পাতা:অনুবাদ-চর্চ্চা.djvu/১৩৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অনুবাদ-চর্চা ১২১ ১৭৩ অষ্টাদশ শতাব্দী পৰ্য্যস্ত সকল যুগের সাহিত্যেই দেখা যায় যে, ধূমকেতুকে লোকে তখন হুঃখের ভীষণ অগ্রদূত বলিয়া বিশ্বাস করিত । লোকের সাধারণতঃ ধারণ ছিল যে, নক্ষত্র ও উল্কা ভবিষ্যৎ শুভ ঘটনার, বিশেষ করিয়া বীর ও মহৎ জন-শাসকদের জন্মের ভাবী বাৰ্ত্তা বলে। সূৰ্য্যচন্দ্রের গ্রহণগুলি পার্থিব তুর্ঘটনায় প্রকৃতির দুঃখানুভব ব্যক্ত করে এবং অন্যান্য সমস্ত দৈব সঙ্কেতসমষ্টির অপেক্ষ ধূমকেতুই গুরুতর অমঙ্গলের পূর্বসূচনা। যাহার। ইহা ভগবানের প্রেরিত সঙ্কেত বলিয়া স্বীকার না করিত, তাহারা নাস্তিক নামে কলঙ্কিত হইত। John Knox ইহাদিগকে দেবতার ক্রোধের চিহ্ন বলিয়া বিশ্বাস করিতেন, অপর অনেকে পোপপূজকদিগকে সমূলে বিনাশ করিবার জন্য রাজার প্রতি সঙ্কেত ইহার মধ্যে দেখিয়াছিল। Luther ইহাদিগকে সয়তানের কীৰ্ত্তি বলিয়া ঘোষণা করিয়াছিলেন এবং ইহাদিগকে কুলট তারা বলিতেন । > ዓ8 Milton বলেন যে, ধূমকেতু তাহার ভয়াবহ কেশজাল ঝাড়া দিয়া মহামারী ও যুদ্ধ বিগ্রহ বর্ষণ করে । রাজা হইতে আরম্ভ করিয়া দীনতম কৃষক পৰ্য্যন্ত সমগ্র জাতি এই অমঙ্গলের দূত সকলের আবির্ভাবে ক্ষণে ক্ষণে দারুণতম আতঙ্কে নিমগ্ন