পাতা:অরূপরতন - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৬২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অরুপরতন ( অন্তদলের প্রবেশ ) ১ম । শুনেছি বিক্রমবাহু মরেনি । ৩য় । না, কিন্তু বিক্রমবাহুর বিচারটা কী রকম হোলো ? ২য় । শুনেছি বিচারকত্ত্ব স্বহস্তে রাজমুকুট পরিয়ে দিয়েছে । ৩য় । এটা কিন্তু একেবারেই বোঝা গেল না । ২য় । বিচারটা যেন কেমন বেখাপ রকম শোলাচ্চে ! ১ম । তা তো বটেই ! অপরাধ যা কিছু করেছে, সে তো ঐ বিক্রমবাহুই । ২য় । আমি যদি বিচারক হতুম, তাহোলে কি আর আস্ত রাখতুম ? ওর আর চিহ্ন দেখাই যেত না ! ৩য় । কী জানি, বিচারকর্তাকে দেখিলে, তার বুদ্ধিটাও দেখা যায় না । ১ম । ওদের বুদ্ধি ব’লে কিছু আছে কি ! এর মধ্যে সবই মর্জি। কেউ তে বলবার লোক নেই । ২য় । যা বলিস ভাই, আমাদের হাতে শাসনের ভার যদি পড ত, তাহোলে এর চেয়ে ঢের ভালে ক’বে চালাতে পারতুম। ৩য় । সে কি একবার ক’রে বলতে । [ সকলের প্রস্থান ( ঠাকুরদাদা ও বিক্রমবাহুর প্রবেশ ) ঠাকুরদাদা। একী বিক্রমরাজ, তুমি পথে যে ! বিক্রম । তোমার রাজা আমাকে পথেই বের করেছে । ঠাকুরদাদ। ঐ তো তার স্বভাব ! বিক্রম। তার পরে আর নিজের দেখা নেই। ঠাকুরদাদা। সেও তার এক কৌতুক। Qbr