নটরাজ ঋতুরঙ্গশালা

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

২) in JVDస్త్రఙL oxo~& SSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSS SLS SSSSAAAASSSS S SCS SCS SCS SCS CS S SAASAASAASAASAASAAAS AVJ/2. ΣΕSΕΞΞΞ | | | | | ལམ་ལམ་འཚོ་སོག་མ་ཆོབ་ཆོ་གས་ཚང་ནྀ།། 哥 北 軸 /त्त्ळ) S-S-N==wQQ...7/r.....................DJ A Z ΣΤΙΓΥΝΤΙΝ بعد مصصمين | صفيحضجيجكا বিশেষ সংস্করণ। জীননালাল বস্তু-বিচিত্রিত ফাল্গুন ১৩৮৯ ; ১৮৯৫ শক ് ി സ്പെ റ്റ് സ് 3% θα είνγξr ് ിയ്ക് ് -6 ഡ്യു റ്റ് ിൽ κκή% ξένηു * ് സ്സു ീസ്പൂ ുത്ത്്ങു ് ി ആ ു :്റ്റ് এই ৫৫ % «গ দিতে পরিপে ങു ിഞ്ഞ് ു ിiാ ീണ്ടു് ന്റ് ു 'റ'ി'അണ്ട്?

  • திரடி θα κwsr ெேy, Errவு இrl അ?ിഞ്ഞ് ക്ലിക്റ്റ്

ഴ്സു ή κομπανί Φό சிாகி I ותיf 3מ* 968yffa. () 火狐 雀 "χηγαήίκαιος, σήίσης 32, గణోగ్హ34?ళ? ஜே. ஜின்ன்ர்ே. గ్హభ్మగూఢ এশিয় গঠি", " "; ക്ലി(rു ു് സ്റ്റേറ്റ് ே ് ദ്രു:്` δόρ υδρή αήίύκδή όδηγΥί পত্নগের এসে দে (৭ x9%াণ ്ഭ്ജ്ഡ്ല ধ৫৫ংগভেদ দতি করে দিnেদ! Man ??(a3:333 ஒ மரிலw E* இை శిఖ్రా క్రై గశీ??அதிகரிஜி ു উদ্বোধন মন্দিরার মন্দ্র তব বক্ষে আজি বাজে, নটরাজ, মৃত্যমদে মত্ত করে, ভাঙে চিন্তা, ভাঙে শঙ্কা লাজ, তুচ্ছ করে সম্মানের অভিমান, চিত্ত টেনে আনে বিশ্বের প্রাঙ্গণতলে তব মৃত্যচ্ছন্দের সন্ধানে। মুক্তির প্রয়াসী আমি, শাস্ত্রের জটিল তর্কজালে যৌবন হয়েছে বন্দী বাক্যের দুর্গের অন্তরালে ; স্বচ্ছ আলোকের পথ রুদ্ধ করি ক্ষুব্ধ শুষ্ক ধূলি আবৰ্ত্তিয় উঠে প্রাণে অন্ধতার জয়ধ্বজ তুলি চতুর্দিকে। নটরাজ, তুমি আজ করগো উদ্ধার দুঃসাহসী যৌবনেরে, পদে পদে পড়ুক তোমার চঞ্চল চরণ ভঙ্গী, রঙ্গেশ্বর, সকল বন্ধনে উত্তাল নৃত্যের বেগে,—যে-নৃত্যের অশান্ত স্পন্দনে ধূলিবন্দিশালা হতে মুক্তি পায় নব-শম্পদল ; পুলকে কম্পিত হয় প্রাণের দুরন্ত কৌতূহল, "ণলা আপনারে সন্ধানিতে ছুটে যায় দূর কাল পানে, দুৰ্গম দেশের পথে, জন্ম মরণের তালে তানে, স্বষ্টির রহস্যদ্বারে নৃত্যের আঘাত নিত্য হানে ; যে-নৃত্যের আন্দোলনে মরুর পঞ্জরে কম্প আনে, ক্ষুব্ধ হয় শুষ্কতার সজ্জাহীন লজ্জাহীন শাদী, উচ্ছিন্ন করিতে চায় জড়ত্বের রুদ্ধ-বাক্ বাধা, বন্ধ্যতার অন্ধ দুঃশাসন ; শ্যামলের সাধনাতে দীক্ষা ভিক্ষা করে মরু তব পায়ে; যে-নৃত্য আঘাতে বহ্নিবাষ্প সরোবরে উৰ্ম্মি জাগে প্রচণ্ড চঞ্চল, অতল আবর্তবক্ষে গ্রহ-নক্ষত্রের শতদল প্রস্ফুটিয়া স্বরে নিত্যকাল ; ধূমকেতু অকস্মাৎ উড়ায় উত্তরী হাস্তবেগে, করে ক্ষিপ্ৰ পদ-পাত তোমার ডম্বরুতালে, পূজা-নৃত্য করি দেয় সারা সূর্য্যের মন্দির-সিংহদ্বারে, চলে যায় লক্ষ্যহার গৃহশূন্য পান্থ উদাসীন। নটরাজ, আমি তব কবি-শিষ্য, নাটের অঙ্গনে তব মুক্তি-মন্ত্র ল'ব। তোমার তাণ্ডব-তালে কৰ্ম্মের বন্ধন-গ্রস্থিগুলি ছন্দবেগে স্পন্দমান পাকে পাকে সদ্য যাবে খুলি ; সৰ্ব্ব অমঙ্গল-সপ হীনদপ অবনম্র ফণা আন্দোলিবে শান্ত-লয়ে। இ-இ-3 * ri চ_@_ৰ্ব্ব প্রভু, এই আমার বন্দনা নৃত্যগানে অৰ্পিব চরণতলে, তুমি মোর গুরু, আজিকে আনন্দে ভয়ে বক্ষ মোর করে দুরু দুরু । পূর্ণচন্দ্রে লিপি তব, হে পূর্ণ, পাঠালে নিমন্ত্রণে বসন্তদোলের নৃত্যে, দক্ষিণ-বায়ুর আলিঙ্গনে, মল্লিকার গন্ধোল্লাসে, কিংশুকের দীপ্ত রক্তাংশুকে, বকুলের মত্ততায়, অশোকের দোদুল কৌতুকে, বেণুবনবীথিকার নিরন্তর মৰ্ম্মরে কম্পনে ইঙ্গিতে ভঙ্গীতে, আম্রমঞ্জরীর সর্বত্যাগপণে, পলাশের গরিমায় । অবসাদে যেন অন্যমনে তাল ভঙ্গ নাহি করি, তব নামে আমার আহবান জড়ের স্তব্ধতা ভেদি উৎসারিত ক’রে দিক্ গান ! আমার আহবান যেন অভ্রভেদী তব জটা হ'তে উত্তারি’ আনিতে পারে নিঝরিত রস-মুধা স্রোতে ধরিত্রীর তপ্ত বক্ষে নৃত্যচ্ছন্দ-মন্দাকিনী ধারা, ভস্ম যেন অগ্নি হয়, প্রাণ যেন পায় প্রাণ-হারা ॥ &క్షక চ_ক_ব্ৰ १ [न নৃত্যের তালে তালে, নটরাজ, ঘুচাও সকল বন্ধ হে। সুপ্তি ভাঙাও, চিত্তে জাগাও মুক্ত স্বরের ছন্দ হে ॥ P & 23 "ु•भन्ना তোমার চরণ-পবন-পরশে সরস্বতীর মানস-সরসে যুগে যুগে কালে কালে, স্বরে সুরে তালে তালে, ঢেউ তুলে দাও মাতিয়ে জাগাও অমল কমল গন্ধ হে ॥ নৃত্যে তোমার মুক্তির রূপ, নৃত্যে তোমার মায়া । বিশ্বতচুতে অণুতে অণুতে কাপে নৃত্যের ছায় । তোমার বিশ্ব-নাচের দোলায় বাধন পরায়, বাধন খোলায়, যুগে যুগে কালে কালে, স্বরে স্বরে তালে তালে ; অন্ত কে তার সন্ধান পায় ভাবিতে লাগায় ধন্দ হে ॥ নৃত্যের বশে সুন্দর হ’ল বিদ্রোহী পরমাণু ; পদযুগ ঘিরে জ্যোতি-মঞ্জরে বাজিল চন্দ্র ভানু । তব নৃত্যের প্রাণ-বেদনায় 懿 বিবশ বিশ্ব জাগে চেতনায়, SS *ै**मना যুগে যুগে কালে কালে স্বরে সুরে তালে তালে, মুখে দুখে হয় তরঙ্গময় তোমার পরমানন্দ হে ॥ মোর সংসারে তাণ্ডব তব, কম্পিত জটাজালে । লোকে লোকে ঘুরে এসেছি তোমার নাচের ঘূর্ণিতালে। ওগো সন্ন্যাসী, ওগো সুন্দর, ওগো শঙ্কর, হে ভয়ঙ্কর, যুগে যুগে কালে কালে, স্বরে স্বরে তালে তালে, জীবন মরণ নাচের ডমরু বাজাও জলদ-মন্দ্র হে ॥ মুক্তি-তত্ত্ব শুনতে ফিরিস তত্ত্ব-শিরোমণির পিছে ? হায়রে মিছে, হায়রে মিছে ! মুক্ত যিনি দেখুনা তারে, আয় চলে তার আপন দ্বারে, র্তার বাণী কি শুকনো পাতায় হলদে রঙে লেখেন তিনি ? মরা ডালের ঝরা ফুলের সাধন কি তার মুক্তি-কুলের ? মুক্তি কি পণ্ডিতের হাটে উক্তি-রাশির বিকি.কিনি ? এই নেমেছে চাদের হাসি এই খানে আয় মিলবি আসি, বীণার তারে তারণ-মন্ত্র শিখে নে তোর কবির কাছে । "ु•भन्ना > <> <3 আমি নটরাজের চেলা, চিত্তাকাশে দেখচি খেলা, বাধন-খোলার শিখুচি সাধন মহাকালের বিপুল নাচে । দেখুচি, ও যা’র অসীম বিত্ত সুন্দর তার ত্যাগের নৃত্য, আপনাকে তার হারিয়ে প্রকাশ আপনাতে যার আপনি আছে। যে-নটরাজ নাচের খেলায় ভিতরকে তার বাইরে ফেলায় কবির বাণী অবাক মানি তা”রি নাচের প্রসাদ যাচে । শুনবিরে আয়, কবির কাছে তরুর মুক্তি ফুলের নাচে, নদীর মুক্তি আত্মহারা নৃত্যধারার তালে তালে। রবির মুক্তি দেখ না চেয়ে আলোক-জাগার নাচন গেয়ে, তারার নৃত্যে শূন্ত গগন মুক্তি ষে পায় কালে কালে । *क्लेi०थान প্রাণের মুক্তি মৃত্যুরথে নূতন প্রাণের যাত্রা-পথে, জ্ঞানের মুক্তি সত্য সূতার নিত্য-বোনা চিন্তাজালে । আয় তবে আয় কবির সাথে মুক্তি-দোলের শুক্লরাতে, জ্বলল আলো, বাজল মৃদঙ, নটরাজের নাট্যশালে ৷ নট ইরঙ্গশালা > C< ঋতু-নৃত্য বৈশাখ ধ্যান-নিমগ্ন নীরব নগ্ন নিশ্চল তব চিত্ত ; নিঃস্ব গগনে বিশ্ব ভুবনে নিঃশেষ সব বিত্ত । রসহীন তরু, নিজঞ্জাব মরু, পবনে গর্জে রুদ্র ডমরু, ঐ চারিধার করে হাহাকার ধরা-ভাণ্ডার রিক্ত ॥ তব তপ-তাপে হের’ সবে কঁপে, দেব-লোক হ’ল ক্লান্ত । ইন্দ্রের মেঘ, নাহি তার বেগ, বরুণ করুণ শান্ত । দুদিনে আনে নির্দয় বায়ু, ংহার করে কাননের আয়ু, ভয় হয় দেখি নিখিল হবে কি জড়দানবের ভূত্য ॥ 汉丁, w সুরঙ্গশালা >_চে_ৰ্ব্ব জাগো ফুলে ফলে নব তৃণদলে তাপস, লোচন মেল’ হে। জাগো মানবের আশায় ভাষায়, নাচের চরণ ফেল' হে । জাগো ধনে ধানে, জাগো গানে গানে, জাগো সংগ্রামে, জাগো সন্ধানে, আশ্বাস-হারা উদাস পরাণে জাগাও উদার নৃত্য। ভুলেছে ছন্দ, ভালোয় মন্দ একাকার তাই হায় রে । কদৰ্য্য তাই করিছে বড়াই, ধরণী লজ্জা পায় রে। পিনাকে তোমার দাও টঙ্কার, ভীষণে মধুরে দিক ঝঙ্কার, ধূলায় মিশাক যা কিছু ধূলার, জয়ী হোক যাহা নিত্য ৷ বৈশাখ-আবাহন श्रान এসো, এসে, এসো, হে বৈশাখ । তাপস নিঃশ্বাস বায়ে মুমুঘুরে দাও উড়ায়ে, বৎসরের আবর্জন দূর হয়ে যাক । যাক পুরাতন স্মৃতি যাক ভুলে যাওয়া গীতি, অশ্রুবাম্প মুদুরে মিলাক । মুছে যাক্ সব গ্লানি, ঘুচে যাক জরা, অগ্নিস্নানে দেহে প্রাণে গুচি হোক ধরা। রসের আবেশ রাশি গুস্ক করি দাও আলি', আনে, আনে, আনো তব প্রলয়ের শাখ, মায়ার কুজৰাট-জাল বাক দূরে বাক্ ॥ ছ_ক_ৰু ব্যঞ্জন৷ শুনিতে কি পাস এই ষে খসিছে রুদ্র শূন্যে শূন্তে সন্তপ্ত নিঃশ্বাস এরি মাঝে দূরে বাজে চঞ্চলের চকিত খঞ্জনী, মাধুরীর মন্ত্রীরের মৃদুমন্দ গুঞ্জরিত ধ্বনি ? রৌদ্র-দগ্ধ তপস্যার মেীনস্তব্ধ অলক্ষ্য আড়ালে স্বপ্নে-রচ অর্চনার থালে অৰ্ঘ্য-মাল্য সাঙ্গ হয় সঙ্গোপনে সুন্দরের লাগি । মগ্ন যেথা ধেয়ানের সর্বশুষ্ক গহনে বৈরাগী, সেথা কে বুভুক্ষু আসে ভিক্ষা-অন্বেষণে ; জীর্ণ পণ-শয্যাপরে এক রহে জাগি কঠিনের শুষ্ক প্রাণে কোমলের পদস্পর্শ মাগি । *ैग्लभं०मला তাপিত আকাশে হঠাৎ নীরবে চলে’ আসে একটি করুণ ক্ষীণ স্নিগ্ধ বায়ুধারা, কে অভিসারিণী যেন পথে এসে পায় না কিনারা । অকস্মাৎ কোমলের কমলমালার স্পর্শ লেগে শাস্তের চিত্তের প্রান্ত অহেতু উদ্বেগে ভ্ৰকুটিয়া ওঠে কালো মেঘে ; বিদ্যুৎ বিচ্ছুরি’ উঠে দিগন্তের ভালে, রোমাঞ্চ-কম্পন লাগে অশ্বখের ত্রস্ত ডালে ডালে ; মুহূর্তে অম্বর বক্ষে উলঙ্গিনী শ্যাম বাজায় বৈশাখী-সন্ধ্যা-ঝঞ্জার দামামা, দিগ্বিদিকে নৃত্য করে দুর্বার ক্ৰন্দন, ছিন্ন ছিন্ন হয়ে যায় ঔদাসীন্ত কঠোর বন্ধন ॥ Ε> Φ < মাধুরীর ধ্যান গান মধ্যদিনে যবে গান Eఫస, বন্ধ করে পার্থী, So N হে রাখাল, বেণু তব ఫ్గ বাজাও একাকী। "Res 蘇袋狸盔 শান্ত প্রাস্তরের কোণে "ত্তত রুদ্র বসি তাই শোনে, * মধুরের ধ্যানাবেশে স্বপ্নমগ্ন অণখি ; হে রাখাল, বেণু যবে বাজাও একাকী ॥ a> *ै**थाना সহসা উচ্ছলি উঠে ভরিয়া আকাশ তৃষাতপ্ত বিরহের নিরুদ্ধ নিঃশ্বাস । অম্বর প্রান্তের দূরে ডম্বরু গম্ভীর সুরে জাগায় বিদ্যুৎ ছন্দে আসন্ন বৈশাখী। হে রাখাল, বেণু তত্ব বাজাও একাকী ॥ 监 轟 | | তপের তাপের বাধন কাটুক্‌ রসের বর্ষণে, হৃদয় আমার, গুমিল-বঁধুর করুণ স্পর্শ নে। অঝোর-ঝরণ শ্রাবণ জলে, তিমির-মেদুর বনাঞ্চলে ফুটুক্‌ সোনার কদম্ব-ফুল নিবিড় হর্ষণে ॥ ভরুকৃ গগন, ভরুকু কানন, ভরুকু নিখিল ধরা, দেখুক ভুবন মিলন স্বপন । মধুর বেদন-ভরা । পরাণ-ভরানো ঘন ছায়াজাল مره - کلاه বাহির আকাশ করুক আড়াল, >~ নয়ন ভুলুক, বিজুলি ঝলুক্‌ (o পরম-দর্শনে ॥ ওগো সন্ন্যাসী, কী গান ঘনালো মনে । গুরু গুরু গুরু নাচের ডমরু বাজিলো ক্ষণে ক্ষণে ॥ তোমার ললাটে জটিল জটার ভার নেমে নেমে আজি পড়িছে বারম্বার, বাদল আঁধার মাতালো তোমার হিয়া, বঁাকা বিদ্যুৎ চোখে উঠে চমকিয়া । চির জনমের শ্যামলী তোমার প্রিয়া আজি এ বিরহ-দীপন-দীপিক পাঠালে৷ তোমারে এ কোন লিপিকা, লিখিল নিখিল-আঁখির কাজল দিয়া, চির-জনমের শ্যামলী তোমার প্রিয় ॥ মনে পড়িল কি ঘন কালে এলোচুলে অগুরু ধূপের গন্ধ ? শিখি-পুচ্ছের পাখা সাথে দুলে দুলে কাকন-দোলন ছন্দ ? মনে পড়িল কি নীল নদীজলে ঘন শ্রাবণের ছায়া ছলছলে, মিলি মিলি সেই জল-কলকলে কলালাপ মৃদুমন্দ ; থাকত-পায়ের চল দ্বিধাহত, ভীরু নয়নের পল্লব নত, না-বলা কথার আভাসের মত নীলাম্বরের প্রান্ত ? মনে পড়িছে কি কাখে তুলে ঝারি তরু তলে তলে ঢেলে চলে বারি, সেচন-শিথিল বাহু দুটি তা’fর ব্যথায় আলসে ক্লান্ত ? "ु•भन्ना > గ్ర) <3 ওগো সন্ন্যাসী, পথ যায় ভাসি’ বীর বীর ধারাজলে— তমাল বনের শ্যামল তিমির তলে । দ্ব্যলোক ভূলোকে দূরে দূরে বলাবলি চির-বিরহের কথা, বিরহিনী তার নত আঁখি ছলছলি? নীপ অঞ্জলি রচে বসি গৃহকোণে, ঢেলে ঢেলে দেয় তোমারে স্মরিয়া মনে, ঢেলে দেয় ব্যাকুলত । কতু বাতায়নে অকারণে বেল বাহি আতুর নয়নে দু'হাতে আঁচল ঝাপে। তুমি চিত্তের অন্তরে অবগাহি খুজিয়া দেখিছ ধৈরজ নাহি নাহি, মল্লার রাগে গৰ্জ্জিয়া ওঠ গাঁহি, বক্ষে তোমার অক্ষের মালা কাপে । سر ۶ o/r Ko" "حمهتم যাক যাক তব মন গ’লে গ'লে যাক, গান ভেসে গিয়ে দূরে চলে চলে যাক, বেদনার ধারা দুৰ্দ্দাম দিশাহারা দুখ-দুদিনে দুই কূল তার ছাপে। কদম্ববন চঞ্চল ওঠে দুলি, সেই মতো তব কম্পিত বাহু তুলি’ টলমল নাচে নাচে সংসার ভুলি, আজ, সন্ন্যাসী, কাজ নাই জপে জাপে ॥ গগনে গগনে আপনার মনে কী খেলা তব । তুমি কত বেশে নিমেষে নিমেষে निडूझे नव ॥ জটার গভীরে লুকালে রবিরে ছায়াপটে আঁকে এ কোন ছবিরে! মেঘমল্লারে কী বলে আমারে কেমনে ক’ব ॥ বৈশাখী ঝড়ে সে দিনের সেই অট্টহাসি শুরু গুরু স্বরে কোন দূরে দূরে ৰায় ষে ভাসি । সে সোনার আলো খামলে মিশালে, শ্বেত উত্তর আজ কেন কালে ? লুকালে ছায়ায় মেঘের মায়ায় কী ৰৈতৰ ॥ > <> 3 F江座二、 সুরঙ্গশালা শ্রোবণ-বিদায় যায়রে শ্রবণ-কবি রস-বর্ষ ক্ষান্ত করি তা’র, কদম্বের রেণুপুঞ্জে পদে পদে কুঞ্জবীথিকার ছায়াঞ্চল ভরি দিলে । জানি, রেখে গেলো তার দান বনের মৰ্ম্মের মাঝে ; দিয়ে গেলো অভিষেকমান স্বপ্রসন্ন আলোকেরে ; মহেন্দ্রের অদৃশ্য বেদীতে ভরি’ গেলো অর্ঘ্যপাত্র বেদনার উৎসর্গ-অমৃতে ; সলিল গগুষ দিতে তটিনী সাগর-তীর্থে চলে, অঞ্জলি ভরিল তা’রি ; ধরার নিগুঢ় বক্ষতলে রেখে গেলো তৃষ্ণার সম্বল ; অগ্নিতীক্ষ বজ্ৰবাণ দিগন্তের তৃণ ভরি একান্তে করিয়া গেলে দান কালবৈশাখীর তরে ; নিজ হস্তে সৰ্ব্ব মানতার চিহ্ন মুছে দিয়ে গেলো। আজ শুধু রহিল তাহার রিক্তবৃষ্টি জ্যোতিঃশুভ্ৰ মেঘে মেঘে মুক্তির লিখন, আপন পূর্ণতাখানি নিখিলে করিল সমৰ্পণ ॥ *ै**मना Jea শান্তি গান পাগল আজি আগল খোলে বিদায়-রজনীতে, চরণে ওর বাধিবি ডোর, কী আশা তোর চিতে ? গগনে তার মেঘ-গুয়ার ঝোঁপে, বুকেরি ধন বুকেতে ছিল চেপে, হিম-হাওয়ায় গেলো সে দ্বার কেঁপে, এসেছে ডাক ভোরের রাগিণীতে ॥ শীতল হোক বিমল হোক প্রাণ, হৃদয়ে শোক রাখুক্‌ তার দান। যা ছিল ঘিরে শূন্তে সে মিলালে, সে ফাঁক দিয়ে আমুক্ তবে আলো, বিজনে বসি পূজাঞ্জলি ঢালে শিশিরে-ভরা শিউলি-ঝরা গীতে ॥ শেষ মিনতি 钟可 কেন পান্থ এ চঞ্চলত ? শূন্ত গগনে পাও কার বারতা ? নয়ন অতন্দ্র প্রতীক্ষারত, ” কেন উদ্ভ স্তি অশান্ত-মতে, কুন্তলপুঞ্জ অযত্নে-নত, ক্লান্ত তড়িৎ বধূ তন্দ্রাগত । ধৈর্য্য ধরে, সখা, ধৈর্য্য ধরে, ঃখে মাধুরী হোক মধুরতর ; হেরে গন্ধ-নিবেদন বেদন মুন্দর মল্পিক চরণতলে প্রণত ॥ 孝 Z _: \o لاحیح 姜乙罗考 క్తి (الملك కిక్రైడ్డక్ట్ర கடி ... 号 புறம்

  • st-Escoe

ধ্বনিল গগনে আকাশ-বাণীর বীণ, শিশির-বাতাসে দূর দূরে ডাক দিলে কে ? আয় স্থলগনে, আজ পথিকের দিন, একে নে ললাট জয়-যাত্রার তিলকে । গেলো খুলি গেলো মেঘের ছায়ার দ্বার, দিকে দিকে ঘোচে কালো আবরণ-ভার, তরুণ আলোক মুকুট পরেছে তা’র, বিজয়-শঙ্খ বেজে ওঠে তাই ত্রিলোকে ॥ শরৎ এনেছে অপরূপ রূপ-কথা নিত্যকালের বালক-বীরের মানসে। নবীন রক্তে জাগায় চঞ্চলত, বলে, “চলো চলে অশ্ব তোমার আনো’ সে । ধেয়ে যেতে হবে দুস্তর প্রান্তরে, বন্দিনী কোন রাজকন্যার তরে, মায়াজাল ভেদি চলে সে রুদ্ধ ঘরে, লও কাশ্ম,ক, দানবের বুক হানো সে ॥” o / ಗತ. রেঙ্গঙ্গালা ঈ_সৰ্ব্ব ওরে শারদার জয়মন্ত্রের গুণে বীর-গৌরবে পার হতে হবে সাগরে। ইন্দ্রের শর ভরি নিতে হবে তুণে রাক্ষসপুর জিনে নিতে হবে, জাগো রে । “দেবী শারদার যে প্রসাদ শিরে লয়ি’ দেব-সেনাপতি কুমার দৈত্য-জয়ী, সে প্রসাদ খানি দাওগো অমৃতময়ী” এই মহা-বর চরণে র্তাহার মাগো রে ॥ আজি আশ্বিনে স্বচ্ছ বিমল প্রাতে শুভ্রের পায়ে অম্লান মনে নম’ রে । স্বগের রাখী বাধে দক্ষিণ হাতে আঁধারের সাথে আলোকের মহাসমরে । মেঘ-বিমুক্ত শরতের নীলাকাশ ভুবনে ভুবনে ঘোষিল এ আশ্বাস “হবে বিলুপ্ত মলিনের নাগপাশ, জয়ী হ’বে রবি, মরিবে মরিবে তম রে” ॥ শরতের ধ্যান १iांम আলোর অমল কমলখানি কে ফুটালে, নীল আকাশের ঘুম ভুটালে । 懿 আমার মনের ভাবনা গুলি বাহির হোলে পাখা তুলি, ঐ কমলের পথে তাদের সেই জুটলে । শরৎবাণীর বীণা বাজে কমলদলে । ললিত রাগের সুর ঝরে তাই শিউলি তলে । তাইতে ৰাতাস বেড়ায় মেতে কচি ধানের সবুজ ক্ষেতে, বনের প্রাণে মর্মরানির ঢেউ উঠালে। "ु-भन्द्र >_@_ৰ্ব্ব শরতের বিদায় গান শিউলি ফুল, শিউলি ফুল, কেমন ভুল, এমন ভুল ? রাতের বায় কোন মায়ায় 燃 আনিল হায় বন-ছায়ার, ভোর বেলায় বারে বারেই A. ফিরিবারেই হ’লি ব্যাকুল । কেনরে তুই উন্মন, । নয়নে তোর হিমকণা ? ,কোন ভাষায় চাস বিদায় فلاد ,গন্ধ তোর কী জানায় ـ نے Ö সঙ্গে হায় পলে পলেই দলে দলেই যায় বকুল । হেমত হে হেমন্ত-লক্ষী, তব চক্ষু কেন রুক্ষ চুলে ঢাকা, ললাটের চন্দ্ৰলেখা অযত্নে এমন কেন স্নান ? হাতে তব সন্ধ্যাদীপ কেন গো আড়াল ক’রে আনে কুয়াশায় ? কণ্ঠে বাণী কেন হেন অশ্রুবাম্পে মাখা গোধূলিতে আলোতে আঁধারে ? দূর হিমশৃঙ্গ ছাড়ি’ ওই হের রাজহংসপ্রেণী, আকাশে দিয়েছে পাড়ি উজায়ে উত্তর বায়ুস্রোত, শীতে ক্লিষ্ট ক্লান্ত পাখা মাগিছে আতিথ্য তব জাহ্নবীর জনশূন্ত তটে প্রচ্ছন্ন কাশের বনে। প্রান্তর-সীমায় ছায়াবটে মৌনব্রত বউ-কথা-কও । গ্রাম-পথ আঁকা বাকা, বেণুতলে পাস্থহীন অবলীন অকারণ ত্রাসে, কচিৎ চকিত-ধূলি অকস্মাৎ পবন-উচ্ছাসে। কেন বলে, হৈমস্তিকা, নিজেরে কুষ্ঠিত ক’রে রাখা, মুখের গুণ্ঠন কেন হিমের ধূমলবণে আঁকা। ভরেছ, হেমন্ত-লক্ষণী, ধরার অঞ্জলি পঙ্কধানে । দিগঙ্গনে দিগঙ্গনা এসেছিল ভিক্ষার সন্ধানে اساسيبي শীতরিক্ত অরণ্যের শূন্তপথে। বলেছিল ডাকি, “কোথায় গে, অন্নপূর্ণ, ক্ষুধাৰ্ত্তেরে