পাতা:অক্ষয়-সুধা - অক্ষয়কুমার দত্ত.pdf/৩৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

( ১/• ) দান করিয়া গিয়াছেন, সেই মূর্ত্তি জয়যুক্ত হয়াছে। অবখ্য এই মূর্ত্তি গঠনের। কৃতিত্ব অক্ষম্বকুমারের সম্পূর্ণরূপে প্রাপ্য নহে। বিদ্যাসাগর মহাশয় প্রভৃতি অত্যান্ত্য কস্মিগণও ইহার অংশভাগী। কিন্তু অক্ষয়কুমারের ভাব ও চিন্তা, আমাদের দেশে অমরতা লাভ করিলেও বহুল পরিমাণে প্রতিষ্ঠালাভ করে। নাই। এই শেষোক্ত কথাটি বুঝিতে হইলে, নব্যবঙ্গের সামাজিক ইতিহাস, ভাবের দিক হইতে আলোচনা করিতে হইবে। অক্ষয় কুমার প্রধানতঃ বৈজ্ঞানিক। আজ ইংরাজ জাতি, জার্ম্মাণ। জাতি, ফরাসী ও মার্কিণ জাতি, বৈজ্ঞানিকতায় সিদ্ধিলাভ করিয়াছে। কিন্তু বৈজ্ঞানিকতার প্রতি স একদিনে হয় নাই। বৈজ্ঞানিকী বুদ্ধির অনুশীলনে, ইংরাজ জাতিকে নিয়ন্ত্রিত করিবার জঠ্য মনীষী বেকন হইতে জনগ্রুয়ার্টমি পর্যন্ত মনীষিগণ কি কঠোর তপশু। এবং কি ভীষণ সংগ্রাম করিয়াছেন, তাহ। চিন্তা করিলে বিস্মিত হইতে হয়। বেকনের সময়ে ভদ্রলোকেরা নীতিশাস্ত্র, ধর্মশাস্ত্র প্রভৃতি সুক্ষ্ম ও উন্ন ত বিষয়ের আলোচনাকে ভদ্রলোকের উপযুক্ত কার্য্য বলিয়া। বিবেচনা কৰিতেন। আরিষ্টটল প্রভৃতি প্রাচীন। যুগের বড় বড় পণ্ডিতদের সিদ্ধান্ত লইয়া আলোচনা করা সমাজে সম্মান জনক কার্য্য ছিল। এই মানুষকে প্রত্যক্ষ স্কুল ও ইন্দ্রিয় গ্রাহ্য ব্যাপার॥ সমূহ পর্য্যবেক্ষণ করাইয়া অধ্য বসায় সহকারে সেই সমুদায় বিষয়ের শ্রেণী বিভাগ করিবার সহিষ্ণুতায় দীক্ষিত করিতে, বেকনকে অনেক পরিশ্রম করিতে হইয়াছিল। আজ ইংরাজ যে গৌরবান্বিত, তাহার কারণ এই বৈজ্ঞানিকতা। অক্ষয়কুমার আমাদের দেশে এই বৈজ্ঞানিকতার প্রতিষ্ঠার জন্য তপস্থা করিয়াছিলেন এবং সেই কঠোর তপস্তায় আত্মবিসর্জন করিয়াছিলেন। বৈজ্ঞানিকের যাবতীয় লক্ষণ অক্ষয়কুমারের চরিত্রে পরিদৃষ্ট হয়। বৈজ্ঞানিকী বুদ্ধি ছাড়ামানবের আর একটি বৃত্তি আছে –তাহার নাম কবিত্ববৃত্তি বা