কালান্তর/ছোটো ও বড়ো

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন


ছোটো ও বড়ো

 যে সময়ে দেশের লোক তৃষিত চাতকের মতে উংকষ্ঠিত; যে সময়ে রাষ্ট্রীয় আবহাওয়ার পর্যবেক্ষকের খবর দিলেন যে, হোমরুলের প্রবল মৈমুম হাওয়া আরব-সমুদ্র পাড়ি দিয়াছে, মুষলধারে বৃষ্টি নামিল বলিয়া; ঠিক সেই সময়েই মুষলধারে নামিল বেস্থার অঞ্চলে মুসলমানের প্রতি হিন্দুদের একটা হাঙ্গামা।

 অন্ত দেশেও সাম্প্রদায়িক ঈর্ষান্বেষ লইয়া মাঝে মাঝে তুমুল দ্বম্বের কথা শুনি। আমাদের দেশে যে বিরোধ বাধে সে ধৰ্ম লইয়া, যদিচ আমরা মুখে সর্বদাই বড়াই করিয়া থাকি যে, ধর্ম বিষয়ে হিন্দুর উদারতার তুলন। জগতে কোথাও নাই। বর্তমান কালে পশ্চিম-মহাদেশের উত্তরপশ্চিম অঞ্চলে যে বিরোধ বাধে তাহা অর্থ লইয়। সেখানে খনির শ্রমিকেরা, সেখানে ডক ও রেলোয়ের কমিকের মাঝে মাঝে হুলস্থুল বাধাইয়া তোলে; তাহা লইয়া আইন করিতে হয়, ফৌজ ডাকিতে হয়, আইন বন্ধ করিতে হয়, রক্তারক্তি কাও ঘটে। সে দেশে এইরূপ বিরোধের সময় দুই পক্ষ থাকে এক পক্ষ উৎপাত করে, আর-এক পক্ষ উৎপাত নিবারণের উপায় চিস্ত করে। ব্যঙ্গপ্রিয় কোনো তৃতীয় পক্ষ সেখানে বাহির হইতে দুয়ে দেয় না। কিন্তু আমাদের দুঃখের বাসরঘরে শুধু যে বর ও কনের দ্বৈততত্ত্ব তাঁহা নহে; তৃতীয় একটি কুটুম্বিনী আছেন, অট্টহাস্ত এবং কান-মলার কাজে তিনি প্রস্তুত।

 ইংলণ্ডে এক সময় ছিল, যখন এক দিকে তার রাষ্ট্রযন্ত্রটা পাকা হইয়া উঠিতেছে এমন সময়েই প্রটেস্ট্যান্ট, ও রোমান ক্যাথলিকদের মধ্যে ৰন্থ চলিতেছিল। সেই দ্বন্দ্বে দুই সম্প্রদায় যে পরম্পরের প্রতি বরাবর সুবিচার করিয়াছে তাহী নহে। এমন কি, ৰহু কাল পর্বত্ত ক্যাথলিকরা ፃህw ছোটো ও বড়ো বহু অধিকার হইতে ৰঞ্চিত হইয়াই কাটাইয়াছে । আজও কোনো বিশেষ একটি সাম্প্রদায়িক চার্চের ব্যয় ভার ইংলণ্ডের সমস্ত লোককে বহন করিতে হইতেছে, সে দেশের অন্ত সম্প্রদায়গুলির প্রেতি ইহ অম্ভায় । অশাস্তি ও অসাম্যের এই বাহিক ও মানসিক কারণগুলি আজ ইংলওে নিরুপদ্রব হইয়া উঠিয়াছে কেন ? যেহেতু সেখানে সমস্ত দেশের লোকে মিলিয়া একটি আপন শাসনতন্ত্ৰ পাইয়াছে। এই শাসনভার যদি সম্পূর্ণ বিদেশীর পরে ধাৰিত তৰে যেখানে জোড় মেলে নাই সেখানে ক্রমাগত ঠোকাঠুকি বাধিয়া বিচ্ছেদ স্থায়ী হইত। এক দিন ব্রিটিশ পলিটিক্সে স্কটুলগু, ও ইংলণ্ডের বিরোধ কম তীব্র ছিল না । কেননা উভয় জাতির মধ্যে ভাষ: ভাব রুচি প্রথা ও ঐতিহাসিক স্থতিধারার সত্যকারই পার্থক্য ছিল । বন্দ্বের ভিতর দিয়াই দ্বন্দ্ব ক্রমে ঘুচিয়াছে। এই দ্বন্দ্ব খুচিবার প্রধান কারণ এই যে, ইংরেজ ও স্বচ উভয়েই একটা শাসনতন্ত্ৰ পাইয়াছে যাহ উভয়েরই স্বাধিকারে ; যাহাতে সম্পদে ও বিপদে উভয়েরই শক্তি সমান কাজ করিতেছে । ইহার ফল হইয়াছে এই যে, আজ ইংলণ্ডে স্কটিশ চার্চে ও ইংলিশ চার্চে প্রভেদ থাকিলেও, রোমান ক্যাথলিকে প্রটেস্ট্যান্টে অনৈক্য ঘটিলেও, রাষ্ট্ৰতন্ত্রের মধ্যে শক্তির ঐক্যে, মঙ্গলসাধনের ষোগে, তাহাদের মিলন ঘটিয়াছে । ইছাদের মাথার উপর একটি তৃতীয় পক্ষ যদি সম্পূর্ণ স্বতন্ত্ৰ থাকিয় আপন ইচ্ছামতো ইহাদিগকে চালনা করিত, তাছা হইলে কোনো কালেই কি ষ্ট হাদের জোড় মিলিত ? অয়লণ্ডের সঙ্গে আজ পর্যস্ত ভালো করিয়া জোড় মেলে নাই কেন ? অনেক দিন পর্যন্তই আয়লণ্ডের সঙ্গে ইংলণ্ডের রাষ্ট্রীয় অধিকারের সাম্য ছিল না বলিয়া । এ কৰা মানিতেই হুইৰে, আমাদের দেশে ধৰ্ম লইয়া ছিলুমুসলমানের মধ্যে একটা কঠিন বিরুদ্ধতা আছে। যেখানে সত্যভ্রষ্টতা লেইখানেই অপরাধ, যেখানে অপরাধ সেইখানেই শাস্তি । ধর্ষ যদি অন্তরের כי কালাস্তুর জিনিস না হইয়া শাস্ত্রমত ও বাহ আচারকেই মুখ্য করিয়া তোলে তৰে সেই ধর্ম যত বড়ো অশাস্তির কারণ হয়, এমন আর-কিছুই না। এই 'ডগমা অর্থাৎ শাস্ত্রমতকে বাহির হইতে পালন করা লইয়া যুরোপের ইতিহাস কত বার রক্তে লাল হইয়াছে। অহিংসাকে যদি ধর্ম বল, তবে সেটাকে কর্মক্ষেত্রে ছুঃসাধ্য বলিয়া ব্যবহারে না মানিতে পারি, কিন্তু বিশুদ্ধ আইডিয়ালের ক্ষেত্রে তাহাকে স্বীকার করিয়া ক্রমে সে দিকে অগ্রসর হওয়া অসম্ভব নহে । কিন্তু বিশেষ শাস্ত্রমতের অনুশাসনে বিশেষ করিয়া যদি কেবল বিশেষ পশুহত্যা না করাকেই ধর্ম বলা যায়, এবং সেইটে জোর করিয়া যদি অন্ত ধর্মমতের মানুষকেও মানাইতে চেষ্ট৷ করা হয়, তবে মামুষের সঙ্গে মামুষের বিরোধ কোনে কালেই মিটিতে পারে না । নিজে ধর্মের নামে পশুহত্যা করিব অথচ অন্তে ধর্মের নামে পশুহত্যা করিলেই নরহত্যার আয়োজন করিতে থাকিব, ইহাকে অত্যাচার ছাড়া আর-কোনো নাম দেওয়া যায় না । আমাদের আশি। এই যে, চিরদিন আমাদের ধর্ম আচার প্রধান হইয়া থাকিবে না । আরোএকটি আশা আছে, একদিন হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যে দেশহিতসাধনের একই রাষ্ট্রীয় আইডিয়াল যদি আমাদের রাষ্ট্ৰতন্ত্রে বাস্তব হইয়া উঠে তবে সেই অস্তরের যোগে বাহিরের সমস্ত পার্থক্য তুচ্ছ হইয়া যাইবে । অল্প দিন হইল, রেলগাড়িতে আমার এক ইংরেজ সঙ্গী জুটিয়াছিল। তিনি বেহার অঞ্চলের হাঙ্গামার প্রসঙ্গে গল্প করিলেন— সাহাবাদে কিম্বা কোনো-একটা জায়গায় ইংরেজ কাপ্তেন সেখানকার এক জমিদারকে বিদ্রুপ করিয়া বলিয়াছিলেন, “তোমার রায়তদের তোমরা তো ঠেকাইতে পারিলে না ! তোমরাই আবার হোমরুল চাও । জমিদার কী জবাব করিলেন শুনি নাই । সম্ভবত তিনি লম্বা সেলাম করিয়া বলিয়াছিলেন, ‘লা সাহেব, আমরা হোমরুল চাই না, আমরা অযোগ্য অধম। আপাতত আমার রায়তদের তুমি ঠেকাও । বেচারা জানিতেন, у о ছোটো ও বড়ো হামরুল তখন সমুত্রপারের স্বপ্নলোকে, কাপ্তেন ঠিক সম্মুখেই, জার গঙ্গামাটা কাধের উপর চড়িয়া বসিয়াছে। আমি বলিলাম, ‘হিন্দুযুসলমানের এই দাঙ্গাটা হোমরুলের অধীনে उl थcछे ब्राहे । निब्रह्म छबिमांब्रछैि चकअप्ठांग्न चन्बांटन cबॉब कब्रि একবার সেনাপতি-সাহেবের ফৌজের দিকে নীয়ৰে তাকাইয়াছিলেন । উপায় রছিল একজনের হাতে আর প্রতিকার করিবে আর-একজনে, এমনতরো শ্রমবিভাগের কথা আমরা কোথাও শুনি নাই । বাংলাদেশেও ঠিক স্বদেশী উত্তেজনার সময়, শুধু জামালপুরের মতো মফস্বলে নয়, একেবারে কলিকাতার বড়োবাজারে হিন্দুদের প্রতি মুসলমানের উপত্ৰৰ প্রচণ্ড হুইয়াছিল – সেটা তো শাসনের কলঙ্ক, শুধু শাসিতের নয় । এইরূপ কাও যদি সদাসৰ্বদা নিজামের হাইদ্রাবাদে বা জয়পুর বরোদ মৈশুরে ঘটিতে থাকিত তৰে সেনাপতি সাহেৰের জবাব খুজিৰার জন্ত আমাদের ভাবিতে হইত।’ আমাদের নালিশটাই যে এই– কর্তৃত্বের দায়িত্ব আমাদের হাতে নাই, কর্ত! বাহির হইতে আমাদিগকে রক্ষা করিৰার ভার লষ্টয়াছে। ইহাতে আমরা ক্রমশই অস্তরের মধ্যে নিঃসহায় ও নিঃসম্বল হইতেছি ; সেজন্ত উলুটিয়া কর্তারাই আমাদিগকে অবজ্ঞা করিলে ভয়ে ভয়ে আমরা জবাব দিই না বটে, কিন্তু মনে মনে যে ভ’ব। প্রয়োগ করি তাহা সাধু নহে । কর্তৃত্ব যদি থাকিত তবে তাছাকে বজায় রাখিতে ও সার্থক করিতে হিন্দু মুসলমান উভয়েরই সমান গরজ থাকিত, সমস্ত উচ্ছ স্থলতার দায়িত্ব সকলে মিলিয়া অতি সাবধানে বহন করিতে হইত । এমনি করিয়া শুধু আজ নহে, চিরদিনের মতো ভারতবর্ষের পোলিটিকাল আশ্রয় নিজের ভিত্তিতে পাক হইত। কিন্তু এমন যদি হয় যে, একদিন ভারত-ইতিহাসের পরিচ্ছেদপরিবর্তন-কালে প্রস্থানের ৰেলায় ইংরেজ তার স্বশাসনের ভগ্নাৰশেষের উপর রাখিয়া গেল জাম্বনির্ভরে Wo , br〉 কালান্তর অনভ্যস্ত, আত্মরক্ষায় অক্ষম, আত্মকলাশসাধনে অসিদ্ধ, আত্মশক্তিতে নষ্টবিশ্বাস বহুকোটি নরনারীকে— রাখিয়া গেল এমন ক্ষেত্রে যেখানে প্রতিবেশী নৰ উদ্যমে জাগ্রত, নব শিক্ষায় অপরিমিত শক্তিশালী— তবে আমাদের সেই চিরদৈন্তপীড়িত অস্তহীন দুর্ভাগ্যের জন্ত কাহাকে আমরা দায়ী করিব ? আর যদি কল্পনাই করা যায় যে, মানবের পরিবর্তনশীল ইতিহাসের মাঝখানে একমাত্র ভারতে ইংরেজসাম্রাজ্যের ইতিহাসই ধ্রুব হইয়া অনন্ত ভবিষ্যৎকে সদৰ্পে অধিকার করিয়া থাকিবে, তবে এই কি আমাদের ললাটের লিখন যে, ভারতের অধিবাসীরা ष्ठैिश्चदिष्वि হইয়া থাকিবে, তাছাদের পরস্পরের মধ্যে দেশের কল্যাণকর্মবন্ধনের কোনো যোগ থাকিবে না ; চিরদিনের মতোই তাহাদের আশা ক্ষুদ্র, তাহাদের শক্তি অবরুদ্ধ, তাছাদের ক্ষেত্র সংকীর্ণ, তাহদের ভবিষ্যৎ পরের ইচ্ছার পাষাণপ্রাচীরে পরিবেষ্টিত ? এ পর্যন্ত ইংরেজের রাজত্বে আমরা এক-শাসন পাইয়াছি কিন্তু এক দায়িত্ব পাই নাই । তাই আমাদের ঐক্য বাহিরের । এ ঐক্যে আমরা মিলি না, পাশে পাশে সাজানো থাকি, বাহিরে বা ভিতরে একটু ধাক্কা পাইলেই ঠোকাঠুকি বাধিয়া যায়। এ ঐক্য জড় আকর্ষক, ইহ সজীব সকৰ্মক নয়। ইহা ঘুমস্ত মামুষের এক মাটিতে শুইয়া থাকিবার ঐক্য, ইহা সজাগ মাছুষের এক পথে চলিবার ঐক্য নহে । ইহাতে আমাদের গৌরব করিবার কিছু নাই, সুতরাং ইহা আনন্দ করিবার নহে ; ইহাতে কেবল স্তুতি করিতে পারি, নতি করিতে পারি, উন্নতি করিতে পারি না । এক দিন আমাদের দেশে যে সমাজ ছিল তাহ সাধারণের প্রতি আমাদের দায়িত্বের আদর্শকে সচেষ্ট রাখিয়াছিল । সেই দায়িত্বের ক্ষেত্র ছিল সংকীর্ণ, তখন আমাদের জন্মগ্রামকেই আমরা জন্মভূমি বলিয়া জানিতাম। তা হউক, সেই ছোটো সীমার মধ্যে ধনীর দায়িত্ব ছিল Ե Գ ছোটো ও বড়ো তার ধন লইয়া, জ্ঞানীর দায়িত্ব ছিল তার জ্ঞান লইয়া । যার যা শক্তি ছিল তার উপরে চারি দিকের দাবি ছিল । সচেষ্ট জীবনের এই-বে নানা দিকে বিস্তার, ইহাতেই মানুষের যথার্থ আনন্দ ও গৌরব । আমাদের সেই দায়িত্ব সমাজ হইতে বাহিরে সরিয়া গেছে। একমাত্র সরকার-বাছাছুরই আমাদের বিচার করেন, রক্ষা করেন, পাহার দেন, চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন, শাস্তি দেন, সন্মান দেন, সমাজে কোনটা হিন্দু কোনটা অহিন্দু আদালত হইতে তার বিধান দেন, মদের ভাটির বন্দোবস্ত করেন এবং গ্রামের লোককে বাঘে ধরিয়৷ থাইতে থাকিলে জেলার ম্যাজিস্ট্রেটকে সবান্ধবে শিকার করিবার সুযোগ দিয়া থাকেন। সুতরাং এখন আমাদের সমাজ আমাদের উপর যে পরিমাণে ভার চাপাইয়াছে সে পরিমাণে ভার বহিতেছে না। ব্ৰাহ্মণ এখনো দক্ষিণ আদায় করেন কিন্তু শিক্ষা দেন না, ভূস্বামী খাজনা শুষিয় লন কিন্তু তার কোনো দায় নাই, ভদ্র সম্প্রদায় জনসাধারণের কাছ হইতে সন্মান লন কিন্তু জনসাধারণকে আশ্রয় দেন না । ক্রিয়াকর্মে খরচপত্র বাড়িয়াছে বই কমে নাই ; অথচ সেই বিপুল অর্থব্যয় সমাজব্যবস্থাকে ধারণ ও পোষণের জন্ত নয়, তাহ রীতিরক্ষা ও সমারোহ করিবার জন্ত । ইহাতে দেশের ধনীদরিদ্র সকলেই পীড়া বোধ করে । এ দিকে দলাদলি, জাতে ঠেলাঠেলি, পুথির বিধান -বেচাকেন প্রভৃতি সমস্ত উৎপীড়নই আছে। যে গাভীর বাধা খোরাক জোগাইতেছি সে ছুখ দেওয়া প্রায় বন্ধ করিল, কিন্তু বাকা শিঙের গুত| মারাট। তার কমে নাই । যে ব্যবস্থা সমাজের ভিতরে ছিল সেটা বাহিরে আলিয়া পড়াতে रनTबन्ह इहेल कि म ८गठे शहेब्रा ठर्क नग्न । याश्रु षषि कठक७ला পাথরের টুকরা হইত তবে তাহাকে কেমন করিয়া শৃঙ্খলাবদ্ধরূপে সাজাইয়া কাজে লাগানো যায়, সেইটেই সব চেয়ে বড়ো কথা হইত। Ե Ց কালান্তর কিন্তু মানুষ যে মাছৰ। তাকে বাচিতে হক্টৰে, বাড়িতে হইবে, চলিতে হইবে। তাই এ কথাটা মানিতেই হইবে যে, দেশের সম্বন্ধে দেশের লোকের চেষ্টাকে নিরুদ্ধ করিয়া যে নিরানন্দের জড়ভার দেশের বুকে চাপিয়া বলিতেছে সেটা শুধু যে নিষ্ঠুর তাহা নহে, সেট রাষ্ট্রনীতি হিসাবে নিন্দনীয় । আমরা যে অধিকার চাহিতেছি তাহ ঔদ্ধত্য করিবার বা প্রভূত্ব করিবার অধিকার নহে। আমরা সকল ক্ষুধাতুরকে ঠেকাইয়া জগৎসংসারটাকে একলা ভূহিয়া লইবার জন্ত লম্ব লাঠি কাখে লইতে চাই না ; যুদ্ধে নরঘাত সম্বন্ধে বিশ্বের সকলের চেয়ে বড়ো শক্তি, বড়ো উদ্যোগ ও বড়ো উৎসাহ রাখি বলিয়া শয়তানকে লজ্জা দিবার ছরাকাঙ্ক্ষা আমাদের নাই ; নিরীহ হিন্দু বলিয়া প্রবল পশ্চিম আমাদের উপরে যে শ্লেষ প্রয়োগ করে তাছাকেই তিলক করিয়া আমাদের ললাটকে আমরা লাঞ্ছিত রাখিব ; আধ্যাত্মিক বলিয়া আমাদের আধুনিক শাসনকর্তারা আমাদের পরে যে কটাক্ষবর্ষণ করিয়াছেন তারই শরশয্যায় শেষ পর্যন্ত শয়ান থাকিতে আমরা ছুঃখ বোধ করিব না— আমরা কেবলমাত্র অপেন দেশের সেবা করিবার, তার দায়িত্বগ্রহণ করিবার স্বাভাবিক অধিকার চাই । এই অধিকার হইতে স্রষ্ট হইয়া আশাহীন অকৰ্মণ্যতার দুঃখ ভিতরে ভিতরে অসহ হইয়াছে। এইজন্তই সম্প্রতি জনসেবার জন্ত আমাদের যুবকদের মধ্যে একটা প্রবল আগ্রহ দেখিতে পাই । নিরাপদ শাস্তির আওতায় মাছুষ বঁাচে না । কেননা, যেটা মামুষের অন্তরতম আবেগ তাহা বাড়িয়া চলিবার আবেগ । মহং লক্ষ্যের প্রতি আত্মোৎসর্গ করিয়া দুঃখ স্বীকার করাই সেই বাড়িয়া চলিবার গতি । সকল বড়ো জাতির ইতিহাসেই এই গতির স্থনিবার আবেগ ব্যর্থতা ও সার্থক্যের উপলबकूब्र १८ष शजिब्रl, एकमाहेब, बाषा डांडिब-हूब्रिब्र, कब्रिब्रा नज़िতেছে। ইতিহাসের সেই মহৎ দৃশু আমাদের মতো পোলিটিকাল ケ8 ছোটো ও বড়ো পজুদের কাছ হইতেও আড়াল করিয়া রাখা অসম্ভব। এইজক যেসব যুবকের প্রকৃতিতে প্রাণের স্বাভাবিক উত্তেজনা আছে, মহতের উপদেশ ও ইতিহাসের শিক্ষা হইতে প্রেরণা লাভ করা সত্ত্বেও নিশ্চেষ্ট হইয়া থাকা তাদের কাছে যে মৃত্যুর চেয়ে দারুণতর, সে কৰা আত্মহত্যাকালে শচীন্দ্র দাসগুপ্তের মর্মাস্তিক বেদনার পত্ৰখালি পড়িলেই বুঝা যাইবে । কিন্তু কেবল ক্ষণে ক্ষণে বন্যান্থতিক্ষের নৈমিত্তিক উপলক্ষ্যে