কালান্তর/কালান্তর

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন


কালান্তর ७क क्षेिन छéौगet* चांबांzशद्ध अfशंख्न बगठ, चणिां* छायट পাড়াপড়শিদের জুটিয়ে, আলোচনার বিষয় ছিল গ্রামের সীমার মধ্যেই বদ্ধ। পরস্পরকে নিয়ে রাগভেবে গল্পে-গুজবে তালে-পাশায় এবং তার সঙ্গে ঘণ্টা-তিন-চার পরিমাণে দিবানিজা মিশিয়ে দিনটা যেত কেটে । তার বাইরে মাঝে মাঝে চিত্তাজুশীলনার যে আয়োজন হত গে ছিল বাস্ত্ৰ সংকীর্তন কৰকত রামায়ণপাঠ পাঁচালি কৃবিগান নিয়ে। তার বিষয়বস্তু ছিল পুরাকাহিনীভাণ্ডারে চিরসঞ্চিত। যে জগতের মধ্যে বাস সেটা সংকীর্ণ এবং অতি-পরিচিত । তার সমস্ত তথ্য এবং রসধারা বংশানুক্রমে বংসরে বৎসরে বার বার হয়েছে আবর্তিত অপরিবর্তিত চক্রপথে, সেইগুলিকে অবলম্বন করে আমাদের জীবনযাত্রার সংস্কার নিবিড় হয়ে জমে উঠেছে, সেই-সকল কঠিন সংস্কারের ইটপাথর দিয়ে আমাদের বিশেষ সংসারের নির্মাণকার্য সমাধা হয়ে গিয়েছিল। এই সংসারের বাইরে মানব-ব্রহ্মাণ্ডের দিকদিগন্তে বিরাট ইতিহাসের অভিব্যক্তি নিরস্তর চলেছে, তার ঘূর্ণ্যমান নীহারিক আভোপাস্ত সনাতন প্রথায় ও শাস্ত্রবচনে চিরকালের মতো স্থাবর হয়ে ওঠে নি, তার মধ্যে এক অংশের সঙ্গে আর-এক অংশের ঘাতসংঘাতে নব নব সমস্তার হষ্টি হচ্ছে, ক্রমাগতই তাদের পরম্পরের সীমানার সংকোচন-প্রসারণে পরিবর্তিত হচ্ছে ইতিহাসের রূপ, এ আমাদের গোচর ছিল না। বাইরে থেকে প্রথম বিরুদ্ধ আঘাত লাগল মুসলমানের। কিন্তু, লে মুসলমানও প্রাচীন প্রাচ্য, লেও আধুনিক নয়। লেও আপন জাতীত শতাব্দীর মধ্যে বদ্ধ। বাহৰলে সে রাজ্যসংঘটন করেছে, কিন্তু তার চিত্তের স্থষ্টিৰৈচিত্র্য ছিল না । এইজন্তে লে যখন জামাদের দিগন্তের কালান্তর মধ্যে স্থায়ী বাসস্থান বাধলে, তখন তার সঙ্গে আমাদের সংঘর্ষ ঘটতে লাগল— কিন্তু সে সংঘর্ষ বাহ, এক চিরপ্রধার সঙ্গে আর-এক চিরপ্রধার, এক বাধা মতের সঙ্গে আর-এক বাধা মভের। রাষ্ট্রপ্রণালীতে মুসলমানের প্রভাব প্রবেশ করেছে, চিত্তের মধ্যে তার ক্রিয়া সর্বতোভাবে প্রবল হয় নি, তারই প্রমাণ দেখি সাহিত্যে । * তখনকার ভদ্রসমাজে সর্বত্রই প্রচলিত ছিল পার্লি, তৰু বাংলা কাব্যের প্রকৃতিতে এই পার্সি বিষ্কার স্বাক্ষর পড়ে নি— একমাত্র ভারতচন্দ্রের ৰিডাম্বন্দরে - அம்ச டி படி டிம் அ; k پس= মাজত ভাষায় ও অম্বলিত ছনে যে নাগরিকতা প্রকাশ পেয়েছে তাতে পালিপড়া মিতপরিহাসপটু বৈদগ্যের আভাল পাওয়া যায়। তখনকার বাংলা সাহিত্যের crषांनङ झई डांश झ्णि ; ७रू यत्रनकांबा, चांब्र-७क বৈষ্ণব পদাবলী। মঙ্গলকাব্যে মাঝে মাঝে মুসলমান রাজ্যশাসনের বিবরণ আছে, কিন্তু তার বিষয়বস্তু কিম্বা মনস্তত্ত্বে মুসলমান সাহিত্যের কোনো ছাপ দেখি নে, বৈষ্ণব গীতিকাব্যে তো কথাই নেই। অথচ বাংলা ভাষায় পার্সি শব্দ জমেছে বিস্তর, তা ছাড়া সেদিন অন্তত শহরে রাজধানীতে পারসিক আদবকায়দার যথেষ্ট প্রাদুর্ভাৰ ছিল। তখনকার কালে দুই সনাতন বেড়া-দেওয়া সভ্যতা ভারতবর্ষে পাশাপাশি এলে দাড়িয়েছে, পরম্পরের প্রতি মুখ ফিরিয়ে । তাদের মধ্যে কিছুই ক্রিয়া<थठिङ्गिब्रां इञ्च नि ठां नग्न, क्रुि ठीं जांयांछ । बाइबरलब्र शांक ८नट्त्रज्ञ উপরে খুব জোরে লেগেছে, কিন্তু কোনো