পাতা:অনুবাদ-চর্চ্চা.djvu/১৬৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ses অনুবাদ-চর্চা মহাসত্ত্ব জীমূতৰাহন সৰ্ব্বভূতের প্রতি তাহার স্বাভাবিক অনুকম্পার সহিত বৃদ্ধি পাইতে লাগিলেন । কালক্রমে যৌবরাজ্য-প্রাপ্ত হইলে, তিনি একদিন জগতের প্রতি অনুকম্পাবশত নির্জনে পিতাকে নিবেদন করিলেন,—“তাত, আমি জানি, এই সংসারে সমস্ত পদার্থই ক্ষণভঙ্গুর ; কিন্তু একমাত্র মহাপুরুষগণের নিৰ্ম্মল যশই কল্পান্ত পৰ্য্যন্ত টি-কিয়া থাকে। যদি পরোপকার-জনিত যশ লাভ করিতে পারা যায়, তাহা হইলে উদার ব্যক্তিগণের নিকটে তাহার মতো আর কোন ধন প্রাণাপেক্ষাও অধিক মূল্যবান পরিগণিত হইতে পারে ?” _ ২১৭ “যে সম্পদে পরের উপকার করিতে পারা যায় না, তাহ তো বিদ্যুতের ন্যায় কেবল ক্ষণকালের জন্য লোকচক্ষুর কষ্টই উৎপাদন করিয়া বিলীন হইয়া যায়। অতএব এই যে আমাদের অধিকারে অভিলষিত বস্তুপ্রদ কল্পবৃক্ষ রহিয়াছেন, ইহাকে যদি পরোপকারে লাগাইতে পারা যায়, তাহা হইলে ইহার নিকটে সমস্ত ফল পাওয়া যাইবে । অতএব আমি সেইরূপ উপায় গ্রহণ করিতে চাহি, যাহাতে ইহার ধন দ্বারা প্রার্থী জনসমূহ দারিদ্র্য হইতে মুক্ত হয়।” জীমূতবাহন পিতাকে এই আবেদন জানাইয়া ও র্তাহার অনুজ্ঞা লাভ করিয়া কল্পক্রমের নিকটে গমনপূর্বক বলিলেন,—“হে দেব, আপনি সৰ্ব্বদা আমাদিগকে অভীষ্ট ফল দান করিয়া থাকেন।