অন্তর্গঢ় সমস্ত শুভচেষ্টা নির্ম,জ হইতে পারে না। দেশব্যাপী নিত্যকর্মের মধ্যেই মানুষের বিচিত্র শক্তি বিচিত্ৰতাৰে সফল হয়। নতুবা তার অধিকাংশষ্ট ৰদ্ধ হইয়া আক্ষরিক নৈরাপ্তের উত্তাপে বিকৃত হইতে থাকে। এই বিকার হইতে দেশে নানা গোপন উপদ্রবের হুষ্টি। এইজন্ত দেখা যায়, দেশের ধর্মবুদ্ধি ও শুভচেষ্টার প্রতিই কর্তৃপক্ষের সন্দেহ সুতীব্র । যে লোক স্বার্থপর বেষ্টমান, যে উদাসীন নিশ্চেষ্ট, বর্তমানের গুপ্ত ব্যবস্থায় তারই জীবনযাত্রা সকলের চেয়ে নিরাপদ ; তারই উন্নতি ও পুরস্কারের পথে সকলের চেয়ে বাধা অল্প । নি:স্বার্থ পরহিতৈবিতার জবাবদিহি ভয়ংকর হইয়াছে। কেননা, সন্দিগ্ধের কাছে এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া কঠিন যে ‘মহৎ অধ্যবসায়ে তোমার দরকার কী— তুমি থাইয়া দাইয়া বিয়া-খাওয়া করিয়া আপিলে আদালতে ঘুরিয়া মোট বা সরু মাহিনয় ৰখন স্বচ্ছলো দিন কাটাইতে পার, তখন ঘরের খাইয়া বনের মোষ তাড়াইতে যাও কেন’ । ৰাভ কর্তৃপক্ষ জানেন, এই আলো এবং ঐ ধোয় একই কারণ হইতে উঠিতেছে । সে কারণটা, নিক্রিয়তার অবসাদ হইতে দেশের শুভবুদ্ধির মুক্ত হইবার চেষ্টা । যুক্তিশাস্ত্রে বলে, পর্বতে ৰহিমান খুৰাং। গুপ্তচরের যুক্তি বলে, পর্বতে ধূমবান বহেঃ । কিন্তু বাই ৰলুৰ জার या है कक्रक, यांछैिब्र ठलांब ये-८य माझ न शज्रजनथ ८षांला इहेल, ८यथाटन আলো নাই, শৰ নাট, বিচার নাট, নিষ্কৃতির কোনো ৰৈৰ উপায় নাই, じア総 কালাস্তর এইটেই কি স্বপথ হইল ? দেশের ব্যাকুল চেষ্টাকে বিনা বাছনিতে এক দমে কবরস্থ করিলে তার প্রেতের উৎপাতকে কি কোনো দিন শাস্ত করিতে পারিবে ? ক্ষুধার ছটফটানিকে বাহির হইতে কানমলা দিয়া ঠাণ্ডা করিয়া চিরছুর্ভিক্ষকে ভদ্র আকার দান করাই যে যথার্থ ভদ্রনীতি এমন কথা তো বলিতে পারিই না, তাহ যে বিজ্ঞনীতি তাহাও বলা যায় লা । 赖 এই রকম চোরা উৎপাতের সময় সমুদ্রের ও পার হইতে খবর আসিল, আমাদিগকে দান করিবার জন্ত স্বাধীন শাসনের একটা খসড়া তৈরি হইতেছে। মনে ভাবিলাম, কর্তৃপক্ষ বুঝিয়াছেন যে, শুধু দমনের বিভীষিকায় অশাস্তি দূর হয় না, দক্ষিণ্যেরও দরকার। দেশ আমার দেশ, সে তো কেবল এখানে জন্মিয়াছি বলিয়াই নয় ; এ দেশের ইতিহাসস্থষ্টির ব্যাপারে আমার তপস্যার উপরে সমস্ত দেশের দাবি আছে বলিয়াই এ দেশ আমার দেশ, এই গ তীর মমত্ববোধ যদি দেশের লোক অনুভব করিবার উৎসাহ পায় তবেই এ দেশে ইংরেজ-রাজত্বের ইতিহাস গৌরবান্বিত হইবে । কালক্রমে বাহিরে সে ইতিহাসের অবসান ঘটিলেও অস্তরে তাহার মহিমা স্মরণীয় হইয়া থাকিবে । তা ছাড়া নিরতিশয় দুর্বলেরও প্রতিকূলতা নৌকার ক্ষুদ্রতম ছিদ্রের মতো । শাস্তির সময় নিরস্তর জল সেচিয়া সেই ফাট নৌকা বাওয়া যায়, কিন্তু তুফানের সময় যখন সকল হাতই দাড়ে হালে পালে আটক থাকে তখন তলার অতি তুচ্ছ ফাটলগুলিষ্ট মুশকিল বাধায়। রাগ করিয়া তার উপরে পুলিসের রেগুলেশন বা নন-রেগুলেশন লাঠি কিলে ফাটল কেবল বাড়িতেই থাকে। ফাকগুলিকে বুজাইবার জন্ত সময়মতো সামান্ত খরচ করিলে কালক্রমে অসামান্ত খরচ বঁাচে । এই কথা যে ইংলণ্ডের মনীষী রাষ্ট্রনৈতিকের বুঝিতেছেন না তাহ আমি মনে করি না । বুঝিতেছেন বলিয়াই হোমরুলের কথাটা উঠিয়াছে । Ե Շ) ছোটো ও বড়ো কিন্তু রিপু অন্ধ ; সে উপস্থিত কালকেই বড়ো করিয়া দেখে, অনাগতকে উপেক্ষা করে। ধর্মের দোহাইকে সে দুর্বলতা এবং শৌখিন ভাবুকতা বলিয়া অবজ্ঞা করে। অভাবনীয় প্রত্যাশার আনন্দে উৎফুল্প হইয়া ইংরেজের এই রিপুর কথাটাকে ভারতবর্ষ সামান্ত বলিয়া জ্ঞান করিয়াছিল । যে-সমস্ত ইংরেজ এ দেশে রাজ-সেরেস্তার আমলা বা পণ্যজীবী তাহারা ভারতবর্ষের অত্যস্ত বেশি নিকটে আছে । এই নিকটের দৃশ্বের মধ্যে তাদেরই প্রতাপ, তাদেরই ধনসঞ্চয় সৰ চেয়ে সমুচ্চ ; আর ভারতবর্ষের ত্রিশ কোটি মানুষ তাদের সমস্ত সুখদুঃখ লষ্টয়া ছায়ার মতো অস্পষ্ট, অবাস্তব ও মান । এই কাছের ওজনে, এই উপস্থিত কালের মাপে ভারতবর্ষের দাবি ইছাদের কাছে তুচ্ছ । তাই যে-কোলে বর লাভের প্রভাবে ভারতবর্ষ কিছুমাত্র আত্মশক্তি লাভ করিবে তাছা ক্ষীণ হইয়া, খণ্ডিত হইয়া, রক্তশূন্ত হইয়া আমাদের কাছে পৌছিৰে অথবা অর্ধপথে অপঘাতমুতুতে মরিয়া ভারতভাগ্যের মরুপথকে ব্যর্থ সাধুসংকল্পের কঙ্কালে আকীর্ণ করিবে । এই বাধা দিবার শক্তি যারা বহন করিতেছে অব্যাহত প্রতাপের মদের নেশায় তারা মাতোয়ারা, কঠিন স্বাজাত্যভিমানের স্তরসঞ্চিত আবরণে তাছাদের মন ভারতবর্ষের মামুষলংস্পর্শ হইতে বিচ্ছিন্ন । ভারতবর্ষ ইহাদের কাছে একটা অতি প্রকাও সরকারি বা সওদাগরি আপিল । এ দিকে ইংলণ্ডের যে ইংরেজ আমাদের ভাগ্যনায়ক তার রক্তের সঙ্গে ইছাদের রক্তের মিল, তার হাতের উপরে ইছাদের হাত, তার কানের কাছে ইহাদের মুখ, তার মন্ত্রণাগৃহে ইহাদের আসন, তার পোলিটিকাল নাট্যশালার নেপথ্যবিধান-গৃহে ইহাদের গতিবিধি । ভারতবর্ষ হইতে নিরস্তর প্রবাহিত হইতে হইতে ইংলণ্ডের ইংরেজসমাজের পরতে পরতে ইছারা মিশিয়াছে ; সেখানকার ইংরেজের মনস্তত্ত্বকে ইছারা গড়িয়া তুলিতেছে। ইছারা নিজের পক্ষকেশের শপথ

    • কালান্তর

করে, অভিজ্ঞতার দোহাই পাড়ে এবং আমরাই ভারতসাম্রাজ্যের শিখরচুড়াকে অপরিমিত উচ্চ করিয়া তুলিয়াছি' এই বলিয়া ইহার অপরিমিত প্রশ্রয় দাবি করে । এই অভ্ৰভেদী অভিমানের ছায়াত্তরালে আমাদের ভাষা, আমাদের আশা, আমাদের অস্তিত্ব কোথায় ? ইহাকে উত্তীর্ণ হইয়া আপিসের প্রাচীর ডিঙাইয়া, ত্ৰিশ কোটি ভারতবাসীকে মানুষ বলিয়া দেখিতে পায় এমন অসাধারণ দৃষ্টিশক্তি করি কাছে প্রত্যাশা করিব ? ষে দূরবর্তী ইংরেজ যুরোপীয় আবহাওয়ার মধ্যে আছে বলিয়াই অন্ধ স্বার্থের কুহক কাটাইয়া ভারতবর্ষকে উদার দৃষ্টিতে দেখিতে পায়, ইছারা তাহাদিগকে জানায় ষে, নীচের আকাশের ধুলানিবিড় বাতাসের মধ্য দিয়া দেখাই বাস্তবকে দেখা, উপরের স্বচ্ছ আকাশ হইতে দেখাই বস্তুতন্ত্রবিরুদ্ধ । ভারতশাসনে দুরের ইংরেজের হস্তক্ষেপ করাকে ইহার স্পধিত অপরাধ বলিয়া গণ্য করে। ভারতবাসীকে এই কথাটা মনে রাখিতে হইবে, ইংরেজ বলিয়া যে একটি মহৎ জাতি আছে প্রকৃতপক্ষে সেই ষে ভারতশাসন করিতেছে তাহা নহে ; ভারত-দফতরখানার বহুকালক্ৰমাগত সংস্কারের অ্যালিডে কাচাবয়স হইতে জীর্ণ হইয়া যেএকটি আমলা-সম্প্রদায় আমাদের পক্ষে কৃত্রিম মানুষ হইয়া আছে আমরা তাহারই প্রজা । যে মানুষ তার সমস্ত মন প্রাণ হৃদয় লইয়া মাজুৰ, সে নয় ; যে মানুষ কেবলমাত্র বিশেষ প্রয়োজনের মাপে মাম্বুব, সেই তো কৃত্রিম মাস্থ্য । ফোটোগ্রাফের ক্যামেরাকে কৃত্রিম চোখ বলিতে পারি। এই ক্যামেরা খুব স্পষ্ট করিয়া দেখে কিন্তু সম্পূর্ণ করিয়া দেখে না, তাছা চলতিকে দেখে না, বাহাকে