বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:অন্ধকারের বন্ধু - হেমেন্দ্রকুমার রায়.pdf/৭৯

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

দেখছি শীতের জ্যোৎস্না! রবীন, তারপর আমাদের পিছনে পিছনে ও আবার কাকে দেখছি!”

 ফিরে দেখলুম, মতিবাবুর ভাগ্নে বিনোদবাবু আসছেন। তাঁর চেহারা যেন আরো শুক্‌‌নো, রোগা ও ছন্নছাড়ার মত ব'লে বোধ হ'ল।

 হেমন্ত বললে, “আরে আরে, বিনোদবাবু যে! এদিকে কি মনে ক'রে?”

 —“কে, হেমন্তবাবু? রাতের ঠাণ্ডা হাওয়ায় পথে পায়চারি করছি। আজকাল রোজ সন্ধ্যায় বিষম মাথা ধরছে! কিন্তু আপনারা এখানে কেন?”

 —“মিঃ দত্ত আজ আমাদের চায়ের নিমন্ত্রণ করেছিলেন।”

 —“ও, তাই নাকি? আচ্ছা, আসি।” ব'লেই তিনি ফুটপাথ দিয়ে কয়েক পা এগিয়ে গেলেন। তারপর আবার ফিরে এসে বললেন, “হেমন্তবাবু, মিঃ দত্ত কি আমার সম্বন্ধে কোন কথা আপনার কাছে বলেছেন?”

 —“না। কিন্তু আপনার এমন সন্দেহের কারণ কি?”

 বিনোদবাবু কিছুক্ষণ ইতস্তত ক'রে বললেন, “দেখুন হেমন্তবাবু, মিঃ দত্ত আমার হতভাগ্য মামার বিশেষ বন্ধু ছিলেন বটে, কিন্তু আমাকে বোধহয় তিনি পছন্দ করেন ন॥ মামার মৃত্যুর দিনে তার সঙ্গে আমার মনোমালিন্য হয়েছিল, এ-কথা আপনারা জানেন। কিন্তু তার আসল কারণ কি সেটা আপনারা শুনেছেন?”

৭১