অসিত : কিছু লোকের জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রতি অবজ্ঞা বা অবিশ্বাস আছে ঠিকই। কিন্তু তাঁদের যদি প্রশ্ন করা যায়, তাঁরা কি যথেষ্ট পরিমাণে এই শাস্ত্র চর্চা করার পর এই ধরনের মনভাব পোষণ করেন? আবার অগণিত বিচার-বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ, যাঁদের এই শাস্ত্রে আস্থা আছে; তাঁরা দীর্ঘ অভিজ্ঞতা বা অনুশীলনের দ্বারা এর সত্যতার প্রমাণ পেয়েছেন।
আমি : ধাতু বা রত্নের দ্বারা কি শারীরিক বা মানসিকভাবে প্রতিকার সম্ভব বলে আপনার ধারণা?

জ্যোতিষ সম্রাট
ডঃ অসিতকুমার চক্রবর্তী
অসিত : রত্নের দ্বারা প্রতিকার সম্ভব। তার কারণ হিসেবে আমরা বলতে পারি যে, রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা করার অপেক্ষা রোগ প্রতিরোধ করার প্রয়োজনেই প্রাচীন ঋষিরা দিয়েছেন রত্ন ধারণের নির্দেশ।
আমি : আচ্ছা, আপনারা কি কখনও একটা সমীক্ষাভিত্তিক গবেষণা করে দেখেছেন যে, পাথর পরার পর কতগুলো রোগ সেরেছে? কতকগুলো সারেনি?
অসিত : এটা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বলা যায় যে, রত্নের দ্বারা উপকার পাওয়া সম্ভব।
আমি : সম্ভব। আবার সম্ভব নাও হতে পারে। এটা কোনও পরীক্ষার কথা নয়, গবেষণার কথা নয়, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তাহলে এল কোথা থেকে? পাথরের সেখানেই কাজ করতে পারার সম্ভাবনা আছে, যেখানে রোগটা মানসিকভাবে এসেছে।