পাতা:অমরনাথ (কৃষ্ণচন্দ্র রায় চৌধুরী).pdf/৫৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


& a অমরনাথ । ইচ্ছা কথা সুব উল্ট পাণ্টা করিয়া কেহ তুড়ি কেহ হাততালি দিয়া ঐ গীত ) ৷ শীতল। বাবু, আপনি না গোলমাল কোত্তে মান কোচ্ছিলেন ? গণেশ । আরে যা—এখন আবাব গোলমাল—আব-তোমার ওন্নাম কি-লম্বা মাল, মদ খেতে গেলে আগে চুপ চুপ, শেষে ক্যাথুব । এতো ধরাই আছে—মুখুয্যে ঢাল । গোবিন্দ । আর তো মদ নেই, তিন বোতল পাচার। অমৃত । সেকি বাবা! সব তেল টুকু ন্যাকড়া ভিজিয়ে ভিজিয়ে ফুকে ফুকে যেই ধোরে উইল, অব প্রদীপ জ্বালুবার সময বোলে বোসলে তেল নেই। তা হবে না বাবা! এখন তেল চাই। জ্ঞা নৈলে সব অর্ণধার। তেল আন, আর না হয তে ঐ তেলের ভাড় তোমার মাথায় ভাঙ্গ ব । গোবিন্দ। তা বাবু যদি টাকা দেন, আমি এ-ক্গুনি-দৌড়ে কলুব বাড়ী থেকে তেল আলি । গণেশ। আমাৰও কাছে—তোমাব ওন্নাম কি-টাকা নেই। তুমি অমৰনাথ বাবুৰ মেয়ে বিয়ে কোত্তে চাও, এদিকে মদ আম্বার ক্ষমতা নেই? তবে তোমাকে তো মেয়ে দেবে এখন নগোত। গোবিন্দ। আচ্ছা, অমৃত বাবু বলুন যে, মদ আনলেই বিয়ে হবে । গণেশ । অ’-অ’মি বোলছি, আমরা ও সব একে অমৃ-র-রত বাৰু কি বলেন ? অমৃত । আচ্ছা বাবা, নিয়ে তো এস, তার পরে দ্যাখা যাবে। গোবিন্দ । তা আমার কাছে টাকা যত আছে তা তো মাগঙ্গা জানচেন। তবে আমাদের দুট বড় বড় পিতলেব রাধীকেষ্ট্র ঠাকুর অাছে, তাতে চাব পাচ সের পিতল হবে। সেই দুট নিয়ে গেলে কি এক ৰোতলও পাওয়া যাবেন ? একটাতেই এক বোতল পাওযা যাবে। তবে