খ্যাতির বিড়ম্বনা

উইকিসংকলন থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান

প্রথম দৃশ্য

উকিল দুকড়ি দত্ত চেয়ারে আসীন

ভয়ে ভয়ে খাতা-হস্তে কাঙালিচরণের প্রবেশ

দুকড়ি । কী চাই ?

কাঙালি । আজ্ঞে , মশায় হচ্ছেন দেশহিতৈষী-

দুকড়ি । তা তো সকলেই জানে , কিন্তু আসল ব্যাপারটা কী ?

কাঙালি । আপনি সাধারনের হিতের জন্য প্রাণপণ-

দুকড়ি । ক'রে ওকালতি ব্যাবসা চালাচ্ছি তাও কারো অবিদিত নেই — কিন্তু তোমার বক্তব্যটা কী ?

কাঙালি । আজ্ঞে , বক্তব্য বেশি নেই ।

দুকড়ি । তবে শীঘ্র শীঘ্র সেরে ফেলো-না ।

কাঙালি । একটু বিবেচনা করে দেখলে আপনাকে স্বীকার করতেই হবে যে ‘ গানাৎ পরতরং নহি ' -

দুকড়ি । বাপু , বিবেচনা এবং স্বীকার করবার পূর্বে যে কথাটা বললে তার অর্থ জানা বিশেষ আবশ্যক । ওটা বাংলা করে বলো ।

কাঙালি । আজ্ঞে বাংলাটা ঠিক জানি নে । তবে মর্ম হচ্ছে এই , গান জিনিসটা শুনতে বড়ো ভালো লাগে ।

দুকড়ি । সকলের ভালো লাগে না ।

কাঙালি । গান যার ভালো না লাগে সে হচ্ছে-

দুকড়ি । উকিল শ্রীযুক্ত দুকড়ি দত্ত ।

কাঙালি । আজ্ঞে , অমন কথা বলবেন না ।

দুকড়ি । তবে কি মিথ্যা কথা বলব ?

কাঙালি । আর্যাবর্তে ভরত মুনি হচ্ছেন গানের প্রথম-

দুকড়ি । ভরত মুনির নামে যদি কোনো মকদ্দমা থাকে তো বলো , নইলে বক্তৃতা বন্ধ করো ।

কাঙালি । অনেক কথা বলবার ছিল-

দুকড়ি । কিন্তু অনেক কথা শোনবার সময় নেই ।

কাঙালি । তবে সংক্ষেপে বলি । এই মহানগরীতে গানোন্নতিবিধায়িনী-নাম্নী এক সভা স্থাপন করা গেছে , তাতে মহাশয়কে-

দুকড়ি । বক্তৃতা দিতে হবে ?

কাঙালি । আজ্ঞে না ।

দুকড়ি । সভাপতি হতে হবে ?

কাঙালি । আজ্ঞে না ।

দুকড়ি । তবে কী করতে হবে বলো । গান গাওয়া এবং গান শোনা , এ দুটোর কোনোটা আমার দ্বারা কখনো হয় নি এবং

হবেও না — তা আমি আগে থাকতে বলে রাখছি ।

কাঙালি । মশায়কে ও-দুটোর কোনোটাই করতে হবে না । ( খাতা অগ্রসর করিয়া ) কেবল কিঞ্চিৎ চাঁদা-

দুকড়ি । ( ধরফর করিয়া উঠিয়া) চাঁদা! আ সর্বনাশ! তুমি তো সহজ লোক নও হে! ভালোমানুষটির মতো মুখ কাঁচুমাচু করে এসেছ — আমি বলি , বুঝি কী মকদ্দমার ফেসাদে পড়েছ । তোমার চাঁদার খাতা নিয়ে বেরোও এখনি , নইলে ট্রেস্‌পাসের দাবি দিয়ে পুলিস-কেস আনব ।

