যাক। আমি দেখলাম যদি পিছিয়ে যাই তবে ওরা বলবে ডাক্তার টাকা দিতে হবে বলে পিছিয়ে গেল। ওদের মঙ্গলগঞ্জ থেকে বছরে অনেক টাকা আমি উপার্জ্জন করি, তার কিছু অংশ ন্যায্য আমোদ-প্রমোদের জন্যা দাবি করতে পারে
বললাম—কি করতে চাও? যা চাও দেবো।
আবদুল হামিদ বললে—ভাল একটা ফিষ্টি।
গোবিন্দ দাঁ বললে—আপনার নৌকাটা নিয়ে চলুন মহানন্দ পাড়ার চরে। দুটো মুরগি যোগাড় করা হয়েছে, আরও দুটো নেবো। পোলাও, না ঘি-ভাত না লুচি যা-কিছু বলবেন আপনি।
আমি বললাম—আমি দাম দিয়ে দিচ্চি জিনিস পত্তরের। তবে আমাকে জড়িও না। দুজনেই সমস্বরে হৈ চৈ করে উঠলো। তা কখনো নাকি হয় না। আমাকে বাদ দিয়ে তারা স্বর্গে যেতেও রাজী নয়।
গোবিন্দ দাঁ বললে—কেন, মুর্গিতে আপত্তি? বলুন, ত বাদ দিয়ে সেখহাটি থেকে উত্তম মণ্ডলের ভেড়া নিয়ে আসি। পনেরো সের মাংস হবে।
আমি বললাম—আমায় বাদ দাও।
—কেন, বলুন।
খুব সামলে গেলাম এ সময়। মুখ দিয়ে বেরিয়ে গিয়েছিল আর একটু হলে যে, আমার মন ভাল নয়। ভাগ্যিস সে কথা উচ্চারণ করিনি। ওরা তখুনি বুঝে নিত। ঘুঘু লোক সব। বললাম—শরীর বড় খারাপ হয়েচে।