আমি : আচ্ছা। আমি চতুর্থ প্রশ্নে যাচ্ছি, বর্তমানে ওর মোট আয় কত বলে আপনার মনে হল?
শুকদেব : নিয়ারলি প্রায় বরুন দু’হাজার থেকে আড়াই হাজারের মতো।
আমি : এখানে উপস্থিত রয়েছেন দীপক ভট্টাচার্য। দীপকবাবু বয়সে তরুণ। কাজ করেন স্টিল অথরিটি অফ ইণ্ডিয়ার ১০ নম্বর ক্যামাক স্ট্রিট কলকাতা, ডেপুটি চিফ মার্কেটিং ম্যানেজার পদে।
দীপক, আপনি বলুন তো আপনার মা-বাবা দু’জনেই বেচে আছেন?
দীপক : হ্যাঁ, দুজনেই বেঁচে আছেন।
আমি : আপনি কি লেখাপড়ায় মোটামুটি পর্যায়ের ছাত্র ছিলেন?
দীপক : না, ভাই ছিলাম।
আমি : ভাল মনে কী ধরনের? আমি শুনেছি আপনি ইউনিভার্সিটিতে স্ট্যাণ্ড করা ছেলে ছিলেন।
দীপক : হ্যাঁ।
আমি : আপনার জীবনের সবচেয়ে দুঃখজনক ঘটনাটা কী?
দীপক : আমি ১৯৯৭ সালে এক দুর্ঘটনায় পড়ে বি.এস-সি. পার্ট ওয়ানের পরীক্ষায় বসতে পারিনি। এটাই আমার সবচেয়ে দুঃখজনক ঘটনা।
আমি : বর্তমানে আপনার মোট আয় কত?
দীপক : প্রায় হাজার চারেক টাকা।
আমি : এবার তপন চৌধুরীর সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন রাখছি। তপন চৌধুরীর হাত তো আপনি আগেই দেখে নিয়েছেন। বর্তমানে ও কোথায় কাজ করে? মানে, ওর পেশা কী ধরনের জায়গাতে হতে পারে?
শুকদেব : এই পরিচালনামূলক কাজ করেন, ফ্যাকট্রিতে; ওভারসিয়ার যাকে বলি আর কী।
আমি : তপনবাবু বিয়ে করেছেন। বিয়েটা কি সম্বন্ধ করে, না প্রেম করে বলে আপনার ধারণা?
শুকদেব : দেখুন, সম্বন্ধ করেই করেছেন। কিন্তু মেয়েটি পূর্বপরিচিতই, আমরা বলব।
আমি : লেখাপড়া কতদূর হয়েছে?
শুকদেব : উচ্চ ডিগ্রিতে বিঘ্ন হবে। যেমন আই.এ. পাশ বি.এ পাশ বা বি.কম. পাশ করল, কিন্তু হাতের চেহারাটা কিন্তু প্র্যাকটিক্যাল। তাই কর্মটাকে প্রাকটিক্যালই করতে হবে।
আমি : শেষ প্রশ্ন, বর্তমানে তপনবাবুর আয় কেমন?
শুকদেব : দেড় হাজার থেকে দু’হাজার টাকা।