কাঙালি । চাইলুম চাঁদা , পেলুম অর্ধচন্দ্র! (স্বগত) কিন্তু তোমাকে জব্দ করব ।

দ্বিতীয় দৃশ্য

দুকড়িবাবু কতকগুলি সংবাদপত্র-হস্তে

দুকড়ি । এ তো বড়ো মজাই হল! কাঙালিচরণ বলে কে একজন লোক ইংরেজি বাংলা সমস্ত খবরের কাগজে লিখে পাঠিয়েছে যে আমি তাদের ‘ গানোন্নতিবিধায়িনী ' সভায় পাঁচ হাজার টাকা দান করেছি । দান চুলোয় যাক , গলাধাক্কা দিতে বাকি রেখেছি । মাঝের থেকে আমার খুব নাম রটে গেল — এতে আমার ব্যাবসার পক্ষে ভারি সুবিধে । তাদেরও সুবিধে ; লোক মনে করবে , যখন পাঁচ হাজার টাকা দান পেয়েছে তখন অবিশ্যি মস্ত সভা । পাঁচ জায়গা থেকে ভারী ভারী চাঁদা আদায় হবে । যা হোক , আমার অদৃষ্ট ভালো ।

কেরানিবাবুর প্রবেশ

কেরানি । মশায় তবে গানোন্নতিসভায় পাঁচ হাজার টাকা দান করেছেন ?

দুকড়ি । ( মাথা চুলকাইয়া হাসিয়া) আ — ও একটা কথার কথা । শোন কেন! কে বললে দিয়েছি ? মনে করো যদি দিয়েই থাকি , তা হয়েছি কী ? এত গোলের আবশ্যক কী ?

কেরানি । আহা , কী বিনয়! পাঁচ হাজার টাকা নগদ দিয়ে গোপন করবার চেষ্টা , সাধারণ লোকের কাজ নয় ।

ভৃত্যের প্রবেশ

ভৃত্য । নীচের ঘরে বিস্তর লোক জমা হয়েছে ।

দুকড়ি । ( স্বগত) দেখেছ! একদিনেই আমার পসার বেড়ে গেছে । ( সানন্দে) একে একে তাদের উপরে নিয়ে আয় — আর পান-তামাক দিয়ে যা ।

প্রথম ব্যক্তির প্রবেশ

দুকড়ি । ( চৌকি সরাইয়া) আসুন — বসুন । মশায় , তামাক ইচ্ছে করুন । ওরে — পান দিয়ে যা ।

প্রথম । ( স্বগত) আহা , কী অমায়িক প্রকৃতি! এঁর কাছে কামনাসিদ্ধি হবে না তো কার কাছে হবে!

দুকড়ি । মশায়ের কী অভিপ্রায়ে আগমন ?

প্রথম । আপনার বদান্যতা দেশবিখ্যাত ।

দুকড়ি । ও-সব গুজবের কথা শোনেন কেন ?

প্রথম । কী বিনয়! কেবল মশায়ের নামই শ্রুত ছিলুম , আজ চক্ষুকর্ণের বিবাদভঞ্জন হল ।

দুকড়ি । ( স্বগত) এখন আসল কথাটা যে পাড়লে হয় । বিস্তর লোক বসে আছে । (প্রকাশ্যে) তা , মশায়ের কী আবশ্যক ?