নতুন চিন্তারাজ্যে কোনো নতুন স্বষ্টির উদ্যমে তার মনকে চেতিয়ে তোলে নি । তা ছাড়া আৱে। একটা কথা আছে। বাহির থেকে মুসলমান হিন্দুস্থানে এসে স্বামী বাসা বেঁধেছে কিন্তু আমাদের দৃষ্টিকে বাহিরের দিকে প্রসারিত করে নি। তারা ঘরে এসে ঘর দখল করে বলল, বদ্ধ করে দিলে ৰাহিরের দিকে দরজা। মাঝে মাঝে সেই দরজা-ভাঙাতাঙি চলেছিল, কিন্তু এমৰ কিছু ঘটে নি যাতে ৰাহিরের ৰিখে আমাদের পরিচয় ৰিভারিত হতে পারে। कांलांशुद्भ সেইজন্ত পল্লীর চণ্ডীমণ্ডপেই রয়ে গেল আমাদের প্রধান আগর। ठांग्र *८ब्र ५ण ३६८ब्रज, ८कवण याकूबक्रtन् नब्र, नवा ब्रू ब्रां८-ब्र চিত্তপ্রতীকরূপে। মাছৰ জোড়ে স্থান, চিত্ত জোড়ে মনকে । আজি মুসলমানকে আমরা দেখি সংখ্যারূপে ; তারা সম্প্রতি আমাদের রাষ্ট্রক ব্যাপারে ঘটিয়েছে যোগ-বিয়োগের সমস্ত । অর্থাৎ এই সংখ্যা আমাদের পক্ষে গুণের অঙ্কফল না কষে ভাগেরই অঙ্কফল কষছে। দেশে এরা আছে অথচ রাষ্ট্রজাতিগত ঐক্যের হিসাবে এর না থাকার চেয়েও দক্ষিণতর, তাই ভারতবর্ষের লোকসংখ্যাতালিকাই তার অতিবহুলৰ লিয়ে সব চেয়ে শোকাৰন্থ হয়ে উঠল । ইংরেজের আগমন ভারতবর্ষের ইতিহাসে এক ৰিচিত্র ব্যাপার। মানুষ হিসাৰে তারা রইল মুসলমানদের চেয়েও আমাদের কাছ থেকে অনেক দূরে, কিন্তু রোপের চিত্তদূতরূপে ইংরেজ এত ব্যাপক ও গভীর ভাৰে আমাদের কাছে এসেছে যে অরি-কোনো বিদেশী জাত কোনো দিন এমন করে আসতে পারে নি। যুরোপীয় চিত্তের জঙ্গমশক্তি আমাদের স্থাবর মনের উপর আঘাত করল, যেমন দূর আকাশ থেকে জাঘাত করে বৃষ্টিধারা মাটির পরে ; ভূমিতলের নিশ্চেষ্ট অস্তরের মধ্যে প্রবেশ করে প্রাণের চেষ্টা সঞ্চার করে দেয়, সেই চেষ্টা বিচিত্ররূপে অঙ্কুরিত বিকশিত হতে থাকে। এই চেষ্টা যে ভূখণ্ডে একেবারে না ঘটে সেটা মরুভূমি, তার যে একান্ত অনন্তযোগিতা সে তো মৃত্যুর ধর্ম। আমরা রোপের কার কাছ থেকে কী কতটুকু পেয়েছি, তাই অতি স্বল্প বিচারে চুনে চুনে অনেক পরিমাণে কল্পনা ও কিছু পরিমাণে গবেষণা বিস্তার করে আজকাল কোনো কোনো সমালোচক আধুনিক লেখকের প্রতি কলম উদ্যত করে নিপুণ ভঙ্গীতে খোটা দিয়ে থাকেন। একদা রেনেসঁালের চিত্তবেগ ইটালি থেকে উৰেল হয়ে সমস্ত যুরোপের মনে षषन यष्ठिश्छ हटबहिण छषन हेरण८७ब्र गांश्छिावडैटिनब्र बटन ठांब्र थखांव (* কালাস্তুর ষে নানা রূপে প্রকাশ পেয়েছে সেটা কিছুই আশ্চর্ধের কথা নয়, লা হলেই সেই দৈন্তকে বর্বরতা বলা যেত। সচল মনের প্রভাব সজীৰ মন না নিয়ে থাকতেই পারে না— এই দেওয়া-নেওয়ার প্রবাহ সেইখানেই নিয়ত চলেছে যেখানে চিত্ত বেঁচে আছে, চিত্ত জেগে আছে। বর্তমান যুগের চিত্তের জ্যোতি পশ্চিম দিগন্ত থেকে বিচ্ছুরিত হয়ে মানব-ইতিহাসের সমস্ত আকাশ জুড়ে উদ্ভাসিত, দেখা যাক তার স্বরূপটা কী। একটা প্রবল উদ্যমের বেগে যুরোপের মন ছড়িয়ে পড়েছে সমস্ত পৃথিবীতে— শুধু তাই নয়, সমস্ত জগতে । যেখানেই সে পা বাড়িয়েছে সেইখানটাই সে অধিকার করেছে । কিসের জোরে ? সত্যসন্ধানের সততায় । বুদ্ধির আলস্তে, কল্পনার কুহকে, আপাতপ্রতীয়মান সাদৃপ্তে, প্রাচীন পাণ্ডিত্যের অন্ধ অমুবর্তনায় সে আপনাকে ভোলাতে চায় নি ? মামুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি যা বিশ্বাস