দেখা যায় না তাহাকে দেখে না। এইজন্স বলা বায় যে, ক্যামেরা অন্ধ হইয়া দেখে । সঙ্গীৰ চোখের পিছনে সমগ্র মাজুৰ আছে বলিয়া তাহার দেখা কোনো আংশিক প্রয়োজনের পক্ষে ৰত অসম্পূর্ণ হোক, মানুষের সঙ্গে মাছবের সম্পূর্ণ ব্যবহার-ক্ষেত্রে তাছাই ԽԵr ছোটো ও বড়ো সম্পূর্ণতর । বিধাতার কাছে আমরা কৃতজ্ঞ যে তিনি চোখের বদলে আমাদিগকে ক্যামেরা দেন নাই । কিন্তু হায়, ভারতশাসনে তিনি এ কী দিলেন ? যে বড়ো-ইংরেজ ষোলো-অান মানুষ আমাদের ভাগ্যে সে থাকে সমুত্রের ও পারে, আর এ পারে পাড়ি দিতেই প্রয়োজনের কাচিকলের মধ্যে আপনার বারে আন ছাটিয়া সে এতটুকু ছোটো হইয়া বাহির হইয়া আসে। সেই এতটুকুর পরিমাণ কেবল সেইটুকু যাতে বাড়তির ভাগ কিছুই নাই ; অর্থাৎ মামুষের যেটা স্বাদ গন্ধ লাৰণ্য, যেটা তার কমনীয়তা ও নমনীয়তা, জীৰনের স্বাভাবিক নিয়মে যাহা নিজেও বাড়িতে থাকে অন্তকেও বাড়াইতে থাকে, সে-সমস্তই কি বাদ পড়িল ? এই ছোটোখাটো ছাটাছোট ইংরেজ কোনোমতেই বুঝিতে পারে না, এমন অত্যন্ত দামি ও নিখুত ক্যামের পাইয়াও সজীব চোখের চাহনির জন্ত ভিতরে-ভিতরে আমাদের এত তৃষ্ণ কেন । ৰোঝে না তার কারণ, কলে ছাট পড়িবার সময় ইছাদের কল্পনাবৃত্তিটা যে বাদ পড়িয়াছে। ইংলণ্ডের সরকারি অনাথ-আশ্রমে যার থাকে তাদের মন কেন পালাষ্ট-পালাই এবং প্রাণ কেন ত্ৰাহি-ত্ৰাহি করে ? কেননা, ঐ ওআর্ক-ছাউল সম্পূর্ণ ঘরও নয়,সম্পূর্ণ ৰাছিয়ও নয়। উহা আত্মীয়তাও দেয় না, মুক্তিও দেয় না । উহা কড়ায় গণ্ডায় হিসাৰ করিয়া কেবলমাত্র আশ্রয় দেয়। আশ্রয়টা অত্যন্ত দরকারি বটে, কিন্তু মাস্থ্য যেহেতু মানুষ সেইজন্ত সে স্বরকে চায়, অর্থাৎ দরকারের সঙ্গে বহুল পরিমাণে অ-দরকারকে না পাইলে সে ধাচে না । নছিলে সে অপমানিত হয়, সুবিধ-মুষোগ ফেলিয়াও সে পালাইতে চেষ্টা করে। অনাখ-আশ্রমের কড়া কাৰ্যাধ্যক্ষ এই অকৃতজ্ঞতায় বিক্ষিত ও ক্রুদ্ধ হয় এবং কেৰল তার ক্রোধের দ্বারাই ছুঃখকে দমন করিবার জন্ত লে দণ্ডধারণ করে । কেননা, এই কাৰ্যাধ্যক্ষ পুরা মামুব নয়, ইহার পুরা দৃষ্টি নাই, এই ছোটো মাছৰ মনে করে— স্বর্ভাগ ব্যক্তি কেবলমাত্র আশ্রয়ের শাভিটুকুর ԵՖ কালান্তর জন্ত মুক্তির-অসীম-আশায়-ব্যাকুল আপন আত্মাকে চিরদিনের মতোই বণিকের ঘরে বাধা রাখিতে পারে । বড়ো-ইংরেজ অব্যবহিতভাবে ভারতবর্ষকে স্পর্শ করে না— সে মাঝখানে রাখিয়াছে ছোটো-ইংরেজকে । এইজন্ত বড়ো-ইংরেজ আমাদের কাছে সাহিত্য-ইতিহাসের ইংরেজি পুথিতে । এবং ভারতবর্ষ বড়োইংরেজের কাছে আপিলের দফতরে এবং শুমাখরচের পাকা খাতায়, অর্থাৎ ভারতবর্ষ তার কাছে স্ত,পাকার স্ট্যাটিষ্টিক্সের সমষ্টি। সেই স্ট্যাটিষ্টিক্সে দেখা যায়— কত আমদানি কত রপ্তানি ; কত অায় কত ব্যয় ; কত জন্মিল কত মরিল ; শান্তিরক্ষার জন্ত কত পুলিস, শাস্তি দিবার জন্ত কত জেলখানা ; রেলের লাইন কত দীর্ঘ, কলেজের ইমারত কয় তলা উচ্চ। কিন্তু, স্থই তো শুধু নীলাকাশ-জোড়া অঙ্কের তালিকা নয়। সেই অঙ্কমালার চেয়ে অনেক বেশির হিসাবটা ভারত-আপিসের কোনো ডিপার্টমেণ্ট দিয়া কোনো মানবজীবের কাছে গিয়া পৌছায় না । এ কথা বিশ্বাস করিতে যত বাধাই থাক, তবু আমাদের দেশের লোকের ইহা নিশ্চয় জানিতে হইবে যে, বড়ো-ইংরেজ বলিয়া একটা বড়ো জাতি সত্যই ভূগোলের এক জায়গায় আছে। প্রবলের প্রতি দুর্বল যে অবিচার করে তাহাতে তার দুর্বলতারই পরিচয় হয়— সেই দীনতা হইতে মুক্ত থাকিলেই আমাদের গৌরব । এ কথা শপথ করিয়া বলা যায় যে, এই বড়ো-ইংরেজ সর্বাংশেই মানুষের মতো । ইহাও নিশ্চিত যে, জগতের সকল বড়ো জাতিই যে ধর্মের বলে বড়ো হইয়াছে ইংরেজও সেই বলেই বড়ে ; অত্যস্ত রাগ করিয়াও এ কৰা বলা চলিবে না যে সে কেবল তলোয়ারের ডগায় ভর করিয়া উচু হইয়াছে কিম্বা টাকার থলির উপরে চড়িয়া । কোনো জাতিষ্ট টাকা করিতে কিম্বা লড়াই করিতে পারে বলিয়াই ইতিহাসে গৌরব লাভ করিয়াছে, এ কথা অশ্রদ্ধেয় । মনুষ্কৰে বড়ো না হইয়াও কোনো জাতি Эe ছোটো ও বড়ো বড়ো হইয়াছে, এ কথাটাকে বিন সাক্ষ্য প্রমাণে গোড়াতেই ডিসমিস করা যাইতে পারে। স্তায় সত্য এবং স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধ। এই ইংরেজ জাতির অস্তরের আদর্শ। সেই আদর্শ ষ্ট হীদের সাহিত্যে ও ইতিহাসে নানা আকারে ও অধ্যবসায়ে প্রকাশ পাইয়াছে এবং আজিকার মহাযুদ্ধেও সেই আদর্শ নানা ছল্পনা ও প্রতিবাদ সত্ত্বেও তাহাদিগকে শক্তিদান করিতেছে । এই বড়ে-ইংরেজ স্থির নাই, সে অগ্রসর হইয়া চলিয়াছে। ইতিহাসের মধ্য দিয়া তার জীবনের পরিবর্তন ও প্রসার ঘটিতেছে। সে কেবল তার রাষ্ট্র ও বাণিজ্য লইয়া নয়, তার শিল্প সাহিত্য দর্শন বিজ্ঞান ধর্ম ও সমাজ লষ্টয়া পূর্ণপ্রবাহে চলিয়াছে। সে স্বজনধর্মী , যুরোপীয় সভ্যতার বিরাট যজ্ঞে সে একজন প্রধান হোতা । বর্তমান যুদ্ধের মহৎ শিক্ষা তার চিত্তকে প্রতি মুহুর্তে আন্দোলিত করিতেছে। মৃত্যুর উদার বৈরাগ্য-আলোকে সে মানুষের ইতিহাসকে নূতন করিয়া পড়িবার সুযোগ পাইল । লে দেখিল, অপমানিত মনুষ্যত্বের প্রতিকূলে স্বাজাত্যেব আত্মাভিমানকে একান্ত করিয়া তুলিবার অনিবাৰ্থ ৰূর্যোগটা কী। সে আজ নিজের গোচরে বা অগোচরে প্রত্যহ বুঝিতেছে যে, স্বজাতির যিনি দেবতা সর্বজাতির দেবতাই তিনি, এই গুস্ত র্তাহার পূজায় নরবলি আমিলে একদিন রুদ্র তার প্রলয়রূপ ধারণ করেন । আজ যদি সে না'ও বুঝিয়া থাকে, এক দিন সে বুঝিবেই যে, হাওয়া যেখানেই পাৎলা ঝড়ের কেজই সে জায়গাটায়— কেননা, চারি দিকের মোট হাওয়া সেই র্যাক দখল করিতেষ্ট ঝুকিয়া পড়ে । তেমনি পৃথিবীর যেসব দেশ দুর্বল, সবলের দ্বন্দ্বের কারণ সেখানেই ; লোভের ক্ষেত্র সেখানেই ; মামুষ সেখানে আপন মহৎস্বরূপে বিরাজ করে না ; মানুষ প্রতাছই সেখানে অসতর্ক হইয় আপন মনুষ্যত্বকে শিথিল করিয়া বর্জন করিতে থাকে। শয়তান সেখানে আসন জুড়িয়া ভগবানকে ছৰ্বল ৰলিয়া বিক্রপ To S কালাম্ভর করে। বড়ো-ইংরেজ এ কথা বুঝিবেই যে, বালির উপর বাড়ি করা চলে না, একের শক্তিহীনতার উপরে অপরের শক্তির ভিত্তি কখনোই পাকা হইতে পারে না । কিন্তু ছোটো-ইংরেজ অগ্রসর হইয়া চলে না । যে দেশকে সে নিশ্চল করিয়া বাধিয়াছে, শতাব্দীর পর শতাব্দী সেই দেশের সঙ্গে সে আপনি বাধা । তার জীবনের এক পিঠে আপিস, আর-এক পিঠে আমোদ । যে পিঠে আপিস সে পিঠে সে ভারতের বহুকোটি মানুষকে রাষ্ট্রকের রাজদণ্ডের বা বণিকের মানদণ্ডের ডগাটা দিয়া স্পর্শ করে, আর যে পিঠে আমোদ সে পিঠট চাদের পশ্চাদিকের মতো বংগরের পর বৎসর সম্পূর্ণ অদৃশু । তবু কেবলমাত্র কালের অঙ্কপাত হিসাব করিয়া ইহারা অভিজ্ঞতার দাবি করে । ভারত-অধিকাবের গোড়ায় ইহার স্বজনের কাজে রত