পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/৪২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২৬ অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান 1 করিতে পারিয়াছিলেন এবং সে যে কোন্ পথে যাইলে উন্নতিলাভ করিতে পারিবে, তাহা তিনি বুঝিতে পারিয়াছিলেন। ইহাই হইল মহাপুরুষদিগের অন্তদৃষ্টিশক্তি। বাল্যকালে রাখালকে কখনও কখনও চুপ করিয়া বসিয়া থাকিতে দেখিতাম ; তখন ভাল করিয়া বুঝিতে পারি নাই যে যুবা রাখাল স্বভাবসিদ্ধ জাপক। কিন্তু রাখাল যখন পরমহংস মহাশয়ের সংস্রবে আসিল, তিনিই প্রথম বুঝিতে পারিলেন যে রাখালের জপ করা স্বভাবসিদ্ধ গুণ। এইজন্য তিনি বলিতেন, “রাখাল চুপ করে বসে থাকে, বেশী কথাবার্তা কয় না, কিন্তু তার ঠোট অনবরত নড়ছে।” রাখালকে সকলে নিস্তেজ ও অল্পবুদ্ধি বিবেচনা করিয়া হীন মনে করিত এবং তাহাকে কোন কাৰ্য্যের উপযুক্ত বলিয়া বােধ করিত না; কিন্তু একমাত্র পরমহংস মহাশয়ই তাহার ভিতর যে অদ্ভুত শক্তি বীজভাবে নিহিত ছিল, তাহা দেখিতে পাইয়াছিলেন। পরমহংস মহাশয়ের কি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি, কি অদ্ভুত মনুষ্য-চরিত্র-জ্ঞান - ইহা হইতেই বেশ বুঝা যায়। শক্তিমান্ তেজস্বী যুবককে সকলেই আদর করিয়া থাকে এবং তাহার প্রতিভা ও ওজস্বিত সকলেই উপলব্ধি করিতে পারে ; কিন্তু নিস্তেজ, নিরীহ, ভ্যাদভেদে যুবকের ভিতর যদি শক্তি সুষুপ্তভাবে থাকে, তাহা হইলে সাধারণের পক্ষে উহা বুঝা বড়ই কঠিন। ভবিষ্যতের জ্ঞান পরমহংস মহাশয়ের অতি আশ্চর্য্যরূপে ছিল, সেইজন্য তিনি যুবক রাখালের ভবিষ্যৎ দেখিতে পাইয়াছিলেন। আর জগতও পরবর্তীকালে এই নিস্তেজ, নিরীহ