পাতা:অনুবাদ-চর্চ্চা.djvu/৩৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
১৯
অনুবাদ-চর্চ্চা

কালে অবস্থিত, তখনকার সম্বন্ধে লিখিতে গিয়া হেরোডোটস বলিয়াছেন,—“যত দেশ আমি জানি, ইহাই তাহাদের সকলের চেয়ে উত্তম ফসলের দেশ; ইহা এতই চমৎকার যে, সব চেয়ে ভালো বছরে গড়ে ইহার উৎপন্ন ফসল দুই তিনশ গুণ হইয়া থাকে।”

 প্রথম খলিফাদের রাজত্বের একটি তালিকায় দেখা যায় যে, প্রায় এক কোটি পঁচিশ লক্ষ একর্‌ জমি কৃষির অধীনে আছে। এ, জে, টয়ন্‌বি লিখিতেছেন, “প্রাচীনকালে উত্তর মেসোপোটেমিয়া প্রদেশটি এমন প্রজাবহুল এবং ধনশালী ছিল যে, ইহার অধিকার লইয়া রোমের সহিত ইরানের শাসনকর্ত্তৃগণের সাত শতাব্দী ধরিয়া লড়াই চলিয়াছিল; অবশেষে আরবেরা উভয়ের নিকট হইতে ইহা জিতিয়া লয়।” ঐ গ্রন্থকারই দেখাইয়া দিয়াছেন যে, নবম খৃষ্টশতাব্দীতে হারুন্‌-অল্‌রশীদকে ইজিপ্ট যত বেশি খাজনা দিত, উত্তর মেসোপোটেমিয়া তত বেশি খাজনাই দিত, এবং সেখানকার তুলা পৃথিবীর সকল হাটে প্রাধান্য লাভ করিয়াছিল। ইহা সুবিদিত যে, আমাদের মস্‌লিন শব্দ উত্তর মেসোপোটেমিয়ার মোসল নগরের নাম হইতে উদ্ভূত।


২৫

 এই ভূমি দশ শতাব্দী পূর্ব্বে যেরূপ শস্য উৎপাদন করিয়াছে, এখন সেরূপ না করিবে কেন? মাটি এবং আবহাওয়ার পরিবর্ত্তন ঘটে নাই। বৃষ্টিপাত এবং সেচন-