পাতা:অনুবাদ-চর্চ্চা.djvu/১২৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


> >8 * অনুবাদ-চর্চা ᎼᏬᏬ তোমাকে আমার লিখিবার উদ্দেশ্য এই যে, বাংলাদেশের পক্ষে যে-জ্ঞানের এত বেশি প্রয়োজন যাহাতে সেই জ্ঞান বিস্তার করিবার শ্রেষ্ঠ উপায়-সম্বন্ধে স্ত্যানিটারী বোর্ডের উপদেশ সংগ্রহ করা হয় । এই ব্যাধি সম্বন্ধে আমাদের বর্তমান অভিজ্ঞতা হইতে দুইটি কথা সুস্পষ্ট প্রকাশিত হইয়াছে, প্রথম, যে, ইহা অত্যন্ত দুরবিস্তৃত, এবং দ্বিতীয়, যে, ইহ। সহজেই সারিয়া যায়। কিন্তু যদি বা এই পরাশিত কীট মনুষ্যের দেহতন্ত্র হইতে বিনাক্লেশে তাড়িত হয়, তথাপি ইহার পুনঃসংক্রমণ নিষেধ করা এক সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র ব্যাপার। এবং সেই পুনঃসংক্রমণ হইতে নিরাপদ হওয়া কেবলমাত্র জনগণের স্বাস্থ্যপালন-সম্বন্ধীয় অভ্যাস সকলের পরিবর্তন দ্বারাই ঘটিতে পারে। অতএব এইরূপ যেন বোধ হইতেছে যে, এই পরাশিত কীটের সম্পূর্ণ উচ্ছেদ-সাধনের চেষ্টার সময় এখনো আসে নাই। কিন্তু যাবৎ বর্তমানে অঙ্কুশ-কৃমির বিরুদ্ধে, নিঃশেষকারী যুদ্ধ চালনা করা সাধ্য না হয়, তাবৎ আমার এই বোধ হয় যে, সংগ্রামের একটা প্রথম উপক্রম হাতে, লওয়া বেশ চলে । ᎼᏬ8 উপসংহারে আমি বলি যে, এক্ষণে এ সম্বন্ধে আমাদের যতটা জ্ঞান আছে, তাহাতে নিম্নলিখিত প্রতিজ্ঞাগুলিকে.