গীতবিতান/পূজা
অবয়ব
< গীতবিতান
পরিচ্ছেদসমূহ (মূল গ্রন্থে নেই)
- কান্নাহাসির-দোল-দোলানো (পৃ. ৫)
- সুরের গুরু, দাও গো সুরের দীক্ষা (পৃ. ৫)
- তোমার সুরের ধারা ঝরে যেথায় (পৃ. ৬)
- তুমি কেমন করে গান করো হে (পৃ. ৬)
- আমি তোমায় যত শুনিয়েছিলেম গান (পৃ. ৬)
- তুমি যে সুরের আগুন লাগিয়ে দিলে (পৃ. ৭)
- তোমার বীণা আমার মনোমাঝে (পৃ. ৭)
- তোমার নয়ন আমায় বারে বারে (পৃ. ৮)
- অরূপ, তোমার বাণী (পৃ. ৯)
- গানে গানে তব বন্ধন যাক টুটে (পৃ. ৯)
- আমার সুরে লাগে তোমার হাসি (পৃ. ৯)
- আমার বেলা যে যায় সাঁঝ-বেলাতে (পৃ. ১০)
- জীবনমরণের সীমানা ছাড়ায়ে (পৃ. ১০)
- যারা কথা দিয়ে তোমার কথা বলে (পৃ. ১১)
- তোমারি ঝরনাতলার নির্জনে (পৃ. ১১)
- কূল থেকে মোর গানের তরী (পৃ. ১২)
- তোমার কাছে এ বর মাগি (পৃ. ১২)
- কেন তোমরা আমায় ডাকো (পৃ. ১৩)
- দাঁড়িয়ে আছ তুমি আমার (পৃ. ১৩)
- রাজপুরীতে বাজায় বাঁশি (পৃ. ১৩)
- জাগ’ জাগ’ রে জাগ’ সঙ্গীত (পৃ. ১৪)
- হেথা যে গান গাইতে আসা (পৃ. ১৪)
- আমি হেথায় থাকি শুধু (পৃ. ১৪)
- গানের সুরের আসনখানি (পৃ. ১৫)
- সুর ভুলে যেই ঘুরে বেড়াই (পৃ. ১৫)
- গানের ভিতর দিয়ে যখন (পৃ. ১৫)
- খেলার ছলে সাজিয়ে আমার (পৃ. ১৬)
- যতখন তুমি আমায় বসিয়ে রাখ (পৃ. ১৬)
- আমার যে গান তোমার পরশ পাবে (পৃ. ১৭)
- গানের ঝরনাতলায় তুমি (পৃ. ১৭)
- কণ্ঠে নিলেম গান, আমার শেষ পারানির কড়ি (পৃ. ১৭)
- আমার ঢালা গানের ধারা (পৃ. ১৮)
- কবে আমি বাহির হলেম (পৃ. ১৮)
- তোমায় আমায় মিলন হবে বলে (পৃ. ১৯)
- প্রভু, তোমার বীণা যেমনি বাজে (পৃ. ১৯)
- তুমি একলা ঘরে বসে বসে (পৃ. ২০)
- শুধু তোমার বাণী নয় গো (পৃ. ২১)
- তোমার সুর শুনায়ে যে ঘুম ভাঙাও (পৃ. ২১)
- মোর হৃদয়ের গোপন বিজন ঘরে (পৃ. ২১)
- মোর প্রভাতের এই প্রথম খনের (পৃ. ২২)
- মালা হতে খসে-পড়া ফুলের একটি দল (পৃ. ২৩)
- এত আলো জ্বালিয়েছ এই গগনে (পৃ. ২৩)
- কার হাতে এই মালা তোমার (পৃ. ২৩)
- বল তো এইবারের মতো (পৃ. ২৪)
- তোমায় নতুন করে পাব বলে (পৃ. ২৪)
- ধীরে বন্ধু, গো, ধীরে ধীরে (পৃ. ২৫)
- এবার আমায় ডাকলে দূরে (পৃ. ২৫)
- দুঃখের বরষায় চক্ষের জল যেই নামল (পৃ. ২৬)
- সে দিনে আপদ আমার যাবে কেটে (পৃ. ২৬)
- আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে (পৃ. ২৬)
- কেন চোখের জলে ভিজিয়ে দিলেম না (পৃ. ২৭)
- আমায় বাঁধবে যদি কাজের ডোরে (পৃ. ২৭)
- ওদের সাথে মেলাও যারা (পৃ. ২৭)
- আমারে তুমি অশেষ করেছ (পৃ. ২৮)
- প্রভু, বলো বলো কবে (পৃ. ২৮)
- আমার না-বলা বাণীর ঘন যামিনীর মাঝে (পৃ. ২৮)
- আমার হৃদয় তোমার আপন হাতের (পৃ. ২৯)
- ভেঙে মোর ঘরের চাবি (পৃ. ২৯)
- তোমায় কিছু দেব বলে (পৃ. ৩০)
- আমার অভিমানের বদলে আজ (পৃ. ৩০)
- তুমি খুশি থাক (পৃ. ৩১)
- আমার সকল রসের ধারা (পৃ. ৩১)
- রাত্রি এসে যেথায় মেশে (পৃ. ৩১)
- আমার খেলা যখন ছিল (পৃ. ৩২)
- সীমার মাঝে, অসীম, তুমি (পৃ. ৩২)
- আজি যত তারা তব আকাশে (পৃ. ৩৩)
- আমি কেমন করিয়া জানাব আমার (পৃ. ৩৩)
- প্রভু আমার, প্রিয় আমার (পৃ. ৩৪)
- তুমি বন্ধু, তুমি নাথ (পৃ. ৩৪)
- ও অকূলের কুল (পৃ. ৩৪)
- আমার মাঝে তোমারি মায়া (পৃ. ৩৫)
- ভুলে যাই থেকে থেকে (পৃ. ৩৫)
- তোমার এই মাধুরী ছাপিয়ে আকাশ (পৃ. ৩৫)
- এরে ভিখারি সাজায়ে কী রঙ্গ তুমি করিলে (পৃ. ৩৬)
- আপনাকে এই জানা আমার (পৃ. ৩৬)
