—তোমরা নেচে গিয়ে তবে খাবে কি? ওরা চাল ডাল দিয়েচে! মাছ কিনে দিয়েচে। আমি রাঁধবো।
—কক্ষনো না। তোমায় যেতে দেবো না। নীলি আর আমি রান্না করবো এর পরে।
নায়েমশায় সামনেই বসে। আমার দিকে দেখি কট মটিয়ে চাইচেন বোধ হল পান্না যে এত কথা আমার সঙ্গে বলচে এটা তিনি পছন্দ করচেন না। আট দশ টাকা প্যালা দিলেন নিজেই রুমালে বেঁধে বেঁধে—শুধু পান্নাকে।
একটু বেশি রাত হোলে আমাকে একজন বরকন্দাজ ডেকে বললে—আপনাকে নায়েবাবু ডাকচেন।
আমি গেলাম উঠে। নায়েমশায় আসরের বাইরে একটা গাছতলায় দাঁড়িয়ে। আমায় বললেন—ওই মেয়েটির নাম কি?
আমি বললাম—পান্না।
—তোমার কেউ হয়?
—না। আমার কে হবে?
নায়েমশায় দেখি আমার দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে চেয়ে রয়েচে। আমার চেহারার মধ্যে সে যেন কি খুঁজচে। আমাকে আবার বললে—তুমি এখানে এসেচ রান্না করতে বল্ছিলে না?
—হুঁ।
—ক’টাকা পাও?
—এই গিয়ে সাতটাকা আর খোরাকী।