প্রথম । দেশের উন্নতি-উদ্দেশে হৃদয়ের-

দুকড়ি । আজ্ঞে , সে-সব কথা বলাই বাহুল্য-

প্রথম । তা ঠিক । মশায়ের মতো মহানুভব ব্যক্তি যাঁরা ভারতভূমির-

দুকড়ি । সমস্ত মানছি মশায় , অতএব ও অংশটুকুও ছেড়ে দিন । তার পরে-

প্রথম । বিনয়ী লোকের স্বভাবই এই যে , নিজের গুণানুবাদ-

দুকড়ি । রক্ষে করুন মশায় , আসল কথাটা বলুন ।

প্রথম । আসল কথা কী জানেন — দিনে দিনে আমাদের দেশ অধোগতি প্রাপ্ত হচ্ছে-

দুকড়ি । সে কেবলমাত্র কথা সংক্ষেপ করতে না জানার দরুন ।

প্রথম । আমাদের স্বর্ণশস্যশালিনী পুণ্যভূমি ভারতবর্ষ দারিদ্র্যের অন্ধকূপে-

দুকড়ি । ( সকাতরে মাথায় হাত দিয়া বসিয়া) বলে যান ।

প্রথম । দারিদ্রের অন্ধকূপে দিনে দিনে নিমজ্জমানা-

দুকড়ি । ( কাতর স্বরে) মশায় , বুঝতে পারছি নে ।

প্রথম । তবে আপনাকে প্রকৃত ব্যাপারটা বলি-

দুকড়ি । ( সানন্দে সাগ্রহে) সেই ভালো ।

প্রথম । ইংরেজরা লুঠ করছে ।

দুকড়ি । এ তো বেশ কথা । প্রমাণ সংগ্রহ করুন , ম্যাজিস্ট্রেটের কোর্টে নালিশ রুজু করি ।

প্রথম । ম্যাজিস্ট্রেটও লুঠছে ।

দুকড়ি । তবে ডিস্ট্রিক্ট্‌ জজের আদালত-

প্রথম । ডিস্ট্রিক্ট্‌ জজ তো ডাকাত ।

দুকড়ি । ( অবাকভাবে) আপনার কথা আমি কিছু বুঝতে পারছি নে ।

প্রথম । আমি বলছি , দেশের টাকা বিদেশে চালান যাচ্ছে ।

দুকড়ি । দুঃখের বিষয় ।

প্রথম । তাই একটা সভা-

দুকড়ি । ( সচকিত) সভা!

প্রথম । এই দেখুন-না খাতা ।

দুকড়ি । ( বিস্ফারিতনেত্রে) খাতা!

প্রথম । কিঞ্চিৎ চাঁদা-

দুকড়ি । ( চৌকি হইতে লাফাইয়া উঠিয়া) চাঁদা! বেরোও — বেরোও — বেরোও-

তাড়াতাড়ি চৌকি-উল্‌টায়ন , কালী-ফেলন , প্রথম ব্যক্তির

বেগে প্রস্থানোদ্যম , পতন , উত্থান , গোলমাল

দ্বিতীয় ব্যক্তির প্রবেশ

দুকড়ি । কী চাই ?

দ্বিতীয় । মহাশয়ের দেশবিখ্যাত বদান্যতা-

দুকড়ি । ও-সব হয়ে গেছে — হয়ে গেছে — নতুন কিছু থাকে তো বলুন ।

দ্বিতীয় । আপনার দেশহিতৈষিতা-

দুকড়ি । আ মোলো — এও যে সেই কথাটাই বলে!

দ্বিতীয় । স্বদেশের সদনুষ্ঠানে আপনার সদনুরাগ-

দুকড়ি । এ তো বিষম দায় দেখি । আসল কথাটা খুলে বলুন ।

দ্বিতীয় । একটা সভা-

দুকড়ি । আবার সভা!

দ্বিতীয় । এই দেখুন-না খাতা ।

দুকড়ি । খাতা! কিসের খাতা!

দ্বিতীয় । চাঁদা আদায়-

দুকড়ি । চাঁদা! (হাত ধরিয়া টানিয়া ) ওঠো , ওঠো , বেরোও , বেরোও — প্রাণের মায়া থাকে তো-

[দ্বিরুক্তি না করিয়া চাঁদাওয়ালার প্রস্থান

তৃতীয় ব্যক্তির প্রবেশ

দুকড়ি । দেখো বাপু , আমার দেশহিতৈষিতা বদান্যতা বিনয় এ-সমস্ত শেষ হয়ে গেছে — তার পর থেকে আরম্ভ করো ।

তৃতীয় । আপনার সার্বভৌমিকতা — সার্বজনীনতা — উদারতা-

দুকড়ি । তবু ভালো । এ কিছু নতুন ঠেকছে বটে । কিন্তু মশায় , ওগুলোও থাক্‌ — ভাষায় কথা আরম্ভ করুন ।

তৃতীয় । আমাদের একটা লাইব্রেরি-

দুকড়ি । লাইব্রেরি ? সভা নয় তো ?