- তুমি যে এসেছ মোর ভবনে (পৃ. ৩৬)
- তুমি যে চেয়ে আছ আকাশ ভরে (পৃ. ৩৭)
- আমার বাণী আমার প্রাণে লাগে (পৃ. ৩৭)
- অসীম ধন তো আছে তোমার (পৃ. ৩৭)
- যদি আমায় তুমি বাঁচাও, তবে (পৃ. ৩৮)
- যিনি সকল কাজের কাজী (পৃ. ৩৮)
- আমরা তারেই জানি তারেই জানি (পৃ. ৩৯)
- যা হবার তা হবে (পৃ. ৩৯)
- অন্ধকারের মাঝে আমায় ধরেছ দুই হাতে (পৃ. ৩৯)
- হে মোর দেবতা, ভরিয়া (পৃ. ৪০)
- শুধু কি তার বেঁধেই তোর কাজ ফুরাবে (পৃ. ৪০)
- আমারে তুমি কিসের ছলে (পৃ. ৪০)
- সভায় তোমার থাকি সবার শাসনে (পৃ. ৪১)
- তোমার প্রেমে ধন্য কর যারে (পৃ. ৪১)
- লুকিয়ে আস আঁধার রাতে (পৃ. ৪১)
- তুমি কি এসেছ মোর দ্বারে (পৃ. ৪২)
- আলোকের এই ঝর্নাধারায় (পৃ. ৪২)
- এ অন্ধকার ডুবাও তোমার অতল অন্ধকারে (পৃ. ৪৩)
- ধায় যেন মোর সকল ভালোবাসা (পৃ. ৪৩)
- জীবন যখন শুকায়ে যায় (পৃ. ৪৪)
- পাত্রখানা যায় যদি যাক (পৃ. ৪৪)
- গাব তোমার সুরে (পৃ. ৪৫)
- শ্রাবণের ধারার মতো পড়ুক ঝরে (পৃ. ৪৫)
- বাজাও আমারে বাজাও (পৃ. ৪৬)
- তুমি যত ভার দিয়েছ সে ভার (পৃ. ৪৬)
- দাড়াও আমার আঁখির আগে (পৃ. ৪৭)
- যদি এ আমার হৃদয়দুয়ার (পৃ. ৪৭)
- তোমারি রাগিণী জীবনকুঞ্জে (পৃ. ৪৭)
- চরণ ধরিতে দিয়ো গো আমারে (পৃ. ৪৮)
- তোমারি নাম বলব নানা ছলে (পৃ. ৪৮)
- আমার এ ঘরে আপনার করে (পৃ. ৪৮)
- সংসারে তুমি রাখিলে মোরে যে ঘরে (পৃ. ৪৯)
- আমার মুখের কথা তোমার (পৃ. ৪৯)
- প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে (পৃ. ৫০)
- বল দাও মোরে বল দাও (পৃ. ৫১)
- অন্তর মম বিকশিত (পৃ. ৫১)
- আমার বিচার তুমি করো (পৃ. ৫১)
- তোমারি ইচ্ছা হউক পূর্ণ (পৃ. ৫২)
- অন্ধজনে দেহো আলো (পৃ. ৫২)
- হে মহাজীবন, হে মহামণ (পৃ. ৫৩)
- পথে যেতে ডেকেছিলে মোরে (পৃ. ৫৩)
- দুয়ারে দাও মোরে রাখিয়া (পৃ. ৫৩)
- ধনে জনে আছি জড়ায়ে হয় (পৃ. ৫৪)
- তোমারি সেবক করো হে (পৃ. ৫৪)
- তুমি এবার আমায় লহহ (পৃ. ৫৫)
- হৃদয়ে তোমার দয়া যেন পাই (পৃ. ৫৫)
- ভুবনেশ্বর হে (পৃ. ৫৬)
- আমার সত্য মিথ্যা সকলই ভুলায়ে দাও (পৃ. ৫৬)
- ভয় হতে তব অভয় মাঝে (পৃ. ৫৭)
- পাদপ্রান্তে রাখ’ সেবকে (পৃ. ৫৭)
- বরিষ ধরা-মাঝে শান্তির বারি (পৃ. ৫৮)
- সার্থক কর’ সাধন (পৃ. ৫৮)
- আমার মিলন লাগি তুমি (পৃ. ৫৯)
- কোথায় আলো (পৃ. ৫৯)
- তোরা শুনিস নি কি শুনিস নি (পৃ. ৬০)
- হে অন্তরের ধন (পৃ. ৬১)
- তোমার পূজার ছলে তোমায় ভুলেই থাকি (পৃ. ৬১)
- নীরবে আছ কেন বাহির দুয়ারে (পৃ. ৬১)
- তোমার আমার এই বিরহের অন্তরালে (পৃ. ৬২)
- নিশা-অবসানে কে দিল গোপনে আনি (পৃ. ৬২)
- বিশ্ব যখন নিদ্রামগন (পৃ. ৬৩)
- যে দিন ফুটল কমল (পৃ. ৬৩)
- প্রভু, তোমা লাগি আঁখি (পৃ. ৬৪)
- যদি তোমার দেখা না পাই (পৃ. ৬৪)
- হেরি অহরহ তোমারি (পৃ. ৬৫)
- আমার গোধূলিলগন এল বুঝি কাছে (পৃ. ৬৫)
- নাই বা ডাকো রইব তোমার দ্বারে (পৃ. ৬৬)
- সকাল-সঁজে ধায় যে ওরা (পৃ. ৬৬)
- জগত জুড়ে উর মূরে (পৃ. ৬৭)
- কোন্ শুভখনে উদিবে নয়নে (পৃ. ৬৭)
- আজ জ্যোৎস্নারাতে সবাই গেছে (পৃ. ৬৭)
- তুমি এ-পার ও-পার কর কে গো (পৃ. ৬৮)
- বেলা গেল তোমার পথ চেয়ে (পৃ. ৬৮)
- তোর ভিতরে জাগিয়া কে যে (পৃ. ৬৯)
- তুমি বাহির থেকে দিলে বিষম তাড়া (পৃ. ৬৯)
- এখনো গেল না আঁধার (পৃ. ৭০)
- লক্ষ্মী যখন আসবে তখন (পৃ. ৭০)
- যেতে যেতে চায় না যেতে (পৃ. ৭১)
- বেসুর বাজে রে (পৃ. ৭১)
- আমার কণ্ঠ আঁরে ডাকে (পৃ. ৭১)