ক’রে নিশ্চিন্ত থাকতে চায় তার প্রলোভনকেও সে নির্মমভাবে দমন করেছে। নিজের সহজ ইচ্ছার সঙ্গে সংগত ক’রে সত্যকে সে যাচাই করে নি । প্রতিদিন জয় করেছে সে জ্ঞানের জগৎকে, কেননা তার বুদ্ধির সাধনা বিশুদ্ধ, ব্যক্তিগত মোহ থেকে নিযুক্ত। যদিও আমাদের চার দিকে আজ ও পঞ্জিকার প্রাচীর খোলা আলোর প্রতি সন্দেহ উদ্যত করে আছে, তবু তার মধ্যে র্যাক করে যুরোপের চিত্ত আমাদের প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেছে, আমাদের সামলে এনেছে জ্ঞানের বিশ্বরূপ : মামুষের বুদ্ধির এমন একটা সর্বব্যাপী ঔংস্থক্য আমাদের কাছে প্রকাশ করেছে যা অহৈতুক আগ্রহে নিকটতম-দূরতম অণুতম-বৃহত্তম প্রয়োজনীয়-অপ্রয়োজনীয় সমস্তকেই সন্ধান, সমস্তকেই অধিকার করতে চায় ; এইটে দেখিয়েছে যে, জ্ঞানের রাজ্যে কোথাও কাক নেই, সকল তথ্যই পরস্পর অচ্ছেদ্ধ হুত্রে গ্রথিত, চতুরানন ৰ পঞ্চাননের কোনো विप्लष बांक7 बिटईब्र क्रूज डब गांचगैब्र क्ङ्गिरक चांत्रम चथांङ्गछ

  • কালীম্ভর

প্রামাণিকভ দাবি করতে পারে না । বিশ্বতত্ত্ব সম্বন্ধে যেমন, তেমনি চরিত্রনীতি সম্বন্ধেও। নতুন শাসনে যে আইন এল তার মধ্যে একটি বাণী আছে, সে হচ্ছে এই যে, ব্যক্তিতেনে অপরাধের ভেদ ঘটে না । ব্রাহ্মণই শূত্রকে বধ করুক বা শূত্রই ব্রাহ্মণকে বধ করুক, হত্যা-অপরাধের পংক্তি একই, তার শাসনও সমান— কোনো মুনিঋষির অঙ্কুশাসন স্কায়-অম্ভায়ের কোনো বিশেষ দৃষ্টি প্রবর্তন করতে পারে না । ■ সমাজে উচিত-অঙ্কুচিতের ওজন, শ্রেণীগত অধিকারের বাটখারাযোগে আপন নিত্য আদর্শের তারতম্য ঘটাতে পারবে না, এ কথাটা এখনো আমরা সর্বত্র অন্তরে অন্তরে মেনে নিতে পেরেছি তা নয়, তৰু আমাদের চিন্তায় ও ব্যবহারে অনেকখানি বিপ্লব এনেছে সন্দেহ নেই। সমাজ বাদের অস্পৃশুশ্রেণীতে গণ্য করেছে তাদেরও আজ দেবালয়প্রবেশে ৰাধা দেওয়া উচিত নয়, এই আলোচনাটা তার প্রমাণ। যদিও এক দল লোক নিত্যধর্মনীতির উপর ভর না দিয়ে এর অমুকুলে শাস্ত্রের সমর্থন আওড়াচ্ছেন, তবু সেই আপ্তবাক্যের ওকালতিটাই সম্পূর্ণ জোর পাচ্ছে না। আসল এই কথাটাই দেশের সাধারণের মনে বাজছে যে, যেটা জন্তায় লেট। প্রথাগত শাস্ত্রগত বা ব্যক্তিগত গায়ের জোরে শ্রেয় হতে পারে না, শংকরাচার্য উপাধিধারীর স্বরচিত মার্ক সত্ত্বেও সে अवटेन नश्व । মুসলমান-আমলের বাংলা সাহিত্যের প্রতি দৃষ্টি করলে দেখা যায় যে, আৰাধে অন্তায় করবার অধিকারই যে ঐশ্বর্ষের লক্ষণ এই ৰিশ্বাসট। কলুষিত করেছে তখনকার দেবচরিত্র-কল্পনাকে । তখনকার দিলে যেমন অত্যাচারের দ্বারা প্রবল ব্যক্তি আপন শাসন পাকা করে স্কুলত, তেমনি করে অন্যায়ের বিভীষিকায় দেৰদেৰীয় প্রতিপত্তি আমরা কল্পনা করেছি। সেই নিষ্ঠুর বলের হার-জিতেই তাদের শ্রেষ্ঠতা-জশ্রেষ্ঠতার প্রমাণ হত । o কালান্তর ধর্মের নিয়ম মেনে চলবে সাধারণ মাহুৰ, সেই নিয়মকে লম্বন করবার দুর্নাম অধিকার অসাধারণের। সন্ধিপত্রের শর্ত অম্বুসারে আপনাকে সংযত করা আবশুক সত্যরক্ষা ও লোকস্থিতির খাতিরে, কিন্তু প্রতাপের অভিমান তাকে স্ক্র্যাপ, অফ পেপারের মতো ছিন্ন করবার স্পর্ধ রাখে। নীতিবন্ধন-অসহিষ্ণু অধৰ্মসাহসিকতার ঔদ্ধত্যকে এক দিন ঈশ্বরত্বের লক্ষণ বলে মাস্থ্য স্বীকার