প্রেরণা থেকে উদ্ভূত হয়নি—সেই সময় ইউরোপীয় সমাজে উচ্চবিত্তের মানুষ শ্রমিক সাধারণের উন্নতির জন্ত ষে সচেতনতা দেখিয়ে ছিলেন তার অনুকরণ কুরুবার জন্যই আমাদের দেশে লোকহিতের প্রবণতা দেখা গিয়েছিল। এভাৰে করণ করে কোন স্থায়ী অথবা প্রকৃত ফল আশা করা যায় না, কারণ দুই ভূখণ্ডে সমাজব্যবস্থা, সামাজিক বিবর্তন সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরণের। ইউরোপীয় বণিকসমাজ যে শ্রমিকের স্বার্থ দেখবার জন্য ব্যস্ততা দেখিয়েছেন তা তাদেৱ শুভবুদ্ধির ফল নয়, শ্রমিকের গণচেতনা জাগরণেরই প্রতিক্রিয়া। বিপুল সংখ্যায় সাধারণ মানুষ তাদের কারিক পরিশ্রমের দ্বারা বণিকদের কলকারখানায় ষে ফুনাফা উৎপাদন করে তার গুরুত্ব ভারা বুঝতে পেরেছে। নিজেদের শক্তি সম্বন্ধেও তাদের cछऊनl cजtणंtछ्-शङब्रां९ उप्क्ट्स फेरनक कब्रांच्च क्ण cष उज्ञानक हरङ नारङ्ग, ७क्षी घाई बदर्भ ®नंजकि करइरे बनेिकनयांच उiएक्इ फेब्रङिइ वड ७उ ऋछडे হয়েছে। ভারতবর্ষের জরিজলাধারণের মধ্যে সে চেতনা এখনো জাগেনি, তাই उांप्नञ्च चक्रांब छैबडि पॉप्नांइ cकांन शांइe ऊबनवांरबइ थांकरउ नांदइ नां । । डैरे ब्ररौठनोषं #ांकूद्र দ্বিতীয়ত, কোনরকম সামাজিক দায় এখনও অনুভব করে না বলেই এখানকার ভদ্রসমাজ লোকসাধারণের যেটুকু হিতসাধন করতে চায় তা অনুগ্রহ বিবেচনা করেই করে। নিজেদের আত্মম্ভরিতা ও বৈভব প্রচার করাটাই তাদের একমাত্র উদ্দেশু। দরিদ্র সাধারণের চেয়ে তারা অনেক বড়ো—এই কথাটি লোক সমক্ষে গোচর করা এবং তাতে পরিপূর্ণ আত্মাহংকার বোধ করাই এই ধরণের লোকহিতের উদ্বেগু । ফলে, এতে নিজেদের আত্মপ্রচারের কাজটা বেশ ভালভাবেই সমাধা হয় বটে, কিন্তু লোকহিতের কাজটা সে অনুপাতে কিছুই হয় না। সামান্ত দুটো একটা নৈশবিদ্যালয় স্থাপন করে অথবা লোকসাধারণের জন্য লোকসাহিত্য রচনা করার উদ্যোগ দেখিয়েই তারা কর্তব্য শেষ করে । তৃতীয়ত, দীর্ঘদিন ধরে ভদ্রেতর সমাজের প্রতি যে অবজ্ঞা ও ঘৃণা ভদ্রসমাজ পোষণ করে আসছে তা বিসর্জন না দিলে তাদের সত্যকার কোন উপকার করা ভদ্রসমাজের পক্ষে সম্ভব নয়। ভদ্রসমাজের চোখে দরিদ্র সম্প্রদায় প্রায় পশুর পর্যায়ভুক্ত—তারা মনে করে ভারতবর্ষ বলতে ভদ্রসমাজের ভারতবর্ষকেই বোঝায়, দরিত্রেরা তাদের সেবা করৰে—এইটুকু মাত্র তাদের অধিকার। তারা ভদ্রসমাজের চেয়ে অনেক অমুন্নত অনেক ছোট—কিন্তু কেবল সেই কারণেই তাদের উপকার করা অনেক কঠিন। ছোটর অপকার বড় খুব সহজেই করতে পারে, তার উপকার করতে গেলে আগে তাকে ভালবাসা দরকার । ছোটকে ভাল না বেলে তাকে ভিক্ষা দেওয়া যায়, অনুগ্রহ করা যায়—তাতে তার অপমানই বাড়ে, সে প্রাপ্য বলে কোন উপকার বড়র কাছে থেকে গ্রহণ করতে পারে না। তাদের সম্বন্ধে মনোভীর বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হয়নি, অথচ ভদ্রসমাজ তাদের হিতসাধনের জন্য ব্রতী হয়েছে—এটি এমনই অসম্ভব ব্যাপার যে এতে লোকসাধারণের কোনরকম উন্নতি ঘটা সম্ভব নয় বলে রবীন্দ্রনাথের মনে হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ লোকহিতের কার্যকর সমাধান সম্বন্ধেও স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন তার প্রবন্ধে। তিনি বলেছেন দরিদ্র সাধারণের মধ্যে যদি প্রাথমিক শিক্ষা ছড়িয়ে । দেওয়া যায় তবেই লোকহিতের কাজ পার্থক হয়ে উঠবে। প্রাথমিক শিক্ষা বলতে তিনি বুঝিয়েছেন কেবল লিখতে ও পড়তে শেখা। কিন্তু দে শিক্ষা অল্প কিছু शाइक् कंश जोउि क्झन ध्गारु ना-प्राप्तइ नश्ल शजि शाश्वरे शरउ ७३ শিক্ষা লাভ করে তার ব্যবস্থা করতে হবে। অর্থাৎ শিক্ষার মান খুব উচু হওয়ার কর্তার ইচ্ছায় কর্ম न बलिब्राहे छ१९ठेI८क हांठझांज्र कब्रिग्रा इहे छकूब्र ठांब्रl Böfहे! भिक्टनल्ल श्हेब्रा ब्रश्डिा । আমাদের ঘরগড়া কুনো নিয়মকেই সব চেয়ে বড়ে মনে করিতে হইলে চোখ বুজিতে হয়। চোখ চাছিলে দেখি, বিশ্বের আগাগোড়া একটা বুহুং নিয়ম আছে । নিজের চেষ্টায় সেই নিয়মকে দখল করাই শক্তিলা , সমৃদ্ধিলাভ, দুঃখ হইতে পরিত্রাণ লাভ– এই নিশ্চিত বোধটাই বর্তমান যুরোপীয় সভ্যতার পাকা ভিত। ব্যক্তিবিশেষের সফলতা কোনো বিশেষ বিধানে নয়, বিশ্ববিধানে — এইটে শক্ত করিয়া জানাতেই শক্তির ক্ষেত্রে যুরোপের এত বড়ো মুক্তি । আমরা কিন্তু ছুই হাত উল্টাইয়া দীর্ঘনিশ্বাস ফেলিয়া বলিতেছি— কর্তার ইচ্ছায় কর্ম। সেই কর্তাটিকে— ঘরের বাপদাদা, বা পুলিলের দারোগ, বা পাও পুরোহিত, বা স্কৃতিরত্ন, বা শীতল মনসা ওলাবিবি प्रकिशब्राग्र, अनि बत्रण ब्राह ८रुङ्ग प्यङ्गठि होचाब्र ब्रकय नाग निम्ना নিজের শক্তিকে হাজার টুকরা করিয়া আকাশে উড়াইয়া দিই। কলেজি পাঠক বলিবেন, 'আমরা তো এসব মানি না । আমরা তে বসন্থের টিক লই ; ওলাউঠ হইলে মুলের জলের পিচকিরি লইবার আয়োজন করি ; এমন কি মশাবাহিনী ম্যালেরিয়াকে আজও আমরা দেবী বলিয়া খাড়া করি নাই, তাকে আমরা কীটন্ত কীট বলিয়াই গণ্য করি’— এবং "সেই সঙ্গে সঙ্গে মন্ত্র ভর তাবিজটাকে পেট ভরা পিলের উপর ঝুলাইয়। রাখি।” মুখে কোনটাকে মানি বা নাই মানি তাতে কিছু আসে যায় না কিন্তু ওই মালার বিষে আমাদের মনের ভিতরটা জর্জরিত। এই মানসিক কাপুরুষতার ভিত্তি একটা চরাচরব্যাপী অনিশ্চিত ভয়ের উপর। অখণ্ড বিশ্বনিয়মের মধ্যে প্রকাশিত অখণ্ড বিশ্বশক্তিকে মানি न बनिबाहे शजांब्र ब्रकब छन्ब्रब्र कब्रनाब्र बूहिकेोटक चारशखरश बब्रथांड & Wo কালান্তর করিয়া বসি । ভয় কেবলই বলে, কী জানি, কাজ কী । ভয় জিনিসটাই এই রকম। আমাদের রাজপুরুষদের মধ্যেও দেখি, রাজ্যশাসনের কোনো একটা ছিদ্ৰ দিয়া ভয় ঢুকিলেই তারা পাশ্চাত্য স্বধৰ্মকেই ভুলিয়া যায়, যে ধ্রুব আইন তাদের শক্তির ধ্রুব