বিষয়বস্তুতে চলুন

গুপি গাইন ও বাঘা বাইন

উইকিসংকলন থেকে

গুপি গাইন ও বাঘা বাইন

গুপি

গাইন

বাঘা

বাইন


উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

গুপি

গাইন

বাঘা

বাইন


ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোং

প্রাইভেট লিমিটেড

৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোড, কলিকাতা-৭

উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী জন্মশতবর্ষ-পূর্তি উপলক্ষ্যে

প্রথম প্রকাশ : ৭ই ভাদ্র, ১৮৮৫ শকাব্দ


প্রচ্ছদশিল্পী : শ্রীসত্যজিৎ রায়


প্রকাশক শ্রীজিতেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোড, কলিকাতা-৭

মুদ্রাকর শ্রীকার্তিকচন্দ্র পাণ্ডা : মুদ্রণী

৭১, কৈলাস বসু স্ট্রীট, কলিকাতা-১

তিন টাকা পঞ্চাশ নয়া পয়সা

ভূমিকা

 পঞ্চাশ বছর আগে লেখা এই বারোটি গল্প। কিন্তু এরা সব দেশের, সব কালের, সকলের জন্যে। যে ভাষাতে এদের অনুবাদ করা যাক না কেন আর ছেলেই পড়ুক কি বুড়োই পড়ুক, রস এতটুকু কমবে না, কারণ সে রস হল আনন্দের রস, মানুষমাত্রেই যার উত্তরাধিকারী।

 গল্পগুলির ভাষা জলের মতো চিকণ, ভাব আলোর মতো পরিষ্কার। জল আর আলো ছাড়া প্রাণ যে বাঁচে না, সে-কথা গল্পগুলির রচয়িতা জানতেন। কাল্পনিক হলেও এসব কাহিনীতে মানুষের প্রাণের কথাই আছে।

 এসব গল্প রচয়িতার একেবারে মনগড়াও নয়। পৃথিবীর অনেক দেশেই এ ধরণের গল্পের চল আছে, তাই এদের মধ্যে এমন একটা কোমল সার্ব্বজনীন ভাব থেকে গেছে। ঘটনাগুলো যে-কোন দেশের হতে পারত; গল্পের মধ্যে যে সুখদুঃখের কথা আছে, তাও যে-কোন দেশের লোকে পেতে পারত।

 লেখকের নাম উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী। ১৯১৩ থেকে ১৯১৫ সালের মধ্যে এই গল্পগুলি “সন্দেশ” পত্রিকাতে বেরিয়েছিল। ১৯১৫ সালে মাত্র ৫২ বছর বয়সে উপেন্দ্রকিশোর পরলোক গমন করেন। বেঁচে থাকলে এ বছর তাঁর একশো বছর বয়স হত। সেই শত-বর্ষ-পূর্তি উপলক্ষ্যে এই বই প্রকাশিত হল, প্রথম পাঠকরা যে আনন্দ পেয়েছিল, এখনকার পাঠকরাও সেই আনন্দ পাবে, এই আশায়।

লীলা মজুমদার 

১৬
১৯
২৪
৩০
৩৪
৩৭
৪৪
৫৫
৬২
৬৬

এই লেখাটি বর্তমানে পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত কারণ এটির উৎসস্থল ভারত এবং ভারতীয় কপিরাইট আইন, ১৯৫৭ অনুসারে এর কপিরাইট মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে। লেখকের মৃত্যুর ৬০ বছর পর (স্বনামে ও জীবদ্দশায় প্রকাশিত) বা প্রথম প্রকাশের ৬০ বছর পর (বেনামে বা ছদ্মনামে এবং মরণোত্তর প্রকাশিত) পঞ্জিকাবর্ষের সূচনা থেকে তাঁর সকল রচনার কপিরাইটের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়। অর্থাৎ ২০২৬ সালে, ১ জানুয়ারি ১৯৬৬ সালের পূর্বে প্রকাশিত (বা পূর্বে মৃত লেখকের) সকল রচনা পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত হবে।