করেছে। তখনকার দিনে প্রচলিত ‘দিল্লীশ্বরে বা জগদীশ্বরে বা এই কথাটার অর্থ এই যে, জগদীশ্বরের জগদীশ্বরতা তার অপ্রতিহত শক্তির প্রমাণে, গুয়িপরতার বিধানে নয়, সেই পন্থায় দিল্লীশ্বরও জগদীশ্বরের তুল্য খ্যাতির অধিকারী। তখন ব্রাহ্মণকে বলেছে ভূদেব, তার দেবত্বে মহত্ত্বের অপরিহার্য দায়িত্ব নেই, আছে অকারণ শ্রেষ্ঠতার নিরর্থক দাবি । এই অকারণ শ্রেষ্ঠত দ্যায়-অম্ভায়ের উপরে ; তার প্রমাণ দেখি স্থতিশাস্ত্রে, শূদ্রের প্রতি অধৰ্মাচরণ করবার অব্যাহত অধিকারে। ইংরেজ-সাম্রাজ্য মোগল-সাম্রাজ্যের চেয়েও প্রবল ও ব্যাপক সন্দেহ নেই ; কিন্তু এমন কথা কোনো মূঢ়ের মুখ দিয়ে বেরোতে পারে না যে, উইলিঙডনো বা জগদীশ্বরে বা । তার কারণ আকাশ থেকে বোমাবর্ষণে শত্রুপল্লী-বিধ্বংসনের নির্মম শক্তির দ্বারা ঈশ্বরদ্ধের আদর্শের তুল্যতা আজ কেউ পরিমাপ করে না। আজ আমরা মরতে মরতেও ইংরেজ-শাসনের বিচার করতে পারি দ্যায়-অম্ভায়ের আদর্শে ; এ কথা মনে করি নে, কোনো দোহাই পেড়ে শক্তিমানকে অসংযত শক্তি সংহরণ করতে বলা অশক্তের পক্ষে স্পর্ধা। বস্তুত কায়-আদর্শের সর্বভূমিনতা স্বীকার ক’রে এক জায়গায় ইংরেজ-রাজের প্রভূত শক্তি আপনাকে অশক্তের সমানভূমিতেই দাড় করিয়েছে। J যখন প্রথম ইংরেজি সাহিত্যের সঙ্গে আমাদের পরিচয় হল তখন গুৰু বে তার থেকে আমরা অভিনব রস আহরণ করেছিলেম তা নয়, জামরা পেয়েছিলেন মাছবের প্রতি মাছুষের অঙ্গয় দূর করবার জাগ্ৰছ ; গুনতে ச কালাস্তর পেয়েছিলেম রাষ্ট্রনীতিতে মানুষের শৃঙ্খল-মোচনের ঘোষণা ; দেখেছিলেম বাণিজ্যে মানুষকে পণ্যে পরিণত করার বিরুদ্ধে প্রয়াস। স্বীকার করতেই হবে, আমাদের কাছে এই মনোতাৰটা মৃতন। তৎপূর্বে আমরা মেনে নিয়েছিলুম যে, জন্মগত নিত্যবিধানে বা পূর্বজন্মার্জিত কর্মফলে বিশেষ জাতের মাছুষ আপন অধিকারের খর্বতা, আপন অসম্মান শিরোধার্য করে নিতে বাধ্য ; তার হীনতার লাঞ্ছনা কেবলমাত্র দৈবক্রমে খুচতে পারে জন্মপরিবর্তনে। আজও আমাদের দেশে শিক্ষিতমণ্ডলীর মধ্যে বহু লোক রাষ্ট্রীয় অগৌরব দূর করার জন্তে আত্মচেষ্টা মানে, অথচ সমাজবিধির দ্বারা অধ:কৃতদেরকে ধর্মের দোহাই দিয়ে নিশ্চেষ্ট হয়ে আন্ধাবমাননা স্বীকার করতে বলে ; এ কথা ভুলে যায় যে, ভাগ্যনির্দিষ্ট বিধানকে নির্বিরোধে মানবার মনোবৃত্তিই রাষ্ট্রক পরাধীনতার শৃঙ্খলকে হাতে পায়ে এটে রাখবার কাজে সকলের চেয়ে প্রবল শক্তি । যুরোপের সংস্রব এক দিকে আমাদের সামনে এনেছে বিশ্বপ্রকৃতিতে কার্যকারণবিধির সার্বভৌমিকভা ; আর-এক দিকে ভায়-অন্যায়ের সেই বিশুদ্ধ আদর্শ বা কোনো শাস্ত্রবাক্যের নির্দেশে, কোনো চিরপ্রচলিত প্রথার সীমাবেষ্টনে, কোনো বিশেষ শ্রেণীর বিশেষ বিধিতে খণ্ডিত হতে পারে না । আজ আমরা সকল দুর্বলতা সত্ত্বেও আমাদের রাষ্ট্রজাতিক অবস্থা-পরিবর্তনের জন্তে যে-কোনো চেষ্টা করছি সে এই তত্ত্বের উপরেদাড়িয়ে, এবং যে-সকল দাবি আমরা কোনো দিন মোগল-সম্রাটের কাছে উত্থাপন করুবার কল্পনাও মনে আনতে পারি লি তাই নিয়ে প্রবল রাজশাসনের সঙ্গে উচ্চকণ্ঠে বিরোধ বাধিয়েছি এই তত্ত্বেরই জোরে, cą swą wfwfrşj częto costats : A man is a man for a’ that. • Ae 鴨 আজ আমার বয়স সত্তর পেরিয়ে ༈་༼ཧྥུ་ན་ཆུ་སྐད་ ৰাকে রোগীর যুগ বলতেই হবে, সেই যুগে5খন এখন প্রবেশ করলুম వి কালান্তর সময়টা তখন আঠোরো শো খৃস্টাব্দের মাঝামাঝি। এইটিকে ভিক্টোরীয় যুগ নাম দিয়ে এখনকার যুবকেরা হাসাহালি করে থাকে। যুরোপের বে অংশের সঙ্গে আমাদের প্রত্যক্ষ সম্বন্ধ, সেই ইংলণ্ড তখন ঐশ্বর্ষের ও রাষ্ট্রীয় প্রতাপের উচ্চতম শিখরে অধিষ্ঠিত। অনন্ত কালে কোনো ছিজ দিয়ে তার অন্নভাণ্ডারে যে অলক্ষ্মী প্রবেশ করতে পারে, এ কথা কেউ সেদিন মনেও করে নি। প্রাচীন ইতিহাসে যাই ঘটে থাকুক, আধুনিক ইতিহাসে যারা পাশ্চাত্য সভ্যতার কর্ণধার তাদের সৌভাগ্য যে কোনোদিন পিছু হঠতে পারে, বাতাস বইতে পারে উন্টে দিকে, তার কোনো আশঙ্কা ও লক্ষণ কোথাও ছিল না। রিফর্মেশন-যুগে, ফ্রেঞ্চরেভোলুশন-যুগে যুরোপ যে মতস্বাতন্ত্রোর জন্তে, ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যের জন্তে লড়েছিল, সেদিন তার সেই আদর্শে বিশ্বাস ক্ষুণ্ণ হয় নি। সেদিন আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রে ভাইয়ে ভাইয়ে যুদ্ধ বেধেছিল দাসপ্রথার বিরুদ্ধে । ম্যাট্রসিনি-গারিবালুডির বাণীতে কীর্তিতে সেই যুগ ছিল গৌরবান্বিত, সেদিন তুকির মুলতানের অত্যাচারকে নিন্দিত ক'রে মন্দ্রিত হয়েছিল গ্ন্যাড স্টোনের বজ্রস্বর। আমরা সেদিন ভারতের স্বাধীনতার প্রত্যাশা মনে স্পষ্টভাবে লালন করতে আরম্ভ করেছি। সেই প্রত্যাশার মধ্যে এক দিকে যেমন ছিল ইংরেজের প্রতি বিরুদ্ধতা, আর-এক দিকে ইংরেজ-চরিত্রের প্রতি অসাধারণ আখW/কেবলমাত্র মন্ত্রকম্বের দোহাই দিয়ে ভারতের শাসনকর্তৃত্বে ইংরেজের শরিক হতেও পারি এমন কথা মনে করা যে সম্ভব হয়েছিল, সেই জোর কোথা থেকে পেয়েছিলেম ? কোন যুগ থেকে সহসা কোন যুগান্তরে এসেছি ? মাছবের মূল্য, মানুষের শ্রদ্ধেয়ত হঠাৎ এত আশ্চর্য বড়ো হয়ে দেখা দিল কোন শিক্ষায় ? অথচ আমাদের নিজের পরিবারে প্রতৃিৰেশে, পাড়ায় সমাজে, মাছুষের ব্যক্তিগত স্বাতন্ত্র্য বা সন্মানের দাৰি, শ্রেণী:নির্বিচারে স্তায়সংগত ব্যবহারের সমান অধিকার-তত্ত্ব, এখনো সম্পূর্ণরূপে আমাদের চরিত্রে প্রবেশ করতে পারে > e कॉलांखुब्र . নি। তা হোক, অচিরণে পদে পদে প্রতিবাদ সত্ত্বেও যুরোপের প্রঙ্গৰ অল্পে অল্পে আমাদের মনে কাজ করছে। বৈজ্ঞানিক বুদ্ধি সম্বন্ধেও ঠিক সেই একই কথা । পাঠশালার পথ দিয়ে ৰিজ্ঞান এসেছে আমাদের স্বারে, কিন্তু ঘরের মধ্যে পাজিপুথি এখনো তার সম্পূর্ণ দখল ছাড়ে নি। তবু যুরোপের বিস্তা প্রতিবাদের মধ্য দিয়েও আমাদের মনের মধ্যে সন্মান পাচ্ছে । - வி তাই ভেৰে দেখলে দেখা যাবে, এই যুগ যুরোপের সঙ্গে আমাদের গভীর সহযোগিতারই যুগ। বস্তুত, যেখানে তার সঙ্গে আমাদের চিত্তের, আমাদের শিক্ষার অসহযোগ, সেইখানেই আমাদের পরাভব । এই সহযোগ সহজ হয়, যদি আমাদের শ্রদ্ধায় আঘাত না লাগে। পূর্বেই বলেছি, য়ুরোপের চরিত্রের প্রতি আস্থা নিয়েই আমাদের নবযুগের আরম্ভ হয়েছিল ; দেখেছিলুম জ্ঞানের ক্ষেত্রে যুরোপ মাছুষের মোহমুক্ত বুদ্ধিকে । শ্রদ্ধা করেছে এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্বীকার করেছে তার ভtয়সংগত অধিকারকে । এতে ক’রেই সকলপ্রকার অভাবক্রটি সত্ত্বেও আমাদের আত্মসন্মানের পথ খুলে