ছিল, কিন্তু তাহার পর বহুদীর্ঘকাল ইহার পাকা সাম্রাজ্য ও পাকা বাণিজ্যকে প্রধানত পাহার দিতেছে ও ভোগ করিতেছে । নিরস্তর রুটিনের ঘানি টানিয়া ইহারা বিষয়ী লোকদের পাকা প্রকৃতি পাইয়াছে, সেই প্রকৃতি কঠিন অসাড়তাকেই বল বলিয়া থাকে। তারা মনে করে, তাদের আপিসট মুনিয়মে চলিতেছে, এইটেই বিশ্বের সব চেয়ে বড়ো ঘটনা । কিন্তু অপিসের জালনার বাহিরে রাস্তার ধুলার উপর দিয়া বিশ্বদেবতা তার রথযাত্রায় অতিদীনকেও যে নিজের সারধ্যেই চালাইতেছেন, এষ্ট চালনাকে তারা অশ্রদ্ধা করে। অক্ষমের সঙ্গে নিয়ত কারবার করিয়া এ কথা তারা ধ্রুব বলিয়া ধরিয়া লইয়াছে, যেমন তারা বর্তমানের মালিক তেমনি তারা ভবিষ্যতের নিয়ন্ত । আমরা এখানে আসিয়াছি এষ্ট কৰা ৰলিয়াই তারা চুপ করে না, "আমরা এখানে থাকিবই এই কথা বলিয়া তারা স্পর্ধ করে । অতএব, ওরে মরীচিকালুব্ধ জ্বর্ভাগ, বড়ো-ইংরেজের কাছ হইতে জাহাজ বোঝাই করিয়া বর আসিতেছে, কেবল এই আশাটাকে বুকে છે આ ছোটো ও বড়ো করিয়াই পশ্চিমের ঘাটের দিকে অত বেশি কলরব করিতে করিতে ছুটিয়ে না । এই আশঙ্কাটাকেও মনে রাখিয়ে যে, ভারতসাগরের তলায় তলায় ছোটো-ইংরেজের মাইন সার বাৰিয়া আছে। এটা অসম্ভব নয় যে, তোমার ভাগ্যে জাহাজের যে ভাঙা কাঠ আছে সেটা স্বাধীনশাসনের আস্ত্যেষ্টিসৎকারের কাজে লাগিতে পারে । তার পরে লোনা জলে পেট ভরাইয়া ভাঙায় উঠিতে পারিলেই আমাদের অদৃষ্টের কাছে কৃতজ্ঞ থাকিৰ । দেখিতে পাই, বড়ো-ইংরেজের দাক্ষিণাকেই চরম সম্পদ গণ্য করিয়া আমাদের লোকে চড়া চড়া কথায় ছোটো-ইংরেজের মুখের উপর জবাব দিতে শুরু করিয়াছেন । ছোটো-ইংরেজের জোর যে কতটা খেয়াল করিতেছেন না । ভুলিয়াছেন, মাঝখানের পুরোহিতের মাখুলি বরাদের পাওনা উপরের দেবতার বরকে ৰিকাইয়া দিতে পারে । এই মধ্যবর্তীর জোর কতটা এবং ইহাদের মেজাজটা কী ধরনের সে কি বারে বারে দেখি নাই ? ছোটো-ইংরেজের eোর কত সেটা যে কেবল আমরা লর্ড রিপনের এবং কিছু পরিমাণে লর্ড হার্ডিঞ্জের আমলে দেখিলাম তাহা নহে, আর-এক দিন লর্ড ক্যানিং এবং লর্ড বেটিঙ্কের অমিলে ও দেখা গেছে । তাই দেশের লোককে বার বার বলি, “কিসের জোরে স্পর্ধা ৰুর ? গায়ের জোর ? তাহ তোমার নাই। কণ্ঠের জোর ? তোমার যেমনি অহংকার থাকলেও তোমার নাই। মুফকির জোর ? লেও তো দেখি না । যদি ধর্মের জোর থাকে তবে তারই প্রতি সম্পূর্ণ ভরসা রাখে। স্বেচ্ছাপূর্বক দুঃখ পাইবার মহৎ অধিকার হইতে কেহ তোমাকে বঞ্চিত করিতে পরিবে না । সত্যের জন্ত, স্তায়ের জন্ত, লোকশ্রেয়ের জন্য আপনাকে উৎসর্গ করিবার গোঁৱৰ দ্বর্গম পথের প্রান্ডে তোমার জন্ত অপেক্ষ। कब्रिटडरझ ।' वव्र पनेि लाहे ठट्व चखर्दांबैौश्व कांझ् इहेष्ठ नादेव । 2O কালাস্তুর দেখ নাই কি, বরদানের সংকল্প-ব্যাপারে ভারত-গবর্মেন্টের উচ্চতম বিভাগের যোগ আছে শুনিয়া এদেশী ইংরেজের সংবাদপত্র অট্টহাস্তে প্রশ্ন করিতেছে, ভারত-সচিবদের স্বায়ুবিকার ঘটিল নাকি ? এমন কী উংপাতের কারণ ঘটিয়াছে যে বজ্রপাত-ডিপার্টমেণ্ট হইতে হঠাৎ বৃষ্টিপাতের আয়োজন হইতেছে ? অথচ আমাদের ইস্কুলের কচি ছেলেগুলোকে পর্যন্ত ধরিয়া যখন দলে দলে আইনহীন রসাতলের নিরালোক ধামে পাঠানো হয় তখন ইহারাই বলেন, "উৎপাত এত গুরুতর যে, ইংরেজ-সাম্রাজ্যের আইন হার মানিল, মগের মুলুকের বে-আইনের আমদানি করিতে হইল।” অর্থাং মারিবার বেলায় যে আতঙ্কটা সত্য, মলম দিবার বেলাতেই সেটা সত্য নয়। কেননা মারিতে খরচ নাই, মলম লাগাইতে খরচ আছে । কিন্তু তা ও বলি, মারিবার খরচার বিল কালে মলমের খরচার চেয়ে বড়ো হইয়। উঠিতে পারে । তোমরা জোরের সঙ্গে ঠিক করিয়া আছ যে, ভারতের যে ইতিহাস ভারতবাসীকে লইয়া, সেটা সামনের দিকে বহিতেছে না, তাহ ঘূর্ণির মতো একটা প্রবল কেন্দ্রের চারি দিকে ঘুরিতে ঘুরিতে তলার মুখেই ঝুঁকিতেছে। এমন সময় আপিস হইতে বাহির হইবার কালে হঠাৎ এক দিন দেখিতে পাও স্রোতটা তোমাদের নকশার রেখা ছাড়াইয়া কিছু দূর আগাইয়া গেছে। তখন রাগিয়া গর্জাইতে গর্জাইতে বল, ‘পাথর দিয়া বাধে। উসকো, বধি দিয়া উহাকে ঘেরে।" প্রবাহ তখন পথ না পাইয়া উপরের দিক হইতে নীচের দিকে তলাইতে থাকে – সেই চোর প্রবাহকে ঠেকাইতে গিয়া সমস্ত দেশের বক্ষ দীর্ণ বিদীর্ণ করিতে থাক । আমার সঙ্গে এই ছোটো-ইংরেজের বে-একটা বিরোধ ঘটিয়াছিল সে কথা বলি। বিনা বিচারে শত শত লোককে বন্দী করার বিরুদ্ধে কিছু দিন আগে একখানি ছোটো চিঠি লিখিয়াছিলাম । ইহাতে ভারতজীবী >岛 ছোটো ও বড়ো কোনো ইংরেজি কাগজ আমাকে মিথুক ও extremist ৰলিয়াছিল। ইহারা ভারতশাসনের তক্‌মাহীন সচিব, সুতরাং আমাদিগকে সত্য করিয়া জানা ইহাদের পক্ষে অনাবগুক, অতএব আমি ইহাদিগকে ক্ষম। করিব । এমন কি, আমাদের দেশের লোক র্যার বলেন আমার পস্তেও অর্থ নাই, গদ্যেও বস্ত নাই, তাদের মধ্যেও যে ছুই-একজন ঘটনাক্রমে আমার লেখা পড়িয়াছেন তাহাদিগকে অন্তত এ কথাটুকু কবুল করিতেই হইবে যে, স্বদেশী উত্তেজনার দিন হইতে আজ পর্যস্ত আমি অতিশয়পন্থার বিরুদ্ধে লিখিয়া আসিতেছি । আমি এই কথাই বলিয়া আসিতেছি যে, অষ্ঠায় করিয়া যে ফল পাওয়া যায় তাহাতে কখনোই শেষ পর্যন্ত ফলের দ:ম পোষায় না, অন্তায়ের ঋণটাই ভয়ংকর ভরি হইয়া উঠে । সে যাই হোক, দিশি বা বিলিতি যে-কোনো কালিতেই হোক-না BBB BB BB BBB BBS BB BBB BSB BB BBB BS SSS BBB যেটা বলিবার কথা সে এই যে, অতিশয়-পন্থা বলিতে আমরা এই বুঝি, যে পন্থ ন ভদ্র, ন বৈধ, মা প্ৰকাশ ; অর্থাৎ সহজ পথে ফলের আশ। ত্যাগ করিয়া অপথে বিপথে চলাকেই এক্সটি মিজম্ বলে । এই পথটা যে নিরতিশয় গতি সে কথা আমি জোরের সঙ্গেই নিজের লোককে বলিয়াছি ; সেইজন্যই আমি জোরের সঙ্গেই বলিবার অধিকার রাখি যে, একসটি.