| মাসিক আয়— | জ্যোতিষীদের সংখ্যা |
| ১০ হাজার টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকার মধ্যে | ২৫০০ থেকে ৩০০০ |
| ৪০ হাজার টাকার বেশি এবং ১ লক্ষ টাকার মধ্যে | ১০০০ থেকে ১৫০০ |
| ১ লক্ষ টাকার বেশি এবং ২ লক্ষ টাকার মধ্যে | ২০০ থেকে ৩০০ |
| ২ লক্ষ টাকার বেশি এবং ৫ লক্ষ টাকার মধ্যে | ১০০ থেকে ১৫০ |
| ৫ লক্ষ টাকার বেশি এবং ৩০ লক্ষ টাকার মধ্যে | ৪০ থেকে ৫০ |
এখন অবশ্য ভাগ্যগণকরা কেউ-ই নিজেদের শুধুমাত্র ‘জ্যোতিষী’ বলে বিজ্ঞাপন দেয় না। ওরা এখন প্রত্যেকেই ‘তান্ত্রিক’ ‘তন্ত্রভৈরব’, ‘তন্ত্রসিদ্ধ’, ‘অলৌকিকমাতা’ ইত্যাদি। কারণ ওরা ইতিমধ্যে জেনে গেছে, ভাগ্য পাল্টাবার কথা বললে যখন-তখন গ্রেপ্তার হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা। যুক্তিবাদী সমিতির জন্যেই যে জ্যোতিষীদের ‘কপাল পুড়েছে’ জেনে যুক্তিবাদী সমিতিকে বশ করার কোনও তাবিজ ধারণ না করে নিজেদের পরিচয়ই পাল্টে ফেলছে। তান্ত্রিক ইত্যাদির ভড়ং নিয়ে পিঠ বাঁচাতে চাইছে। ভড়ংদাররা জানে এদেশে ধর্ম বিশাল ঢাল। তান্ত্রিক, ধর্মগুরু ইত্যাদিদের সাত খুন মাপ।
জ্যোতিষীদের ভয় অন্য জায়গায়। জ্যোতিষীদের প্রতারক চরিত্র- যেভাবে একের পর এক বে-আব্রু করেই চলেছেন যুক্তিবাদীরা, তাতে কারাবারে তালা দ্রুত পড়েই চলেছে। ভয় পেয়েছেন মন্ত্রীরাও, যাঁরা চান, তাঁদের মতামত ও খামখোলিপনার ওপর জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ‘হয়ে ওঠা’ নির্ভরশীল থাক। যুক্তিবাদের উত্থান মানেই সরকারি ব্যয়ে করদাতাদের অর্থে-দুজ্ঞেয়বাদী অবিদ্যার পৃষ্ঠপোষকতা থেকে পিছু হটা—এই সত্য মন্ত্রীরা বোঝেন।
মানব প্রজাতির অগ্রগমন অনিবার্য। আর অগ্রগমন মানেই অবিদ্যার পশ্চাৎ-অপসরণ।