সময়ই হতাশার সম্মুখীন হয়। তবু ঠেকে শিখতে চায় না।
হৃদয়রেখাটি যদি আরম্ভ হয় তর্জনী এবং মধ্যমার মাঝে তাহলে তা ইঙ্গিত করে শান্ত এবং গভীর চরিত্রের, বিশেষ করে প্রেমের ব্যাপারে। বৃহস্পতির আদর্শবাদিতা এবং শনির সরল গাম্ভীর্যের সংমিশ্রণ পাওয়া যায় এ রকম হাতে। হৃদয়রেখা যদি শনির স্থান থেকে শুরু হয়, তাহলে জাতক স্নেহ-প্রীতির বিষয়ে কম-বেশি আত্মকেন্দ্রিক এবং অহংবোধসম্পন্ন হয়।
হৃদয়রেখাটি হাতের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত হলে এরা যাকে ভালোবাসে তার মুহূর্তের অদর্শনও সহ্য করতে পারে না। সুতরাং প্রেমের অতি আবেগ এদের দুঃখ দেয়।
হৃদয়রেখা থেকে ছোট ছোট রেখা বেরিয়ে এলে তা বোঝায় ভালোবাসার ব্যাপারে জাতক দৈহিক কামনা ছাড়া কিছু বোঝো না।
হৃদয়রেখাটি যদি শনির ক্ষেত্রের নিচু থেকে শুরু হয় তবে জাতক বিপরীত লিঙ্গের প্রতি কোনও আকর্ষণ বোধ করে না। হৃদয়রেখা ভগ্ন হলে তা বোঝায় ভালোবাসার ব্যাপারে নৈরাশ্য।
হৃদয়রেখাটি যদি বৃহস্পতির ক্ষেত্রে দু-ভাগ হয়ে শুরু হয় তাহলে সেই হাতের অধিকারী হয় আদর্শবাদী, সৎ প্রকৃতির। তার ভালোবাসা হয় গভীর ও আন্তরিক। হৃদয়রেখাটি খুব সরু হলে বোঝায় বন্ধ্যাত্ব।
ভাগ্যরেখা
ভাগ্যরেখার গুরুত্ব নির্ভর করে হাতের আকারের ওপর। লম্বাটে দার্শনিক বা শিল্পী-মানসিকতার হাতে ভাগ্যরেখা দীর্ঘ ও গভীর হওয়ার গুরুত্ব যতটা, একটা চৌকো হাতে ততটাই দীর্ঘ ও গভীর ভাগ্যরেখার গুরুত্ব তারচেয়ে বেশি।
যদি এই রেখাটি কব্জি থেকে শনির স্থান পর্যন্ত বিস্তৃত হয়, তাহলে তা ইঙ্গিত করে জাতকের সাফল্য ও সৌভাগ্যর। জাতকের এই সাফল্যের মূলে থাকে আত্মকেন্দ্রিক চরিত্র।
রেখটির উৎস যদি চন্দ্রের স্থান হয় এবং রেখাটি বাঁকাভাবে ওপরে উঠে যায় তাহলে জাতকের ভাগ্য গড়ে উঠবে অন্যের সাহায্য ও সহযোগিতায়।
রেখাটির উৎস যদি আয়ুরেখার সঙ্গে যুক্ত থাকে অথবা খুব কাছাকাছি থাকে তাহলে জাতক পিতা-মাতা, ভাই-বোনদের প্রতি কর্তব্যতাড়িত হয়ে নিজের ইচ্ছাকে বলি দিয়ে থাকে।
রেখাটি যদি বৃহস্পতির ক্ষেত্রে অগ্রসর হয় তাহলে তা বিশেষ সাফল্যের ইঙ্গিত বহন করে। এরা কর্মজীবনে সর্বোচ্চ পদে পৌঁছে যায়।
ভাগ্যরেখাটি যদি হৃদয়রেখা বা শিরোরেখা পর্যন্ত এসে থেমে যায় তা সৌভাগ্যকে খণ্ডন করার ইঙ্গিত দেয়।