মিজ ম গবর্মেন্টের নীতিতেও অপরাধ। আইনের রাস্ত বাধী রান্ত বলিয়া মাঝে মাঝে তাছাতে গম্য স্থানে পৌছিতে ঘুর পড়ে বটে, কিন্তু তাই বলিয়া বেলজিয়মের বুকের উপর দিয়া সোজা স্থাটিয়া রাস্ত সংক্ষেপ করার মতো এক্সটিমিজম কাছাকেও শোভা পায় না। ইংরেজিতে যাকে শর্টকাটু বলে আদিমকালের ইতিহাসে তাছা চলিত ছিল । ‘লে আও, উস্কে শির লে আও’ এই প্রণালীতে গ্রন্থি খুলিবার বিরক্তি বাচিয়া যাইত, এক কোপে গ্রস্থি কাটা পড়িত । যুরোপের অহংকার এই যে, সে আবিষ্কার করিয়াছে, এই সহজ প্রণালীতে 冷够 कॉलॉसुन्न গ্রন্থি কাটা পড়ে বটে কিন্তু মালের গুরুতর লোকসান ঘটে । সভ্যতার একটা দায়িত্ব আছে, সকল সংকটেই সে দায়িত্ব তাছাকে রক্ষা করিতে হইবে । শাস্তি দেওয়ার মধ্যে একট। দারুণত অনিবার্ষ বলিয়াই শাস্তিটাকে স্তায়বিচার-প্রণালীর ফিল্টারের মধ্য দিয়া ব্যক্তিগত রাগদ্বেষ ও পক্ষপাত -পরিশুম্ভ করিয়া সভ্যসমাজ তবে তাহাকে গ্রহণ করিতে পারে। তাহ না হইলেই লাঠিয়ালের লাঠি এবং শাসনকর্তার হায়দণ্ডের মধ্যে প্রভেদ বিলুপ্ত হইতে থাকে। স্বীকার করি, কাজ কঠিন হইয়াছে। বাংলাদেশের একদল বাঙ্গক ও যুবক স্বদেশের সঙ্গে স্বদেশীর সত্য যোগসাধনের বাধা-অতিক্রমের যে পথ অবলম্বন করিয়াছে তাহার জন্ত আমরা লজ্জিত আছি । আরো লজ্জিত এইজন্ত যে, দেশের প্রতি কর্তব্যনীতির সঙ্গে ধর্মনীতির বিচ্ছেদসাধন করায় আকর্তব্য নাই, এ কথা আমরা পশ্চিমের কাছ হইতেই শিখিয়াছি। পলিটিক্সের গুপ্ত ও প্রকাগু মিথ্যা এবং পলিটিক্সের গুপ্ত ও প্রকাশু দস্যবৃত্তি পশ্চিম সোনার সহিত খাদ মিশানোর মতো মনে করেন, মনে করেন ওটুকু না থাকিলে সোনা শক্ত হয় না। আমরাও শিখিয়াছি যে, মানুষের পরমার্থকে দেশের স্বার্থের উপরে বলাইয়া ধর্ম লইয়া টিক্‌টিক করিতে থাক মূঢ়ত, দুর্বলত, ইহা সেন্টিমেন্টালিজম্— বর্বরতাকে দিয়াই সভ্যতাকে এবং অধৰ্মকে দিয়াই ধর্মকে মজবুত করা চাই । এমনি করিয়া আমরা যে কেবল অধৰ্মকে বরণ করিয়া লইয়াছি তাহা নহে, আমাদের গুরুমশায়দের যেখানে বীতংসত, সেই বীভৎসতার কাছে মাথা হেঁট করিয়াছি । নিজের মনের জোরে, ধর্মের জোরে, গুরুমশায়ের উপরে দাড়াইয়াও এ কথা বলিবার তেজ ও প্রতিভা चांभांटलव्र चाँछ माँझे cय অধৰ্মেণৈধতে তাৰং ততো ভদ্রাণি পশুতি ততঃ সপস্থান জয়তি সমূলন্ত বিনগুতি । GŲ ছোটো ও বড়ো थर्षां९ चषरर्थब्र बाबा बाइव वाफिबा ७८%, चवर्ष इरेष्ठ cग चांनन कणTान দেখে, অধর্মের দ্বারা সে শত্রুদিগকেও জয় করে, কিন্তু একেৰায়ে মূল হইতে বিনাশ পায় – তাই বলিতেছি, গুরুমশায়দের কাছে আমাদের ' ধর্মবুদ্ধিরও ষে এত বড়ো পরাভব হুইয়াছে ইহাতেই আমাদের সকলের চেয়ে বড়ো লজ্জা । - বড়ো আশা করিয়াছিলাম, দেশে ৰখন দেশভক্তির আলোক জলিয়া উঠিল তখন আমাদের প্রকৃতির মধ্যে যাহা সকলের চেয়ে মহৎ তাহাই উজ্জল হইয়া প্রকাশ পাইৰে ; আমাদের বাহা যুগসঞ্চিত অপরাধ তাহা আপন অন্ধকার কোণ ছাড়িয়া পালাইয়া বাইৰে ; দুঃসহ নৈরাণ্ডের পাবাপন্তর বিদীর্ণ করিয়া অক্ষয় অাশার উৎস উৎসারিত হইয়া উঠিবে এবং ছক্কছ নিরুপায়তাকেও উপেক্ষা করিয়া অপরাহত বৈধ একএক পা করিয়া আপনার রাজপথ নিৰ্মাণ করিবে ; নিষ্ঠুর আচারের তারে এ দেশে মামুহকে মানুষ যে অবনত অপমানিত করিয়া রাখিয়াছে, অকৃত্রিম প্রীতির আনন্দময় শক্তির দ্বারা সেই তারকে দূর করিয়া সমস্ত দেশের লোক একসঙ্গে মাখা তুলিয়া দাড়াইব । কিন্তু আমাদের ভাগ্যে এ কী হইল ? দেশভক্তির আলোক জলিল, কিন্তু সেই আলোতে এ কোন পৃগু দেখা যায়– এই চুরি, ডাকাতি, গুপ্তহত্যা ? দেবতা যখন প্রকাশিত হইয়াছেন তখন পাপের অর্ধ্য লইয়া তাছার পূজা ? যে দৈন্ত, যে জড়তায় এত কাল আমরা পোলিটিকাল ভিক্ষাবৃত্তিকেই সম্পদলাভের সন্থপায় বলিয়া কেবল রাজদরবারে দরখাস্ত লিখিয়া হাত পাকাইয়া জাসিয়াছি, দেশপ্রীতির নবৰসৱেও সেই দ্বৈন্ত, সেই জড়ত, সেই আত্ম-অবিশ্বাস পোলিটিকাল চৌর্ধবৃত্তিৰেই রাতারাতি ধনী হইবার একমাত্র পথ মনে করিয়া সমস্ত দেশকে কি কলঙ্কিত করিতেছে না ? এই চোরের পথ আর নীরের পথ কোনো cछोयांषाञ्च ७कख चागिब्र बिलिट्च न । बूब्रानैब्र गणठांब्र अहे इहे পথের সন্মিলন ঘটিয়াছে বলিয়া ভাষা ভ্ৰম করি, কিন্তু বিধাতার 2 * কালাস্তুর দরবারে এখনো পথের বিচার শেষ হয় নাই সে কথা মনে রাখিতে रुहे८व । चांद्र बांश झलणांउहे ८ष छब्रय लाख ७ कपी गयख शृथिवैौ षणि মানে তবু ভারতবর্ষ যেন না মানে— বিধাতার কাছে এই বর প্রার্থন করি, তার পর পোলিটিকাল মুক্তি যদি পাই তো ভালো, যদি না পাই তবে তার চেয়ে বড়ো মুক্তির পথকে কলুষিত পলিটিক্সের আবর্জনা দিয়া বাধাগ্রস্ত করিব না । কিন্তু একটা কথা ভুলিলে চলিবে না যে, দেশভক্তির আলোকে বাংলাদেশে কেবল যে চোর-ডাকাতকে দেখিলাম তাহা নহে, বীরকেও দেখিয়াছি। মহৎ আত্মত্যাগের দৈবী শক্তি আজ আমাদের যুবকদের মধ্যে যেমন সমুজ্জল করিয়া দেখিয়াছি এমন কোনো দিন দেখি নাই। ইহার ক্ষুদ্র বিষয়বুদ্ধিকে জলাঞ্জলি দিয়া প্রবল নিষ্ঠার সঙ্গে দেশের সেবার জন্ত সমস্ত জীবন উৎসর্গ করিতে প্রস্তুত হইয়াছে। এই পথের প্রাস্তে কেবল যে গবর্মেন্টের চাকরি বা রাজসন্মানের আশা নাই তাছা নহে, ঘরের বিজ্ঞ অভিভাবকদের সঙ্গেও বিরোধে এ রাস্ত কণ্টকিত । আজ সহসা ইহাই দেখিয়া পুলকিত হইয়াছি যে, বাংলাদেশে এই ধনমানহীন সংকটময় ছুর্গম পথে তরুণ পথিকের অভাব নাই । উপরের দিক হইতে ভৰি আসিল, আমাদের যুবকের সাড়া দিতে দেরি করিল না ; তার মহং ত্যাগের উচ্চ শিখরে নিজের ধর্মবুদ্ধির সম্বল মাত্র লইয়া পৰ কাটিতে কাটিতে চলিবার জন্ত দলে দলে প্রভত হইতেছে। ইহার কংগ্রেসের দরখাস্তপত্র বিছাইয়া আপন পথ মুগম করিতে চায় নাই ; ছোটো-ইংরেজ ইহাদের শুভ সংকল্পকে ঠিকমতো বুঝিবে কিম্বা হাত তুলিয়া আশীৰ্বাদ করিবে, এ ছত্রাশও ইহারা মনে রাখে নাই। অe সৌভাগ্যবান দেশে, যেখানে জনসেবার ও দেশসেবার বিচিত্র পথ প্রশস্ত হইয়া দিকে দিকে চলিয়া গেছে, ৰেখানে শুভ ইচ্ছা এবং শুভ ইচ্ছার ক্ষেত্র এই দুইয়ের মধ্যে পরিপূর্ণ যোগ আছে, সেইখানে এই রকমের Gy ছোটো ও বড়ো கர் দৃঢসংকল্প আত্মবিসর্জনশীল বিষয়বুদ্ধিহীন কল্পনাপ্রবণ ছেলেরাই দেশের সকলের চেয়ে বড়ো সম্পদ। আত্মঘাতী শচীজের অভিষের চিঠি পড়িলে বোঝা যায় যে, এ ছেলেকে যে ইংরেজ সাজ দিয়াছে সেই ইংরেজের দেশে এ যদি জন্মিত তৰে গৌরবে বাচিতে এবং ততোধিক গৌরবে মরিতে পারিত । আদিম কালের বা এখনকার কালের যে-কোনো রাজা ব। রাজার আমলা এই শ্রেণীর জীবনবান ছেলেদের শাসন করিয়া, দলন করিয়া, দেশকে এক প্রাস্ত হইতে আর-এক প্রাস্ত পর্যন্ত অসাড় করিয়া দিতে পারে। ইহাই সহজ, কিন্তু ইহা ভদ্র নয়, এবং আমরা শুনিয়াছি, ইছা ঠিক ইংলিশ নছে । যারা নিরপরাধ অথচ মহৎ, অথবা মহৎ উৎসাহের ক্ষণিক বিকারে যারা পথ ভুল করিয়াছে, যাঁরা উপরে চড়িতে গিয়া নীচে পড়িয়াছে এবং অভয় পাইলেই যারা সে পৰ হইতে ফিরিয়া এক দিন জীবনকে সার্থক করিতে পারিত, এমন-সকল ছেলেকে সন্দেহ মাত্রের পরে নির্ভর করিয়া চিরজীবনের মতো পঙ্গু করিয়া দেওয়ার মতো মানব জীবনের এমন নির্মম অপব্যয় আর-কিছুই হইতে পারে না। দেশের সমস্ত বালক ও যুবককে আজ পুলিশের গুপ্ত দলনের হাতে নির্বিচারে ছাতিয় দেওয়া– এ কেমনতরে রাষ্ট্রনীতি ? এ-যে পাপকে হীনতাকে রাজপেয়াদার তকমা পরাইয়া দেওয়া । এ ষেন রাতদুপুরে কাচ ফসলের খেতে মহিষের পাল ছাড়িয়া দেওয়া । যার খেত সে কপাল চাপড়াইয়া হায়-হায় করিয়া মরে, আর যার মহিষ লে বুক ফুলাইয়া বলে— বেশ হইয়াছে, একটা আগাছাও আর বাকি নাই । আর-একটা সর্বনাশ এই যে, পুলিস একবার যে চারায় অল্পমাত্রও দাত বসাইয়াছে সে