পাতা:অরূপরতন - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৬৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অরপরতন স্বল্পঞ্জমা । কিন্তু সে গৰ্ব্বও তোমার টি কবে না । সে যে তোমারও আগে এসেছিল নইলে তোমাকে বার করে কার সাধ্য ! تھی۔ স্থদর্শন । ত হয়-তে এসেছিল—আভাস পেয়েছিলুম কিন্তু বিশ্বাস করতে পারিনি। যতক্ষণ অভিমান ক’রে বসে ছিলুম ততক্ষণ মনে হয়েছিল সেও আমাকে ছেড়ে গিয়েছে—অভিমান ভাসিয়ে দিয়ে যখনি রাস্তায় বেরিয়ে পড়লুম তখনি মনে হোলে। সেও বেরিয়ে এসেছে, রাস্তা থেকেই তাকে পাওয়া সুর করেছি । এখন আমার মনে আর কোনো ভবন। নেই । তার জন্যে এত যে দুঃখ এই দুঃখই আমাকে তার সঙ্গ দিচ্চে—এত কষ্টের রাস্ত আমার পায়ের তলায় যেন স্বরে স্বরে বেজে উঠছে—এ যেন আমার বীণা, আমার দুঃখের বীণা—এরই বেদন}র গানে তিনি এই কঠিন পাথরে এই শুকনো ধূলোয় আপনি বেরিয়ে এসেছেল—আমার হাত ধরেছেন— সেই আমার অন্ধকারের মধে। যেমন ক’রে হাত পরতেল--হঠাৎ চমকে উঠে গায়ে কাটা দিয়ে উঠন্ত–এও সেই রকম । কে বললে, তিনি নেই—শুরঙ্গম, তুই কি বুঝতে পারছিসনে তিনি লুকিয়ে এসেছেন ? ( সুরঙ্গমার গাম ) অামার অার হবে না দেরি, আমি শুনেছি ঐ বাজে তোমার ভেরী । তুমি কি নাথ দাড়িয়ে আছ অামার যাবার পথে, মনে হয় যে ক্ষণে ক্ষণে মোর কাতায়ন হতে তোমায় যেন হেরি । رن وین