পাতা:অধিকার-তত্ত্ব.pdf/১৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অধিকার-তত্ত্ব । (t প্রেরিত, প্রতিমা পূজাও ঈশ্বর-প্রেরিত, এ কি মতে সম্ভবে ? কিন্তু চিন্তা করিয়া দেখ, সকল ধৰ্ম্মই ঈশ্বর প্রেরিত । যিনি দস্তুবিহীনশিশুকে দুগ্ধ দিয়া দম্ভ-যুক্ত মানবকে অন্ন দেন, তিনি যে মানবকে কিভাবে মানুষ করিয়া তুলিতেছেন, তাহ কি তর্ক করিয়া কাহারে বুঝিবার সাধ্য আছে ? যত প্রকার সাধনপ্রণালী দেখিতেছি, প্রবৃত্তি ও অধিকার ভেদে সকলই স্বাভাবিক । তাদৃশ প্রত্যেক প্রণালীতে তন্মতাবলম্বিগণের অশেষ মঙ্গল হইয়াছে । বৰ্ত্তমানকালে ছোট বড় সকল লোকের ধারণা সমান নহে । বিদ্যা-শিক্ষণতেও সমান হইবে না । কোন শাস্ত্রকে অভ্রান্ত বলিয়া সকলকে তাহার শাসনে আনিলেও সমান হইবে না । ছোট বড় তাবৎ লোকের মধ্যে ঈশ্বর, ধৰ্ম্ম ও ক্রিয়া বিষয়ে শত শত বিভিন্নতা থাকিবেই । বেদকে অভ্রান্তু জানিয়াও ভারতে মতভেদ নিবারিত হয় নাই ৷ এক বাইবেলের অধীনেও খৃষ্টানেরা শতধা হইয়াছেন। এরূপ বিভিন্নতা চিরকাল ছিল ও থাকিবেক । অধিকার-ভেদে শ্রেণী-বিভিন্নতা যখন স্বাভাবিক, তখন পরস্পর দ্বেষ করণই অবিবেকত । ভারতে যত উপাসকসম্প্রদায় তত অন্য কোন দেশে নাই, আবার ভারতের যত তাহাতে সহ্য আছে তত কোন দেশে নাই । মুসলমানের জিহাদৃ ও খৃষ্টানের ক্রুসেড ধর্মের অঙ্গ , কিন্তু হিন্দুদিগের ক্ষমাই পরম ধৰ্ম্ম । তাছার জড়োপাসনা অবধি ব্রহ্মোপাসন পৰ্য্যন্তকে ঈশ্বরদত্ত মানবধর্ম বলিয়া गोमत्व করেন এবং শাখাস্তুরীয় ধৰ্ম্মকে হতাদর করেন না। খষ্টীয় ও