চারায় কোনো কালে ফুলও ফোটে না, ফলও ধরে না। উছার লালায় ৰিষ আছে। আমি একটি ছেলেকে নিজে জানি, उब्रि एषयन बूरुि cठयनि बिछ, cठबनि छब्रिज ! भूणिcगब्र शठ कुरैष्ठ ८ण विकठ इहेच्चा वाश्ब्रि हहेज चटक्ने, किस्त्र चाख cन ठङ्ग१ वब्रट्ण फेब्रान 33 কালান্তর হইয়া বহরমপুর পাগলা-গারদে জীবন কাটাইতেছে। আমি জোঙ্ক করিয়া বলিতে পারি, তার কাছে ব্রিটিশরাজের একচুল মাত্র আশঙ্কার কারণ ছিল না, অথচ তার কাছ থেকে আমাদের দেশ বিস্তর আশা করিতে পারিত। পুলিলের মারের তো কথাই নাই, তার স্পৰ্শই ংঘাতিক । কিছু কাল পূর্বে শাস্তিনিকেতনের ছেলেরা বীরভূমের জেলাস্কুলে পরীক্ষা দিতে গেলে পুলিসের লোক আর-কিছুই না করিয়া কেবলমাত্র তাছাদের নাম টুকিয়া লইত। আর বেশি কিছু করিবার দরকার নাই ; উহাদের নিশ্বাস ক্লাগিলেই কাচা প্রাণের অঙ্কুর শুকাইতে শুরু করে। উহাদের খাতা যে গুপ্ত খাত, উহাদের চাল যে গুপ্ত চাল । সাপে-খাওয়া ফল যেমন কেহ খায় না, আজকের দিলে তেমনি পুলিসে-ছোওয়া মানুষকে কেহ কোনো ব্যবহারে লাগায় না। এমন কি, ষে মরিয়া মানুষকে বৃদ্ধ রুগ্ন দরিদ্র কুহী কুচরিত্র কেহই পিছু হঠাইতে পারে না, বাংলাদেশের সেই কস্তাদায়িক বাপও তার কাছে ঘটক পাঠাইতে ভয় করে। লে দোকান করিতে গেলে তার দোকান চলে না, সে ভিক্ষা চাহিলে তাহাকে দয়া করিতে পারি কিন্তু দান করিতে বিপদ গণি । দেশের কোনো হিতকর্মে তাছাকে লাগাইলে সে কর্ম नटे झहे८व । ষে অধ্যক্ষদের পরে এই বিভীবিকা-বিভাগের ভার তার তো রক্তমাংসের মাছুষ । তারা তো বাগদ্বেষবিৰঞ্জিত মহাপুরুষ নন। রাগ বা আতঙ্কের সময় আমরাও যেমন অল্প প্রমাণেই ছায়াকে বস্ত ৰলিয়া ঠাহর করি, তারাও ঠিক তাই করেন। সকল মাছুষকে সন্দেহ করাটাই যখন তাদের ব্যবসায় হয় তখন সকল মানুষকে অবিশ্বাস করাটাই তাদের স্বভাৰ হইয় ওঠে। সংশয়ের সামাঙ্গ’আতাস মাত্রকেই চূড়ান্ত করিয়া নিরাপদকে পাকা করিতে তাদের স্বভাৰতই প্রবৃত্তি হয়— কেননা, উপরে उँीएमब्र मॉबिच चन्न, क्रांब्रि नाटलंब्र cणांक उरब निखक, चांब्र निइहर्मः У Ф. е. ছোটো ও বড়ো ভারতের ইংরেজ ছয় উদাসীন নয় উৎসাহদাতা। যেখানে স্বাভাবিক দরদ নাই অথচ ক্রোধ আছে, এবং শক্তিও অব্যাহত, সেখানে কার্বপ্রণালী যদি গুপ্ত এবং বিচারপ্রণালী যদি বিমুখ হয়, তৰে সেই ক্ষেত্রেই ষে স্তায়ধর্ম রক্ষিত হইতেছে এ কথা কি আমাদের ছোটো-ইংরেজও সত্যই বিশ্বাস করেন ? আমি শপথ করিয়া বলিভে পারি, তিনি বিশ্বাস করেন না, কিন্তু তার বিশ্বাস এই যে কাজ উদ্ধার হইতেছে। কারণ দেখিয়াছি, জর্মানিও এই বিশ্বাসের জোরে ইন্টারন্যাশনাল আইনকে এবং দয়াধর্মকে অগ্রাহ করিয়া যুদ্ধ জিতিবার নিয়মকে সহজ করিয়াছে । তার কারণ, দুর্ভাগ্যক্রমে জর্মানিতে আজ বড়ো-জর্মানের চেয়ে ছোটোজর্মানের প্রভাব বড়ো হইয়াছে, যে জর্মান কাজ করিবার যন্ত্র এৰং যুদ্ধ করিবার কায়দা মাত্র । আবার বলি, “শিল্প লে আও’ বলিতে পারিলে রাজকাৰ্য উদ্ধার হইতে পারে, যে রাজকাৰ্য উপস্থিতের , কিন্তু রাজনীতির অধ:পতন ঘটে, ষে রাজনীতি চিরদিনের । এই রাজনীতির জন্ত ইংলণ্ডের ইতিহাসে ইংরেজ লড়াই করিয়াছে, এই রাজনীতির ব্যতিচারেই জর্মনির প্রতি মহৎ ঘৃণায় উদ্দীপ্ত ইংরেজ যুবক দলে দলে যুদ্ধক্ষেত্রে প্রাণ দিতে ছুটিয়াছে। বিশ্বমানবের ইতিহাসকে অখণ্ড করিয়া দেখিবার অধ্যাত্মদৃষ্টি যাহাতে শক্তিনিকেতন-জাপ্রমের বালকদের পক্ষে দুর্বল বা কলুষিত न श्ब्र, चावि ७हे लका नृल्ल रुब्रिब्रा ब्राषिब्राझि । ठाहे ७ई चाट्वटवब्र শুভকার্যে ইংরেজ সাধকেরও জীবন-উপহার দাবি করিতে আমি কুষ্ঠিত হই নাই। পরম সত্যকে আমি কোনো বড়ো নামের দোহাই দিয়া খণ্ডিত করিতে চাই নাই, ইহাতে আমার ধর্মনীতিকে নিজকের ইংরেজ ও এদেশী শিষ্যগণ দুর্বলের ধর্মনীতি ও মুম্বুৰুর সান বলিয়া चक्छ कब्रिटङ नांtब्रन । चांभांएमब्र चवह चन्वांछांबिक ? আমাদের বর্তমানের ক্ষেত্র ও ভবিষ্যতের আশা চারি দিকে সংকীর্ণ ; У e > কালাস্তুর আমাদের অন্তর্নিহিত মানসিক শক্তিবিকাশের উৎসাহ ক্ষীণ ও জযোগ বাধাগ্রস্ত ; বড়ো বড়ো উদ্ধত পদমান ও দায়িত্বের নিম্নতলের আওতায় কৃশ খর্ব হইয়া আমরা যে ফল, ফলাইয়া থাকি জগতের হাটে ভরি প্রয়োজন তুচ্ছ, তার দাম যংৰিঞ্চিৎ ; অথচ সেই খর্বতাটাই আমাদের চিরস্বভাৰ এই অপবাদ দিয়া সেই আওতাটাকে চিরনিবিড় করিয়া রাখা আমাদের মতো গুন্মের পক্ষে কল্যাণকর বলিয়া দেশে বিদেশে ঘোষণা চলিতেছে— এই অবস্থায় যে অবসাদ আনে তাহাতে দেশের লোকের মন অস্তরে অস্তরে গুরুভারাক্রাস্ত হইয় উঠে। এই কারণেই ভয়ৰেষবিবর্জিত আধ্যাত্মিক মুক্তিসাধনের উপদেশ এ দেশে আজকাল শ্রদ্ধা পায় না । তবু আমার বিশ্বাস, এই-সকল বাধার সঙ্গে লড়াই করিয়াও আমাদের আশ্রমের উদেশ্ব সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয় নাই। কেননা বাধা ছৱহ হইলেও পরমার্থেব সত্যটিকে মানুষের সামনে উপস্থিত করিলে সে তাকে একেবারে অশ্রদ্ধা করিতে পারে না— এমন কি, আমাদের দেশের অত্যস্ত আধুনিক ছেলের পক্ষেও তাহা কঠিন হয়। আমাদের এই স্বভাব সম্বন্ধে পাঞ্জাবের লাটের সঙ্গেও আমার মতের মিল আছে । কিন্তু এক-এক সময়ে এমন দুর্যোগ আসে যখন এই বাঙালির ছেলের মতো অত্যস্ত ভালোমানুষের কাছেও উচ্চতম সত্যের কথা অবজ্ঞাভাজন হইয়া উঠে। কেননা, রিপুর সংঘাতে রিপু জাগে, তখন প্রমত্ততার উপরে কল্যাণকে স্বীকার করা দুঃসাধ্য হয় । আমাদের আশ্রমে ছুটি ছোটে। ছেলে আছে। তাদের অভিভাবকদের অবস্থা বেশ ভালোই ছিল । বরাবর তারা এখানে থাকিবার খরচ জোগাইয়াছে। ॥কছু কাল হুইল তাদের পরিবারের তিনজন পুরুষের একসঙ্গে অস্তরায়ণ হইয়াছে। এখন আশ্রমবাসের খরচ জোগানো ছেলেছটির পক্ষে অসম্ভব, আশ্রমে তাদের শিক্ষা ও আহারাদির ভার এখন আশ্রমকেই লইতে হইল। এই ছেলেছুটি কেবল যে নিজের গ্লানি বহিতেছে তা নয়, তাদের মায়ের ষে รุ่ง } oR ছোটো ও বড়ো BB BS BD DBBS BB BBH DBBB C BBBBB BBBB DD ভরিয়া উঠিয়াছে তা তাদের অগোচর নাই। ৰাপকে ম্যালেরিয়ায় शब्रिब्राह्छ, या बTांकूण श्हेब्रl cछडे कब्रिटठ८झ्न यां८ठ ॐiटक वांशकब्र छब्रजाग्न बनौ ब्रांषा इ ब्र, ७ई-जयख इच्छिखांब्र इ:थ ७हे चिंतइफ़ैरक७ পীড়া দিতেছে । এ সম্বন্ধে ছেলেভুটির মুখে একটি শব্দ নাই, আমরাও কিছু বলি না— কিন্তু এই ছেলেরা যখন সামনে থাকে তখন ধৈর্বের কথা, প্রেমের কথা, নিত্যধর্মের প্রতি নিষ্ঠার কথা, সর্বমানবের ভগবানের প্রতি বিশ্বাসের কথা ৰলিতে আমার কুণ্ঠ বোধ হয় ; তখন সেই-সকল লোকের বিদ্ধপহাস্ত-কুটিল মুখ আমার মনে পড়ে ধারা পাঞ্জাবের লাটের মতোই সাত্ত্বিকতার অতিশৈত্যকে পরিহাস করেন। এমনি করিয়া রিপুর সহিত রিপুর চকমকি ঠোকায় আগুন