নির্ভর তারই উপর চোখ বুজিয়া কুড়াল চালাইতে থাকে । তখন ন্যায়রক্ষার উপর ভরসা চলিয়া যায়, প্রেস্ট্রিজ রক্ষাকে তার চেয়ে বড়ো মনে করে ; এবং বিধাতার উপর টেক্কা দিয়া ভাবে, প্রজার চোখের জলটাকে গায়ের জোরে আওীমানে পাঠাইতে পারিলেই তাদের পক্ষে লঙ্কার ধোয়াটাকে মনোরম করা যায়। এইটেই তো বিশ্ববিধানের প্রতি অবিশ্বাস, নিজের বিশেষ বিধানের প্রতি ভরসা। এর মূলে ছোটো ভয়, কিম্বা ছোটে লোভ, কিম্ব কাজকে সোজা করিবার অতি ছোটো চাতুরী। আমরাও অন্ধ ভয়ের তাড়ায় মমুম্বাধর্মটাকে বিসর্জন দিতে রাজি। ব্যতিব্যস্ত হইয়া, যেখানে যা-কিছু আছে এবং নাই, সমস্তকেই জোড়হাত করিয়া মানিতে লাগিয়াছি। তাই আমরা জীববিজ্ঞান বা বস্তুবিজ্ঞানই পড়ি, আর রাষ্ট্রতন্ত্রের ইতিহাসে পরীক্ষাই পাশ করি, ‘কর্তার ইচ্ছা কর্ম’ এই বীজমন্ত্রটাকে মন হইতে ঝাড়িয়া ফেলিতে পারি না। তাই, যদিচ আমাদের এ কালের ভাগ্যে দেশে অনেকগুলি দশের কাজের পত্তন হইয়াছে, তবু আমাদের সে কালেব তাগ্যে সেই দশের কাজ একের কাজ হইয়া উঠিবার জন্ত কেবলই ঠেলা মারিতে থাকে । কোথা হইতে খামক একট-না-একটা কর্তা ফুড়িয়া ওঠে। তার একমাত্র কারণ, যে দশের কথা হইতেছে তারা ওঠে বসে, খায় দায়, বিবাহ ও চিতারোহণ করে এবং পরকালে পিণ্ড লইতে হাত বাড়ায় কর্তার ইচ্ছায় ; কিলে পাপ, কিসে পুণ্য, কে ঘরে ঢুকিলে হকার জল ফেলিতে হইবে, ক হাত ঘেরের কুয়ার জলে স্নান করা যায়, ভোক্তার ধৰ্মরক্ষার পক্ষে ময়রার হাতের লুচিরই বা কী গুণ, রুটিরই ৰ কী, কর্তার ইচ্ছায় কর্ম স্নেচ্ছের তৈরি মদেরই বা কী আর মেচ্ছের ছোওয়া জলেরই বা কী— কর্তার ইচ্ছার উপর বরাত দিয়া সে বিচার তার চিরকালের মতো সারিয়া রাখিয়াছে। যদি বলি পানিপাড়ে নোংরা ঘটি ডুবাইয়। যে জল বালতিতে লইয়া ফিরিতেছে সেট পানের অযোগ্য, আর পানিমিঞা ফিলটার হইতে যে জল আনিল সেটাই গুচি ও স্বাস্থ্যকর, তবে উত্তর শুনিব, ওটা তো তুচ্ছ যুক্তির কৰা, কিন্তু ওটা তো কর্তার ইচ্ছা নয়। যদি বলি, নাই হইল কর্তার ইচ্ছা, তবে নিমন্ত্ৰণ বন্ধ। শুধু অতিথিসংকার নয়, অস্ত্যেষ্টিসংকার পর্যন্ত অচল। এত নিষ্ঠুর জবৰ্দস্তি স্বারা যাদের অতি সামান্ত খাওয়াছোওয়ার অধিকার পর্যস্ত পদে পদে ঠেকানো হয়, এবং সেটাকে যারা কল্যাণ বলিয়াই মানে, তার রাষ্ট্রব্যাপারে অবধি অধিকার দাবি করিবার বেলায় সংকোচ বোধ করে না কেন ? যখন আপন শক্তির মূলধন লইয়া জনসাধারণের কারবার না চলে তখন সকল ব্যাপারেই মামুল দৈবের কাছে, গ্রহের কাছে, পরের কাছে হাত পাঙিয়া ভয়ে ভয়ে কাটায় । এই ভাবটার বর্ণনা যদি কোথাও খুব স্পষ্ট করিয়া ফুটিয়া থাকে তাছা বাংলার প্রাচীন মঙ্গলকাব্যে । চাদ সদাগরের মনের আদর্শ মহৎ, তাই যে দেবতাকে নিকৃষ্ট বলিয়া কিছুতে সে মালিতে চায় নাই বহু দুঃখে তারই শক্তির কাছে তাকে হার মানিতে হইল। এই ষে শক্তি, এর সঙ্গে জ্ঞান বা দ্যায়ধর্মের যোগ নাই । মানিবার পাত্র যতই যথেচ্ছাচারী ততই সে ভয়ংকর, ততই তার কাছে নতিস্তুতি । বিশ্বকর্তৃত্বের এই ধারণার সঙ্গে তখনকার রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের যোগ ছিল। কবিকঙ্কণের ভূমিকাতেই তার খবর মেলে। আইন নাই, বিচার নাই, জোর যার মুলুক তার ; প্রবলের অত্যাচারে বাধা দিবার কোনো বৈধ পথ নাই ; ছৰ্বলের একমাত্র উপায় স্তবস্তুতি, ঘুঘঘাষ এবং অবশেষে পলায়ন । দেবচরিত্র-কল্পনাতেও বেষন, সমাজেও তেমন, কালাস্তর রাষ্ট্রতন্ত্রেও সেইরূপ । অথচ এক দিন উপনিষদে বিধাতার কথা বলা হইয়াছিল, স্বাখাতথ্যতোইথান ব্যদধাৎ শাশ্বতীভ্য: সমাভ্য: অর্থাৎ তার বিধান যথাতথ, তাহা এলোমেলো নয় এবং সে বিধান শাশ্বত কালের । তাছা নিত্যকাল হইতে এবং নিত্যকালের জন্ত বিহিত, তাহ মুহূর্তে মুহূর্তে নূতন নূতন খেয়াল নয়। সুতরাং সেই নিত্যবিধানকে আমরা প্রত্যেকেই জ্ঞানের দ্বারা বুঝিয়া কর্মের দ্বারা আপন করিয়া লইতে পারি। তাকে যতই পাইব ততই নূতন নূতন বাধা কাটাইয়া চলিব । কেননা, যে বিধানে নিত্যতা আছে কোথাও সে একেবারে ঠেকিয়া যাইতে পারে না, বাধা সে অতিক্রম করিবেই। এই নিত্য এবং যথাতথ বিধানকে যথাতথরূপে জানাই বিজ্ঞান। সেই বিজ্ঞানের জোরে যুরোপের মনে এত বড়ো একটা ভরসা জন্মিয়াছে যে সে বলিতেছে, ‘ম্যালেরিয়াকে বিদায় করিবই, কোনো রোগকেই টি-কিতে দিব না ; জ্ঞানের অভাব, অল্পের অভাব লোকালয় হইতে দূর হইবেই ; মামুষের ঘরে যে-কেহ জন্মিবে সকলেই দেহে মনে সুস্থ সবল হইবে এবং রাষ্ট্রতন্ত্রে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যের সহিত বিশ্বকল্যাণের সামঞ্জস্ত সম্পূর্ণ হইয় উঠবে।" আধ্যাত্মিক অর্থে ভারতবর্ষ এক দিন বলিয়াছিল, অবিস্তাই বন্ধন, মুক্তি জ্ঞানে ; সত্যকে পাওয়াতেই আমাদের পরিহাণ। অসত্য কাকে বলে ? নিজেকে একান্ত বিচ্ছিন্ন করিয়া জানাই অসত্য। সর্বভূতের সঙ্গে আত্মার মিল জানিয়া পরমাত্মার সঙ্গে আধ্যাক্সিক যোগটিকে জানাই সত্য জানা । এত বড়ো সত্যকে মনে আনিতে পার। যে কণী পরমাশ্চর্য ব্যাপার, তা আজ আমরা বুঝিতেই পারিব না । এ দিকে আধিভৌতিক ক্ষেত্রে রোপ যে মুক্তির সাধনা করিতেছে তারও মূল কথাটা এই একই। এখানেও দেখা যায়, অবিস্তাই বন্ধন, সত্যকে পাওয়াতেই মুক্তি। সেই বৈজ্ঞানিক সত্য মাছুষের মনকে 《é কর্তার ইচ্ছায় কর্ম বিচ্ছিন্নত হইতে বিশ্বব্যাপিকতায় লইয়া বাইতেছে এবং সেই পথে মানুষের বিশেষ শক্তিকে বিশ্বশক্তির সহিত ৰোগযুক্ত করিতেছে। ভারতে ক্রমে ঋষিদের যুগ, অর্থাৎ গৃহস্থ তাপসদের যুগ গেল ; ক্রমে বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর যুগ আসিল । ভারতবর্ষ যে মহাসত্য পাইয়াছিল তাহাকে জীবনের ব্যবহারের পথ হইতে তফা ভ করিয়া