পান্না দুই হাতের বুড়ো আঙ্গুল তুলে নাচিয়ে অপূর্ব্ব ভঙ্গিতে হেসে আবার গড়িয়ে পড়লো।
আমার কি যেন একটা হয়েচে, পান্না যা করে আমার বেশ ভাল লাগে, যে কথাই বলুক বা যে ভঙ্গিই করুক। আমি মুগ্ধ হয়ে ওর হেসে লুটিয়ে-পড়া তনুলতার দিকে চেয়ে রইলাম! অপূর্ব্ব সুশ্রী মেয়ে পান্না।
আর একটা কথা ভেবে দেখলাম বিকেলে একটা পার্কে নিরিবিলি বসে। আমার হাতে আর অর্থ নেই বা নিঃস্ব হয়ে গিয়েছি এ জিনিষটা পান্নার পক্ষে আদৌ প্রীতিপ্রদ নয়। কিন্তু এটাকে ও অতি সহজভাবেই মেনে নিয়ে তার প্রতিকারও করতে চাইলে। ও নিজে উপার্জ্জন করে এনে খাওয়াবে আমাকে ভেবেচে নাকি? ও অতি সরল। কিন্তু এই সরলতা আমার পক্ষে সম্পূর্ণ অভিনব। আমি এর আস্বাদ পেয়ে ধন্য হোলাম।
পান্নাকে আমি মনে মনে শ্রদ্ধা না করে পারলাম না। কেমন সহজভাবে ও আমার নিঃস্বতার বার্ত্তাকে গ্রহণ করলো! কত সন্ত্রান্ত ঘরের বিবাহিতা স্ত্রীরা এত সোজাভাবে স্বামীর ব্যাঙ্ক ফেল মারার বার্ত্তাকে পরিপাক করতে পারতো না। পান্নার শালীনতা অন্য রকমের, ও বেশি কখনো পায়নি বলেই বেশি চায় না—তাই কি? এই অবস্থাটাই বোধ হয় ওর কাছে সহজ।
পান্না আমাকে ভালবাসে নিশ্চয়ই। ভাল না বাসলে ও এমন বলতে পারতো না। আমার বয়েস হয়েছে, একটি