গিয়েছে। এই আত্মসন্মানের গৌরববোধেই আজ পর্যন্ত আমরা স্বজাতি সম্বন্ধে দুঃসাধ্যসাধনের আশা করছি, এবং প্রবল পক্ষকে বিচার করতে সাহস করছি সেই প্রবল পক্ষেরই বিচারের আদর্শ নিয়ে । বলতেই হবে, এই চিত্তগত চরিত্রগত সহযোগ ছিল ন৷ আমাদের পূর্বতন রাজদরবারে। তখন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদের সেই মূলগত দূরত্ব ছিল যাতে ক’রে আমরা আকস্মিক শুভাষ্টিক্রমে শক্তিশালীর কাছে কদাচিৎ অনুগ্রহ পেতেও পারভূম, কিন্তু সে তারই নিজগুণে ; বলতে পারভূম না ষে, সর্বজনীন স্তায়ধর্ম অনুসারেই, মাছুষ ব’লেই মাছবের কাছে আছুকূল্যের দাৰি আছে। ইতিমধ্যে ইতিহাস এগিয়ে চলল। ৰছ কালের স্বপ্ত এশিয়ায় দেখা দিল জাগরণের উত্তম। পাশ্চাত্যেরই সংঘাতে সংজৰে জাপান অতি }} কালান্তর অল্প কালের মধ্যেই বিশ্ব জাতি-সংঘের মধ্যে জয় করে নিলে সন্মানের অধিকার । অর্থাৎ জাপান বর্তমান কালের মধ্যেই বর্তমান, অতীতে ছায়াচ্ছন্ন নয়, সে তা সম্যকরূপে প্রমাণ করল । দেখতে পেলেম, প্রাচ্য জাতিরা নবযুগের দিকে যাত্রা করেছে। অনেক দিন আশা করেছিলুম, বিশ্ব-ইতিহাসের সঙ্গে আমাদেরও সামঞ্জস্ত হবে, আমাদেরও রাষ্ট্রজাতিক রথ চলবে সামনের দিকে ; এবং এও মনে ছিল যে, এই চলার পথে টান দেবে স্বয়ং ইংরেজও। অনেক দিন তাকিয়ে থেকে অবশেষে দেখলুম, চাকা বন্ধ । আজ ইংরেজ-শাসনের প্রধান গর্ব ল এবং অর্ডর, বিধি এবং ব্যবস্থা নিয়ে। এই সুবৃহৎ দেশে শিক্ষার বিধান, স্বাস্থ্যের বিধান অতি অকিঞ্চিৎকর ; দেশের লোকের দ্বারা নব নব পথে ধন-উৎপাদনের সুযোগ-সাধন কিছুই নেই। অদূর ভবিষ্যতে তার যে সম্ভাবনা আছে তাও দেখতে পাই নে, কেননা দেশের সম্বল সমস্তই তলিয়ে গেল ল এবং অর্ডরের প্রকাও কবলের মধ্যে । যুরোপীয় নবযুগের শ্রেষ্ঠ দানের থেকে ভারতবর্ষ বঞ্চিত হয়েছে য়ুরোপেরই সংস্রবে। নবযুগের স্বর্ধমগুলের মধ্যে কলঙ্কের মতে রয়ে গেল ভারতবর্ষ | আজ ইংলও ফ্রান্স জার্মানি আমেরিকার কাছে ঋণী। ঋণের অঙ্ক খুব মোট । কিন্তু, এর দ্বিগুণ মোটাও যদি হত তৰু সম্পূর্ণ শোধ করা অসাধ্য হত না, দেনদীর দেশে যদি কেবলমাত্র ল এবং অর্ডর বজায় রেখে তাকে আর-সকল বিষয়ে বঞ্চিত রাখতে আপত্তি না থাকত— যদি তার অন্নসংস্থান রইত আধ-পেট পরিমাণ, তার পানযোগ্য জলের বরাদ হত সমস্ত দেশের তৃষ্ণার চেয়ে বহু গুণ স্বল্পতর, যদি দেশে শতকরা পাঁচ-সাত জন মামুষের মতো শিক্ষার ব্যবস্থা থাকলেও চলত, যদি চিরস্থায়ী রোগে প্রজনানুক্ৰমে দেশের হাড়ে হাড়ে দুর্বলভ1 নিহিত করে দেওয়া সত্ত্বেও নিশ্চেষ্টপ্রায় থাকত তার আরোগ্যবিধান । কিন্তু, যেহেতু জীবনযাত্রার সভ্য আদর্শ বজায় রাখবার পক্ষে এ-সকল অভাব একেবারেই মারাত্মক, > ર কালান্তর এইজন্তে পাওনাদারকে এমন কথা বলতে শুনলুম যে, “আমরা দেনাশোধ করব না। সভ্যতার দোহাই দিয়ে ভারতবর্ষ কি এমন কথা বলতে পারে না যে, এই প্ৰাণ-দেউলে-করা তোমাদের দ্বর্য ল্য শাসনতন্ত্রের এত অসহ্য দেন। আমিরা বহন করতে পারব না যাতে বর্বরদশার জগদল পাথর চিরদিনের মতো দেশের বুকের উপর চেপে থাকে । বর্তমান যুগে যুরোপ যে সভ্যতার আদর্শকে উদ্ভাবিত করেছে গ্লুরোপই কি স্বহস্তে তার দাবিকে ভূমণ্ডলের পশ্চিম সীমানাতেই আবদ্ধ করে রাখবে ? সর্বজনের সৰ্বকালের কাছে সেই সভ্যতার মহং দায়িত্ব কি যুরোপের নেই। ক্রমে ক্রমে দেখা গেল, যুরোপের বাইরে অনাত্মীয়মগুলে যুরোপীয় সভ্যতার মশালটি আলো দেখাবার জন্তে নয়, আগুন লাগাবার জন্তে । তাই এক দিন কামানের গোল আর আফিমের পিও এক সঙ্গে বর্ষিত হল চীনের মর্মস্থানের উপর W ইতিহাসে আজ পর্যন্ত এমন সর্বনাশ আর কোনো দিন কোথাও হয় নি— এক হয়েছিল যুরোপীয় সভ্যজাতি যখন নবাবিষ্কৃত আমেরিকায় স্বর্ণপিণ্ডের লোতে ছলে বলে সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত করে দিয়েছে 'মায়া’ জাতির অপূর্ব সভ্যতাকে । মধ্যযুগে অসভ্য তাতার বিজিত দেশে নরমুণ্ডের স্ত,প উচু করে তুলেছিল । তার বেদন অনতিকাল পরে লুপ্ত হয়েছে। সভ্য যুরোপ চীনের মতো এত বড়ো দেশকে জোর করে যে বিব গিলিয়েছে তাতে চিরকালের মতো তার মজা জর্জরিত হয়ে গেল । একদিন তরুণ পারসিকের দল দীর্ঘকালের অসাড়তার জাল থেকে পারস্তকে উদ্ধার করবার জন্তে যখন প্রাণপণ করে দাড়িয়েছিল, তখন সভ্য যুরোপ কিরকম ক’রে স্থই হাতে তার টুটি চেপে ধরেছিল, সেই অমার্জনীয় শোকাবহ ব্যাপার জানা যায় পারস্তের তদানীন্তন পরাহত আমেরিকান রাজস্বসচিব গুস্টারের Strangling of Persia się tai oryzm i s ft* wffrwts কনৃগো প্রদেশে ঘুরোপীয় শাসন যে কিরকম অকথ্য বিভীষিকায় \\0 কালান্তর পরিণত হয়েছিল সে সকলেরই জানা । আজও আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রে নিগ্রোঞ্জাতি সামাজিক অসন্মানে লাঞ্ছিত, এবং সেই-জাতীয় কোনো হতভাগ্যকে যখন জীবিত অবস্থায় দাহ করা হয় তখন শ্বেতচর্মী নরনারীরা সেই পাশব দৃশু উপভোগ করবার জন্তে ভিড় ক’রে আসে। তার পরে মহাযুদ্ধ এসে অকস্মাৎ পাশ্চাত্য ইতিহাসের একটা পর্দ তুলে দিলে । যেন কোন মাতালের আব্রু গেল ঘুচে । এত মিথ্যা, এত বীভৎস হিংস্রতা নিবিড় হয়ে বহুপূর্বকার অন্ধ যুগে ক্ষণকালের ন্তে হয়তো মাঝে মাঝে উংপাত করেছে, কিন্তু এমন ভীষণ উদগ্র মূর্তিতে আপনাকে প্রকাশ করে নি। তারা আসত কালো জাধির মতো ধুলায় আপনাকে আবৃত করে ; কিন্তু এ এসেছে যেন অগ্নিগিরির আগ্নেয়ন্ত্ৰ'ব, অবরুদ্ধ পাপের বাধাযুক্ত উৎস-উচ্ছ্বাসে দিগৃদিগন্তকে রাঙিয়ে তুলে’, দগ্ধ ক’রে দিয়ে দূরদূরাস্তের পৃথিবীর হামলতাকে । তার পর থেকে দেখছি যুরোপের শুভবুদ্ধি আপনার পরে বিশ্বাস হারিয়েছে, আজ সে স্পর্ধা ক’রে কল্যাণের আদর্শকে উপহাস করতে উদ্যত । আজি তার লজ্জা গেছে ভেঙে /একদা ইংরেজের সংস্রবে আমরা যে যুরোপকে জানতুম, কুৎসিতের সঙ্গন্ধ তার একটা সংকোচ ছিল ; আজ সে লজ্জা দিচ্ছে সেই সংকোচকেই। আজকাল দেখছি, আপনাকে ভদ্র প্রমাণ করবার জন্তে সভ্যতার দায়িত্ববোধ যাচ্ছে চলে। অমানবিক নিষ্ঠুরতা দেখা দিচ্ছে প্রকাণ্ডে বুক ফুলিয়ে । সভ্য যুরোপের সর্বার-পোড়ো জাপানকে দেখলুম কোরিয়ায়, দেখলুম চীনে ; তার নিষ্ঠুর বলদৃপ্ত অধিকারলঙ্ঘনকে নিন্দা করলে সে অট্টহাস্তে নজির বের করে যুরোপের ইতিহাস থেকে। আঞ্জলওে রক্তপিঙ্গলের যে উন্মত্ত বর্বরতা দেখা গেল, অনতিপূর্বেও আমরা তা কোনো দিন কল্পনাও করতে পারভূম না। তার পরে চোখের সামনে দেখলুম জালিয়ানওয়ালাবাগের বিভীষিকা। যে যুরোপ এক দিন তৎকালীন তুর্কিকে অমাছৰ ব’লে