- দেবতা জেনে দূরে রই দাড়ায়ে (পৃ. ৭২)
- ক্লান্তি আমার ক্ষমা করো প্রভু (পৃ. ৭২)
- অগ্নিবীণা বাজাও তুমি কেমন ক’রে (পৃ. ৭৩)
- পথ চেয়ে যে কেটে গেল (পৃ. ৭৩)
- সন্ধ্যা হল গো- ও মা (পৃ. ৭৩)
- তুমি ডাক দিয়েছ কোন্ সকালে (পৃ. ৭৪)
- এ যে মোর আবরণ (পৃ. ৭৪)
- সকল জনম ভরে ও মোর দরদিয়া (পৃ. ৭৫)
- আমার ব্যথা যখন আনে আমায় (পৃ. ৭৫)
- যতবার আলো জ্বালাতে চাই (পৃ. ৭৫)
- আবার এরা ঘিরেছে মোর মন (পৃ. ৭৬)
- তুমি নব নব রূপে (পৃ. ৭৬)
- হৃদয়নন্দনবনে নিভৃত এ নিকেতনে (পৃ. ৭৭)
- বসে আছি হে (পৃ. ৭৭)
- ডাকিছ শুনি জাগিনু প্রভু (পৃ. ৭৭)
- আমি কারে ডাকি গো (পৃ. ৭৮)
- আজি মম মন চাহে জীবনবন্ধুরে (পৃ. ৭৮)
- আমার মন তুমি, নাথ, লবে হ’রে (পৃ. ৭৯)
- ঘাটে বসে আছি আনমনা (পৃ. ৭৯)
- এই মলিন বস্ত্র ছাড়তে হবে (পৃ. ৮০)
- নিবিড় ঘন আঁধারে (পৃ. ৮০)
- প্রতিদিন তব গাথা (পৃ. ৮০)
- নিশীথশয়নে ভেবে রাখি মনে (পৃ. ৮১)
- প্রতিদিন আমি, হে জীবনস্বামী (পৃ. ৮১)
- জাগিতে হবে রে (পৃ. ৮২)
- আমার যা আছে আমি সকল দিতে পারি নি (পৃ. ৮২)
- জড়ায়ে আছে বাধা, ছাড়ায়ে যেতে (পৃ. ৮২)
- উড়িয়ে ধ্বজা অভ্রভেদী রথে (পৃ. ৮৩)
- আপনারে দিয়ে রচিলি রে কি এ (পৃ. ৮৪)
- বাঁধন ছেড়ার সাধন হবে (পৃ. ৮৪)
- আমায় মুক্তি যদি দাও (পৃ. ৮৪)
- বিশ্ব জোড়া ফাদ পেতেছ (পৃ. ৮৫)
- এ আবরণ ক্ষয় হবে গো (পৃ. ৮৫)
- সহজ হবি, সহজ হবি (পৃ. ৮৫)
- এই কথাটা ধরে রাখিস (পৃ. ৮৬)
- সেই তো আমি চাই (পৃ. ৮৬)
- আর রেখো না আঁধারে, আমায় (পৃ. ৮৭)
- দুঃখের তিমিরে যদি জ্বলে (পৃ. ৮৭)
- আমার আঁধার ভালো, আলোর কাছে (পৃ. ৮৭)
- এবার দুঃখ আমার অসীম পাথার (পৃ. ৮৮)
- যারে নিজে তুমি ভাসিয়েছিলে (পৃ. ৮৮)
- আমায় দাও গো বলে (পৃ. ৮৮)
- তোর শিকল আমায় বিকল করবে না (পৃ. ৮৯)
- আমি মায়ের সাগর পাড়ি দেব (পৃ. ৮৯)
- বাহিরে ভুল হানবে যখন (পৃ. ৯০)
- আমার সকল দুখের প্রদীপ জ্বেলে (পৃ. ৯০)
- আজি বিজন ঘরে নিশীথরাতে (পৃ. ৯০)
- যখন তোমায় আঘাত করি (পৃ. ৯১)
- দুঃখ যদি না পারে তো (পৃ. ৯১)
- যেতে যেতে একলা পথে (পৃ. ৯১)
- না বাঁচাবে আমায় যদি (পৃ. ৯২)
- মোর মরণে তোমার হবে জয় (পৃ. ৯২)
- হৃদয় আমার প্রকাশ হল (পৃ. ৯৩)
- যখন তুমি বাঁধছিলে তার (পৃ. ৯৩)
- এই-যে কালো মাটির বাসা (পৃ. ৯৩)
- এক হাতে ওর কৃপাণ আছে (পৃ. ৯৪)
- আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে (পৃ. ৯৪)
- ওরে কে রে এমন জাগায় তোকে (পৃ. ৯৪)
- আঘাত করে নিলে জিনে (পৃ. ৯৫)
- ওগো আমার প্রাণের ঠাকুর (পৃ. ৯৫)
- সুখে আমায় রাখবে কেন (পৃ. ৯৫)
- ও নিষ্ঠুর, আরো কি বাণ তোমার তৃণে আছে (পৃ. ৯৬)
- আমি হৃদয়েতে পথ কেটেছি (পৃ. ৯৬)
- তোমার কাছে শান্তি চাব না (পৃ. ৯৭)
- যে রাতে মোর দুয়ারগুলি (পৃ. ৯৭)
- ভয়েরে মোর আঘাত করে (পৃ. ৯৭)
- বষ্ট্রে তোমার বাজে বাঁশি (পৃ. ৯৮)
- এই করেছ ভালো, নিঠুর (পৃ. ৯৮)
- আরো আঘাত সইবে আমার (পৃ. ৯৮)
- আমি বহু বাসনায় প্রাণপণে চাই (পৃ. ৯৯)
- প্রচণ্ড গর্জনে আসিল একি দুর্দিন (পৃ. ৯৯)
- বিপদে মোরে রক্ষা করে (পৃ. ১০০)
- আরো আরে, প্রভু, আরো আরো (পৃ. ১০০)
- তোমার সোনার থালায় সাজাব আজ (পৃ. ১০১)
- দুখের বেশে এসেছ বলে (পৃ. ১০১)
- তোমার পতাকা যারে দাও তারে (পৃ. ১০১)
- দুখ দিয়েছ, দিয়েছ ক্ষতি নাই (পৃ. ১০২)
- হে মহাদুঃখ, হে রুদ্র, হে ভয়ঙ্কর (পৃ. ১০২)
