ভারতবর্ষে প্রবেশ করে। ষষ্ঠ শতকের গুপ্ত যুগ ছিল জ্যোতির্বিজ্ঞান ও জ্যোতিষচর্চার সুবর্ণযুগ। টলেমি জ্যোতিষশাস্ত্রকে তাঁর পর্যবেক্ষণের যতটুকু দিতে পেরেছিলেন, সেটাই কিন্তু আজকের আধুনিক জ্যোতিষশাস্ত্রের মূল।
গ্রিসের জ্যোতির্বিজ্ঞানও জ্যোতিষচর্চা সমকালীন ইউরোপ ও এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল দ্বিগবিজয়ী সেনা, নাবিক, পর্যটক ও বণিকদের মাধ্যমে।
গ্রিকদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে জ্যোতির্বিজ্ঞান ও জ্যোতিষচর্চা শুরু হয়েছিল আরব দেশগুলোতে। আরবরা তাদের জ্যোতিষচর্চায় নিজস্ব গণিতশাস্ত্রকে প্রয়োগ করেছিল।
প্রাচীন ভারতের আর এক বিখ্যাত জ্যোতির্বিদের পরিচয় আমরা পেলাম দ্বাদশ শতকের শুরুতে। ইনি ভাস্করাচার্য। গণিতজ্ঞ ও জ্যোতির্বিদ ভাস্করাচার্য প্রথম জানালেন পৃথিবীর ব্যাস। এই শতকের বঙ্গদেশে সে যুগে ব্রাহ্মণ্য ধর্মের সঙ্গে জ্যোতিষশাস্ত্রও রাজশক্তির পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছিল। সেই সময় রচিত গ্রন্থের একটা বিরাট অংশই দখল করেছিল জ্যোতিষশাস্ত্র।
শত-সহস্র বছর ধরে মানুষের মধ্যে একটা ধারণা কাজ করছিল। আমাদের
![]()
কোপারনিকাসের পরিকল্পনায় সূর্যকেন্দ্রিক বিশ্ব
প্রিয় বাসভূমি পৃথিবীই বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ডের কেন্দ্রস্থল। এতদিনকার জ্যোতির্বিদ ও জ্যোতিষীদের ধারণা খান খান করে ভেঙে দেওয়ার কাজে হাত দিলেন কোপারনিকাস (খ্রিস্টাব্দ ১৪৭৩-১৫৪৩)। জন্ম পোল্যাণ্ডে। তিনি একটি বই লেখেন “On the revolution of the heavenly spheres' বাংলায় বলা যায়