তৃতীয় । আজ্ঞে , সভা নয় ।

দুকড়ি । আ , বাঁচা গেল । লাইব্রেরি । অতি উত্তম । তার পরে বলে যান ।

তৃতীয় । এই দেখুন-না প্রস্পেক্টস-

দুকড়ি । খাতা নেই তো ?

তৃতীয় । আজ্ঞে না — খাতা নয় , ছাপানো কাগজ ।

দুকড়ি । আ! — তার পরে ।

তৃতীয় । কিঞ্চিৎ চাঁদা ।

দুকড়ি । ( লাফাইয়া) চাঁদা! ওরে , আমার বাড়ি আজ ডাকাত পড়েছে রে! পুলিসম্যান! পুলিসম্যান!

[ তৃতীয় ব্যক্তির ঊর্ধ্বশ্বাসে পলায়ন

হরশংকরবাবুর প্রবেশ

দুকড়ি । আরে , এসো এসো , হরশংকর এসো । সেই কালেজে একসঙ্গে পড়া — তার পরে তো আর দেখা হয় নি —

তোমাকে দেখে কী যে আনন্দ হল সে আর কী বলব ।

হরশংকর । তোমার সঙ্গে সুখদুঃখের অনেক কথা আছে ভাই — সে-সব কথা পরে হবে , আগে একটা কাজের কথা বলে নিই ।

দুকড়ি । ( পুলকিত হইয়া) কাজের কথা অনেকক্ষণ শুনি নি ভাই — বলো শুনে কান জুড়োক ।

শালের মধ্য হইতে হরশংকরের খাতা বাহির-করণ

ও কী ও , খাতা বেরোয় যে!

হরশংকর । আমাদের পাড়ার ছেলেরা মিলে একটা সভা-

দুকড়ি । ( চমকিত হইয়া) সভা!

হরশংকর । সভাই বটে । তা কিছু চাঁদার জন্যে-

দুকড়ি । চাঁদা! দেখো , তোমার সঙ্গে আমার বহুকালের প্রণয় , কিন্তু ঐ কথাটা যদি আমার সামনে উচ্চারণ কর তা হলে চিরকালের মতো চটাচটি হবে তা বলে রাখছি ।

হরশংকর । বটে! তুমি কোথাকার খড়গেছের ‘ গানোন্নতি ' সভায় পাঁচ হাজার টাকা দান করতে পার , আর বন্ধুর অনুরোধে পাঁচ টাকা সই করতে পারো না! কোন্‌ পাষণ্ড নরাধম এখেনে আর পদার্পণ করে ।

[ সবেগে প্রস্থান

খাতা-হস্তে এক ব্যক্তির প্রবেশ

দুকড়ি । খাতা ? আবার খাতা ? পালাও পালাও!

খাতাবাহক । ( ভীত হইয়া ) আমি নন্দলালবাবুর-

দুকড়ি । নন্দলাল ফন্দলাল বুঝি নে , পালাও এখনই ।

খাতাবাহক । আজ্ঞে , সেই টাকাটা ।

দুকড়ি । আমি টাকা দিতে পারব না । বেরোও বেরোও ।

[ খাতাবাহকের পলায়ন

কেরানি । মশায় , করলেন কী ? নন্দলালবাবুর কাছ থেকে আপনার পাওনার টাকাটা নিয়ে এসেছে । ও টাকাটা আদায় না হলে আজ যে চলবে না ।

দুকড়ি । কী সর্বনাশ! ওকে ডাকো ডাকো ।

কেরানির প্রস্থান ও কিয়ৎ ক্ষণ পরে প্রবেশ

কেরানি । সে চলে গেছে , তাকে পাওয়া গেল না ।

দুকড়ি । বিষম দায় দেখছি ।

তম্বুরা-হস্তে এক ব্যক্তির প্রবেশ

দুকড়ি । কী চাও ?