- সর্ব খর্বতারে দহে তব ক্রোধদাহ (পৃ. ১০২)
- নয় এ মধুর খেলা (পৃ. ১০৩)
- জাগো, হে রুদ্র, জাগো (পৃ. ১০৩)
- পিনাকেতে লাগে টঙ্কার (পৃ. ১০৩)
- প্রাণে গান নাই, মিছে তাই (পৃ. ১০৪)
- যা হারিয়ে যায় তা আগলে বসে (পৃ. ১০৪)
- আনন্দ তুমি স্বামি (পৃ. ১০৪)
- ওরে ভীরু, তোমার হাতে নাই ভুবনের ভার (পৃ. ১০৫)
- ওই) আলো যে যায় রে দেখা (পৃ. ১০৫)
- তোমার দ্বারে কেন আসি ভুলেই যে যাই (পৃ. ১০৬)
- তুমি জাননা, ওগো অন্তর্যামী (পৃ. ১০৬)
- তোমার দুয়ার খোলার ধ্বনি (পৃ. ১০৭)
- আমার যে আসে কাছে, যে যায় চলে দূরে (পৃ. ১০৭)
- হার-মানা হার (পৃ. ১০৮)
- আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু (পৃ. ১০৮)
- অন্তরে জাগিছ অন্তরযামী (পৃ. ১০৮)
- দীর্ঘ জীবনপথ, কত দুঃখতাপ (পৃ. ১০৯)
- আজি কোন্ ধন হতে বিশ্বে আমারে (পৃ. ১০৯)
- কে যায় অমৃতধামযাত্রী (পৃ. ১১০)
- চোখের আলোয় দেখেছিলেম চোখের বাহিরে (পৃ. ১১০)
- এবার নীরব করে দাও হে (পৃ. ১১০)
- একমনে তোর একতারাতে (পৃ. ১১১)
- গভীর রজনী নামিল হৃদয়ে (পৃ. ১১১)
- ভুবন হইতে ভুবনবাসী (পৃ. ১১১)
- জীবন যখন ছিল ফুলের মতো (পৃ. ১১২)
- বাধা দিলে বাধবে লড়াই (পৃ. ১১২)
- তুই কেবল থাকিস সরে সরে (পৃ. ১১৩)
- দাড়াও, মন, অনন্ত ব্রহ্মাণ্ড-মাঝে (পৃ. ১১৩)
- নদীপারের এই আষাঢ়ের প্রভাতখানি (পৃ. ১১৩)
- শান্ত হ রে মম চিত্ত নিরাকুল (পৃ. ১১৪)
- নব শরতর গগন ভরি রাখে (পৃ. ১১৪)
- পূর্বগগনভাগে দীপ্ত হইল সুপ্রভাত (পৃ. ১১৪)
- মন, জাগ’ মঙ্গললোকে (পৃ. ১১৫)
- ভোরের বেলা কখন এসে (পৃ. ১১৫)
- এখনো ঘোর ভাঙে না তোর যে (পৃ. ১১৫)
- আজি নির্ভয়নিদ্রিত ভুবনে জাগে (পৃ. ১১৬)
- ভোর হল বিভাবরী, পথ হল অবসান (পৃ. ১১৬)
- নিশার স্বপন ছুটল রে (পৃ. ১১৬)
- অনেক দিনের শূন্যতা মোর (পৃ. ১১৭)
- হে চিরন্তন, আজি এ দিনের প্রথম গানে (পৃ. ১১৭)
- প্রাণের প্রাণ জাগিছে তোমারি প্রাণে (পৃ. ১১৭)
- জাগো নির্মল নেত্রে (পৃ. ১১৮)
- স্বপন যদি ভাঙিলে রজনীপ্রভাতে (পৃ. ১১৮)
- বাজাও তুমি, কবি (পৃ. ১১৮)
- মনোমোহা, গহন যামিনীশেষে (পৃ. ১১৯)
- পান্থ, এখনো কেন (পৃ. ১১৯)
- দুঃখরাতে, হে নাখ, কে ডাকিলে (পৃ. ১১৯)
- ডাকো মোরে আজি এ নিশীথে (পৃ. ১২০)
- হরষে জাগে আজি (পৃ. ১২০)
- বিমল আনন্দে জাগো (পৃ. ১২০)
- সবে আনন্দ করে (পৃ. ১২০)
- তুমি আপনি জাগাও মোরে (পৃ. ১২১)
- নৃতন প্রাণ দাও, প্রাণসখা (পৃ. ১২১)
- শোননা তার সুধাবাণী (পৃ. ১২১)
- নিশি দিন চাহো রে তার পানে (পৃ. ১২১)
- ওঠো ওঠো রে— বিফলে প্রভাত (পৃ. ১২১)
- ওদের কথায় ধদা লাগে (পৃ. ১২২)
- জানি নাই গো সাধন তোমার (পৃ. ১২২)
- আমায় ভুলতে দিতে নাইকো তোমার ভয় (পৃ. ১২৩)
- আমার সকল কাটা ধন্য করে (পৃ. ১২৩)
- তাই তোমার আনন্দ আমার পর (পৃ. ১২৩)
- তব সিংহাসনের আসন হতে (পৃ. ১২৪)
- জীবনে যত পূজা (পৃ. ১২৪)
- জানি জানি কোন্ আদিকাল হতে (পৃ. ১২৫)
- তুমি যে আমারে চাও (পৃ. ১২৫)
- জানি হে যবে প্রভাত হবে (পৃ. ১২৬)
- নিভৃত প্রাণের দেবতা (পৃ. ১২৬)
- ভক্ত করিছে প্রভুর চরণে জীবনসমর্পণ (পৃ. ১২৭)
- এসেছে সকলে কত আশে (পৃ. ১২৭)
- ধ্বনিল আহ্বান মধুর গভীর (পৃ. ১২৭)
- কী গাব আমি, কী শুনাব (পৃ. ১২৮)
- সফল করো হে প্রভু আজি সভা (পৃ. ১২৮)
- হৃদিমন্দিরদ্বারে বাজে সুমঙ্গল শঙ্খ (পৃ. ১২৮)
- ওই পোহইল তিমিররাতি (পৃ. ১২৯)
- আজি বহিছে বসন্তপবন (পৃ. ১২৯)
- আনন্দগান উঠুক তবে বাজি (পৃ. ১২৯)
