বিষয়বস্তুতে চলুন

ছন্দের টুংটাং

উইকিসংকলন থেকে

ছন্দের টুংটাং

শ্রী সুনির্ম্মল বসু

প্রকাশক— শ্রীহেমচন্দ্র বাগচী, এম্-এ
 বাগচী এণ্ড সন্স্
২০৩।২, কর্ণওয়ালিস্ স্ট্রীট, কলিকাতা

গ্রন্থস্বত্ব প্রকাশকের

ফাল্গুন, ১৩৩৬

প্রিণ্টার— শ্রীশশধর ভট্টাচার্য্য
 ‘মাসপয়লা’ প্রেস 
৩০, ওয়েলিংটন স্ট্রীট, কলিকাতা
দাম আট আনা]

দু’টি কথা

 সুনির্ম্মল বাবুর এ বইখানি নূতন। নূতন বা’র হ’ল ব’লে নয়— বইখানি নূতন ধরণে লেখা। ছন্দ ধ’রবার ক্ষমতা থাকলে, ছেলেমেয়েরা যে কত শীঘ্র ছন্দকে আয়ত্ত করতে পারবে, সুনির্ম্মল বাবু নানা দিক্ দিয়ে বইখানিতে তা’রই পরিচয় দিয়েছেন। নানা রকমের ছন্দ নিয়ে পরীক্ষা কর‍্তে কর‍্তে তিনি তাঁর স্বভাবসিদ্ধ শব্দের ছবি আঁক‍্‌বার শক্তিকে ব্যর্থ হ’তে দেন নি—শীতের সাঁওতালী গ্রাম, বুনো গাছপালা, ভরা গাঙ চিরদিনকার জানা সহরের দুপুরবেলাকার রাস্তা, ফেরীওয়ালা, পাখীর কল-কাকলী—এ সবই তাঁ’র হাতে বেশ স্পষ্ট হ’য়ে ফুটে উঠেছে।

 শব্দ ও ছন্দ-চিত্রের সঙ্গে সঙ্গেই কবির নিজের আঁকা রেখা-চিত্রগুলি আশা করি ছেলেমেয়েদের আনন্দ দিতে পারবে।

 মলাটের ছবিখানি শিল্পী শ্রীযুক্ত অখিল নিয়োগীর আঁকা।

শ্রীহেমচন্দ্র বাগচী 

পরিচ্ছেদ (মূল গ্রন্থে নেই)

সূচীপত্র

এই লেখাটি বর্তমানে পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত কারণ এটির উৎসস্থল ভারত এবং ভারতীয় কপিরাইট আইন, ১৯৫৭ অনুসারে এর কপিরাইট মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে। লেখকের মৃত্যুর ৬০ বছর পর (স্বনামে ও জীবদ্দশায় প্রকাশিত) বা প্রথম প্রকাশের ৬০ বছর পর (বেনামে বা ছদ্মনামে এবং মরণোত্তর প্রকাশিত) পঞ্জিকাবর্ষের সূচনা থেকে তাঁর সকল রচনার কপিরাইটের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়। অর্থাৎ ২০২৬ সালে, ১ জানুয়ারি ১৯৬৬ সালের পূর্বে প্রকাশিত (বা পূর্বে মৃত লেখকের) সকল রচনা পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত হবে।