পাতা:অধিকার-তত্ত্ব.pdf/১০৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Ꮌ 8 অধিকার-স্তত্ত্ব । ১৪ ! ভ্রাতৃভাব কখনও দলের আড়ম্বরে উৎপন্ন হয় না । উভয় প্রেমিকের সমান অtধ্যাত্মিক উন্নতি হইলেই উল্লাহ গোপনে জন্মে। কিন্তু উন্নত ব্রাহ্মদিগের ভ্রাতৃভাব সে আধ্যাত্মিক উন্নতির মধ্য দিয়া হইতেছে না ; ফলে তাহা সম্ভবও নহে । তাহারদের অনেকের ভ্রাতৃভাবকে পার্থিব-প্রীতিমূলক বলিয়া বোধ হইতেছে, পরমার্থিক নহে । অদ্য কল্য জাতি ও যজ্ঞে পবিত ভ্যাগ, পিতৃ মাতৃত্যাগ, স্ত্রীগণকে ইউরোপীয় স্বাধীনতা প্রদান, ব্রাহ্ম-বিবাহ, সঙ্কর বিবাহ, ইত্যাদি বা হ্যাড়ম্বর সকল ঐক্যের নিয়ামক হইয়াছে ; কিন্তু পরমার্থিক-প্রীতি নহে । খৃষ্টও চৈতন্যকে আদর্শ করা, ইংরাজগণের আচার ব্যবহার অনুকরণ করা, হিন্দুশাস্ত্রের উপরি বাইবেলের প্রাধান্য স্থাপন করা, এই সকল ব্যাপার ভ্রাতৃভাবের জনক হুইয়াছে ; ব্রহ্মজ্ঞান নহে । এই পার্থিব-প্রেম জনিত ভ্রাতৃভাব যে নুতন জাতি সৃষ্টি করিতেছে, সেই জাতিমাত্র অবশিষ্ট রাখিয়া ভাহা স্বয়ং অচিরে তিরোহিত হইবেক । ১৫ । উন্নত ব্রাহ্মের ইংরাজদিগের সহিত ভারতের ভ্রাতৃভাব স্থাপন করিবার চেষ্টা করিতেছেন ; ফলে তাহ কি কখন হইবেক ? অামি পূৰ্ব্বে বলিয়াছি যে বিদেশী অপেক্ষ স্বদেশী মানবেরা অধিক অন্তরঙ্গ । সে আত্মীয়তা স্বাভাবিক । ঐ আত্মীয়তা যত দূর প্রয়োজন তাহা অগ্রে স্থির ভর রাখিয়া, ইউরোপীয়গণ এদেশীয় লোককে এবং এদেশীয় লোকেরা ইউরোপীয়দিগকে প্রীতি করিতেছেন । কিন্তু সে প্রীতি পূণর্থিব-রসে প্রতিপালিত । ইংরাজের