পাতা:অক্ষয়-সুধা - অক্ষয়কুমার দত্ত.pdf/৮০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

২৮ অক্ষয়-ক্ষুদ্ধ৷

দূরে থাকুক, অতি প্রশংসনীম্ন পরম-পবিত্র ধর্ম॥ স্বহস্তে হল-চালন] করা দূষ্য নহে, করপত্র ব্যবহার করাও নিন্দনীয় নহে। এতদ্দেশীয় বিষষ্মী লোক, যে সমস্ত উপাধিক-লাভ-দায়িকা অর্থকরী বৃত্তিকে -পরন্তু অতি প্রধান বৃত্তি বলিয়া জানেন, সে সমুদায়ই দূষ্য ও প্রশংসনীয় ও পবিত্র নিন্দনীয়। ন্যায়-পথাশ্রয়ী সরল স্বভাব কৃষক অ্যায়োপ জীবী লক্ষপতি অপেক্ষা সহস্রগুণে। আদরণীয় ও পূজনীয়। এরূপ ধর্ম্মপরায়ণ কৃষকের বলীবর্দ বিশিষ্ট পবিত্র পর্ণকুটীরের নিকট অধর্ম্মোপজীবা লক্ষপতির অশ্বরথ-শোভিনী চিত্তচমৎকারিণী প্রাসাদ শ্রেণী মলিন বোধ হয়। এরপ খাজু-স্বভাব বুভুক্ষু কৃষকের কদলীপস্থিত নিরুপকরণ ত গুলগ্রাম, পরধনাপহারা বিভবশালা ধনাঢ্যদিগের স্বর্ণপাত্রাঢ়। সৌগন্ধ-পরিপূর্ণ ‘সুস্নিগ্ধ ভোগ অপেক্ষ। সহস্রগুণে বিশুদ্ধ ও তৃপ্তিকর। বহুকালাবধি এদেশীয় লোকের কেমন কুসংস্কার জন্মি য়াছে, তাহারা ম্যাক্সবিরুদ্ধ কুৎসিত কৌশলে অর্থো শ্রেষ্ঠতা পাৰ্জন করিবেন, পরোপজ।ব্য অবলম্বন করিয়া তৃণ অপেক্ষাও লঘু হইবেন, অনাহারে শরীর শীণ ও জীর্ণ করিবেন, তথাচ ঈশ্বরানুমত, ধৰ্মানুগত শিল্প কর্ম্ম করিতে সম্মত হইবেন না। নিয়মিত পরিশ্রম সর্ব্বতোভাবে শ্রেয়োজনক ও সুখজনক বটে, কিন্তু উহার আতিশয্য অত্যন্ত অনিষ্টকর। বাস্তবিক লোকে নিয়মাতিরিক্ত পরিশ্রম করে বলিয়াই তাহাদের উহা কষ্টদায়ক নিয়মিত – বলিয়া হৃদয়ঙ্গম হইয়াছে। জনসমাজে এ বিষয়ে। শ্রম অনিয়মিতের অপকারিতা অতিশয় অব্যবস্থা দেখিতে পাওয়া যায়। কেহ বা প্রতিদিবস ত্রিশ বা পয়ত্রিশ দণ্ড কর্ম্ম করিয়া, কষ্টে দৃষ্টে দিনপাত করিতেছে, কেহ বা চারি দও কালও নিয়মিত পরিশ্রম। করিতে স্বীকৃত নহে। কিন্তু এ উভয়ই অনিষ্টকর। পূর্বেই লিখিত স্যায় পথাক্রয়ার