- এ দিন আজি কোন্ ঘরে গো খুলে দিল দ্বার (পৃ. ১৩০)
- ওই অমল হাতে রজনী প্রাতে (পৃ. ১৩০)
- তার অন্ত নাই গো যে আনন্দে (পৃ. ১৩১)
- তমার আনন্দ ওই (পৃ. ১৩২)
- প্রাণে খুশির তুফান উঠেছে (পৃ. ১৩২)
- পারবি না কি যোগ দিতে এই (পৃ. ১৩২)
- প্রেমে প্রাণে গানে গন্ধে (পৃ. ১৩৩)
- জগতে আনন্দষয়ে আমার নিষশ (পৃ. ১৩৩)
- গায়ে আমার পুলক লাগে (পৃ. ১৩৪)
- আলোয় আলোকময় (পৃ. ১৩৪)
- আজি এ আনন্দসন্ধ্যা (পৃ. ১৩৪)
- বাজে বাজে রমবীণা বাজে (পৃ. ১৩৫)
- বিপুল তরঙ্গ রে (পৃ. ১৩৫)
- সদা থাকো আনন্দে (পৃ. ১৩৬)
- বহে নিরন্তর অনন্ত আনন্দধারা (পৃ. ১৩৬)
- অমল কমল সহজে জলের কোলে (পৃ. ১৩৬)
- আনন্দধারা বহিছে ভুবনে (পৃ. ১৩৭)
- নব আনন্দে জাগো আজি (পৃ. ১৩৭)
- হেরি তব বিমলমুখভাতি (পৃ. ১৩৭)
- এত আনন্দধ্বনি উঠিল কোথায় (পৃ. ১৩৮)
- আঁধার রজনী পোহালো (পৃ. ১৩৮)
- হৃদয়বাসনা পূর্ণ হল (পৃ. ১৩৮)
- ক্ষত যত ক্ষতি যত মিছে হতে মিছে (পৃ. ১৩৮)
- আমি সংসারে মন দিয়েছি, তুমি (পৃ. ১৩৯)
- আজিকে এই সকালবেলাতে (পৃ. ১৩৯)
- যে ধ্রুবপদ দিয়েছ বাঁধি (পৃ. ১৪০)
- ওরে, তোরা যারা শুনবি না (পৃ. ১৪০)
- মহাবিশ্বে মহাকাশে মহাকাল-মাঝে (পৃ. ১৪০)
- আছ আপন মহিমা (পৃ. ১৪১)
- আমার মুক্তি আলোয় আলোয় (পৃ. ১৪১)
- আমার প্রাণে গভীর গোপন (পৃ. ১৪১)
- আজি মর্মরধ্বনি কেন জাগিল রে (পৃ. ১৪২)
- প্রথম আলোর চরণধ্বনি (পৃ. ১৪২)
- তোমার হাতের রাখখানি (পৃ. ১৪২)
- বুঝেছি কি বুঝি নাই বা (পৃ. ১৪৩)
- ফেলে রাখলেই কি পড়ে রবে (পৃ. ১৪৩)
- দেওয়া নেওয়া ফিরিয়ে-দেওয়া (পৃ. ১৪৩)
- অরূপবীণা রূপের আড়ালে লুকিয়ে বাজে (পৃ. ১৪৪)
- আমি জ্বালব না মোর বাতায়নে (পৃ. ১৪৪)
- আমি যখন তার দুয়ারে (পৃ. ১৪৪)
- আকাশ জুড়ে শুনিনু ওই বাজে (পৃ. ১৪৫)
- অকারণে অকালে মোর (পৃ. ১৪৫)
- ভুবনজোড়া আসনখানি (পৃ. ১৪৬)
- ডাকে বার বার ডাকে (পৃ. ১৪৬)
- অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো (পৃ. ১৪৭)
- সারা জীবন দিল আলো (পৃ. ১৪৭)
- আপন হতে বাহির হয়ে বাইরে দাড়া (পৃ. ১৪৮)
- যে থাকে থাক্-না দ্বারে (পৃ. ১৪৮)
- আকাশে দুই হাতে প্রেম বিলায় (পৃ. ১৪৮)
- নিত্য তোমার যে ফুল ফোটে (পৃ. ১৪৯)
- এমনি করে ঘুরিব দূরে বাহিরে (পৃ. ১৫০)
- কোলাহল তে বারণ হল (পৃ. ১৫০)
- যেথায় তোমার লুট হতেছে ভুবনে (পৃ. ১৫১)
- বিশ্ব সাথে যোগে যেথায় (পৃ. ১৫১)
- প্রভু, আজি তোমার দক্ষিণ হাত (পৃ. ১৫১)
- অমন আড়াল দিয়ে (পৃ. ১৫২)
- কত অজানারে জানাইলে তুমি (পৃ. ১৫২)
- সবার মাঝারে তোমারে স্বীকার (পৃ. ১৫২)
- মোরে ডাকি লয়ে যাও (পৃ. ১৫৩)
- যারা কাছে আছে তারা কাছে থাক্ (পৃ. ১৫৩)
- জাগ্রত বিশ্বকোলাহল-মাঝে (পৃ. ১৫৪)
- শান্তিসমুদ্র তুমি গভীর (পৃ. ১৫৪)
- ডুবি অমৃতপাথারে (পৃ. ১৫৪)
- ভেঙেছ দুয়ার, এসেছ জ্যোতির্ময় (পৃ. ১৫৫)
- হবে জয়, হবে জয়, হবে জয় রে (পৃ. ১৫৫)
- জয় হোক, জয় হোক নব অরুণোদয় (পৃ. ১৫৫)
- জয় তব বিচিত্র আনন্দ, হে কবি (পৃ. ১৫৬)
- সকলকলুষতামসহ, জয় হোক (পৃ. ১৫৬)
- রাখো রাখো রে জীবনে জীবনবল্পভে (পৃ. ১৫৬)
- হৃদয়মন্দিরে, প্রাণাধীশ, আছ গোপনে (পৃ. ১৫৭)
- ওই শুনি যেন চরণধ্বনি রে (পৃ. ১৫৭)
- বেঁধেছ প্রেমের পাশে (পৃ. ১৫৭)
- দাও হে আমার ভয় ভেঙে দাও (পৃ. ১৫৮)
- আর নহে, আর নয় (পৃ. ১৫৮)
- আরো চাই যে, আরো চাই গো (পৃ. ১৫৯)
- নয়ন ছেড়ে গেলে চলে (পৃ. ১৫৯)
