এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
নবম পরিচ্ছেদ
দস্তানার পুনরাবির্ভাব।
বৈকালে হেমন্তের সঙ্গে আমি আবার সেই ভযাবহ ঘরের ভিতরে গিয়ে ঢুকলুম। মতিবাবুর শযন-ঘর।
সারা বাড়ীটা ঠিক সমাধির মতন নীবব। লোকজন নিশ্চয়ই আছে, কিন্তু তারা সবাই যেন ভযে দমবন্ধ ক’বে একেবারে চুপ মেরে গেছে।
মতিবাবুর শূন্য শয্যার দিকে তাকিয়ে মনের ভিতরটা খচ্-খচ্ করতে লাগল। এই তো মানুষের জীবন। কত সাধে পাতে নরম বিছানা, কিন্তু শোবার আগেই হঠাৎ বেজে ওঠে মহাকালের ঘণ্টা ঢং, ঢং, ঢং।
খানিক পরেই মিঃ দত্ত এসে হাজির।
হেমন্ত বললে, “আসুন মিঃ দত্ত, নমস্কার। আজও আরএকবার আপনাকে কষ্ট দিলুম।”
—“কষ্ট? কিছুমাত্র না। আপনাদের সাহায্য করতে আমি সববদাই প্রস্তুত। বলুন আমায় কি করতে হবে?”
—“দু-চারটে কথা জানতে চাই। নতুন খুনের কাহিনীটা শুনছেন তো?”
৮৩