বিষয়বস্তুতে চলুন

গীতিমাল্য (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

উইকিসংকলন থেকে

গীতিমাল্য
গীতিমাল্য
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বিশ্বভারতী-গ্রন্থালয়
২ বঙ্কিম চাটুজ্যে স্ট্রীট, কলিকাতা

প্রকাশ ১৯১৪
পুনমুদ্রণ ১৯১৭ এপ্রিল, ১৯২০ নভেম্বর, ১৯২৬ আগস্ট
১৯৪৬ জুলাই
দুই টাকা
প্রকাশক শ্রীপুলিনবিহারী সেন
বিশ্বভারতী, ৬।৩ দ্বারকানাথ ঠাকুর লেন, কলিকাতা


মুদ্রাকর শ্রীসূর্যনারায়ণ ভট্টাচার্য
তাপসী প্রেস, ৩০ কর্নওআলিস স্ট্রীট, কলিকাতা

'প্রথম ছত্রের সূচী

অনেক কালের যাত্রা আমার
  
২৫
অসীম ধন তো আছে তোমার
  
৪৮
আকাশে দুই হাতে প্রেম বিলায় ওকে
  
১২৯
আজ জ্যোৎস্নারাতে সবাই গেছে বনে
  
১০৭
আজ প্রথম ফুলের পাব প্রসাদখানি
  
আজ ফুল ফুটেছে মোর আসনের ডাইনে বাঁয়ে
  
১৩০
আজিকে এই সকালবেলাতে
  
৪১
আপনাকে এই জানা আমার
  
১০৫
আমায় বাঁধবে যদি কাজের ডোরে
  
১১১
আমায় ভুলতে দিতে নাইকো তোমার ভয়
  
৯০
আমার এই পথ-চাওয়াতেই আনন্দ
  
১১
আমার কণ্ঠ তাঁরে ডাকে
  
৬৫
আমার প্রাণের মাঝে যেমন ক'রে
  
১৩১
আমার বাণী আমার প্রাণে লাগে
  
৯৯
আমার ব্যথা যখন আনে আমায়
  
৮৩
আমার ভাঙা পথের রাঙা ধুলায়
  
৮২
আমার মুখের কথা তোমার নাম দিয়ে দাও ধুয়ে
  
৬০
আমার যে আসে কাছে, যে যায় চলে দূরে
  
৬২
আমার যে সব দিতে হবে, সে তো আমি জানি
  
১২২
আমার সকল কাঁটা ধন্য ক'রে
  
৬৬
আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে
  
১১৩
আমারে তুমি অশেষ করেছ
  
৩৭
আমারে দিই তোমার হাতে
  
৯৬
আমি আমায় করব বড়ো
  
২৭
আমি হাল ছাড়লে তবে
  
১০
আরো চাই যে, আরো চাই গো
  
৯৭
এ মণিহার আমায় নাহি সাজে
  
৪৯
এই আসা-যাওয়ার খেয়ার কূলে
  
৯৩
এই তো তোমার আলোক-ধেনু
  
১২৪
এই দুয়ারটি খোলা
  
২০
এই যে এরা আঙিনাতে
  
২৩
এই লভিনু সঙ্গ তব
  
১২৩
এখনো ঘোর ভাঙে না তোর যে
  
৩১
এত আলো জ্বালিয়েছ এই গগনে
  
৮৫
এবার তোরা আমার যাবার বেলাতে
  
৩৫
এবার ভাসিয়ে দিতে হবে আমার এই তরী
  
২৯
এমনি করে ঘুরিব দূরে বাহিরে
  
৩৯
এরে ভিখারি সাজায়ে কী রঙ্গ তুমি করিলে
  
১২৭
ওগো পথিক, দিনের শেষে
  
১৮
ওগো শেফালি-বনের মনের কামনা
  
ওদের কথায় ধাঁদা লাগে
  
৯২
ওদের সাথে মেলাও, যারা
  
১০৮
কতদিন যে তুমি আমায়
  
৭৩
কার হাতে এই মালা তোমার পাঠালে
  
৮৪
কে গো অন্তরতর সে
  
৩৬
কে গো তুমি বিদেশী
  
১৫
কেন চোখের জলে ভিজিয়ে দিলেম না
  
১১২
কেন তোমরা আমায় ডাক
  
১১৫
কে নিবি গো কিনে আমায়, কে নিবি গো কিনে
  
৪৫
কেবল থাকিস স’রে স’রে
  
৬৩
কোলাহল তো বারণ হল
  
১২
গান গেয়ে কে জানায় আপন বেদনা
  
১২৬
গাব তোমার সুরে
  
৬৭
চরণ ধরিতে দিয়ো গো আমারে
  
১২৫
জানি গো দিন যাবে
  
৫৫
জানি নাই গো সাধন তোমার বলে কারে
  
৯১
জীবন আমার চলছে যেমন
  
৯৪
জীবন যখন ছিল ফুলের মতো
  
৫২