দিল । বলিল, সন্ন্যাসী হইলে তবেই মুক্তির সাধনা সম্ভবপর হয়। তার ফলে এ দেশে বিস্কার সঙ্গে অবিদ্যার একটা আপোস হইয়া গেছে ; বিষয়বিভাগের মতো উভয়ের মহল-বি ভাগ হইয়া মাঝখানে একটা দেয়াল উঠিল । সংসারে তাই ধর্মে-কর্ষে আচারে-বিচারে যত সংকীর্ণতা, যত স্থূলতা, যত মূঢ়তাই থাক, উচ্চতম সত্যের দিক হষ্টতে তার প্রতিবাদ নাই, এমন কি, সমর্থন BSDS BBBBB BBBS BB BBBB SB DDD BBBBB সৰ্বভূতের মধ্যে ও সর্বভূতকে আপনার মধ্যে এক করিয়া দেখিয়াছে সেই সত্যকে দেখিয়াছে’ ; আমনি সংসারী ভক্তিতে গলিয়া তার ভিক্ষার ঝুলি ভরিয়া দিল । ও দিকে সংসারী তার দরদপলালে বসিয়া বলিতেছে "যে বেট সর্বভূতকে যত দূর সম্ভব তফাতে রাখিয়া না চলিয়াছে তার ধোবানাপিত বন্ধ ; আর জ্ঞানী আসিয়া তার মাথায় পায়ের ধুলা দিয়া আশীৰ্বাদ করিয়া গেল, ‘ৰাব, বাচিয়া থাকে৷ ” এইজন্যই এ দেশে কর্মসংসারে বিচ্ছিন্নতা জড়তা পদে পদে বাড়িয়া চলিল, কোথাও তাকে বাধা দিবার কিছু নাই। এইজন্তই শত শত বছর ধরিয়া কর্মসংসারে আমাদের এত অপমান, এত হার । যুরোপে ঠিক ইহার উন্ট। যুরোপের সত্যসাধনার ক্ষেত্র কেবল জ্ঞানে নহে, ব্যবহারে । সেখানে রাজে। সমাজে যে-কোনো খুত দেখ’ যায় এই সত্যের আলোতে সকলে মিলিয়া তার বিচার, এই সত্যের সাহায্যে সকলে মিলিয়া তার সংশোধন । এইজন্তু সেই সত্য যে শক্তি, যে মুক্তি দিতেছে, সমস্ত মানুষের তাছাতে জৰিকার ; তাহা সকল & A কালাস্তুর মাছুষকে আশা দেয়, সাহস দেয়— তাহার বিকাশ তন্ত্রমন্ত্রের কুয়াশায় ঢাকা নয়, মুক্ত আলোকে সকলের সামনে তাহ বাড়িয়া উঠিতেছে এবং সকলকেই বাড়াইয়া তুলিতেছে। এই-যে কর্মসংসারে শত শত বছর ধরিয়া অপমানটা সছিলাম সেটা আমাদের কাছে দেখা দিয়াছে রাষ্ট্রীয় পরাধীনতার আকারে । যেখানে ব্যথা সেইখানেই হাত পড়ে। এইজন্তই যে যুরোপীয় জাতি প্রভুত্ব পাইল তাদের রাষ্ট্রব্যবস্থার দিকেই আমাদের সমস্ত মন গেল। আমরা আর সব কথা ভুলিয়া কেবলমাত্র এই কৰাই বলিতেছি যে, ভারতের শাসনতন্ত্রের সঙ্গে আমাদের ইচ্ছার যোগসাধন হোক ; উপর হইতে যেমন-খুশি নিয়ম হানিবে আর আমরা বিনা খুশিতে সে নিয়ম মানিৰ, এমনটা না হয়। কর্তৃত্বকে কাধে চাপাইলেই বোঝা হইয় ওঠে, ওটাকে এমন একটা চাকাওয়ালা ঠেলাগাড়ির উপর নামানে হোক যেটাকে আমরাও নিজের হাতে ঠেলিতে পারি । আজকের দিনে এই প্রার্থনা পৃথিবীর সব দেশেই জাগিয়া উঠিয়াছে যে, বাহিরের কর্তার সম্পূর্ণ এক তরফ শাসন হইতে মানুষ ছুটি লইবে । এই প্রার্থনায় আমরা যে যোগ দিয়াছি তাহা কালের ধর্মে ; না যদি দিতাম, যদি বলিতাম, রাষ্ট্রব্যাপারে আমরা চিরকালই কর্তাভজা— সেট। আমাদের পক্ষে নিতাস্ত লজ্জার কথা হইত। অন্তত একটা ফাটল দিয়াও সত্য আমাদের কাছে দেখা দিতেছে, এটাও শুভলক্ষণ । সত্য দেখা দিল বলিয়াই আজ এতটা জোর করিয়া বলিতেছি যে, দেশের যে আত্মাভিমানে আমাদের শক্তিকে সম্মুখের দিকে ঠেলা দিতেছে তাকে বলি সাধু, কিন্তু যে আত্মাভিমান পিছনের দিকের অচল খোটায় আমাদের বলির পাঠার মতে বাধিতে চায় তাকে বলি ধিক ! এই আত্মাভিমানে বাহিরের দিকে মুখ করিয়া বলিতেছি, রাষ্ট্রতন্ত্রের কর্তৃত্বলতায় আমাদের আসন পাতা চাই। আবার সেই অভিমানেই ঘরের ● br কর্তার ইচ্ছায় কর্ম দিকে মুখ ফিরাইয়া হাকিয়া বলিতেছি খবরদার । ধর্মতন্ত্রে, সমাজতন্ত্ৰে, এমন কি ব্যক্তিগত ব্যবহারে কর্তার হুকুম ছাড়া এক পা চলিবে না’— ইহাকেই বলি হিন্দুয়ানির পুনরুজ্জীবন। দেশভিমানের তরফ হইতে আমাদের উপর হুকুম আসিল, আমাদের এক চোখ জাগিবে, আর-এক চোখ ঘুমাইবে । এমন হুকুম তামিল করাই দায়। বিধাতার শাস্তিতে আমাদের পিঠের উপর যখন বেত পড়িল তখন দেশভিমান ধড়ফড় করিয়া বলিয়া উঠিল, 'ওপড়াও ওই বেতবনটাকে ৷” ভুলিয়া গেছে, বেতবনট গেলেও বঁাশবনট আছে। অপরাধ বেতেও নাই, বাশেও নাই, অাছে আপনার মধ্যেই । অপরাধটা এই যে, সত্যের জায়গায় আমরা কর্তাকে মানি, চোখের চেয়ে চোখের ঠুলিকে শ্রদ্ধা করাই আমাদের চিরাভ্যাস । যত দিন এমনি চলিবে তত দিন কোলেনা-কোনো ঝোপে ঝাড়ে বেতবন আমাদের জন্ত অমর হইয়া থাকিবে । সমাজের সকল বিভাগেই ধর্মতন্ত্রের শাসন এক সময় য়ুরোপেও প্রবল ছিল । তারই বেড়-জালটাকে কাটিয় যখন বাহির হইল তখন হইতেই সেখানকার জনসাধারণ আত্মিকর্তৃত্বের পথে যথেষ্ট লম্বা করিয়া পা ফেলিতে পারিল । ইংরেজের দ্বৈপায়নত ইংরেজের পক্ষে একট। বড়ো সুযোগ ছিল । কেননা যুরোপীয় ধর্মতন্ত্রের প্রধান আসন রোমে । সেই রোমের পূর্ণপ্রভাব অস্বীকার করা বিচ্ছিন্ন ইংলণ্ডের পক্ষে কঠিন হয় নাই। ধর্মতন্ত্র বলিতে যা বোঝায় ইংলওে আজও তার কোনো চিহ্ন নাই, এমন কথা বলি না । কিন্তু বড়োঘরের গৃহিণী বিধবা হইলে যেমন হয় তার অবস্থা তেমনি এক সময়ে যাদের কাছে সে নথনাড়া দিয়াছে, স্তায়ে অন্তায়ে অtঞ্জ তাদেরই মন জোগাইয়া চলে ; পাশের ঘরে তার বাসের জায়গা, খোরপোশের জন্ত সামান্ত কিছু মালহারা বরাদ্দ। হালের ছেলের পূর্বদস্তরমতো বুড়িকে হগুায় হস্তায় প্রণাম করে বটে কিন্তু মান্ত করে না। এই গৃহিণীর দাবরাব যদি পূর্বের মতে থাকিত তবে কালান্তর ছেলেমেয়েদের কারও আজ টু শব্দ করিবার জো থাকিত না । ইংলও এই বুড়ির শাসন অনেক দিন হইল কাটাইয়াছে, কিন্তু স্পেন এখনও সম্পূর্ণ কাটায় নাই। এক দিন স্পেনের পালে খুব জোর হাওয়া লাগিয়াছিল ; সেদিন পৃথিবীর ঘাটে আঘাটায় সে আপনার জয়ধ্বজ উড়াইল। কিন্তু তার হালটার দিকে সেই বুড়ি বসিয়া ছিল, তাই আজি সে একেবারে পিছাইয়া পড়িয়াছে। প্রথম দমেই সে এতটা দৌড় দিল, তবু একটু পরেই সে যে আর দম রাখিতে পারিল না, তার কারণ কী। তার কারণ, বুড়িটা বরাবর ছিল তার কাধে চড়িয়া । অনেক দিন আগেই