পাতা:অধিকার-তত্ত্ব.pdf/৬৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অধিকার-তত্ত্ব । ): \כ • পাওয়া যাইবেক । ভাদৃশ উপাধি গ্রহণের মূল ও ফল কেবল অভিমান, এবং পূৰ্ব্বে বলা গিয়াছে যে তাহ নুতনবিধ-জাতি ও পৌত্তলিকতার জনকস্বরূপ । তাই বলিয়া স্বদেশীয় প্রচলিত-জণতি-বাচক সাধারণ বা বিশেষ নাম যে তিনি পরিত্যাগ করিবেন তাহ বিধেয় নহে । নুতন নাম গ্রহণে ও পুরাতন নাম ভ্যাগে তুল্যাভিমান । পুরাতন নাম ত্যাগ করা ও এক নুতনত্ব । তা হা যেমন আশ্চর্য্য পরিচয় স্থল, সেইরূপ অহঙ্কার-মুলক ৷ পাছে হিন্দু বলিলে আমাকে পৌত্তলিক বুঝায় অর্থাৎ উচ্চ-জ্ঞানী বা উন্নত— ধাৰ্ম্মিক না বুঝায়, এই জন্য আমি হিন্দু-নাম ত্যাগ করিলাম । আমি মনে করিতেছি লোকে জানিবে যে হিন্দুনামের সঙ্গে সঙ্গে আমি অহঙ্কার ছাড়িলাম ; কিন্তু তাহ নহে । আমি এক নুতন অহঙ্কার প্রকাশের জন্যই হিন্দুনাম ত্যাগ করিয়া “ ব্রাহ্ম ’’ বা “ ব্রহ্মজ্ঞানী " উপাধি লইলাম । অামি যদি তৎপরিবর্তে সাধারণ “ মনুষ্য " নামটিতেও বিশেষ করিয়া লইয়া গ্রহণ করি, তাহাতেও আমার আস্তুরিক অহঙ্কার প্রকাশ পাইবেক । অহঙ্কার ত্যাগ করা হইল না । অভিমান ত্যাগই ত্যাগ । বিষয় ও উপাধি ত্যাগকে ত্যাগ বলে না । বাইবেলে দেখ—যিমু আপনাকে অনেক সময় মনুষ্যপুত্ৰ বলিয়া পরিচয় দিতেন, কিন্তু মনুষ্যপুত্ৰ সকলেই তথাপি সেই সাধারণ নামটি তিনি বিশেষ করিয়া ধারণ করায়, র্তাহার অভিপ্রায়ে গোলমাল থাকা প্রকাশ পাইতেছে। অভিমানের অন্ত নাই । যাহারা দণ্ডী ও পরমহংস হুন, তাহার আপন আপন পূৰ্ব্বনাম ত্যাগ করিয়া কেহু, অমৃতানন্দ তীর্থ