পাতা:অক্ষয়-সুধা - অক্ষয়কুমার দত্ত.pdf/৪৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

( ২০• ) কর্ম্মক্ষেত্রে অক্ষস কুমারের পিতৃ-পুত্র হরমোহন দত্ত মহাশয় সুপ্রীমকোর্টে কর্ম্ম। করিতেন। এই নিমিত্ত, ‘প্রভাকর’সম্পাদক কবিবর ঈশ্বরচত্র গুপ্ত মহাশয় তাহার কাগজের জন্য বিজ্ঞাপন সংগ্রহ করিতে প্রায়ই হরমোহনের নিকট আগমন করিতেন॥ এই সুযোগে অক্ষয়কুমার, গুপ্তকবির সহিত পরিচিত হন। কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত মহাশয়ই অক্ষমুকুমারকে প্রথমে পদ। ও তৎপরে গদ্য লেখায় উৎসাহ প্রদান করেন। অক্ষয়কুমার সম্বন্ধে গুপ্ত-কবি পরবর্তীকালে বলিয়াছিলেন —‘অগ্রে যাহাকে শিষ্যপদে অভিষিক্ত করিয়া গুরু বলিয়া গ্রহণ করিতে ইচ্ছা করি’ ইত্যাদি। মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর মহাশয় ১২৪৬ সালে ‘তত্ত্ববোধিনী-সভা প্রতিষ্ঠিত করেন। কবি। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত মহাশয় এই সভার। সভ্য ছিলেন। গুপ্ত-কবিই অক্ষয় কুমারকে, মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথের সহিত পরিচিত করিয়া দেন। ইহার অল্পদিন পরই অক্ষয়কুমার ‘তত্ত্ববোধিনী-সভার সভ্য মনোনীত হন। পর বৎসর ১২৪৭ সালে, এই সভার যন্ত্রে ‘তত্ত্ববোধিনী-পাঠশালা প্রতিষ্ঠিত হইলে, অক্ষয়কুমার মাত্র আট টাকা বেতনে, এই স্কুলের পদার্থ-বিন্যা ও ভূগোলের শিক্ষক নিযুক্ত হন। পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়ু, অক্ষয়কুমারকে মাসিক দেড়শত টাকা বেতনে স্কুল ডেপুটী ইন্স্পেক্টরের কর্ম্মে নিযুক্ত করিবার সমস্ত ব্যবস্থা ঠিক করিয়াছিলেন। কিন্তু ‘তত্ত্ববোধিনী-সভার সহিত সংসৃষ্ট রহিলে, দেশে মূশিক্ষাবিস্তারের প্রকৃত কার্য্য করিতে পারিবেন বলিয়া, তিনি এই উচ্চপদ গ্রহণ করেন নাই সামান্ত বেতনের শিক্ষকতা করিয়াই সন্তুষ্ট ছিলেন। ১২৫০ সালে ‘তত্ত্ববোধিনী-পাঠশালা কলিকাতা হইতে বাঁশবেড়িয়ায় স্থানান্তরিত হইলে, অক্ষয়কুমার পদত্যাগ করিয়া, কলিকাতায় অবস্থান