সেদিন স্পেনের ইঁাপের লক্ষণ দেখা গেল যেদিন ইংরেজের সঙ্গে স্পেনের রাজা ফিলিপের নৌযুদ্ধ বাধিল । সেদিন হঠাৎ ধরা পড়িল, স্পেনের ধর্মবিশ্বাস ও যেমন সনাতন প্রথায় বাধা তার নৌযুদ্ধবিদ্যাও তেমনি । ংরেজের যুদ্ধজাহাজ চঞ্চল জলঙ্গাওয়ার নিয়মকে ভালো করিয়া বুঝিয়া লইয়াছিল, কিন্তু স্পেনীয়দের যুদ্ধজাহাজ নিজের অচল বাধি নিয়মকে ছাড়িতে পারে নাই। যার নৈপুণ্য বেশি তার কৌলীন্ত যেমনি থাক সে ইংরেজ-যুদ্ধজাহাজের সর্দার হইতে পারিত,কিন্তু কুলীন ছাড়া স্পেনীয় রণতরীর পতিপদে কারও অধিকার ছিল না । আজ যুরোপের ছোটে-বড়ো যে-কোনো দেশেই জনসাধারণ মাথা তুলিতে পারিয়াছে, সর্বত্রই ধর্মতন্ত্রের অন্ধ কর্তৃত্ব আলগা হইয়া মানুষ নিজেকে শ্রদ্ধা করিতে শিথিয়াছে । গণসমাজে যেখানে এই শ্রদ্ধা ছিল না, যেমন জার-কর্তার রাশিয়ায়, সেখানকার সমাজ বেওয়ারিস ক্ষেত্রের মতো নানা কর্তার কঁটিাগাছে জঙ্গল হইয়া উঠিয়াছিল। সেখানে এ কালের পেয়াদ হটতে সে কালের পুথি পর্যন্ত সকলেই মছুষ্যত্বের কান মলিয়া অন্তায় খাজনা আদায় করে । মনে রাখা দরকার, ধর্ম আর ধর্মতন্ত্র এক জিনিস নয়। ও যেন আগুন আর ছাই। ধর্ষতন্ত্রের কাছে ধর্ম যখন খাটে। झग्न ठथम मर्नेौब्र Ne E কর্তার ইচ্ছায় কর্ম বালি নদীর জলের উপর মোড়লি করিতে থাকে । তখন স্রোত চলে না, মরুভূমি ধুধু করে। তার উপরে, সেই অচলতাটাকে লইয়াই মানুষ যখন বুক ফোলায় তখন গওতোপরি বিস্ফোটকং । ধর্ম বলে, মাছুষকে যদি শ্রদ্ধ না কর তবে অপমানিত ও অপমানকারী কারও কল্যাণ হয় না । কিন্তু ধৰ্মতন্ত্র বলে, মাল্লুবকে নির্ণয় ভাবে অশ্রদ্ধা করিবার বিস্তারিত নিয়মাবলী যদি নিখুত করিয়া না মান তবে ধর্মভ্ৰষ্ট হইবে । ধর্ম বলে, জীবকে নিরর্থক কষ্ট যে দেয় সে আত্মাকেই হনন করে। কিন্তু ধৰ্মতন্ত্র বলে, যত অসহ কষ্টই হোক, বিধবা মেয়ের মুখে যে বাপ-মা বিশেষ তিধিতে অন্নজল তুলিয়া দেয় সে পাপকে লালন করে । ধর্ম বলে, অমুশোচনা ও কল্যাণ কর্মের স্বারা অন্তরে বাহিরে পাপের শোধন । কিন্তু ধর্ধতন্ত্র বলে, গ্রহণের দিনে বিশেষ জলে ডুব দিলে, কেবল নিজের নয়, চোদ পুরুষের পাপ উদ্ধার । ধর্ম বলে, সাগরগিরি পার হইয়া পৃথিবীটাকে দেখিয়া লও, তাতেই মনের বিকাশ। ধর্মত বলে, সমুদ্র যদি পারাপার কর তৰে খুব লম্বা করিয়া নাকে খত দিতে হইবে । ধৰ্ম ৰলে, যে মানুষ যথার্থ মামুব সে যে ঘরেই জন্মাক পূজনীয়। ধৰ্মতন্ত্র বলে, যে মানুষ ব্রাহ্মণ সে যত বড়ো অভাজনই হোক, মাথায় পা তুলিবার ৰোগ্য। অর্থাৎ মুক্তির মন্ত্র পড়ে ধর্ম, আর দাসত্বের মন্ত্র পড়ে ধর্মতন্ত্র । আমি জানি, এক দিন একজন রাজ। কলিকাতায় আর-এক রাজার সঙ্গে দেখা করিতে গিয়াছিলেন । বাড়ি ধার তিনি কলেজে পাশ-কর। সুশিক্ষিত। অতিথি যখন দেখা সারিয়া গাড়িতে উঠিবেন এমন সময় বাড়ি যার তিনি রাজার কাপড় ধরিয়া টানিলেন ; বলিলেন, “আপনার মুখে পান ’ গাড়ি ধার তিনি দায়ে পড়িয়া মুখের পান ফেলিলেন, কেননা সারখি মুসলমান। এ কথা জিজ্ঞাসা করিবার অধিকারই নাই, 'সাৰথি বেই হোক, মুখের পান ফেলা যায় কেন ? ধর্মবুদ্ধিতে বা 心》 কালান্তর কর্মবুদ্ধিতে কোথাও কিছুমাত্র আটক না খাইলেও গাড়িতে বসিয়া স্বচ্ছন্দে পান খাইবার স্বাধীনতাটুকু যে দেশের মানুষ অনায়ালে বর্জন করিতে প্রস্তুত, সে দেশের লোক স্বাধীনতার অস্ত্যেষ্টিসৎকার করিয়াছে । অথচ দেখি, যারা গোড়ায় কোপ দেয় তারাই আগায় জল ঢালিবার জন্ত ব্যস্ত । নিষ্ঠা পদার্থের একটা শোভা আছে । কোনো কোনো বিদেশী এ দেশে আসিয়া সেই শোভার ব্যাখ্যা করেন । এটাকে বাহির হইতে তারা সেই ভাবেই দেখেন, একজন আর্টিন্ট পুরানো ভাঙা বাড়ির চিত্রযোগ্যতা যেমন করিয়া দেখে, তার বাসযোগ্যতার খবর লয় না। স্নানযাত্রার পরবে বরিশাল হইতে কলিকাতায় আসিতে গঙ্গাস্নানের যাত্রী দেখিয়াছি, তার বেশির ভাগ স্ত্রীলোক । স্টীমারের ঘাটে ঘাটে, রেলওয়ের স্টেশনে স্টেশনে তাদের কষ্টের অপমানের সীমা ছিল না । বাহিরের দিক হইতে এই ব্যাকুল সহিষ্ণুতার সৌন্দর্য আছে। কিন্তু আমাদের দেশের অন্তর্যামী এই অন্ধ নিষ্ঠার সৌন্দর্যকে গ্রহণ করেন নাই । তিনি পুরস্কার দিলেন না, শাস্তিই দিলেন। স্থঃখ বাড়িতেই চলিল । এই মেয়েরা মানত-স্বস্ত্যয়নের বেড়ার মধ্যে যেসব ছেলে মানুষ করিয়াছে, ইহকালের সমস্ত বস্তুর কাছেই তার মাথা ইেট করিল এবং পরকালের সমস্ত ছায়ার কাছেই তার মাথা খুঁড়িতে লাগিল । নিজের কাজের বাধাকে রাস্তার বঁাকে বাকে গাড়িয়া দেওয়াই এদের কাজ, এবং নিজের উন্নতির অন্তরায়কে আকাশপরিমাণ উচু করিয়া তোলাকেই এরা বলে উন্নতি । সত্যের জন্ত মাম্বুব কষ্ট সহিবে, এইটেই মুন্দর। কানা বুদ্ধি কিম্ব খোড়া শক্তিয় হাত হইতে মামুষ লেশমাত্র কষ্ট যদি সয়, তবে সেটা কুদৃপ্ত। কারণ, বিধাতা আমাদের সব চেয়ে বড়ো যে সম্পদ দিয়াছেন, ত্যাগ-স্বীকারের বীরত্ব, এই কষ্ট তারই বেছিলাবি বাজে খরচ। আজ তারই নিকাশ আমাদের চলিতেছে — ইহার ঋণের સ્વછર কর্তার ইচ্ছায় কর্ম ফর্ণটাই মোটা । চোখের সামনে দেখিয়াছি, হাজার হাজার মেয়েপুরুষ পুণ্যের সন্ধানে যে পথ দিয়া স্নানে চলিয়াছে ঠিক তারই ধারে মাটিতে পড়িয়া একটি বিদেশী রোগী মরিল, সে কোন জাতের মান্থব জানা ছিল না বলিয়া কেহ তাছাকে ছুইল না। এই তো ঋণদায়ে দেউলিয়ার লক্ষণ। এই কষ্টসহিষ্ণু পুণ্যকামীদের নিষ্ঠ দেখিতে সুন্দর, কিন্তু ইহার লোকসান সর্বনেশে । যে অন্ধতা মামুষকে পুণ্যের জন্ত জলে স্নান করিতে ছোটায়, সেই অন্ধভাই তাকে অজানা মুম্‌ধুর লেবায় নিরস্ত করে। একলব্য পরমনিষ্ঠুর দ্রোণাচার্ধকে তার বুড়া আঙুল কাটিয়া দিল, কিন্তু এই অন্ধ লিষ্ঠার দ্বারা সে নিজের চিরজীবনের তপস্তাফল হইতে তার সমস্ত