জীবন-স্রোতে ঢেউয়ের 'পরে
  
৭২
ঝড়ে যায় উড়ে যায় গো
  
৩৩
তব রবিকর আসে কর বাড়াইয়া
  
৪৩
তার অন্ত নাই গো যে আনন্দে গড়া আমার অঙ্গ
  
১২০
তুমি আমার আঙিনাতে ফুটিয়ে রাখ ফুল
  
১২১
তুমি একটু কেবল বসতে দিয়ো কাছে
  
৩৪
তুমি জান, ওগো অন্তর্যামী
  
৭৮
তুমি যে এসেছ মোর ভবনে
  
১০৪
তুমি যে চেয়ে আছ আকাশ ভ'রে
  
১০০
তুমি যে সুরের আগুন লাগিয়ে দিলে মোর প্রাণে
  
১১০
তোমায় আমায় মিলন হবে ব'লে
  
৭১
তোমার আনন্দ ঐ এল দ্বারে
  
১১৯
তোমার কাছে শান্তি চাব না
  
৮৮
তোমার পূজার ছলে তোমায় ভুলেই থাকি
  
১০১
তোমার মাঝে আমারে পথ ভুলিয়ে দাও গো
  
১১৮
তোমারি নাম বলব নানা ছলে
  
৪৭
দাঁড়িয়ে আছ তুমি আমার গানের ওপারে
  
৮৯
নয় এ মধুর খেলা
  
৫৭
নামহারা এই নদীর পারে
  
১৩
নিত্য তোমার যে ফুল ফোটে ফুল-বনে
  
৫৯
পেয়েছি ছুটি, বিদায় দেহো, ভাই
  
৪০
প্রভু, তোমার বীণা যেমনি বাজে
  
৬৯
প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে
  
৪২
প্রাণে খুশির তুফান উঠেছে
  
৫১
প্রাণে গান নাই, মিছে তাই ফিরিনু যে
  
১১৪
বল তো এই বারের মতো
  
১০৬
বসন্তে আজ ধরার চিত্ত হল উতলা
  
৭৪
বাজাও আমারে বাজাও
  
৫৪
বেসুর বাজে রে
  
৭৭
ভাগ্যে আমি পথ হারালেম
  
ভেলার মতো বুকে টানি
  
৫৩
ভোরের বেলায় কখন এসে
  
৫০
মিথ্যা আমি কী সন্ধানে
  
৮১
মোর প্রভাতের এই প্রথমখনের
  
১১৭
মোর সন্ধ্যায় তুমি সুন্দরবেশে এসেছ
  
১৩২
যদি জানতেম আমার কিসের ব্যথা
  
৭৬
যদি প্রেম দিলে না প্রাণে
  
৫৮
যেদিন ফুটল কমল কিছুই জানি নাই
  
৩০
যে রাতে মোর দুয়ারগুলি ভাঙল ঝড়ে
  
৮৬
রাজপুরীতে বাজায় বাঁশি
  
৮০
রাত্রি এসে যেথায় মেশে
  
লুকিয়ে আস আঁধার রাতে
  
৬৪
শ্রাবণের ধারার মতো পড়ুক ঝরে, পড়ুক ঝরে
  
৮৭
সকল দাবি ছাড়বি যখন
  
৭৯
সকাল-সাঁজে
  
১০৯
সন্ধ্যা হল গো
  
১২৮
সভায় তোমার বাকি সবার শাসনে
  
৭৫
সুন্দর বটে তব অঙ্গদখানি
  
৪৪
সেদিনে আপদ আমার যাবে কেটে
  
১১৬
স্থিরনয়নে তাকিয়ে আছি
  
হাওয়া লাগে গানের পালে
  
৯৫
হার-মানা হার পরাব তোমার গলে
  
৩৮
হে অন্তরের ধন
  
১০৩

পরিচ্ছেদসমূহ (মূল গ্রন্থে নেই)

সূচীপত্র

গীতিমাল্য

১১৯ পৃ ২ ছত্রে পুরবাসা স্থলে পূরবাসী হইবে।

এই লেখাটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাবলিক ডোমেইনে অন্তর্গত কারণ এটি ১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দের ১লা জানুয়ারির পূর্বে প্রকাশিত।


লেখক ১৯৪১ সালে মারা গেছেন, তাই এই লেখাটি সেই সমস্ত দেশে পাবলিক ডোমেইনে অন্তর্গত যেখানে কপিরাইট লেখকের মৃত্যুর ৮০ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকে। এই রচনাটি সেই সমস্ত দেশেও পাবলিক ডোমেইনে অন্তর্গত হতে পারে যেখানে নিজ দেশে প্রকাশনার ক্ষেত্রে প্রলম্বিত কপিরাইট থাকলেও বিদেশী রচনার জন্য স্বল্প সময়ের নিয়ম প্রযোজ্য হয়।