আমি : পারমিতা, আপনার কি মত?
পারমিতা : ১৯৮০ থেকে ১৯৮৫ মার্চ পর্যন্ত ওনার বিশেষ শারীরিক অসুস্থতা মারকভাবে দেখছি।
আমি : পেশা কী?
পারমিতা : শিল্পী। মনে হয়। সংগীত-জগতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং এছাড়া অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
আমি : দ্বিতীয় প্রশ্ন, শিক্ষাগত যোগ্যতা কেমন দেখলেন?
পারমিতা : উচ্চশিক্ষিত। সম্ভবত ইঞ্জিনিয়ারিং লাইনের কোনও শিক্ষায় ডিগ্রি পেয়েছেন।
আমি : বিয়ে করেছিলেন কি?
পারমিতা : বিবাহিত-জীবন সুখের হয়নি।
আমি : তার মানে, আপনি বলছেন, বিয়ে করেছিলেন; কিন্তু সুখের হয়নি তাই তো?
পারমিতা : হ্যাঁ।
আমি : দ্বিতীয় জন্ম সময়টি অরুণ মুখোপাধ্যায়ের। অরুণবাবু এখনও মরেননি। অরুণবাবু, আপনি কতদূর পর্যন্ত পড়াশুনো করেছেন?
অরুণ : আমি বি.এ. পাশ করেছি।
আমি : কোথায়, কী পোস্টে কাজ করছেন?
অরুণ : স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইণ্ডিয়ার মেন ব্রাঞ্চে অ্যাকাউণ্টস ডিপার্টমেণ্টে আমি কাজ করি। হেড ক্লার্ক।
আমি : আপনি গান করেন? মানে ফ্যাংশনে কখনও গেয়েছেন?
অরুণ : না, কখনও না।
আমি : দূর বিদেশে গিয়েছেন?
অরুণ : দূর বিদেশে কেন? ভারতের বাইরেই যাইনি।
আমি : আপনি কোন বছর বিয়ে করেছেন?
অরুণ : আমি বিয়ে করিনি।
আমি : আমরা তৃতীয় ছকে চলে যাচ্ছি। তৃতীয় ছকের জাতকের জন্ম সময় ২৩ এপ্রিল ১৯৪৭ সালে, সকাল ৮টা ৩০ মিনিট ৫৬ সেকেণ্ড হুগলি জেলার ‘জঙ্গলপাড়া’ গ্রামে। প্রথম প্রশ্ন হল- লেখাপড়ায় কেমন?
অসিতকুমার : বিজ্ঞান বিষয়ে উচ্চশিক্ষিত।
আমি : ওর পেশা কী?
অসিতকুমার : চিকিৎসক হওয়ার সম্ভাবনা।