- আরাম-ভাঙা উদাস সুরে (পৃ. ১৫৯)
- আসা-যাওয়ার মাঝখানে (পৃ. ১৬০)
- বারে বারে পেয়েছি যে তারে (পৃ. ১৬০)
- এ পথ গেছে কোনখানে গো (পৃ. ১৬০)
- নিত্য নব সত্য তব শুভ্র আলোকময় (পৃ. ১৬১)
- যদি ঝড়ের মেঘের মতো (পৃ. ১৬১)
- তুমি আমাদের পিতা (পৃ. ১৬২)
- প্রেমানন্দে রাখো পূর্ণ (পৃ. ১৬২)
- মাঝে মাঝে তব দেখা পাই (পৃ. ১৬২)
- তোমার কথা হেথা কেহ তো বলে না (পৃ. ১৬৩)
- কেন বাণী তব নাহি শুনি নাথ হে (পৃ. ১৬৩)
- তুমি ছেড়ে ছিলে, ভুলে ছিলে বলে (পৃ. ১৬৩)
- অসীম আকাশে অগণ্য কিরণ (পৃ. ১৬৪)
- চরণধ্বনি শুনি তব, নাথ (পৃ. ১৬৪)
- শূন্য হাতে ফিরি হে, নাখ, পথে পথে (পৃ. ১৬৪)
- হৃদয়বেদনা বহিয়া, প্রভু (পৃ. ১৬৫)
- কেন জাগে না, জাগে না (পৃ. ১৬৫)
- যাদের চাহিয়া তোমারে ভুলেছি (পৃ. ১৬৬)
- আমি জেনে শুনে তবু ভুলে আছি (পৃ. ১৬৬)
- নয়ান ভাসিল জলে (পৃ. ১৬৬)
- হিংসায় উন্মত্ত পৃথ্বী (পৃ. ১৬৭)
- অনেক দিয়েছ নাথ (পৃ. ১৬৭)
- তব অমল পরশরস (পৃ. ১৬৮)
- বীণা বাজাও হে মম অন্তরে (পৃ. ১৬৮)
- শান্তি করে বরিষন নীরব ধারে (পৃ. ১৬৮)
- হে সখা, মম হৃদয়ে রহো (পৃ. ১৬৮)
- লহো লহহা তুলি লও হে (পৃ. ১৬৯)
- চিরসখা, ছেড়ে না মোরে ছেড়ে না (পৃ. ১৬৯)
- স্বামী, তুমি এসো আজ (পৃ. ১৬৯)
- হায় কে দিবে আর সান্ত্বনা (পৃ. ১৬৯)
- আর কত দূরে আছে সে আনন্দধাম (পৃ. ১৭০)
- কামনা করি একান্তে (পৃ. ১৭০)
- নাথ হে, প্রেমপথে সব বাধা (পৃ. ১৭০)
- পূর্ণ-আনন্দ পূর্ণমঙ্গলরূপে (পৃ. ১৭০)
- সংশয়তিমির মাঝে না হেরি গতি হে (পৃ. ১৭১)
- নিশি দিন মোর পরানে (পৃ. ১৭১)
- আছ অন্তরে চিরদিন (পৃ. ১৭১)
- এ মোহ-আবরণ খুলে দাও (পৃ. ১৭২)
- ডাকিছ কে তুমি তাপিত জনে (পৃ. ১৭২)
- আজি নাহি নাহি নিদ্রা (আজ নাহি (পৃ. ১৭২)
- তিমিরবিভাবরী কাটে কেমনে (পৃ. ১৭২)
- অমৃতের সাগরে (পৃ. ১৭৩)
- কার মিলন চাও বিরহী (পৃ. ১৭৩)
- তোমা-লাগি, নাথ, জাগি (পৃ. ১৭৩)
- মোরে বারে বারে ফিরালে (পৃ. ১৭৩)
- কোথা হতে বাজে প্রেমবেদনা রে (পৃ. ১৭৩)
- নিকটে দেখিব তোমারে (পৃ. ১৭৪)
- তোমার দেখা পাব বলে (পৃ. ১৭৪)
- ঘোর দুঃখে জাগি (পৃ. ১৭৪)
- এ পরবাসে রবে কে হায় (পৃ. ১৭৫)
- এখনো আঁধার রয়েছে হে নাথ (পৃ. ১৭৫)
- ব্যাকুল প্রাণ কোথা সুদূরে ফিরে (পৃ. ১৭৫)
- শূন্য প্রাণ কাঁদে সদা (পৃ. ১৭৫)
- সুখহীন নিশিদিন পরাধীন হয়ে (পৃ. ১৭৬)
- দূরে কোথায় দূরে দূরে (পৃ. ১৭৬)
- পিপাসা হয় নাহি মিটিল (পৃ. ১৭৬)
- দিন যায় রে দিন যায় বিষাদে (পৃ. ১৭৬)
- তোমা-হীন কাটে দিবস হে প্রভু (পৃ. ১৭৭)
- বর্ষ গেল, বৃথা গেল (পৃ. ১৭৭)
- কেমনে ফিরিয়া যাও না দেখি তাহারে (পৃ. ১৭৭)
- কে বসিলে আজি হৃদয়াসনে (পৃ. ১৭৭)
- অসীম কালসাগরে ভুবন ভেসে চলেছে (পৃ. ১৭৮)
- ইচ্ছা যবে হবে লইয়ো পারে (পৃ. ১৭৮)
- শুভ্র আসনে বিরাজ’ অরুণছটামাকে (পৃ. ১৭৮)
- পেয়েছি অভয়পদ, আর ভয় কারে (পৃ. ১৭৮)
- শুনেছে তোমার নাম (পৃ. ১৭৯)
- সত্য মঙ্গল প্রেমময় তুমি (পৃ. ১৭৯)
- চিরবন্ধু চিরনির্ভর চিরশাস্তি (পৃ. ১৭৯)
- বাঁচান বাচি, মারেন মরি (পৃ. ১৮০)
- সংসারে কোনো ভয় নাহি নাহি (পৃ. ১৮০)
- শক্তিরূপ হেরো তাঁর (পৃ. ১৮০)
- ভ্রান্ত কেন ওহে পান্থ (পৃ. ১৮১)
- গাও বীণা, বীণা গাও রে (পৃ. ১৮১)
- কে রে ওই ডাকিছে (পৃ. ১৮২)
- মশিয়ে মম কে আসিলে হে (পৃ. ১৮২)
- এ কী করুণা, করুণাময় (পৃ. ১৮২)
- পেয়েছি সন্ধান তব অন্তর্যামী (পৃ. ১৮৩)
- আমার হৃদয়সমুদ্রতীরে কে তুমি দাড়ায়ে (পৃ. ১৮৩)