অন্ন দিবে না কি ? শাস্ত করো প্রাণের ক্ৰন্দন, চাও প্রসন্ন নয়ানে ধরার ভাণ্ডার পানে।” শুনিয়া, লুকায়ে হাস্যখানি, লুকায়ে দক্ষিণ হস্ত দক্ষিণ দিয়েছ তুমি আনি, ভূমিগর্ভে আপনার দাক্ষিণ্য ঢাকিলে সাবধানে । স্বগলোক স্নান করি প্রকাশিলে ধরার বৈভব কোন মায়ামন্ত্রগুণে, দরিদ্রের বাড়ালে গৌরব । অমরার স্বর্ণ নামে ধরণীর সোনার অভ্রাণে । তোমার অমৃত নৃত্য, তোমার অমৃতস্নিগ্ধ হাসি কখন ধুলির ঘরে সঞ্চিত করিলে রাশি রাশি, আপনার দৈন্তচ্ছলে পূর্ণ হ’লে আপনার দানে । గల్ఫ్లో দীপগুলিরে হেমস্তিক করল গোপন অাচল ঘিরে। ঘরে ঘরে ডাক পাঠালে— “দীপালিকায় জালাও আলে, জালাও আলো, আপন আলো, বাকু অবসাদ বিষাদ ক’লে, দীপালিকায় জালাও আলো, জালাও আলো, আপন আলো, শুনাও আলোর জয়-বাণীরে ॥ দেবতারা আজ আছে চেয়ে জাগো ধরার ছেলে মেয়ে, আলোর জাগাও যামিনীরে । এলো অর্ণধার, দিন ফুরালো, দীপালিকায় জালাও আলো, জালাও আলো, আপন আলো, জয় করে এই তামসীরে ॥ ੋਂ আসন্ন শীত শীতের বনে কোন সে কঠিন আসবে ব’লে শিউলিগুলি ভয়ে মলিন বনের কোলে ॥ আমূলকি ডাল সাজলে কাঙাল, খসিয়ে দিলে পল্লব জাল, কাশের হাসি হাওয়ায় ভাসি, যায় ষে চ’লে ৷ সইবে না সে পাতায় ঘাসে চঞ্চলত, তাই তো আপন রঙ ঘুচালে ঝুমকো লতা। উত্তর বায় জানায় শাসন, পাতলে তপের শুষ্ক আসন, সাজ খসাবার এই লীলা কা’র অট্টরোলে ॥ ੋਂ /エー ~ج( Xہے کہ ج o o 2ష్ల వ-K} இ ല് [] A ས༽།- ミニ p Oy y"

  • છેT)

শ্ৰণীত R ওগো শীত, ওগো শুভ্ৰ, হে তীব্ৰ নিৰ্ম্মম, তোমার উত্তর বায়ু দুরন্ত দুৰ্দ্দম অরণ্যের বক্ষ হানে । বনস্পতি যত থর থর কম্পমান, শীর্ষ করি’ নত আদেশ-নিৰ্ঘোষ তব মানে । “জীর্ণতার মোহবন্ধ ছিন্ন করে৷ ” এ বাক্য তোমার ফিরিছে প্রচার করি জয়ডঙ্কা তব দিকে দিকে । কুঞ্জে কুঞ্জে মৃত্যুর বিপ্লব করিছে বিকীর্ণ শীর্ণ পর্ণ রাশি রাশি শূন্ত নগ্ন করি শাখা, নিঃশেষে বিনাশি’ অকাল-পুষ্পের দুঃসাহস। হে নিৰ্ম্মল, সংশয়-উদ্বিগ্ন-চিত্তে পূর্ণ করে বল ; মৃত্যু-অঞ্জলিতে ভরে অমৃতের ধারা, ভীষণের স্পর্শঘাতে করে শঙ্কাহার, ૭ -Α "ु•भन्ग > <> <3 শূন্ত করি দাও মন ; সর্বস্বাস্ত ক্ষতি অন্তরে ধরুক শান্ত উদাত্ত মুরতি, হে বৈরাগী। অতীতের আবর্জনা ভার, সঞ্চিত লাঞ্ছনা গ্লানি শ্রান্তি ভ্ৰান্তি তার সম্মার্জন করি’ দাও । বসন্তের কবি শূন্যতার শুভ্র পত্রে পূর্ণতার ছবি লেখে আসি, সে শূন্য তোমারি আয়োজন, সেই মতে মোর চিত্তে পূর্ণের আসন মুক্ত করে রুদ্র-হস্তে ; কুজ ঝটিকা রাশি রাখুক, পুঞ্জিত করি’ প্রসন্নের হাসি। বাজুক তোমার শঙ্খ মোর বক্ষতলে নিঃশঙ্ক দুৰ্জ্জয় । কঠোর উদগ্রবলে দুর্ববলেরে করে তিরস্কার ; অট্টহাসে নিষ্ঠ র ভাগ্যেরে পরিহাসে ; হিমশ্বাসে আরাম করুকু ধূলিসাৎ ! হে নিৰ্ম্মম, গৰ্ব্বহর, সর্ববনাশা, নমো নমো নমঃ ॥ শীতের বিদায় তুঙ্গ তোমার ধবল-শৃঙ্গ-শিরে উদাসীন শীত, যেতে চাও বুঝি ফিরে ? চিন্তা কি নাই সপিতে রাজ্যভার নবীনের হাতে, চপল চিত্ত যা’র ? হেলায় যে-জন ফেলায় সকল তা'র অমিত দানের বেগে ? দণ্ড তোমার তা’র হাতে বেণু হবে, প্রতাপের দাপ মিলাবে গানের রবে, শাসন ভুলিয়া মিলনের উৎসবে জাগাবে, রহিবে জেগে ॥ সে যে মুছে দিবে তোমার আঘাত চিহ্ন, কঠোর বাধন করিবে ছিন্ন ছিন্ন । এতদিন তুমি বনের মজ্জামাঝে বন্দী রেখেছ যৌবনে কোন কাজে, ছাড়া পেয়ে আজ কত অপরূপ সাজে বাহিরিবে ফুলে দলে । "ষ্ট্রঞ্চল তব আসনের সম্মুখে যার বাণী আবদ্ধ ছিল বহু কাল ভয় মানি’ কণ্ঠ তাহার বাতাসেরে দিবে হানি’ বিচিত্র কোলাহলে ॥ তোমার নিয়মে বিবর্ণ ছিল সজ্জা, নগ্ন তরুর শাখা পেত তাই লজ্জা । তাহার আদেশে আজি নিখিলের বেশে নীল পীত রাঙা নানা রঙ ফিরে এসে, আকাশের আঁখি ডুবাইবে রসাবেশে জাগাইবে মত্তত । সম্পদ তুমি যা’র যত নিলে হরি' তার বহু গুণ ও যে দিতে চায় ভরি’ "ु•भन्ना পল্লবে যা’র ক্ষতি ঘটেছিল ঝরি, ফুল পাবে সেই লতা। ক্ষয়ের দুঃখে দীক্ষা যাহারে দিলে, সব দিকে যা’র বাহুল্য ঘুঢ়াইলে, প্রাচুর্যে ভারি হ’ল আজি অধিকার, দক্ষিণ বায়ু এই বলে বার বার, বাধন-সিদ্ধ যে-জন তাহারি দ্বার খুলিবে সকলখানে । কঠিন করিয়া রচিলে পাত্রখানি রস-ভারে তাই হবে না তাহার হানি, লুঠি লও ধন, মনে মনে এই জানি দৈন্য পূরিবে দানে। স্তব হে সন্ন্যাসী, হিমগিরি ফেলে নীচে নেমে এলে কিসের জন্য ? কুন্দমালতী করিছে মিনতি হও প্রসন্ন । γ. ং যাহা কিছু স্নান বিরস জীর্ণ দিকে দিকে দিলে করি বিকীর্ণ, বিচ্ছেদ ভারে বনচছায়ারে করে বিষণ্ণ ইও প্রসন্ন |} "ষ্ট্রঞ্চল সাজাবে কি ডালা, গাঁথিবে কি মালা মরণ-সত্রে ? তাই উত্তর নিলে ভরি ভরি শুকানো পত্রে ? ধরণী যে তব তাওবে সার্থী প্ৰলয় বেদন নিল বুকে পাতি, রুদ্র এবারে বরবেশে তারে করে গো ধন্য হও প্রসন্ন ॥ * * *ళా ༤།འོད༽ ,་ § `- te [. SN Sస్ట్రాక్ష SS, କ୍ଷଞ୍ଜ SK - a-No AS ANG to اسلامي RSތަަ § ". ১,৬১০ ప్రా$N 」"R བུ་གླིང་། ༄ 丁s > از ۱ বসনত হে বসন্ত, হে সুন্দর, ধরণীর ধ্যান-ভরা ধন ! বৎসরের শেষে শুধু একবার মৰ্ত্ত্যে মূৰ্ত্তি ধরে ভুবন-মোহন নব বরবেশে । তারি লাগি তপস্বিনী কী তপস্যা করে অনুক্ষণ, আপনারে তপ্ত করে, ধৌত করে, ছাড়ে আভরণ, ত্যাগের সর্ববস্ব দিয়ে ফল-অৰ্ঘ্য করে আহরণ তোমার উদেশে ৷ সূৰ্য্য প্রদক্ষিণ করি ফিরে সে পুজার নৃত্য-তালে ভক্ত উপাসিক1। নম্র ভালে আঁকে তা’র প্রতিদিন উদয়াস্তকালে রক্তরশ্মি-টীকা । সমুদ্র-তরঙ্গে সদা মন্দ্রস্বরে মন্ত্র পাঠ করে, উচ্চারে নামের শ্লোক অরণ্যের উচ্ছ্বাসে মৰ্ম্মরে, বিচ্ছেদের মরুশূন্যে স্বপ্নচ্ছবি দিকে দিগন্তরে রচে মরীচিক ॥ "ु•भन्ना আবৰ্ত্তিয়া ঋতুমাল্য করে জপ, করে আরাধন দিন গুণে গুণে । সার্থক হ’লে যে তা’র বিরহের বিচিত্র সাধন মধুর ফাঙ্কনে । হেরিনু উত্তরা তব, হে তরুণ, অরুণ আকাশে, শুনিমু চরণধ্বনি দক্ষিণের বাতাসে বাতাসে, মিলন-মাঙ্গল্য-হোম প্রজ্জ্বলিত পলাশে পলাশে,

          1. রক্তিম আগুনে ॥

তাই আজি ধরিত্রীর যত কৰ্ম্ম, যত প্রয়োজন হ’লো অবসান । বৃক্ষ শাখা রিক্তভার, ফলে তা’র নিরাসক্ত মন, ক্ষেতে নাই ধান । বকুলে বকুলে শুধু মধুকর উঠিছে গুঞ্জরি’ আকারণ আন্দোলনে চঞ্চলিছে অশোক মঞ্জরী, কিশলয়ে কিশলয়ে নৃত্য উঠে দিবস শর্বরী, - TF (이 5 || হে বসন্ত, হে সুন্দর, হায় হায়, তোমার করুণ ক্ষণ কাল তরে । মিলাইবে এ উৎসব, এই হাসি, এই দেখাশুনা ஆர் শূন্য নীলাম্বরে। چصره イrト "ु•भन्ना >()_< নিকুঞ্জের বর্ণচ্ছটা একদিন বিচ্ছেদ-বেলায় ভেসে যাবে বৎসরান্তে রক্ত-সন্ধ্যা-স্বপ্নের ভেলায়, বনের মঞ্জীর-ধবনি অবসন্ন হবে নিরালায় শ্রান্তি-ক্লান্তি-ভরে ॥ তোমারে করিবে:বন্দী নিত্যকাল মৃত্তিকা-শৃঙ্খলে শক্তি আছে কার ? ইচ্ছায় বন্ধন লও, সে বন্ধন ইন্দ্রজাল-বলে করো অলঙ্কার । সে বন্ধন দোলরজ্জ্ব, স্বর্গে মৰ্ত্তে দোলে ছন্দভরে, সে বন্ধন শ্বেতপদ্ম, বাণীর মানস-সরোবরে, সে বন্ধন বীণাতন্ত্র, স্বরে স্বরে সঙ্গীত-নিঝরে । বর্ধিছে ঝঙ্কার ॥ নন্দনে আনন্দ তুমি, এই মর্ত্যে, হে মৰ্ত্ত্যের প্রিয়, নিত্য নাই হ’লে ! স্বদূর মাধুর্য্যপানে তব স্পর্শ, অনির্বচনীয়, দ্বার যদি খোলে, ক্ষণে ক্ষণে সেথ আসি নিস্তব্ধ দাড়াবে বসুন্ধরা, লাগিবে মন্দার-রেণু শিরে তার উৰ্দ্ধ হতে ঝরা, মাটির বিচ্ছেদপত্রে স্বর্গের উচ্ছাস-রসে ভরা त'tव তার কোলে ॥ তোমার আসন পাতৰ কোথায়, হে অতিথি ? ছেয়ে গেছে শুকনো পাতায় । কানন বীথি । ছিল ফুটে মালতী ফুল, কুন্দ কলি, উত্তর বায় লুঠ ক’রে তায় গেল চলি, হিমে বিবশ বনস্থলী বিরল-গীতি, হে অতিথি ॥ সুর-ভোল। ঐ ধরার বাণী লুটায় ভুয়ে, মৰ্ম্মে তাহার তোমার হাসি मां७ न क्रू८च्च । মাতবে আকাশ নবীন রঙের তানে তানে, পলাশ বকুল ব্যাকুল হবে আত্মদানে, জাগ বে বনের মুগ্ধ মনে \\ ץY মধুর স্মৃতি, 轉 Q হে অতিথি । - אר বসন্তের বিদায় মুখখানি করে মলিন বিধুর যাবার বেলা, জানি আমি জানি সে তব মধুর ছলের খেলা । জানিগো, বন্ধু, ফিরে আসিবার পথে গোপন চিহ্ন একে যাবে তব রথে, জানি তুমি তারে ভুলিবে না কোনমতে, যার সাথে তব হ’ল একদিন মিলন-মেলা ॥ জানি আমি যবে আঁখিজল ভরে, রসের মানে মিলনের বীজ অঙ্কুর ধরে নবীন প্রাণে । খনে খনে এই চির-বিরহের ভাণ, খনে খনে এই ভয়-রোমাঞ্চ দান, তোমার প্রণয়ে সত্যসোহাগে মিথ্যা হেলা ॥ প্রার্থনা গান জানি তুমি ফিরে আসিবে আবার জানি, তবু মনে মনে প্রবোধ নাহি যে মানি । বিদায়-লগনে ধরিয়া দুয়ার তবু যে তোমায় বলি বারবার “ফিরে এসো, এসে বন্ধু আমার” বাষ্প-বিভল বাণী ॥ যাবার বেলায় কিছু মোরে দিয়ে দিয়েী গানের সুরেতে তব আশ্বাস, প্রিয়। বনপথে যবে যাবে, সে ক্ষণের হয় তো বা কিছু র’বে স্মরণের, তুলি ল’ব সেই তব চরণের দলিত কুসুমখানি ॥ মনে রবে কি না র’ৰে আমারে লে আমার মনে নাই গো । ক্ষণে ক্ষণে আসি তব দুয়ারে অকারণে গান গাই গো । চলে যায় দিন, যতখন আছি পথে যেতে যদি আসি কাছাকাছি তোমার মুখের চকিত মুখের হাসি দেখিতে যে চাই গো, তাই অকারণে গান গাই গো । ফাগুনের ফুল যায় ঝরিয়া ফাগুনের অবসানে । ক্ষণিকের মুঠি দেয় ভরিয়া আর কিছু নাহি জানে। ফুরাইবে দিন, আলো হবে ক্ষীণ, গান সারা হবে, থেমে যাবে বী৭, যতখন থাকি ভরে দিবে না কি এ খেলারি ভেলাটাই গো ; তাই অকারণে গান গাই গো l * ફ્રેંન્ગના বিলাপ اقیان حکمت . চরণ-রেখা তব ষে পথে দিলে লেখি চিহ্ন আজি তারি আপনি ঘুচালে কি ? অশোক রেণুগুলি রাঙালে যার ধূলি তারে যে তৃণতলে আজিকে লীন দেখি ? ফুরায় ফুল ফোট, পার্থীও গান ভোলে দখিন বায়ু সেও উদাসী যায় চলে। তবু কি ভরি তারে অমৃত ছিলনারে ? স্মরণ তারো কি গে৷ মরণে যাবে ঠেকি ? মনের মানুষ # কত না দিনের দেখা কত না রূপের মাঝে, সে কার বিহনে একা মন লাগে নাই কাজে । কার নয়নের চাওয়া, পালে দিয়েছিল হাওয়া, কার অধরের হাসি । আমার বীণায় বাজে ৷ কত ফাগুনের দিনে, চলেছিমু পথ চিনে, কত শ্রাবণের রাতে লাগে স্বপনের ছোওয়া । ५ अि३ झ्म्ल cोणो माश् । बडि-विछोशं কত না দিনের। দেখা কত না রূপের | भां८ १ | cन कब्र बिश्न ।। 4क মন লাগে মাই। কাজে । ੇ। >_@_ৰ্ব্ব চাওয়া-পাওয়া নিয়ে খেলা, কেটেছিল কত বেলা, কখনো বা পাই পাশে কখনো বা যায় খোওয়া ॥ ס শরতে এসেছে ভোরে ফুল-সাজি হাতে ক'রে, শীতে গোধূলির বেলা জ্বালায়েছে দীপ-শিখা, কখনো করুণ সুরে গান গেয়ে গেছে দূরে, যেন কাননের পথে রাগিণীর মরীচিকা ॥ সেই সব হাসি কাদা, বাধন খোলা ও বাধা, অনেক দিনের মধু, অনেক দিনের মায়া, আজ এক হয়ে তা'রা, মোরে করে মাতোয়ারা, এক বীণা-রূপ ধরি’ এক গানে ফেলে ছায়া । "ु•भन्द्र নানা ঠাই ছিল নানা, আজ তারে হ’ল জানা, বাহিরে সে দেখা দিত মনের মানুষ মম ; আজ নাই আধাআধি, ভিতর বাহির বাধি’ এক দোলেতেই দোলে মোর অন্তরতম ॥ O ((so R క్ట్ర & S? v, N soC )N ெ ( C S ○% W> 6邻可 ওরে প্রজাপতি, মায়া দিয়ে কে যে পরশ করিল তোরে । অস্ত-রবির তুলিখানি চুরি করে। B> & 33 "ु-भन्द्र k বাতাসের বুকে যে-চঞ্চলের বাসা । বনে বনে তুই বহিস্ তাহারি ভাষা, অঙ্গরীদের দোল-খেলা ফুল-রেণু পাঠায় কে তোর দুখানি পাখায় ভরে ॥ যে গুণী তাহার কীৰ্ত্তি-নাশার নেশায় চিকন রেখার লিখন শূন্যে মেশায়, স্বর বাধে আর স্বর যে হারায় ভুলে’, গান গেয়ে চলে ভোলা রাগিণীর কূলে, তার হারা মুর নাচের হাওয়ার বেগে ডানাতে তোমার কখন পড়েছে ক’রে ॥ আলোক-রসে মাতাল রাতে দোল বাজিল কা’র বেণু। দোলের হাওয়া সহসা মাতে ছড়ায় ফুল-রেণু। অমল-রুচি মেঘের দলে আনিল ডাকি গগনতলে, উদাস হয়ে ওরা যে চলে শূন্যে চরা ধেনু ॥ দোলের নাচে সে বুঝি আছে অমরাবতী পুরে ? বাজায় বেণু বুকের কাছে বাজায় বেণু দূরে । সরম ভয় সকলি ত্যেজে মাধবী তাই আসিল সেজে, শুধায় শুধু “বাজায় কে যে মধুর মধু স্বরে !” গগনে শুনি এ কী এ কথা, কাননে কী যে দেখি ! ನಿಸHE সুরঙ্গশালা একি মিলন-চঞ্চলতা ? विज्ञश्-दार्थी ७कि ? আঁচল কঁপে ধরার বুকে, কী জানি তাহা স্বখে না দুখে | ধরিতে যা’রে না পারে তা’রে স্বপনে দেখিছে কি ? . লাগিল দোল জলে স্থলে, জাগিল দোল বনে, সোহাগিনীর হৃদয়তলে বিরহিণীর মনে । মধুর মোরে বিধুর করে স্বদূর তার বেণুর স্বরে, নিখিল হিয়া কিসের তরে দুলিছে অকারণে ॥ { আনো গো আনো ভরিয়া ডালি করবীমালা ল’য়ে, আনো গো আনো সাজায়ে থালি কোমল কিশলয়ে । এসো গো পীত বসনে সাজি', কোলেতে বীণা উঠুক বাজি', ধ্যানেতে আর গানেতে আজি যামিনী যাক ব’য়ে ॥ এসে গো এসো দোল-বিলাসী বাণীতে মোর দোলো । ছন্দে মোর চকিতে আসি f মাতিয়ে তারে তোলো । অনেক দিন বুকের কাছে রসের স্রোত থমকি আছে, নাচিবে আজি তোমার নাচে সময় তারি হোলো ৷ কিশোর, আজি তোমার দ্বারে পরjণ মম জাগে । নবীন কবে করিবে তারে রঙীন তব রাগে ? ভাবনাগুলি বাধন খোলা রচিয়া দিবে তোমার-দোলা, দাড়িয়ে আসি, হে ভাবে-ভোলা, আমার আঁখি-আগে ॥ "ु-भन्द्र শেষের রং গান রাঙিয়ে দিয়ে যাওগো এবার যাবার আগে, আপন রাগে, গোপন রাগে, তরুণ হাসির অরুণ রাগে, অশ্রজলের করুণ রাগে ॥ রং যেন মোর মৰ্ম্মে লাগে আমার সকল কৰ্ম্মে লাগে, সন্ধ্যাদীপের আগায় লাগে, গভীর রাতের জাগায় লাগে ॥ যাবার আগে যাওগো আমায় জাগিয়ে দিয়ে, রক্তে তোমার চরণ-দোলা লাগিয়ে দিয়ে। অর্ণধার নিণার বক্ষে যেমন তারা জাগে, পাষাণ গুহার কক্ষে নিঝর ধারা জাগে, মেঘের বুকে যেমন মেঘের মন্দ্র জাগে বিশ্ব-নাচের কেন্দ্রে যেমন ছন্দ জাগে, তেমনি আমায় দোল দিয়ে যাও যাবার পথে আগিয়ে দিয়ে, কঁাদন-বাধন ভাগিয়ে দিয়ে ॥ ു (്ക শেষ মধু বসন্তবায় সন্ন্যাসী যায় চৈৎ-ফসলের শূন্য ক্ষেতে, মৌমাছিদের ডাকিয়ে জাগায় বিদায় নিয়ে যেতে যেতে ঃ– আয়রে, ওরে মৌমাছি, আয়, চৈত্র যে যায় পত্র ঝরা, গাছের তলায় আঁচল বিছায় ক্লান্তি-অলস বসুন্ধরা ॥ সজনে বুলায় ফুলের বেণী, আমের মুকুল সব ঝরেনি, কুঞ্জপথের প্রান্তধারে আকন্দ রয় আসন পেতে । আয়রে, তোরা মৌমাছি, আয় আসবে কখন শুকনো খরা, প্রেতের নাচন নাচ বে তখন রিক্ত নিশায় শীর্ণ জরা ॥ দক্ষিণবায় কানন শাখায় মিলন-শেষের বাজায় বেণু; Jd মাখিয়ে নে আজ পাখায় পাখায় 3." স্মরণভরা গন্ধ-রেণু । :e? কাল যে-কুসুম পড়বে ঝ’রে శక్తి তাদের কাছে নিস গো ভরে છે. * ওই বছরের শেষের মধু এই বছরের মৌচাকেতে । নূতন দিনের মৌমাছি, আয়, নাইরে দেরি, করিস ত্বর, চরম দানে ঐরে সাজায় বিদায় দিনের দানের ভরা ॥ চৈত্রমাসের হাওয়ায় কঁপা দোলন-চাপার কুঁড়িখানি প্রলয়-দাহের রৌদ্রতাপে বৈশাখে আজ ফুটবে, জানি। যা-কিছু তার আছে দেবার শেষ ক’রে সব নিবি এবার, যাবার বেলায় যাক চলে যাক বিলিয়ে দেবার নেশায় মেতে । আয়রে, ওরে মৌমাছি, আয়, আয়রে গোপন মধুহরা, পরম দেওয়া দিতে যে চায় ঐ মরণের স্বয়ম্বর ॥ নট রাজ ঋতু র ল শালা লিপিচিত্র । উদ্বোধন : স্তবক ২-৩ অহৈতুক আষাঢ় আসন্ন শীত উদ্বোধন চঞ্চল দীপালি দোল নৃত্য প্রত্যাশা প্রার্থনা বসন্ত বসন্ত-আবাহন বসন্তের বিদায় বিলাপ বৈশাখ বৈশাখ-আবাহন ব্যঞ্জনা শরতের বিদায় শিরোনাম-গুটী اه وين (to ૨ 8 @し* ԾԵ Уо е ミVう @ ○ 8し* ઉ’ ૨ & 6t 9 > セー > * @やう ૨ છે ס\ צ ՀԵ ৩২ ○8 ○@ শীত শীতের বিদায় শেষ মধু শেষ মিনতি শেষের রং শ্রাবণ-বিদায় Sopr . 8 S 8\3) శ్రీ 8 WOS SWE) Rని و& 8 وی ع প্রথম ছত্রের স্বচী আলোক-রসে মাতাল রাতে আলোর অমল কমলখানি এসো, এসো, এসো, হে বৈশাখ ওগো শীত, ওগো শুভ্ৰ, হে তীব্ৰ নিৰ্ম্মম ওগো সন্ন্যাসী, কি গান ঘনালো মনে ওরে প্রজাপতি, মায়া দিয়ে কে যে কত না দিনের দেখা কেন পাস্থ এ চঞ্চলতা গগনে গগনে আপনার মনে চরণ-রেখা তব জানি তুমি ফিরে আসিবে আবার জানি তপের তাপের বঁাধন কাটুকু তুঙ্গ তোমার ধবল-শৃঙ্গ-শিরে তোমার আসন পাত ব কোথায় ধ্যান-নিমগ্ন নীরব নগ্ন ধ্বনিল গগনে আকাশ-বাণীর বীণ, পাগল আজি আগল খোলে বসস্তবায় সন্ন্যাসী যায় মধ্যদিনে যবে গান মনে র’বে কি না র’বে আমারে মন্দিরার মন্দ্র তব বক্ষে আজি বাজে, নটরাজ মুক্তি-তত্ত্ব শুনতে ফিরিস মুখখানি করে মলিন বিধুর যায়রে শ্রাবণ-কবি রস-বর্ষা ক্ষাস্ত করি তা’র রাঙিয়ে দিয়ে যাওগো এবার శ్రీ) শিউলি ফুল, শিউলি ফুল শীতের বনে কোন সে কঠিন শুনিতে কি পাস । হিমের রাতে ঐ গগনের হে বসন্ত, হে স্বনার, ধরণীর ধ্যান-ভরা ধন হে সন্ন্যাসী Es হে হেমন্ত-লক্ষ্মী, তব চকু কেন রুক্ষ চুলে ঢাকা ○(。 So ՎՉԵր 8切ー 8. Se و صV নটরাজ ঋতুরঙ্গশালা, ‘বিচিত্রা মাসিক পত্রের প্রথম সংখ্যায় (আষাঢ় ১৩৩৫ ) প্রথম-প্রকাশ-কালে শিল্পাচার্য নন্দলাল বস্থর অজস্র চিত্রভূষণে বিভূষিত। বর্তমান গ্রন্থ তাহার পুনর্মুদ্রণ। 'নটরাজ বিভূষণবর্জিত, পরিবর্তিত, পরিবর্ধিত আকারে ১৩৩৮ আশ্বিনের বনবাণী কাব্যে সংগ্রথিত । প্রচলিত বনবাণী গ্রন্থে এবং অষ্টাদশ-খণ্ড রবীন্দ্ররচনাবলীতে গ্রন্থপরিচয় স্রষ্টব্য। © বিশ্বভারতী ১৯৭৪ প্রকাশক রণজিৎ রায় বিশ্বভারতী গ্রন্থনবিভাগ ১• প্রিটোরিয়৷ ষ্ট্রট। কলিকাতা ১৬ মুদ্রক শ্ৰীস্থৰ্যনারায়ণ ভট্টাচার্য তাপসী প্রেস। ৩০ বিধান সরণী । কলিকাত৷ ৬ lo")