বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:অন্ধকারের বন্ধু - হেমেন্দ্রকুমার রায়.pdf/৭৪

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

লাগানো চলে। কিন্তু বাতাসকে দ্রবীভূত করা হচ্ছে বহুব্যয়সাধ্য, ধনী ছাড়া আর কেউ তা পারে না! রসায়নকে সখ ক'রে আমি প্রায় ফকির হ'তে বসেছি!”

 হেমন্ত বললে, “আজ রাত হয়ে গেল মিঃ দত্ত, আপনার দামী সময় আর নষ্ট করব না। কিন্তু আগে থাকতে এটাও জানিয়ে রাখছি, আপনার মতন বিখ্যাত পণ্ডিতের সঙ্গে আলাপ করবার সৌভাগ্য যখন হ'ল, তখন সহজে আপনাকে মুক্তি দেব না! আমি আবার এসে নতুন নতুন আশ্চর্য্য কথা শুনে যাব।”

 মিঃ দত্ত একমুগ্ধ হেসে বললেন, “বিলক্ষণ, বিলক্ষণ! অবশ্যই আসবেন, আমার বাড়ীতে আপনার অবারিত দ্বার জানবেন!”

 ঘরের ভিতর থেকে বেরুতে বেরুতে হেমন্ত মাথা নাড়্‌‌তে নাড়্‌‌তে বললে, “বাতাসের বরফ, বাতাসের বরফ! ধন্য বিজ্ঞান, ধন্য! এবারে এসে হয়তো খেয়ে যাব গন্ধের বরফি!”

 মিঃ দত্ত হো-হো ক'রে হেসে উঠে বললেন, “না হেমন্তবাবু, আপনাকে অতটা বেশী সৌভাগ্যের অধিকারী বোধহয় করতে পারব না!”

 পথ দিয়ে আসতে আসতে হেমন্ত আবার সেই নতুন বাড়ীখানার কাছে দাঁড়িয়ে পড়ল।

 আমি ভয় পেয়ে বললুম, “কি হে, আবার তুমি স্বদেশী আর বিদেশী স্থাপত্য নিয়ে বক্তৃতা আরম্ভ করবে নাকি?”

৬৮