গিয়েছি, তারপরেও বাতাস হবে আবার নিরেট বরফ! অবাক কাণ্ড! তাকে তখন দেখাবে কি-রকম?”
—“অবিকল বরফের মতই। যদিও সেটা হবে এমন ঠাণ্ডা যে সাধারণ বরফকেও তখন গরম বলা যেতে পারবে। ঐ বাতাস-বরফের সাহায্যে রাসায়নিকরা—বাতাসেরও চেয়ে তো বটেই, পৃথিবীর সবচেয়ে হাল্কা গ্যাসকে-অর্থাৎ হাইড্রোজেনকেও দ্রবীভূত করতে পারেন। আবার তার পরের ধাপ হচ্ছে বরফে পরিণত হাইড্রোজেন!”
সতীশবাবু বললেন, “ফ্লাস্কের মুখে ছিপি না দিয়ে তুলোর নুটি এঁটে রেখেছেন কেন মিঃ দত্ত? বাতাস দ্রবীভূত হ'লেও পালিয়ে যেতে পারে তো?”
—“দ্রবীভূত বাতাসও উপে যায় বটে। কিন্তু ফ্লাস্কের মুখে তুলোর বদলে ছিপি এঁটে রাখলে দ্রবীভূত বাতাস দড়াম্ ক’রে পাত্র ফেটে বেরিয়ে আসতে পারে!”
হেমন্ত হাসিমুখে বললে, “যাক্, আমাদের ঋণ গায়ে গায়ে শোধ হয়ে গেল মিঃ দত্ত! আমি শোনালুম সাধারণ ধূলোর কাহিনী, আর আপনি শোনালেন অসাধারণ দ্রবীভূত বাতাসের কাহিনী! অবশ্য গুণানুসারে আপনারই কৃতিত্ব বেশী। কিন্তু এই দ্রবীভূত বাতাস আপনার কোন্ কাজে লাগে?”
—“আমরা—অর্থাৎ রাসায়নিকরা—দ্রবীভূত বাতাসকে ব্যবহার করি অন্য জিনিষকে অতিরিক্ত ঠাণ্ডা করবার জন্যে। একে অন্য পদার্থের সঙ্গে মিশিয়ে বিস্ফোরক রূপেও কাজে
৬৭