জলিতেছে ; এমনি করিয়া বাংলাদেশের প্রদেশে প্রদেশে ছঃখে আতঙ্কে মানুষ বাছিরের খেদকে অস্তরের নিত্যভাওরে সঞ্চিত করিতেছে। শাসনকর্তার অদৃশু মেঘের ভিতর হইতে হঠাৎ সংসারের মাঝখানে যে ৰোমাণ্ডলা আসিয়া পড়িতেছে তাহাতে মরিতেছে বিস্তর অনাথ রমণী এবং অসহায় শিশু । ìwff*fr* fè non-combatants <fi(« a| f 尊 যদি জিজ্ঞাসা কর, এই দুষ্ট সমস্তার মূল কোথায়, তৰে বলিতেই হুইৰে— স্বাধীন শাসনের অভাবে । ইংরেজের কাছে আমরা বড়োই পর, এমন কি, চীন-জাপানের সঙ্গেও তারা আমাদের চেয়ে অনেক বেশি অস্তিরিক সামী প্য অনুভব করেন— এ কথা তাদের কোনো কোনো বিম্বাল ভ্রমণকারী লিখিয়াছেন । তার পরে আমাদের আধ্যাত্মিকতা আছে, শুনিতেছি তাদের সে বালাই নাই— এত বড়ো মূলগত প্রভেদ মাছুবে মানুষে আর-কিছু হইতেই পারে না। তার পরে তারা আমাদের ভাষা জানেন না, আমাদের সঙ্গ রাখেন না। যেখানে এত দূরত্ব, এত কম জান, সেখানে সতর্ক সন্দিগ্ধতা একমাত্র পলিসি হইতে বাধ্য। সেখানে > ● ● কালান্তর দেশের যেসব লোক স্বার্থপর ও চতুর, যারা অবৈতনিক গুপ্তচরবৃত্তি করাই উন্নতির উপায় বলিয়া জানে, তাদের বিষাক্ত প্রভাব শাসনতন্ত্রের ছিজে ছিত্রে প্রবেশ করিয়া তাহাকে মিথ্যায় এবং মিথ্যার চেয়ে ভয়ংকর অর্ধপত্যে ভরিয়া রাখে । যারা স্বার্থের চেয়ে আত্মসন্মানকে বড়ো জানে, যারা নিজের উন্নতির চেয়ে দেশের মঙ্গলকে শ্রেয় বলিয়া জানে, তারা যতক্ষণ না পুলিলের গ্রালে পড়ে ততক্ষণ এই শাসনব্যবস্থা হইতে যথাসম্ভব ঘুরে থাকে । এই নিয়ত পা টিপিয়া চলা এবং চুপিচুপি বল, এই দিনরাত আড়ে আড়ে চাওয়া এবং ঝোপে ঝাড়ে ঘোরা— আরকিছু নয়, এই যে অবিরত পুলিলের সঙ্গ করা— এই কলুষিত হাওয়ার মধ্যে যে শাসনকর্তা বাস করেন তার মনের সন্দেহ কাজে নিদারুণ হইয়া উঠিতে কোনো স্বাভাবিক বাধা পায় না । কেননা, তাদের কাছে আমরা একট অবচ্ছিন্ন সত্তা, আমরা কেবলমাত্র শাসিত সম্প্রদায় । সেইজন্ত আমাদের ঘরে যখন মা কাদিতেছে, স্ত্রী আত্মহত্য করিতেছে, শিশুদের শিক্ষণ বন্ধ, যখন ভাগ্যহীন দেশের বহু দুঃখের সংচেষ্টাগুলি লি-আই-ডি’র ব্যক ইশারা মাত্রে চারি দিকে ভাঙিয়া ভাঙিয়া পড়িতেছে— তখন অপর পক্ষের কোনো মাছুষের ডিনারের ক্ষুধা বা নিশীথনিদ্রার ব্যাঘাত ঘটে না এবং ব্রিজ-খেলাতেও উৎসাহ অক্ষুণ্ণ থাকে। ইহা দোষারোপ করিয়া বলিতেছি না, ইহা স্বাভাবিক । এই-সব মানুষই যেখানে ষোলো-অান মাস্থ্য, সেখানে আপিলের শুকনো পার্চমেন্টের নীচে হইতে তাদের হৃদয়টা সম্ভবত ৰাছির হইয়া থাকে। ব্যুরোক্রেসি বলিতে সর্বত্রই সেই কর্তাদের বোঝায় যারা বিধাতার হুষ্ট মনুষ্যলোক লইয়। কারবার করে না, যারা নিজের বিধানরচিত একটা কৃত্রিম জগতে প্রভুত্বজাল বিস্তার করে । স্বাধীন দেশে এই ব্যুরোক্রেসি সর্বপ্রধান নয়, এইজন্ত মানুষ ইছাদের ফঁাকের মধ্য দিয়া বাড়িয়া উঠিতে পারে। অধীন দেশে এই ব্যুরোক্রেসি কোথাও একটুও X o 8 * ছোটো ও বড়ো স্বাক রাখিতে চায় না। আমরা যখন খোলা আকাশে মাথা তুলিবার छछ कैंi८कब्र मब्रवाब्र कब्रि, डथन हैश८मब्र cहांरकेiबcफ1 अंiथikयलtथl সমুদ্রের এপারে-ওপারে এমনি প্রচও বেগে আন্দোলিত হইতে থাকে ८थ, ठथम चांमब्रा बाठिदाख इहेब्रा छांवि- कॅटिक कtख नाई, ७थन बै ডালের ঝাপটা খাইয়া ভাঙিয়া না পড়িতে ছয় । তবু শেষ কৰাটা বলিয়া রাখি— কোনো অস্বাভাৰিকতাকে কেবলমাত্র গায়ের জোরে অত্যন্ত বলবান জাতিও শেষ পর্বত্ত সঙিনের আগায় লিখা রাখিতে পারে না । ভার বাড়িয়া ওঠে, হাত ক্লান্ত হয় এবং বিশ্বপুখিৰীয় বিপুল ভারাকর্ষণ স্বভাবের অসামঞ্জস্তকে খুলিসাৎ করিয়া দেয় । স্বাভাবিকতাটা কী ? না, শাসনপ্রণালী যেমনি ছোক আর যারই হোক, দেশের লোকের সঙ্গে দেশের শাসনতন্ত্রের দায়িত্বের যোগ থাকা, দেশের শাসনতন্ত্রের প্রতি দেশের লোকের মমত্ব থাকা । সেই শাসন নিরবচ্ছিন্ন বাহিরের জিনিস হইলে তার প্রতি প্রজার ঔদাসীন্ত বিতৃষ্ণায় পরিণত হইবেই হইবে। আবার সেই ৰিতৃষ্ণাকে ধারা বাহিরের দিক হইতেই দমন করিতে থাকেন তার বিতৃষ্ণাৰে বিদ্বেষে পাকাইয়া তোলেন । এমনি করিয়া সমস্ত কেবলই জটিলতর হইতে থাকে । বর্তমান যুগপত্যের দূত হইয়। ইংরেজ এ দেশে আসিয়াছেন । ষে কালের যাহা সৰ চেয়ে বড়ো বিশ্বসম্পদ তাহ নানা আকারে নানা উপায়ে দেশে দেশে ছড়াইয়া পড়িবেই। ধারা সেই সম্পদের বাহন তারা যদি লোভের বশ হইয়া কৃপণতা করেন, তবে তারা ধর্মের चठिञ्थब्रिटक चमर्थक दtथ1 मिग्ना इःथ ऋटेि कब्रिटबब ? दिख उँांद्ध cय আগুন বহন করিতেছেন তাকে চাপা দিয়া রাখিতে পারিবেন না । ষােহ। দিবার তাছা উtহাদিগকে দিতেই হুইবে ; কেননা এ দানে তাহারা ॐणका, ७ नान ७थनकांब्र भूत्रब्र नान । किरु चचाछादिरूठा इहेरठरझ এই যে, তাদের ঐতিহাসিক শুক্ল পক্ষের দিকে তারা যে সত্যকে ৰিকীর্ণ У e & কালান্তর করিতেছেন, তাদের ঐতিহাসিক কৃষ্ণ পক্ষের দিকে তারাই সেই সত্যকে শাসনের অন্ধকারে আচ্ছন্ন করিতেছেন। কিন্তু নিজের প্রকৃতির এক অংশকে তারা আর-এক অংশ দিয়া কিছুতেই প্রবঞ্চিত করিতে পরিবেন, না । বড়ো-ইংরেজকে ছোটো-ইংরেজ চিরদিন স্বার্থের বাধ দিয়া ঠেকাইবার চেষ্টা করিলে দুঃখদুর্গতি বাড়াইতে থাকিবেন । ঐতিহাসিক খেলায় হাতের কাগজ দেখাইয়া খেলা হয় না । তার পরিণাম সমস্ত হিসাবের বিরুদ্ধে হঠাৎ দেখা দিয়া চমক লাগায়। এইজন্য মোটের উপর এই তত্ত্বটা বলা যায় যে, কোনো অস্বাভাবিকতাকে দীর্ঘকাল প্রশ্রয় দিতে দিতে যখন মনে এই বিশ্বাস দৃঢ় হয় যে, আমার তৈরি निब्रभड़े निब्रय, उथनहे हेडिशग ह*ा९ ७कल्ले गाभांछ c?ाकब्र थाहेब्र উণ্টাইয় পড়ে । শত বৎসর ধরিয়া মানুষ মামুষের কাছে আছে অথচ তার সঙ্গে মানবসম্বন্ধ নাই, তাকে শাসন করিতেছে অথচ তাকে কোনোমতেই আত্মীয় করিতেছে না, পূর্বধরণীর প্রাচীর ভাঙিয়া পশ্চিম একেবারে তার গোলাবাড়ির ভিতরে আসিয়া পড়িল অথচ এ মন্ত্র ছড়িল না co'never the twain shall meet' — so of worstfivefo দুঃখকর বোঝা বিশ্বে কখনোই অটল হইয়া থাকিতে পারে না । যদি ইহার কোনে স্বাভাবিক প্রতিকার না থাকে তবে একটা ঐতিহাসিক ট্যাজেডির পঞ্চমাঙ্কে ইহার যবনিকাপতন হইবে । ভারতবর্ষে আমাদের ছুর্গতির যে মর্মাঞ্জিক ট্র্যাজেডি তারও তো পালা অনেক যুগ ধরিয়া এমনি করিয়া রচিত হইয়াছিল । আমরাও মাছুষকে কাছাকাছি রাখিয়াও দূরে ঠেকাইবার বিস্তারিত আয়োজন করিয়াছি ; যে অধিকারকে সকলের চেয়ে মূল্যবান বলিয়া নিজে গ্রহণ করিলাম অন্তকে কেবলই তাছা হইতে বঞ্চিত করিয়া রাখিয়াছি ; আমরাও ‘चथर्म' बलिब्रा अकल्ले बटछा नाय निsा भाइरबब्र चबयानना कब्रिबt নিত্যধর্মকে পীড়িত করিয়াছি । শাস্ত্রবিধির অতি কঠিন বাধন দিয়াও Y & ©