এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
১৩৬
অদ্ভুত-রামায়ণ।
লক্ষ্মণ নামিলা পরে অতি ক্রোধ মনে।
একবার বাজে ঘণ্টা অতি প্রাণপণে॥
ভরত নামিয়া ঘণ্টা ধরি দিলা টান।
দুই শব্দ হৈল শুনে রাবণ ধীমান॥
ভাবিল অন্তরে কেহ ক্রীড়ার কারণ।
নাড়িতেছে ঘণ্টা বুঝি করি আস্ফালন॥
শিবপূজা করে বীর হয়ে একমন।
গ্রাহ্য নাহি হয় তার যুদ্ধের কারণ॥
অতঃপর রামচন্দ্র নামিয়া তখন।
চারি শব্দে করিলেন ঘণ্টার বাদন ॥
সহস্রবদন শুনি সৈন্য প্রতি কয়।
এ বীর ডাগর কিছু মম মনে লয়॥
অতএব সাজ সবে করিবারে রণ।
কে আইল মম করে অর্পিতে জীবন॥
আজ্ঞামাত্রে সৈন্যগণ হইল সজ্জিত।
যুদ্ধক্ষেত্রে বীরদর্পে হৈল উপনীত॥
মার মার শব্দেতে রাবণ মহাবল।
রামের সম্মুখে যায় সহ সৈন্যদল॥
চারি জনে দেখিয়া রাবণ হাস্য করে।
কহে কোথা হৈতে আইলে মরিবার তরে॥
কোমল শরীর দেখি নবনীত প্রায়।
কাহার তনয় কেন আইলে হেথায়॥