আপন-জনকে বঞ্চিত করিয়াছে। এই ষে মূঢ় নিষ্ঠার মিরতিশয় নিফলতা বিধাতা ইহাকে সমাদর করেন না, কেননা ইহা তার দানের অবমাননা । গয়াতীর্থে দেখা গেছে, যে পাণ্ডার না আছে বিদ্যা, না আছে চারিত্র, ধনী স্ত্রীলোক রাশি রাশি টাকা ঢালিয়া দিয়া তার পা পূজা করিয়াছে। সেই সময়ে তার ভক্তিবিহ্বলতা ভাবুকের চোখে মুন্দর ; কিন্তু এই অবিচলিত নিষ্ট, এই অপরিমিত বদান্তত কি সত্য দয়ার পথে এই স্ত্রীলোককে এক প। অগ্রসর করিয়াছে ? ইহার উত্তর এই যে, তবু তো সে টাকাটা খরচ করিতেছে ; সে যদি পাওকে পবিত্র বলিয়া না মানিত তবে টাকা খরচ করিতই ন কিম্বা নিজের জন্ত করিত । সে কথা टैिक ; কিন্তু তার একটা মস্ত লাভ হইত এই যে, সেই খরচ না করাটাকে কিম্বা নিজের জন্ত খরচ করাটাকে সে ধর্ম বলিয়া নিজেকে ভোলাইত না— এই মোহের দাসত্ব হইতে তার মন মুক্ত থাকিত। মনের এই মুক্তির অভাবেই দেশের শক্তি বাহিরে আলিতে পারিতেছে না। কেননা যাকে চোখ বুজিয়া চালানো অভ্যাস করানো হইয়াছে, চোখ খুলিয়া চলিতে তার পা কাপে ; অন্থগত দাসের মতে যে কেবল মনিবের জন্যই প্রাণ দিতে শিখিয়াছে, আপনি প্রভু হুইয়া 粤\3 কালান্তর স্বেচ্ছায় দ্যায়ধর্মের জন্ত প্রাণ দেওয়া তার পক্ষে অসাধ্য । এইজন্তই আমাদের পাড়াগায়ে অন্ন জল স্বাস্থ্য শিক্ষা আনন্দ সমস্ত আজ ভাটার মুখে। আত্মশক্তি না জাগাইতে পরিলে পল্লীবাসীর উদ্ধার নাই— এই কথা মনে করিয়া, নিজের কল্যাণ নিজে করিবার শক্তিকে একটা বিশেষ পাড়ায় জাগাইবার চেষ্টা করিলাম। এক দিন পাড়ায় আগুন লাগিল ; কাছে কোথাও এক ফোট জল নাই ; পাড়ার লোক দাড়াইয়া হায়-হায় করিতেছে । আমি তাদের বলিলাম, নিজেরা মজুরি দিয়া যদি তোমরা পাড়ায় একটা কুয়ো খুড়িয়া দাও আমি তার বাধাইবার খরচ দিব ।’ তারা ভাবিল, পুণ্য হইবে ওই সেয়ান লোকটার, আর তার মজুরি জোগাইব আমরা, এটা ফাকি । সে কুয়ো গোড়া হইল না, জলের কষ্ট রহিয়া গেল, আর আগুনের সেথানে বাধা নিমন্ত্রণ । এই-যে অটল ছৰ্দশ এর কারণ, গ্রামের যা-কিছু পূর্তকার্য তা এ পর্যস্ত পুণ্যের প্রলোভনে ঘটিয়াছে । তাই মামুষের সকল অভাবই পূরণ করিবার বরাত হয় বিধাতার পরে নয় কোনো আগন্ধকের উপর । পুণ্যের উমেদার যদি উপস্থিত না থাকে তবে এর জল না খাইয়া মরিয়া গেলেও নিজের হাতে এক কোদাল মাটিও কাটিবে না । কেননা এরা এখনও সেই বুড়ির কোল থেকে নামে নাই ৰে বুড়ি এদের জাতিকূল ধৰ্মকৰ্ম ভালোমন্দ শোওয়াবসা সমস্তই বাহির হইতে বাধিয়া দিয়াছে । ইহাদের দোষ দিতে পারি না কেননা বুড়ি এদের মনটাকেই আফিম খাওয়াইরা ঘুম পাড়াইয়াছে। কিন্তু অবাক হইতে হয় যখন দেখি, এখনকার কালের শিক্ষিত যুবকেরা, এমন কি, কলেজের তরু, ছাত্রেরা ও এই বুড়িতন্ত্রের গুণ গাহিতেছেন। ভারতবর্ধকে সনাতন ধামীর কাখে চড়িতে দেখিয়৷ ষ্টছাদের ভারি গর্ব ; বলেন, ওটা বড়ো উচ্চ জায়গা, ওপান হইতে পা মাটিতেই পড়ে না। বলেন, ওই 曹岛 কর্তার ইচ্ছায় কর্ম কাখে থাকিয়াই আত্মকর্তৃত্বের রাজদও হাতে ৰরিলে বড়ো শোভা হুইবে । অথচ স্পষ্ট দেখি, দুঃখের পর হুঃখ, দুর্ভিক্ষের পর ছুর্ভিক্ষ ; বল্লামলোকের যতগুলি চর আছে সবগুলিই আমাদের ঘরে ঘরে বাসা লষ্টল। বাঘে ভাকাতে তাড়া করিলেও যেমন আমাদের অস্ত্ৰ তুলিবার इकूम नाहे ८ठमनि ७हे चबजलसरण1 जाक भिद्ध1 वथन घाटछब्र खे°ब्र দাত বসাইতে আসে তখন দেখি, সামাজিক বন্দুকের পাস নাই। हे झान्निश्रटक ८थमाहेबांग्न चह्न छांटनग्न चद्ध, विक्रॉब्रबूकिब्र चञ्च । बूक्लिद्र শাসনের প্রতি যাদের ভক্তি অটল তারা বলেন, “ওই অস্ত্রটা কি আমাদের একেৰাৱে নাই ? আমরাও সায়ান্স শিখিৰ এবং যতটা পারি থাটাইৰ ' অন্ত্র একেবারে নাই বলিলে অভু্যক্তি হয়, কিন্তু অস্ত্র-পাসের আইনটা বিষম কড়া । অস্ত্র ব্যবহার করিতে দিয়াও যতটা না-দিতে পারা যায় তারই উপর ষোলে। আন ক্টোক । ব্যবহারের গণ্ডি এতই, তার একটু এদিক-ওদিক হইলেই এত দ্বর্ণয় কানমলা, সমস্ত গুরুপুরোহিত তাগাভাবিজ সংস্কৃত শ্লোক ও মেয়েলি মন্ত্র এত ভয়ে ভয়ে সাৰবানে বঁাচাইয়া চলিতে হয় যে, ডাকাত পড়িলে ডাকাতের চেয়ে অনভ্যাসের বন্দুকটা লইয়াই ফাপরে পড়িতে হয় । যাই হোক, ‘পায়ের ৰেড়িটা অক্ষয় হোক’ বলিয়াই যখন আশীৰ্বাদ করা হইল তখন দয়ালু লোক এ কথাও বলিতে বাধ্য যে, মানুষদের কাধে চড়িয়া ৰেড়াইতে প্রস্তুত হও । বত রাজ্যের জগতের বেড়া, चां5ftद्रब्र ८वज्रा यन्त्रांबड रूब्रिड्रा त्रांकी कब्राहे वनि शूनङ्गबौवन इञ्च, बनि এমনি করিয়া জীবনের ক্ষেত্রকে বাধাগ্রত ও বুদ্ধির ক্ষেত্ৰকে সংকীর্ণ করাই আমাদের গৌরবের কৰা হয়, তবে সেই সঙ্গে এ কথাও বলিতে हब्र, '७हे चक्रबरक्ब्र इहे ८वला जाणन कब्रिवांब्र बछ मण वैरिषा ' किरू স্থই বিপৰীত কুলকে এক সঙ্গে বাচাইৰায় সাধ্য কোনো শক্তিমানেরই (t b R কালান্তর নাই। তৃষার্তের ঘড়াঘটি সমস্ত চুরমার করিবে, তার পরে চালুনি দিয়া জল আনিতে ঘন ঘন ঘাটে ঘরে আনাগোনা, এ আবদার বিধাতার সহ হয় না। অনেকে বলেন, এ দেশে পদে পদে এত ষে ছুঃখদারিদ্র্য তার মূল কারণ, এখানকার সম্পূর্ণ শাসনভার পরজাতির উপর। কথাটাকে বিচার করিয়া দেখা দরকার । ইংরেজ-রাষ্ট্রনীতির মূলতত্ত্বই রাষ্ট্র তন্ত্রের সঙ্গে প্রজাদের শক্তির যোগ। এই রাষ্ট্রতন্ত্র চিরদিনই একতরফা অধিপত্যের বুকে শেল হানিয়াছে, এ কথা আমাদের কাছেও কিছুমাত্র ঢাকা নাই। এই কথাই সরকারি বিদ্যালয়ে আমরা সদরে বলিয়া পড়ি, শিখি, এবং পড়িয়" এগৃজামিন পাস করি। এ কথাটাকে এখন আমাদের কাছ হইতে ফিরাইয়া লইবার আর উপায় নাই । কন্‌গ্রেস বল, লীগ বল, এ-সমস্তর মূলই এইখানে। যেমন জুরোপীয় সায়ান্সে আমাদের সকলেরই অধিকারটা সেই সায়ান্সেরই প্রকৃতিগত, তেমনি