- জননী, তোমার করুণ চরণখানি (পৃ. ১৮৩)
- তিমিরদুয়ার খোলল (পৃ. ১৮৪)
- তুমি জাগিছ কে (পৃ. ১৮৪)
- আজি শুভ শুভ্র প্রাতে (পৃ. ১৮৪)
- ভক্তহৃদিবিকাশ প্রাণবিমোহন (পৃ. ১৮৫)
- বাণী তব ধায় (পৃ. ১৮৫)
- প্রথম আদি তব শক্তি (পৃ. ১৮৫)
- শীতল তব পদ ছায়া (পৃ. ১৮৬)
- হে মহাবল বলী (পৃ. ১৮৬)
- গতে তুমি রাজা, অসীম প্রতাপ (পৃ. ১৮৬)
- তুমি ধন্য ধন্য হে, ধন্য তব প্রেম (পৃ. ১৮৭)
- তাহারে আরতি করে (পৃ. ১৮৭)
- আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে (পৃ. ১৮৭)
- ওই রে তরী দিল খুলে (পৃ. ১৮৮)
- আমি কী বলে করিব নিবেদন (পৃ. ১৮৮)
- সংসার যবে মন কেড়ে লয় (পৃ. ১৮৯)
- ওহে জীবনবল্লভ (পৃ. ১৮৯)
- সবাই যারে সব দিতেছে (পৃ. ১৯০)
- আমার যে সব দিতে হবে (পৃ. ১৯০)
- আমি দীন, অতি দীন (পৃ. ১৯১)
- কী ভয় অভয়ধামে, তুমি মহারাজা (পৃ. ১৯১)
- আনন্দ রয়েছে জাগি ভুবনে তোমার (পৃ. ১৯১)
- সকল ভয়ের ভয় যে তারে (পৃ. ১৯২)
- নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে (পৃ. ১৯২)
- দয়া দিয়ে হবে গো মোর (পৃ. ১৯৩)
- এ মণিহার আমায় নাহি সাজে (পৃ. ১৯৩)
- যেথায় থাকে সবার অধম দীনের হতে দীন (পৃ. ১৯৩)
- ওই আসনতলের মাটির ’পরে (পৃ. ১৯৪)
- আমার মাথা নত করে (পৃ. ১৯৪)
- গরব মম হরেছ প্রভু (পৃ. ১৯৫)
- ভয় হয় পাছে তব নামে আমি (পৃ. ১৯৫)
- আজি প্রণমি তোমারে (পৃ. ১৯৬)
- যে কেহ মোরে দিয়েছ মুখ (পৃ. ১৯৬)
- কে জানিত তুমি ডাকিবে আমারে (পৃ. ১৯৬)
- জীবনে আমার যত আনন্দ (পৃ. ১৯৭)
- আঁখিজল মুছাইলে, জননী (পৃ. ১৯৭)
- তোমারি গেহে পালিছ স্নেহে (পৃ. ১৯৮)
- হৃদয়ে হৃদয় আসি মিলে যায় যেথা (পৃ. ১৯৮)
- ফুল বলে, ধন্য আমি (পৃ. ১৯৯)
- নমি নমি চরণে (পৃ. ১৯৯)
- একটি নমস্কারে, প্রভু (পৃ. ২০০)
- তোমারি নামে নয়ন মেলি (পৃ. ২০০)
- অনিমেষ আঁখি সেই কে দেখেছে (পৃ. ২০১)
- মম অঙ্গনে স্বামী আনন্দে হাসে (পৃ. ২০১)
- আজি মম জীবনে নামিছে ধীরে (পৃ. ২০১)
- কেমনে রাখিবি তোরা তারে লুকায়ে (পৃ. ২০১)
- হে নিখিলভারধারণ বিশ্ববিধাতা (পৃ. ২০২)
- দেবাধিদেব মহাদেব (পৃ. ২০২)
- দিন ফুরালে হে সংসারী (পৃ. ২০২)
- জরজর প্রাণে, নাথ (পৃ. ২০২)
- কোথায় তুমি, আমি কোথায় (পৃ. ২০৩)
- সকল গর্ব দূর করি দিব (পৃ. ২০৩)
- এই লভিনু সঙ্গ তব (পৃ. ২০৪)
- বল বটে তব অখানি (পৃ. ২০৪)
- আলো যে আজ গান করে মোর প্রাণে গো (পৃ. ২০৪)
- মোর সন্ধ্যায় তুমি সুন্দর বেশে এসেছ (পৃ. ২০৫)
- এই তো তোমার আলোকধেনু (পৃ. ২০৫)
- যদি প্রেম দিলে না প্রাণে (পৃ. ২০৬)
- মহারাজ, একি সাজে এলে (পৃ. ২০৬)
- হৃদয়-শশী হৃদিগগনে (পৃ. ২০৬)
- আমারে দিই তোমার হাতে (পৃ. ২০৭)
- কে গো অন্তরতর সে (পৃ. ২০৭)
- এই যে তোমার প্রেম ওগো (পৃ. ২০৭)
- তোমারি মধুর রূপে (পৃ. ২০৮)
- লহো লহো তুলে লহো নীরব বীণাখানি (পৃ. ২০৮)
- ডাকিল মোরে জাগার সাথি (পৃ. ২০৯)
- ওহে সুন্দর, মরি মরি (পৃ. ২০৯)
- তোমায় চেয়ে আছি বসে (পৃ. ২১০)
- তুমি সুন্দর, যৌবনঘন (পৃ. ২১০)
- ওই মরণের সাগরপারে (পৃ. ২১০)
- ওগো সুন্দর, একদা কী জানি (একদা কী জানি (পৃ. ২১১)
- রুদ্রবেশে কেমন খেলা (পৃ. ২১১)
- জাগে নাথ জোছনারাতে (পৃ. ২১১)
- সুন্দর বহে আনন্দ-মানিল (পৃ. ২১২)
- চিরদিবস নব মাধুরী, নব শোভা (পৃ. ২১২)
- এ কী লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ (পৃ. ২১২)
