বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:অন্ধকারের বন্ধু - হেমেন্দ্রকুমার রায়.pdf/৭০

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

 হেমন্ত অবহেলাভরে বললে, “ধূলো পেয়েছি বটে, কিন্তু অত্যন্ত বাজে ধূলো, কোন কাজে লাগবে ব'লে মনে হচ্ছে না! ··কই মিঃ দত্ত, কোথায় আপনার চা? এতক্ষণ তো পাগলের মতন ব'কে মরলুম, কিন্তু আর তো চা না হ'লে চলে না!”

 “নিশ্চয়, নিশ্চয়! বেয়ারা, এই বেয়ারা! জল্‌‌দি চা লে আও!”

 চা এল, খাবার এল।

 মিঃ দত্ত বললেন, “হেমন্তবাবু, আপনার লেক্‌‌চার শুনে আজ অনেক জ্ঞানলাভ করলুম; ধন্যবাদ!”

 চা পান করতে করতে হেমন্ত বললে, “ঐ দরজাটার পর্দ্দার ফাঁক দিয়ে যে-ঘরটা দেখা যাচ্ছে, ওখানে শেল্‌‌ফের ওপরে অত, শিশি-বোতল সাজানো কেন? ওটা কি আপনার ডিস্‌‌পেন্সারি?”

 —“না হেমন্তবাবু, ওটা আমার ডিস্‌‌পেন্সারি নয়, ও-ঘরটি হচ্ছে আমার রসায়নাগার।”

 -“রসায়নাগার?”

 —“আজ্ঞে হ্যাঁ॥ আপনি তো জানেন, রসায়ন-শাস্ত্র নিয়ে আমি অল্পবিস্তর পরীক্ষা-কার্য্য করি! যদিও জ্ঞান আমার সামান্য, তবু ঐ রসায়নাগারের পিছনে আমি অনেক টাকা খরচ ক'রেছি। আপনি ও-ঘরটি দেখবেন?”

 চায়ের পেয়ালায় শেষ চুমুক দিয়ে হেমন্ত হাসতে হাসতে বললে, “রবীন জানে সব ব্যাপারেই আমার কৌতূহলের সীমা

৬৪