বিষয়বস্তুতে চলুন

চরিত-কথা (রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী)

উইকিসংকলন থেকে

চরিত-কথা

শ্রীরামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী এম্‌. এ.

প্রণীত

মূল্য ৷৷৴৹ দশ আনা মাত্র

কলিকাতা, ৯১।২ মেছুয়াবাজার ষ্ট্রীট, “নববিভাকর যন্ত্রে”
শ্রীগোপালচন্দ্র নিয়োগী কর্ত্তৃক মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
১৩২০

সূচী

বিষয়
পৃষ্ঠ
(সাহিত্য, ভাদ্র ১৩০৩)
(বঙ্গদর্শন, পৌষ, ১৩১৩)
২৩
(বঙ্গদর্শন, ফাল্গুন, ১৩১১)
৪৩
(সাহিত্য, চৈত্র, ১৩০১)
৪৭
(ভারতী, মাঘ, ১৩৩৭)
৬০
(সাহিত্য, মাঘ, ১৩০৫)
৭০
(সাহিত্য, জ্যৈষ্ঠ, ১৩০৭)
৮৪
(সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিকা, সপ্তম ভাগ)
৯০
৯৭

নিবেদন

 এই পুস্তকের অন্তর্গত প্রবন্ধগুলির মধ্যে কয়েকটি প্রকাশ্য সভায় পঠিত হইয়াছিল। বিদ্যাসাগর মহাশয়ের চরিতকথা ১৩০৩ সালের ১৩ই শ্রাবণ এমেরাল্ড থিয়েটারে বিদ্যাসাগর ইনষ্টিটুট কর্ত্তৃক আহূত স্মৃতিসভায় পঠিত হয়। মাননীয় শ্রীযুক্ত নীলাম্বর মুখোপাধ্যায় মহাশয় ঐ সভায় সভাপতি ছিলেন। ১৩১২ সালের ২৬শে চৈত্র তারিখে ক্লাসিক থিয়েটারে আহূত সভায় বঙ্কিমবাবুর চরিতকথা পাঠ করি। শ্রীযুক্ত সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর ঐ সভায় সভাপতির আসন গ্রহণ করিয়াছিলেন। মহর্ষি দেবেন্দ্র নাথের তিরোভাবের কিছু দিন পরে বঙ্গীয়-সাহিত্য-পরিষৎ জেনেরাল এ্যাসেম্‌ব্লিস কলেজের হলে যে শোক-সভা আহ্বান করেন, তাহাতে তাঁহার সম্বন্ধে ক্ষুদ্র প্রবন্ধটি পঠিত হয়। অধ্যাপক মক্ষমূলর ও রজনীকান্ত গুপ্ত সম্বন্ধে প্রথম প্রবন্ধ, এই দুইটিও তাঁহাদের মৃত্যুর পর সাহিত্য-পরিষদের বিশেষ অধিবেশনে পড়িয়াছিলাম। অবশিষ্ট প্রবন্ধ কয়টি কোন সভায় পঠিত হয় নাই।

 বলেন্দ্রনাথের মৃত্যুর পর প্রকাশিত তদীয় গ্রন্থাবলীর ভূমিকা আমাকে লিখিতে হইয়াছিল; ঐ ভূমিকাটিও এই সংগ্রহগুলির মধ্যে সন্নিবিষ্ট করিলাম।

 বিদ্যাসাগর মহাশয় ও বঙ্কিমচন্দ্র সম্বন্ধে প্রবন্ধ দুইটির কিয়দংশ বর্জ্জন করিয়াছি। অন্য প্রবন্ধগুলিতে বিশেষ পরিবর্ত্তন করি নাই।

 কোন্ প্রবন্ধ কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হইয়াছিল, সূচীপত্রে তাহার উল্লেখ থাকিল।

কলিকাতা—৫ই ভাদ্র   শ্রীরামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী

১৩২০

এই লেখাটি ১ জানুয়ারি ১৯৩১ সালের পূর্বে প্রকাশিত এবং বিশ্বব্যাপী পাবলিক ডোমেইনের অন্তর্ভুক্ত, কারণ উক্ত লেখকের মৃত্যুর পর কমপক্ষে ১০০ বছর অতিবাহিত হয়েছে অথবা লেখাটি ১০০ বছর আগে প্রকাশিত হয়েছে ।