গৌরী (যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত, ১৯২২)
গৌরী
শ্রীযতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত
গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স্
২০১ ও ২০৩।১।১ কর্ণওয়ালিস্ ষ্ট্রীট্ কলিকাতা
১৯২২
উৎসর্গ পত্র
এক আশ্বিনের প্রথম দিনে তুই যখন এলি, তখন আকাশ শরতের নির্ম্মল আলোয় হাস্ছিল; বাতাস শেফালির কোমল গন্ধ বহন করে আন্ছিল; আর চারিদিক্কার প্রকৃতির বুকের উপর শারদ-লক্ষ্মীর চরণ-পদ্মের ছাপ লেগে শুভ সূচিত হচ্ছিল! তার পরই কার্ত্তিকের এক ঝড়বাদলের রেতে তুই চলে গেলি, গৌরী!
বিচিত্র দুনিয়ার সবাই আজ তোকে ভুলে গেছে; কিন্তু তোর সেই যাওয়ার সময়কার অস্ফুট কাকুতি, আর তোর বেদনায় ম্লান দুই চোখের অসহায় কাতর দৃষ্টিটুকু, আমি যে এতদিনেও কোনও মতেই ভুলতে পার্লাম না।
সে কি, ওরে, মানুষ কত বড় অসহায়, আর কত ক্ষুদ্র, তুচ্ছ তা’র শক্তি, এই সব চেয়ে বড় সত্য কথাটা জানিয়ে দিয়ে গিয়েছিলি বলেই?
সেনহাটী, |
পরিচ্ছেদ (মূল গ্রন্থে নেই)
সূচীপত্র
এই লেখাটি বর্তমানে পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত কারণ এটির উৎসস্থল ভারত এবং ভারতীয় কপিরাইট আইন, ১৯৫৭ অনুসারে এর কপিরাইট মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে। লেখকের মৃত্যুর ৬০ বছর পর (স্বনামে ও জীবদ্দশায় প্রকাশিত) বা প্রথম প্রকাশের ৬০ বছর পর (বেনামে বা ছদ্মনামে এবং মরণোত্তর প্রকাশিত) পঞ্জিকাবর্ষের সূচনা থেকে তাঁর সকল রচনার কপিরাইটের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়। অর্থাৎ ২০২৬ সালে, ১ জানুয়ারি ১৯৬৬ সালের পূর্বে প্রকাশিত (বা পূর্বে মৃত লেখকের) সকল রচনা পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত হবে।