ইংরেজ-রাষ্ট্ৰতন্ত্রে ভারতের প্রজার আপন অধিকার সেই রাষ্ট্রনীতিরই জীবনধর্মের মধ্যেই । কোনো একজন বা দশজন ৰ পাচশোজন ইংরেজ বলিতে পারে, ভারতীয় ছাত্রকে সায়ান্স শিখিবার সুযোগটা না দেওয়াই ভালো, কিন্তু সায়ান্স সেই পাচশে ইংরেজের কণ্ঠকে লজ্জা দিয়া বন্দ্র স্বরে বলিবে, এলো তোমরা, তোমাদের বর্ণ যেমনি হোক, তোমাদের দেশ যেখানেই থাক, আমাকে গ্রহণ করিয়া শক্তি লাভ করো ।” তেমনি কোনো দশজন বা দশ-হাজার-জন ইংরেজ রাজসভার মঞ্চে বা খবরের কাগজের স্তম্ভে চড়িয়া বলিতেও পারে যে, ভারতশাসনতন্ত্রে ভারতীয় প্রজার কর্তৃত্বকে নানা প্রকারে প্রবেশে ৰাধা দেওয়াই ভালো, কিন্তু সেই দশহাজার ইংরেজের মন্ত্রণাকে তিরস্কার করিয়া ইংরেজের রাষ্ট্রনীতি ৰজস্বরে বলিতেছে, “এলো তোমরা, তোমাদের বর্ণ যেমনি হোক, তোমাদের দেশ যেখানেই থাক, ভারতশাসনতৰে Φθ কর্তার ইচ্ছায় কর্ম ভারতীয় প্রজার আপন অধিকার আছে, তাহা গ্রহণ করে ।” কিন্তু ইংরেজের রাষ্ট্রনীতি আমাদের বেলায় খাটে না, এমন একটা কড় জবাব শুনিবার আশঙ্কা আছে । ভারতবর্ষে ব্রাহ্মণ যেমন বলিয়াছিল, উচ্চতর জ্ঞানে ধর্মে কর্মে শূত্রের অধিকার নাই, এও সেই রকমের কথা । কিন্তু ব্ৰাহ্মণ এই অধিকারভেদের ব্যবস্থাটাকে আগাগোড়া পাকা করিয়া গাধিয়াছিল, যাহাকে বাহিরে পঙ্গু করিবে তার মনকেও পঙ্গু করিয়াছিল। জ্ঞানের দিকে গোড় কাটা পড়িলেই কর্মের দিকে ডালপালা আপনি শুকাইয়া যায়। শূদ্রের সেই জ্ঞানের শিকড়টা কাটিতেই আর বেশি কিছু করিতে হয় নাই ; তার পর হইতে তার মাথাট। আপনিই মুইয়া পড়িয়া ব্রাহ্মণের পদ রজে আসিয়া ঠেকিয়া রহিল। ইংরেজ আমাদের জ্ঞানের দ্বার বন্ধ করে নাই, অথচ সেইটেই মুক্তির সিংহদ্বার । রাজপুরুষের সেজন্ত বোধ করি মনে মনে আপষোস করেন এবং আস্তে আস্তে বিদ্যালয়ের জ্বটো-একটা জালালা-দরজাও বন্ধ করিবার গতিক দেখি ; কিন্তু তবু এ কথা তারা কোনো দিন একেবারে ভুলিতে পারিবেন না যে, সুবিধার খাতিরে নিজের মতুয়াহুকে আঘাত করিলে ফলে সেটা আত্মহত্যার মতোই হয় । ভারতশাসনে আমাদের স্তায্য অধিকারটা ইংরেজের মনস্তত্ত্বের মধ্যেই নিহিত— এই আশার কথাটাকে যদি আমাদের শক্তি দিয়া ধরিতে পারি তবে ইহার জন্ত বিস্তর দুঃখ সহ, ত্যাগ করা, আমাদের পক্ষে সহজ হয়। যদি আমাদের দুর্বল অভ্যাসে ৰলিয়া বসি "কর্তার ইচ্ছায় কর্ম, ওর আর নড়াচড় নাই, তবে যে মুগভীর নৈরাপ্ত আসে, তার দুই রকমের প্রকাশ দেখিতে পাই— হয় গোপনে চক্রাস্ত করিয়া আকস্মিক উপদ্রবের বিস্তার করিতে থাকি নয় ঘরের কোণে বসিয়া পরস্পরের কানে কানে বলি, অমুক লাটগাছেৰ ভালো কিম্বা মনা, অমুক ব্যক্তি মন্ত্রিসভায় সচিৰ থাকিতে আমাদের কল্যাণ নাই, মলি সাহেৰ ভারতসচিব হইলে হয়তো ●ፃ কালান্তর আমাদের স্বদিন হইবে নয়তো আমাদের ভাগ্যে এই বিড়াল বনে গিয়া বনবিড়াল হইয়া উঠিবে। অর্থাৎ নৈরাস্তে, হয় আমাদের মাটির তলার স্বরঙ্গের মধ্যে ঠেলিয়া শক্তির বিকার ঘটায় নয় গৃহকোণের বৈঠকে ৰসাইয়া শক্তির ব্যর্থতা স্বষ্টি করে ; হয় উন্মাদ করিয়া তোলে নয় হাব! করিয়া রাখে । কিন্তু মনুষ্যত্বকে অবিশ্বাস করিব না ; এমন জোরের সঙ্গে চলিব, যেন ইংরেজ-রাষ্ট্রনীতির মধ্যে কেবল শক্তিই সত্য নহে, নীতি তার চেয়ে বড়ো সত্য। প্রতিদিন তার বিরুদ্ধতা দেখিব ; দেখিব স্বার্থপরতা, ক্ষমতাপ্রিয়তা, লোভ, ক্রোধ, ভয় ও অহংকার সমস্তরই লীলা চলিতেছে ; কিন্তু মামুষের এই রিপুগুলো সেইখানেই আমাদের মারে যেখানে আমাদের অস্তরেও রিপু আছে– যেখানে আমরাও ক্ষুদ্র ভয়ে তীত, ক্ষুদ্র লোভে লুব্ধ, যেখানে আমাদের পরস্পরের প্রতি ঈর্ষ বিদ্বেষ অৰিশ্বাস । যেখানে আমরা বড়ো, আমর বীর, আমরা ত্যাগী তপস্বী শ্রদ্ধাবান, সেখানে অন্ত পক্ষে যাহা মহৎ তার সঙ্গে আমাদের সত্য যোগ হয় : সেখানে অল্প পক্ষের রিপুর মার খাইয়াও তবু আমরা জয়ী হই, বাছিরে না হইলেও অস্তরে । আমরা যদি ভিতু হুই, ছোটো হই, তবে ইংরেজগবর্মেন্টের নীতিকে খাটো করিয়া তার রিপুটাকেই প্রবল করিব । যেখানে ছুই পক্ষ লইয়া কারবার সেখানে দুই পক্ষের শক্তির যোগেই শক্তির উৎকর্ষ, দুই পক্ষের ছৰ্বলতার যোগে চরম দুর্বলতা । অৰাহ্মণ যখনই জোড়হাতে অধিকারহীনতা মানিয়া লইল, ব্রাহ্মণের অধঃপতনের গর্তটা তখনই গভীর করিয়া খোড়া হইল। সবল দুৰ্বলের পক্ষে যত বড়ো শক্ৰ, দুর্বল সবলের পক্ষে তার চেয়ে কম বড়ো শক্র নয়। একজন উচ্চপদস্থ ইংরেজ-রাজপুরুষ আমাকে বলিয়াছিলেন, ‘তোমরা প্রায়ই বল, পুলিস তোমাদের পরে অত্যাচার করে, আমিও তা অবিশ্বাস করি না, কিন্তু তোমরা তো তার প্রমাণ দাও না ।" বলা sły কর্তার ইচ্ছায় কর্ম বাহুল্য, "পুলিসের সঙ্গে লাঠালাঠি মারামারি করো’ এ কথা তিনি বলেন ন। কিন্তু আস্তায়ের সঙ্গে লড়াই তো গায়ের জোরে নয় ; সে তো তেজের লড়াই, সে তেজ কর্তব্যবৃদ্ধিয় । দেশকে নিরস্তর পীড়ন হইতে বঁাচাইবার জন্ত এক দল লোকের তো বুকের পাট থাকা চাই, আস্তায়কে তারা প্রাণপণে প্রমাণ করিবে, পুনঃপুনঃ ঘোষণা করিবে। জানি, शूलि८गब्र ७कखन ८छोकिनॉब्र७ ७कखन भाष्ट्रष यांब मञ्च, cग ७कल्ले यकt७ শক্তি। একটি পুলিসের পেয়াদাকে বাচাইবার জন্ত মকদ্দমায় গবর্ষেন্টের হাজার হাজার টাকা খরচ হয় । অর্থাৎ আদালত-মহাসমূদ্র পার হইবার বেলায় পেয়াদার জন্ত সরকারি ইমার ; আর গরিব ফরিয়াদিকে তুফানে সাতার দিয়া পার হইতে হইবে, একথান কলার তেলাও নাই। এ যেন এক রকম স্পষ্ট করিয়া বলিয়া দেওয়া, ‘বাপু মার যদি খাও তৰে নিঃশৰে মরাটাই অতীব স্বাস্থ্যকর।’ এর পরে আর ছাত পা চলে না । প্রেস্ট্রিজ । ওট যে আমাদের অনেক দিনের চেন লোক। ওই তো কর্তা ; ওই তো আমাদের কবিকঙ্কণের চওঁী ; ওই তো বেহুলাকাব্যের মনসা ; স্তায় ধর্ম সকলের উপরে ওকেই তো পূজা দিতে হইবে, নছিলে হাড় গুড়া হইয়া যাইবে । অতএব— যা দেবী রাজ্যশাসনে প্রেস্ট্রিজ-স্লপেণ সংস্থিতা नयखटेश नयछटेश मयखटेज नट्यांनमः । किक हेशहे cठी चदिछ, हेशहे cउठी बांब्र! ।। ८षछेो हूल ८कोरर्थ প্রতীয়মান হইতেছে তাই কি সত্য ? আসল সত্য, আমাকে লইয়াই গবর্মেন্ট। এই সত্য সমস্ত রাজপুরুষের চেয়ে বড়ো । এই সত্যের উপরই ইংরেজ বলী, সেই বল আমারও ৰল। ইংরেজ-গবর্মেন্টও এই गडTटक झाँव्रtग्न, यनेि ७हे जtउTग्न बल चांगांब्र य८षT७ नों पॉटक । चांबि यनि ठीक्र इहे, हे ब्रछ-ब्राहेट८जब बैौलिडएसू चांबांब्र पनि अंक मी थाटक, তবে পুলিস অত্যাচার করিবেষ্ট, ম্যাজিস্ট্রেটের পক্ষে জুৰিচায় কঠিন ஸ்டு কালান্তর হইবেই, প্রেস্ট্রিজ-দেবতা নরবলি দাবি করিতেই থাকিবে এবং ইংরেজের শাসন ইংরেজের চিরকালীন ঐতিহাসিক ধর্মের প্রতিবাদ করিবে । এ কথার উত্তরে শুনিব, রাষ্ট্রতন্ত্রে নীতিই শক্তির চেয়ে সত্য এই কথাটাকে পারমাধিক ভাবে মান চলে কিন্তু ব্যবহারিক ভাবে মানিতে গেলে বিপদ আছে, অতএব হয় গোপনে পরম-নিঃশব্দ গরম-পন্থা, নয় তো প্রেস অ্যাক্টের মুখ-খাবার নীচে পরম-নি:শব্দ নরম-পন্থা।' ‘ই, বিপদ আছে বই কি, তবু জ্ঞানে যা সত্য ব্যবহারেও তাকে সত্য করিব।” Φ “কিন্তু আমাদের দেশের লোকই ভয়ে কিম্বা লোভে দ্যায়ের পক্ষে সাক্ষ্য দিবে না, বিরুদ্ধেই দিবে।’ এ কথাও ঠিক। তবু সত্যকে মানিয়া চলিতে হইবে।” “কিন্তু আমাদের দেশের লোকই প্রশংসা কিম্ব পুরস্কারের লোভে ঝোপের মধ্য হইতে আমার মাথায় বাড়ি মারিবে।’ "এ কথাও ঠিক । তবু সত্যকে মানিতে হুইবে ।’ ‘এতটা কি আশা করা যায় ? ই, এতটাই আশা করিতে হুইবে, ইহার একটুকুও কম নয়। গবর্মেন্টের কাছ হইতেও আমরা বড়ো দাবিই করিব কিন্তু নিজেদের কাছ হইতে তার চেয়ে আরো বড়ো দাবি করিতে হুইবে, নহিলে অন্ত দাবি টিকিবে না । এ কথা মালি, সকল মানুষই ৰশিষ্ঠ হয় না এবং অনেক মানুষই দুর্বল ; কিন্তু সকল বড়ো দেশেই প্রত্যেক দিনই অনেকগুলি করিয়া মাছুষ জন্মেল যার সকল মামুষের প্রতিনিধি— যায়। সকলের ছ:থকে আপনি বছেন, সকলের পথকে আপনি কাটেন, যার সমস্ত বিরুদ্ধতার মধ্যেও মমুস্তত্বকে বিশ্বাস করেন এবং ব্যর্থতার গভীরতম অন্ধকারের পূর্বপ্রান্তে অরুণোদয়ের প্রতীক্ষায় জাগিয়া থাকেন। তার অবিশ্বাসীর সমস্ত পরিহাসকে উপেক্ষা করিয়া জোরের সঙ্গে বলেন : কর্তার ইচ্ছায় কর্ম , স্বল্পমপ্যস্ত ধর্যস্ত ভ্রায়তে মহতো ভয়াৎ। অর্থাৎ কেম্রস্থলে যদি স্বল্পমাত্রও ধর্ম থাকে তবে পরিধির দিকে রাশি রাশি ভয়কেও তয় করিবার দরকার নাই । রাষ্ট্রতত্ত্বে নীতি যদি কোনোখানেও থাকে তৰে তাহাকেই নমস্কার, ভীতিকে লয় । ধর্ম আছে, অতএব মরা পর্যন্ত মানিয়াও তাহাকে মালিতে হুইবে । মনে করো, ছেলের শক্ত ব্যামো । সেজন্ত দূর হইতে স্বয়ং ইংরেজ সিভিল সার্জনকে আনিয়াছি। খরচ বড়ো কষ করি নাই । যদি হঠাৎ দেখি, তিনি মন্ত্ৰ পড়িয়া মারিয়া-বরিয়া ভূতের ওঝার মতো বিষম বাড়াঝুড়ি শুরু করিলেন, রোগীর আত্মাপুরুষ ত্ৰাহি-aাছি করিতে লাগিল, তবে ডাক্তারকে জোর করিয়াই বলিব, দোহাই সাহেব, ভূত বাড়াইৰেন না, চিকিৎসা করুন।’ তিনি চোখ রাঙাইয়া বলিতে পারেন, “তুমি কে ছে । আমি ডাক্তার, বাই করি না তাই ভাক্তারি। ভয়ে যদি বুদ্ধি দমিয়া না যায় তৰে তাকে আমার এ কথা বলিবার অধিকার আছে, "যে ডাক্তারিতত্ত্ব লইয়া তুমি ডাক্তার, আমি তাকে তোমার চেয়ে বড়ো বলিয়াই জানি, তার মূল্যেই তোমার মূল্য ? এই-যে অধিকার এর সকলের চেয়ে বড়ো জোর ওই ডাক্তারসম্প্রদায়েরই ডাক্তারিশাস্ত্রে এবং বর্মনীতির মধ্যে । ডাক্তার যতই च्षांच्झांलन कङ्गक, ७हे विख्sॉन ७ब १ बौठिद्र cनाशहे यांनिटल लब्ञ नाँ পাইয়া সে থাকিতেই পারে না। এমন কি, রাগের মুখে সে আমাকে ঘুষিও মারিতে পারে, কিন্তু তবু আস্তে আস্তে আমার সেলাম এবং সেলামিট পকেটে করিয়া গাড়িতে বসার চেয়ে এই ঘুষির মূল্য বড়ো । এই ঘুষিতে সে আমাকে যত মারে নিজেকে তার চেয়ে ৰেশি মারে । তাই বলিতেছি, যে কথাটা ইংরেজের কথা নয়, কেবলমাত্র हे१८ब्रछ चांबणांटमब्र कषा, ८ण कथाब्र पनि चांयब्रा गांब्र मा निड़े डरब चांख ছঃখ ঘটিতে পারে কিন্তু কাল দুঃখ কাটিৰে । ፃ > কালাস্তুর দেড় শো বছর ভারতে ইংরেজ-শাসনের পর আজ এমন কথা শোনা গেল, মাত্রাজ গৰমেণ্ট ভালোমন্দ যাই করুক বাংলাদেশে তা লইয়া দীর্ঘনিশ্বাসটি ফেলিবার অধিকার বাঙালির নাই। এত দিন এই জানিতাম, ইংরেজের অখণ্ড শাসনে মাত্রাজ বাংলা পাঞ্জাব মারাঠা ভিতরে বাহিরে এক হইয়া উঠিতেছে, এই গৌরবই ইংরেজ সাম্রাজ্যের মুকুটের কোহিমুর-মণি। বেলজিয়ম ও ফ্রান্সের স্বৰ্গতিকে আপন দুৰ্গতি মনে করিয়া ইংরেজ যুদ্ধক্ষেত্রে প্রাণ দিতে ছুটিয়াছে, সমুদ্রের পশ্চিমপারে যখন এই বার্তা তখন সমুদ্রের পূর্বপারে এমন নীতি কি এক দিনও খাটিবে যে, মাদ্রাজের ভালোমন্দ মুখছুঃখে বাঙালির কোনো মাথাব্যথা नाहे ? ७शन हकूम कि चांयद्रा यांषी ८ईछे कब्रिग्रा यांनिब ? ७ कथा कि নিশ্চয় জানি না যে, মুখে এই হুকুম যত জোরেই ইাক হউক অস্তরে ইহার পিছনে মস্ত একটা লজ্জা আছে ? ইংরেজের সেই অস্তায়ের গোপন লজ্জা আর আমাদের মন্থন্তত্বের প্রকাশু সাহস— এই জ্বয়ের মধ্যে মিল করিতে হইবে । ইংরেজ ভারতের কাছে সত্যে বন্ধ ; ইংরেজ যুরোপীয় সভ্যতার দায়িত্ব বহিয়া এই পূৰ্বদেশে আসিয়াছে ; সেই সভ্যতার বাণীই তাছার প্রতিশ্রুতি-ৰাণী । সেই দলিলকেই আমরা সব চেয়ে বড়ো দলিল করিয়া চলিব ; এ কৰা তাকে কখনোই বলিতে দিৰ না যে ‘ভারতবর্ষকে আমরা টুকরা টুকরা করিয়া মাছ-কাট করিৰার জন্তই সমুদ্র পার হইয়া আসিয়াছি । যে জাতি কোনো বড়ো সম্পদ পাইয়াছে সে তাহা দেশে দেশে দিকে