নবমপতি
নবমভাব ও বৃহস্পতি থেকে জাতকের ভাগ্য, গুরুর অনুগ্রহ, ধর্মানুষ্ঠান, উরু ও বাঁ-পায়ের বিচার করা হয়। নবমস্থানকে বলা হয় ভাগ্যস্থান।
লগ্ন থেকে নবম ও চন্দ্র অর্থাৎ জন্মরাশি থেকে নবম—এই দুটির মধ্যে যেটি বেশি বলবান সেটা থেকেই ভাগ্য বিচার করা হয়।
নবমপতি লগ্নে থাকলে জাতক বুদ্ধিমান, দেব ও গুরুভক্ত, কৃপণ, স্বল্প ভূসম্পত্তিসম্পন্ন ও সরকারী কর্মচারী হয়।
নবমপতি ধনস্থানে থাকলে জাতক ধনী, বিখ্যাত, বিদ্বান ও যশবান হয়।
নবমপতি তৃতীয় ঘরে থাকলে জাতক বন্ধু-বৎসল হয় ও তার একাধিক স্ত্রী থাকে।
নবমপতি চতুর্থ ঘরে থাকলে জাতক পিতৃভক্ত, বিখ্যাত, ভূসম্পত্তির অধিকারী ও বন্ধুদের উপকারী হয়।
নবমপতি পঞ্চম ঘরে থাকলে জাতক রূপবান, পুত্রবান ও দেবভক্ত হয়।
নবমপতি ষষ্ঠে থাকলে জাতক অর্ধমপরায়ণ, নিদ্রালু এবং অশক্ত-দেহী হয়।
নবমপতি সপ্তমে থাকলে জাতক সুরূপা, সুশীলা, শ্রীময়ী স্ত্রী লাভ করে।
নবমপতি অষ্টমে থাকলে জাতক অধার্মিক, দুষ্ট, হিংস্র ও বন্ধুশূন্য হয়।
নবমপতি নবমে থাকলে জাতক স্বদেশে ভাগ্যবান, বন্ধু-প্রিয়, দাতা ও দেব-গুরু-ভক্ত হয়।
নবমপতি দশমে থাকলে জাতক বিশাল ধনী ও ধর্ম দ্বারা বিখ্যাত হয়। মাতার কখনও কোনও বিঘ্ন হয় না।
নবমপতি একাদশে থাকলে জাতক ধার্মিক, স্নেহপরায়ণ, ধনী, বিখ্যাত ও দীর্ঘায়ু হয়।
নবমপতি দ্বাদশে থাকলে জাতক বিদেশে মানী, রূপবান ও বিদ্বান হয়। নবমপতি পাপগ্রহ হয়ে দ্বাদশে থাকলে ধূর্ত ও মন্দবুদ্ধি হয়।
দশমপতি
দশমস্থান থেকে জাতকের ব্যক্তিত্ব, সম্মান, যশ, প্রতিপত্তি ও প্রভুত্ব ইত্যাদি বিচার করা হয়।
লগ্ন ও চন্দ্রের মধ্যে যে বলবান, সেই বলবান স্থান থেকে দশমভাব বিচার করে জাতকের কর্ম ও বৃত্তিবিচারও করা হয়ে থাকে। দশমস্থান অর্থাৎ কর্মস্থানে গ্রহ থাকলে শুভ ফল দিয়ে থাকে। গর্গমতে দশমস্থানে কোনও গ্রহ বা গ্রহের দৃষ্টি না থাকলে জাতক দরিদ্র হয়।
দশমপতি লগ্নে থাকলে জাতক পিতৃভক্ত, মায়ের বিরোধী, দুঃখী ও শৈশবে পিতৃহীন হয়।
দশমপতি দ্বিতীয়স্থানে থাকলে জাতক মায়ের দ্বারা পালিত, মায়ের অনিষ্টকারী,