S 8 কালান্তর গল্পনা দিয়েছে তারই উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে প্রকাশ পেল ফ্যাসিজমের নিৰ্বিচার 蠶 এক দিন জেনেছিলুম আত্মপ্রকাশের স্বাধীনতা যুরোপের ੇ সাধনা, আজ দেখছি য়ুরোপে এবং আমেরিকায় সেই স্বাধীনতার কণ্ঠরোধ প্রতিদিন প্রবল হয়ে উঠছে । ব্যক্তিগত শ্রেয়োবুদ্ধিকে শ্রদ্ধা করবার কথা অল্পবয়সে আমরা যুরোপের বেদী থেকে শুনতে পেতুম, আজ সেখানে যারা খৃস্টের উপদেশকে সত্য বলে বিশ্বাস করে, যারা শক্রকেও হিংসা করা মনে করে অধৰ্ম, তাদের কী দশা ঘটে তার একটা দৃষ্টান্ত থেকে কিয়দংশ উদ্ভূত করে দিচ্ছি। যুদ্ধবিরোধী ফরাসী যুবক রেনে রেইম লিখছেন— So after the war I was sent to Guiana.... Condemned to fifteen years' penal servitude I have drained to the dregs the cup of bitterness, but the term of penal servitude being completed, there remains always the accessory punishment— banishment for life. One arrives in Guiana sound in health, young, vigorous, one leaves (if one leaves), weakly, old, ill... One arrives in Guiana honest- a few months later one is corrupted... They (the transportees ) are an easy prey to all the maladies of this land- fever, dysentery, tuberculosis and most terrible of all, leprosy. পোলিটিকাল মতভেদের জন্যে ইটালি যে দ্বীপান্তরবাসের বিধান করেছে, সে কিরকম দুঃসহ নরকবাস সে কৰা সকলেরই জানা আছে। যুরোপীয় সভ্যতার আলোক যেসব দেশ উজ্জ্বলতম ক’রে জালিয়েছে, তাদের মধ্যে প্রধান স্থান নিতে পারে জর্মনি । কিন্তু আজ সেখানে সভ্যতার সকল আদর্শ টুকরো টুকরো করে দিয়ে এমন অকস্মাৎ, এত সহজে উন্মত্ত দানবিকতা সমস্ত দেশকে অধিকার করে নিলে, এও তো অসম্ভব হল না। যুদ্ধপরবর্তীকালীন যুরোপের বর্বর নির্ণয়ত যখন আজ এমন নির্লজ্জভাৰে চার দিকে উদঘাটিত হতে থাকল তখন এই > & कांब्लॉखुग्न কথাই বার বার মনে আসে, কোথায় রইল মামুষের সেই দরবার যেখানে মামুষের শেষ আপিল পৌছবে আজ । মনুষ্যত্বের পরে বিশ্বাস কি ভাঙতে হবে ? বর্বরতা দিয়েই কি চিরকাল ঠেকাতে হবে বর্বরতা ? কিন্তু সেই নৈরাশ্বের মধ্যেই এই কথাও মনে আসে যে, ছৰ্গতি যতই উদ্ধতভাবে ভয়ংকর হয়ে উঠুক, তবু তাকে মাথা তুলে বিচার করতে পারি, ঘোষণা করতে পারি ‘তুমি অপ্রদ্ধেয়', অভিসম্পাত দিয়ে বলতে পারি ‘বিনিপাত, বলবার জন্তে পণ করতে পারে প্রাণ এমন লোকও দুদিনের মধ্যে দেখা দেয়— এই তো সকল ছুঃখের, সকল ভয়ের উপরের কথা । আজ পেয়াদার পীড়নে হাড় গুড়িয়ে যেতে পারে, তবুও তো আগেকার মতো হাতজোড় করে বলতে পারি নে, দিল্লীশ্বরো বা জগদীশ্বরে বা । বলতে পারি নে, তেজীয়ান যে তার কিছুই দোষের নয়। বরঞ্চ মুক্তকণ্ঠে বলতে পারি, তারই দায়িত্ব বড়ো, তারই আদর্শে তারই অপরাধ সকলের চেয়ে নিন্দনীয়। যে দুঃখী, ষে অবমানিত, লে যেদিন স্তায়ের দোহাইকে অত্যাচারের সিংহগর্জনের উপরে তুলে আত্মবিস্তুত প্রবলকে ধিক্কার দেবার ভরসা ও অধিকার সম্পূর্ণ হারাৰে, সেই দিনই বুঝব, এই যুগ আপন শ্রেষ্ঠ সম্পদে শেব কড়া পর্যন্ত দেউলে হল । তার পরে অসুিক কল্পাস্ত । শ্রাবণ ১৩৪০ 》也