- আজি হেরি সংসার অমৃতময় (পৃ. ২১৩)
- প্রভাতে বিমল আনন্দে (পৃ. ২১৩)
- এ কী সুগন্ধহিল্লোল বহিল (পৃ. ২১৩)
- এ কী এ সুন্দর শোভা (পৃ. ২১৪)
- মধুর রূপে বিরাজো হে বিশ্বরাজ (পৃ. ২১৪)
- রহি রহি আনন্দতরঙ্গ জাগে (পৃ. ২১৪)
- আমি কান পেতে রই আমার আপন (পৃ. ২১৫)
- আমি তারেই খুজে বেড়াই (পৃ. ২১৫)
- সে যে মনের মানুষ, কেন তারে (পৃ. ২১৫)
- আমার প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে (পৃ. ২১৬)
- আমার মন যখন জাগলি না রে (পৃ. ২১৬)
- আমি তারেই জানি তারেই জানি (পৃ. ২১৭)
- জানি জানি তোমার প্রেমে সকল প্রেমের (পৃ. ২১৭)
- তোমার খোলা হাওয়া লাগিয়ে পালে (পৃ. ২১৭)
- আমি যখন ছিলেম অন্ধ (পৃ. ২১৮)
- আমারে পাড়ায় পাড়ায় খেপিয়ে বেড়ায় (পৃ. ২১৮)
- মন রে ওরে মন (পৃ. ২১৮)
- কোন আলোতে প্রাণের (পৃ. ২১৯)
- আমারে কে নিবি ভাই (পৃ. ২১৯)
- আমার এই পথ-চাওয়াতেই আনন্দ (পৃ. ২২০)
- হাওয়া লাগে গানের পালে (পৃ. ২২০)
- পথ দিয়ে কে যায় গো চলে (পৃ. ২২১)
- এই আসা-যাওয়ার খেয়ার কুলে (পৃ. ২২১)
- আমার আর হবে না দেরি (পৃ. ২২১)
- পান্থ তুমি, পান্থজনের সখা হে (পৃ. ২২২)
- ওগো পথের সাথি, নমি বারম্বার (পৃ. ২২২)
- অশ্রুনদীর সুদূর পারে (পৃ. ২২৩)
- পথিক হে, ওই-যে চলে (পৃ. ২২৩)
- এবার রঙিয়ে গেল হৃদয়গগন (পৃ. ২২৩)
- হার মানালে গো, ভাঙিলে অভিমান (পৃ. ২২৪)
- আমার পথে পথে পাথর ছড়ানো (পৃ. ২২৪)
- তুমি হঠাৎ-হাওয়ায় ভেসে-আসা ধন (পৃ. ২২৫)
- পথে চলে যেতে যেতে (পৃ. ২২৫)
- আমার ভাঙা পথের রাঙা ধুলায় (পৃ. ২২৫)
- পাতার ভেলা ভাসাই নীরে (পৃ. ২২৬)
- আমাদের খেপিয়ে বেড়ায় যে (পৃ. ২২৬)
- চলি গো, চলি গো, যাই গো চলে (পৃ. ২২৬)
- এখন আমার সময় হল (পৃ. ২২৭)
- ওরে পথিক, ওরে প্রেমিক (পৃ. ২২৭)
- মোর পথিকেরে বুঝি এনেছ এবার (পৃ. ২২৮)
- ছিন্ন পাতার সাজাই তরণী (পৃ. ২২৮)
- না রে, না রে, হবে না তোর স্বর্গসাধন (পৃ. ২২৮)
- আপনি আমার কোনখানে (পৃ. ২২৯)
- পথ এখনো শেষ হল না (পৃ. ২২৯)
- যা পেয়েছি প্রথম দিনে (পৃ. ২২৯)
- জয় জয় পরমা নিষ্কৃতি হে (পৃ. ২৩০)
- আঁধার রাতে একলা পাগল (পৃ. ২৩০)
- মরণের মুখে রেখে (পৃ. ২৩১)
- রজনীর শেষ তারা (পৃ. ২৩১)
- কোন্ খেলা যে খেলব কখন (পৃ. ২৩১)
- অচেনাকে ভয় কী আমার ওরে (পৃ. ২৩২)
- আবার যদি ইচ্ছা কর (পৃ. ২৩২)
- পুষ্প দিয়ে মার’ যারে (পৃ. ২৩২)
- মেঘ বলেছে যাব যাব (পৃ. ২৩৩)
- জানি গো, দিন যাবে (পৃ. ২৩৩)
- অল্প লইয়া থাকি তাই মোর (পৃ. ২৩৪)
- তোমার অসীমে প্রাণমন লয়ে (পৃ. ২৩৪)
- আমি আছি তোমার সভার দুয়ারদেশে (পৃ. ২৩৪)
- পেয়েছি ছুটি, বিদায় (পৃ. ২৩৫)
- আমার যাবার বেলাতে (পৃ. ২৩৫)
- আঁধার এল ব’লে (পৃ. ২৩৬)
- দিন যদি হল অবসান (পৃ. ২৩৬)
- তোমার হাতের অরুণলেখা (পৃ. ২৩৬)
- দিনের বেলায় বাঁশি তোমার (পৃ. ২৩৭)
- মধুর, তোমার শেষ যে না পাই (পৃ. ২৩৭)
- দিন অবসান হল (পৃ. ২৩৮)
- শেষ নাহি যে, শেষ কথা কে (পৃ. ২৩৮)
- রূপসাগরে ডুব দিয়েছি (পৃ. ২৩৮)
- কেন রে এই দুয়ারটুকু পার হতে সংশয় (পৃ. ২৩৯)
- জয় ভৈরব, জয় শঙ্কর (পৃ. ২৩৯)
- আগুনে হল আগুনময় (পৃ. ২৩৯)
- ওরে আগুন আমার ভাই (পৃ. ২৪০)
- দুঃখ যে তোের নয় রে চিরন্তন (পৃ. ২৪০)
- মরণসাগরপারে তোমরা অমর (পৃ. ২৪০)
- যেতে যদি হয় হবে (পৃ. ২৪১)
- পথের শেষ কোথায় (পৃ. ২৪২)
- যাত্রাবেলায় ক্ষুদ্র রবে (পৃ. ২৪২)
- আজকে মোরে বোলো না কাজ করতে (পৃ. ২৪২)