তম্বুরা । আপনার মতো এমন রসজ্ঞ কে আছে । গানের উন্নতির জন্য আপনি কী না করছেন । আপনাকে গান শোনাব ।

তৎক্ষণাৎ তম্বুরা ছাড়িয়া গান

ইমনকল্যাণ

জয় জয় দুকড়ি দত্ত ,

ভুবনে অনুপম মহত্ত্ব — ইত্যাদি-

দুকড়ি । আরে , কী সর্বনাশ! থাম্‌ থাম্‌!

তম্বুরা-হস্তে দ্বিতীয় ব্যক্তির প্রবেশ

দ্বিতীয় । ও গানের কী জানে মশায় ? আমার গান শুনুন-

দুকড়ি দত্ত তুমি ধন্য,

তব মহিমা কে জানিবে অন্য-

প্রথম । জয়-অ-জ-অ-অ-য়-অ-অ-

দ্বিতীয় । দু-উ-উ-উ-উ-উ কড়ি-ই-ই-

প্রথম । দুক-অ-অ-অ-

দুকড়ি । ( কানে আঙুল দিয়া ) আরে গেলুম , আরে গেলুম!

বাঁয়া-তবলা লইয়া বাদকের প্রবেশ

বাদক । মশায় , সংগত নেই গান! সে কি হয়!

বাদ্য আরম্ভ

দ্বিতীয় বাদকের প্রবেশ

দ্বিতীয় বাদক । ও বেটা সংগতের কী জানে! ও তো বাঁয়া ধরতেই জানে না ।

প্রথম গায়ক । তুই বেটা থাম্‌ ।

দ্বিতীয় । তুই থাম্‌-না ।

প্রথম । তুই গানের কী জানিস!

দ্বিতীয় । তুই কী জানিস ?

উভয়ে মিলিয়া ওড়ব খাড়ব প্রণব নাদ উদারা তারা লইয়া তর্ক । অবশেষে তম্বুরায় তম্বুরায় লড়াই

দুই বাদকে মুখে মুখে বোল-কাটাকাটি ‘ ধ্রেকেটে দেধে ঘেনে গেধে ঘেনে '। অবশেষে তবলায় তবলায় যুদ্ধ

দলে দলে গায়ক বাদক ও খাতা-হস্তে চাঁদাওয়ালার প্রবেশ

প্রথম । মশায় , গান-

দ্বিতীয় । মশায় , চাঁদা-

তৃতীয় । মশায় , সভা —

চতুর্থ । আপনার বদান্যতা-

পঞ্চম । ইমনকল্যাণের খেয়াল-

ষষ্ঠ । দেশের মঙ্গল-

সপ্তম । সরি মিঞার টপ্পা —

অষ্টম । আরে , তুই থাম্‌-না বাপু-

নবম । আমার কথাটা বলে নিই , একটু থাম্‌-না ভাই ।

সকলে মিলিয়া দুকড়ির চাদর ধরিয়া টানাটানি , ‘ শুনুন মশাই , আমার কথা শুনুন মশাই ' ইত্যাদি

দুকড়ি । ( সকাতরে কেরানির প্রতি) আমি মামার বাড়ি চললুম । কিছুকাল সেখানে গিয়ে থাকব । কাউকে আমার ঠিকানা বোলো না ।

[ প্রস্থান

গৃহমধ্যে সমস্ত দিন গায়ক-বাদকের কুরক্ষেত্রযুদ্ধ

বিবাদ মিটাইতে গিয়া সন্ধ্যাকালে আহত হইয়া কেরানির পতন