দিকে দান করিবার জন্তই পাইয়াছে। যদি লে কৃপণতা করে তৰে সে নিজেকেই ৰঞ্চিত করিখে। যুরোপের প্রধান সম্পদ ৰিজ্ঞান এবং জনসাধারণের ঐক্যবোধ ও আত্মকর্তৃত্বলাভ । এই সম্পদ, এই শক্তি ভারতকে দিবার মহং দায়িত্বই ভারতে ইংরেজ-শাসনের ৰিধিদন্ত রাজপরোয়ানা । এই কথা শাসনকর্তাদের স্বরণ করাইৰায় তার জামাদের १३ কর্তার ইচ্ছায় কর্ম উপরেও আছে । কারণ, দুই পক্ষের যোগ না হইলে বিশ্বতি ও বিকার ঘটে । ইংরেজ নিজের ইতিহাসের gোহাই দিয়া এমন কথা বলিতে পারে, ‘জনসাধারণের আত্মৰত্বত্বটি যে একটি মস্ত জিনিস তা আমরা নানা বিপ্লবের মধ্য দিয়া তৰে বুঝিয়াছি এবং নানা সাধনার মধ্য দিয়া তৰে সেটাকে গড়িয়া তুলিয়াছি।” এ কথা মানি । জগতে এক-এক অগ্রগামী দল এক-এক বিশেষ সত্যকে আবিষ্কার করে। সেই আবিষ্কারের গোড়ায় অনেক ভুল, অনেক দুঃখ, অনেক ত্যাগ আছে । কিন্তু তার ফল বারা পায় তাহাদিগকে সেই ভুল, সেই দুঃখের সমস্ত লম্বী রাস্তাটা মাড়াইতে হয় না । দেখিলাম, বাঙালির ছেলে আমেরিকায় গিয়া হাতে-কলমে এঞ্জিন গড়িল এবং তার তত্ত্বও শিখিয়া লইল, কিন্তু আগুনে কাৎলি চড়ানো হইতে শুরু করিয়া স্ট্রম এঞ্জিনের সমস্ত ঐতিহাসিক পালা যদি তাকে সারিতে হইত তবে সত্যযুগের পরমান্তু নহিলে তার কুলাইত না । য়ুরোপে বাহা গজাইয়া উঠিতে বহু যুগের রৌদ্রবৃষ্টি বড়বাতাস লাগিল জাপানে তাহা শিকড়জুদ্ধ পুতিবার বেলায় ৰেশি সময় লাগে নাই। আমাদের চরিত্রে ও অত্যাসে যদি কর্তুশক্তির বিশেষ অভাব ঘটিয়া থাকে তবে আমাদেরই ৰিশেষ দরকার কর্তৃত্বের চর্চা । ব্যক্তিবিশেষের মধ্যে কিছু নাই এট। যদি গোড়া হইতেই ধরিয়া লও, তবে তার মধ্যে কিছু যে আছে সেই জাৰিষ্কার কোনো কালেই হইবে না। আত্মকর্তৃত্বের रषॉग नेिब्रा चांबांटनग्न डिलब्रकांब्र नूठन नृठन अङि-चादिकांटङ्गञ्च श्रद ধুলিয়া দাও ; সেটাকে রোধ করিয়া রাখিয়া যদি আমাদের অবজ্ঞা কর এবং বিশ্বের কাছে চিরদিন অবজ্ঞাভাজন করিয়া রাখ, তবে তার চেয়ে পরম শক্রতা জার-কিছু হইতেই পারে না । ভাইনে বায়ে ছু প। बोफ़ॉऐरणहे वांग्र बाषा ?रू कब्रिब्रा cनब्राहण जिब्र tठरक, ठाग्न यहब কখনো কি সেই বড়ো অাশা টিকিতেই পারে বার জোরে মানুষ সকল ዋm কালাস্তুর বিভাগে আপন মহত্ত্বকে প্রাণ দিয়াও সপ্রমাণ করে ? দেখিয়াছি, ইতিহাসে যখন প্ৰতাত হয় স্বৰ্ষ তখন পূর্বদিকে ওঠে বটে, কিন্তু সেই সঙ্গেই উত্তরে দক্ষিণে পশ্চিমেও আলো ছড়াইয়া পড়ে। একএক ইঞ্চি করিয়া ধাপে ধাপে যদি জাতির উন্নতি হইত তবে মহাকালকেও হার মানিতে হইত। মানুষ আগে সম্পূর্ণ যোগ্য হইবে, তার পরে সুযোগ পাইবে, এই কথাটাই যদি সত্য হয় তবে পৃথিবীতে কোনো জাতিই আজ স্বাধীনতার যোগ্য হয় নাই । ডিমক্রেসির দেমাক করিতেছ। কিন্তু য়ুরোপের জনসাধারণের মধ্যে আজও প্রচুর বীভৎসতা আছে— সেসব কুৎসার কথা ঘাটিতে ইচ্ছা করে না। যদি কোনো কর্ণধার বলিত এইসমস্ত যত ক্ষণ আছে তত ক্ষণ ডিমক্রেসি তার কোনো অধিকার পাইবে না, তবে বীভৎসত তে থাকিতই, আবার সেই পাপের স্বাভাবিক প্রতিকারের উপায়ও চলিয়া যাইত । তেমনি আমাদের সমাজে, আমাদের ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যের ধারণায় দুর্বলতা যথেষ্ট আছে, সে কথা ঢাকিতে চাহিলেও ঢাকা পণ্ডিবে না । তবু আমরা আত্মকর্তৃত্ব চাই। অন্ধকার ঘরে এক কোণের বাতিটা মিটমিটু করিয়া জলিতেছে বলিয়া যে আর-এক কোণের বাতি জ্বালাইবার দাবি নাই, এ কাজের কথা নয় । যে দিকের যে সলতে দিয়াই হোক আলো জ্বালাই চাই । আজি মনুষ্যত্বের দেয়ালি-মহোৎসবে কোনো দেশষ্ট তার সব বাতি পুরা জালাইয় উঠতে পারে নাই, তবু উৎসৰ চলিতেছে। আমাদের ঘরের বাতিটা কিছু কাল হইতে নিৰিয়া গেছে ; তোমাদের শিখ হইতে যদি ওটাকে স্বালাষ্টয়া লইতে যাই তবে তা লইয়া রাগারগি করা কল্যাণের নহে । কেননা, ইহাতে তোমাদের আলো কমিবে না, এবং উৎসবের অালে বাড়িয়া উঠিবে। উৎসবের দেবতা আজ আমাদিগকে ভিতর হইতে ডাকিতেছেন । পাও কি আমাদের নিষেধ করিয়া ঠেকাইয়া রাখিতে পাঙ্কিৰে ? সে যে ዓ8 কর্তার ইচ্ছায় কর্ম ८कयण ५नैौ बखयानष्कहे cभथिtण अनशन इहेब्रl eó, कjानांछ অস্ট্রেলিয়ার নামে লে স্টেশন পর্যন্ত চুটিয়া যায়, আর গরিবের বেলায় তার ব্যবহার উণ্টা— এটা তো সহিবে না। দেবতা যে দেখিতেছেন । ইহাতে স্বয়ং অন্তর্যামী যদি লজ্জারূপে অস্তরে দেখা না দেন, তবে ক্রোধ রূপে বাহির হইভে দেখা দিবেন। কিন্তু আশার কারণটা উহাদের মধ্যেও আছে, আমাদের মধ্যেও আছে । বাঙালিকে আমি শ্রদ্ধা করি। আমি জানি, আমাদের যুবকদের যৌবনধর্ম কখনোই চিরদিন ধার-করা বাধক্যের মুখোৰ পরিয়া বিজ্ঞ সাজিবে না । আবার আমরা ইংরেঞ্চের মধ্যেও এমন মহাত্মা বিস্তর দেখিলাম যার স্ব জাতির কাছে লাঞ্ছনা সছিয়াও ইংরেজইতিহাস বৃক্ষের অমৃতফলটি ভারতবাসীর অধিকারে আনিবার জন্ত উংসুক । আমাদের তরফেও অমর তেমনি মামুষের মতে মাস্থ্য চাই যারা বাহির হইতে স্থ:থ এবং স্বজনদের নিকট হইতে ধিক্কার সহিতে প্রস্তুত। যারা বিফলতার আশঙ্কাকে অতিক্রম করিয়াও মহন্তৰ প্ৰকাশ করিবার জন্ত ব্যগ্ৰ । BBBB DDBBB BSBB BBBD BD BSBBB BBB আহবান করিতেছেন, যে অঙ্কিা অপরিমেয়, যে আত্মা অপরাজিত, অমৃতলোকে যাহার অনন্ত অধিকার, অথচ যে আত্মা আজি অন্ধ প্রথা ও প্রভৃত্বের অপমানে ধুলায় মুখ লুকাই । আঘাতের পর আঘাত, বেদনার পর বেদন দিয়া তিনি ডাকিতেছেন, "আত্মানং বিদ্ধি। আপনাকে জানো ।” আজ আমরা সম্মুখে দেখিলাম বৃহৎ এই মামুষের পৃথিবী, মহং এই মানুষের ইতিহাস। মাছবের মধ্যে ভূমাকে আমরা প্রত্যক্ষ করিতেছি ; শক্তির রথে চড়িয়া তিনি মহাকালের রাজপথে চলিয়াছেন, রোগ তাপ বিপদ মৃত্যু কিছুতেই তাছাকে বাধা দিতে পারিল না, বিশ্বপ্রকৃতি ግ @