পাতা:অদ্ভুত ফকির - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়.pdf/১৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

১৪

দারোগার দপ্তর, ১৯৫ সংখ্যা।


সন্ধানের সুবিধা হইতে পারে। যদি অনুমতি করেন, আমি অল্প কথায় ব্যক্ত করি। আপনার সমভিব্যাহারী কর্ম্মচারী সে কথা, জানে। আপনার কর্ম্মচারী নিকটেই ছিল। এতক্ষণ যে কোন কথাই কহে নাই; চুপ করিয়া সকল কথা শুনিতেছিল।

 কর্ম্মচারী, তাহার নাম শুনিয়া, চমকিয়া উঠিল এবং আমার দিকে ফিরিয়া কহিল, “আজ্ঞে হাঁ; আমি সে কথা জানি। আপনি হুকুম দিলে আমি এখনই দুই কথায় বলিতে পারি। পঞ্চাশ বৎসর আমার বয়স। প্রায় ত্রিশ বৎসর হজুরের চাকরি করিতেছি। এ সকল কথা যদি আমি না জানিব তবে জানিবে কে? আর হুজুরের নিকট বেশী কথা বলিয়া সময় নষ্ট করাও উচিত নয়।

 বাধা না দিলে সে আরও কত কি বলিত বলা যায় না। কিন্তু আমি আর সহ্য করিতে পারিলাম না। একটু কর্কশ স্বরে বলিলাম, “থাক্, আর তোমার দু-কথায় কাজ নাই। অগ্রে লাসটী দেখিয়া আসা যাউক।


চতুর্থ পরিচ্ছেদ।

 কর্ম্মচারী আর কোন কথা কহিতে সাহস করিল না। গৌরীশঙ্কর বাবু আমার কথা শুনিয়া অগ্রসর হইলেন। আমিও তাহার অনুসরণ করিলাম। কর্ম্মচারী আবদুলও আমাদের সঙ্গে সঙ্গে চলিল।

 পূর্ব্বেই বলিয়াছি, বাড়ীর সম্মুখেই বাগান। প্রকাণ্ড উদ্যান— নানাজাতীয় ফল ও ফুলের গাছ শ্রেণীবদ্ধ হইয়া চারিদিকে শোভা