সম ধর্ম্মাধর্ম্ম সম কর্ম্মাকর্ম্ম শত্রু মিত্র সমতুল।
জরা মৃত্যু নাই অপরূপ ঠাঁই কেবল সুখের মূল॥
চৌদিকে দুস্তর সুধার সাগর কল্পতরু সারি সারি।
মণিবেদীপরে চিন্তামণি ঘরে বসি গৌরী ত্রিপুরারি॥
শিব শক্তি মেলা নানা রসে খেলা দিগম্বরী দিগম্বর।
বিহার যে সব সে সব কি কব বিধি বিষ্ণু অগোচর॥
নন্দী দ্বারপাল ভৈরব বেতাল কার্তিকেয় গণপতি।
ভূত প্রেত যক্ষ ব্রহ্মদৈত্য রক্ষ গণিতে কার শকতি ॥
এক দিন হর ক্ষুধায় কাতর গৌরীরে কহিলা হাসি ৷
ভারত ব্রাহ্মণ করে নিবেদন দয়া কর কাশীবাসি॥
হরগৌরীর বিবাদসূচনা।
বিধি মোরে লাগিল রে বাদে ॥
বিধি যার বিবাদী কি সাদ তার সাদে ॥
এ বড় বিষম ধন্দ যত করি ছন্দ বন্দ
ভাল ভাবি হয় মন্দ পড়িনু প্রমাদে ॥
ধর্ম্মে জানি সুখ হয় তবু মন নাহি লয়
অধর্ম্মে বিবিধ ভয় তবু তাই স্বাদে ॥
মিছা দারা সুত লয়ে মিছা সুখে সুখী হয়ে
যে রহে আপনা কয়ে সে মজে বিষাদে ॥
সত্য ইচ্ছা ঈশ্বরের আর সব মিছা ফের
ভারত পেয়েছে টের গুরুর প্রসাদে ॥
শঙ্কর কহেন শুন শুনহ শঙ্করি।
ক্ষুধায় কাঁপয়ে অঙ্গ বলহ কি করি॥