পাতা:অধিকার-তত্ত্ব.pdf/৩৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অধিকার-তত্ত্ব । २६ ৫ । এইরূপ ফলকামনাবিশিষ্ট অল্পের উপাসন ঈশ্বরেরই উদ্দেশে ৷ ব্ৰহ্মজ্ঞানের পূৰ্ব্বোক্ত দুৰ্ব্বল-অধিকারই সে উপাসনার জনক । মানবের যতটুকু ধারণ ঐ উপসনার ততটুকু প্রেরণা, তাহা ঈশ্বর-নির্দিষ্ট স্বাভাবিক নিয়ম । যেমন অধিকার, যেমন অবশ্যক, বিধাতা তেমনি ব্যবস্থাপক । ৬ । তাদৃশ দুর্বলাধিকারে মিত্ৰ-বৰুণ-ইন্দ্রাদি ঈশ্বরীয়মহিমা সকলের, ব্রহ্মা-বিষ্ণু-ৰুদ্ৰাদি ঈশ্বরীয়-গুণাংশ-গণের এবং রামকৃষ্ণ খৃষ্ট প্রভৃতিকে অবতার বোধে উপহারদের যে পূজা প্রচারিত হয়, তাহা অস্বাভাবিক ও পাপীজনক নহে । ৭ । অধিকারের অনুন্নতি বশত কোন ব্রাহ্ম যে আপন আপন মানস-কণপনাদ্বারা ব্রহ্মকে চিত্রিত করেন, এবং আত্মার লালসা সুত্রে সেই মানস-কম্পিত ঈশ্বরীয় প্রতিমূৰ্ত্তির চরণে যে মধুর ভক্তি চন্দন অৰ্পন করেন তাহও অস্বাভাবিক ও পাপ নহে । ৮ । র্যাহারদের ঐ প্রকার দুৰ্ব্বলাধিকার, তাহারদের সম্মুখে ঐরুপ ঈশ্বরবোধ—ঐরূপ পূজাই জাগ্রভ । সে দুগ্ধ সেই দুৰ্ব্বল-শিশুগণই বিশেষ অস্বাদের সহিত পণন করিয়া থাকেন, এবং ভাহা কেবল র্তাহারদিগেরই পুষ্টি সাধন করে । সবল ব্ৰহ্মজ্ঞানীরা তা হা হইতে স্বীয় স্বীয় আত্মার পুষ্টি: লাভের অণশা করিতে পারেন না এবং সেরূপ ঈশ্বরজ্ঞান ও কনিষ্ঠোপাসনা ব্রাহ্মসমাজের ও উচ্চাদর্শ হইতে পারে না । ৯ । এখন ভ্ৰষ্টাচারীর অবস্থা দেখ, তিনি মোহে অন্ধ হইয়। উচ্চশক্তির অস্তিত্ব দেখিতে পান না, কেবল নৃত্যগীত 窗。